Thursday, January 24, 2019
শাওমি রেডমি নোট ৭ দাম মাত্র ১৫০ ইউ এস ডলারে।
January 24, 2019
![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
প্রতিযোগীতা মূলক বাজারে টিকে থাকার জন্য নিত্যনতুন পণ্য বাজারে আনার কৌশলটি অনেকের জন্য কাজে দেয়। অন্ততঃ শাওমি এক্ষেত্রে ব্যাপক সফলতা পাচ্ছেন বলতেই হবে। চীনের অ্যাপল বলে লোকমুখে পরিচিত এই ইলেকট্রনিক্স নির্মাতা একের পর এক নতুন ফোন বাজারে এনে হৈচৈ ফেলে দিয়েছে।
এইতো ১৫ দিন আগে শাওমি প্লে ফোন উন্মোচন করেই একেবারে গিনেজ বুকের বিশ্বরেকর্ডে নাম লিখিয়ে ফেলল শাওমি। আর এরই মধ্যে কোম্পানিটি নতুন শাওমি রেডমি নোট ৭ স্মার্টফোন বাজারে আনার ঘোষণা দিয়ে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছেন।
শাওমি রেডমি নোট ৭ এ কী কী আছে?
শাওমি রেডমি নোট ৭ ফোনের স্ক্রিন সাইজ ৬.৩ ইঞ্চি, যা বর্তমানের ট্রেন্ড ওয়াটার ড্রপ নচ নিয়ে এসেছে। এর রেজ্যুলেশন ১০৮০ x ২৩৪০ (৪০৯ পিপিআই), সাথে আছে গরিলা গ্লাস ৫।অত্যন্ত কম দামের শাওমি রেডমি নোট ৭ ফোনের প্রধান আকর্ষণ হচ্ছে এর ক্যামেরা। রেডমি নোট ৭ স্মার্টফোনের মূল ক্যামেরায় আপনি পাচ্ছেন ৪৮ মেগাপিক্সেল বিশাল সেন্সর। এর ডুয়াল লেন্স সেটাপে সাথে থাকছে একটি ৫ মেগাপিক্সেল সেন্সর যেটি এআই ও পোর্ট্রেট মুডে কাজে লাগবে।
শাওমি রেডমি নোট ৭ এর সেলফি ক্যামেরাটি ১৩ মেগাপিক্সেল হবে, যা ওয়াটার ড্রপ নচের মধ্যে জায়গা করে নিয়েছে।
ফোনটি এন্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম ৯ পাই এবং এম আই ইউ আই ১০ ব্যবহার করছে। আরও আছে হাইব্রিড ডুয়াল সিম এবং ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানার।
৪০০০ এমএএইচ ব্যাটারি সমৃদ্ধ এই ফোনটি কুইক চার্জ ৪ সাপোর্টেড। ফলে শূন্য থেকে ১০০% চার্জ করতে কুইক চার্জার দিয়ে মাত্র ১ ঘণ্টা ৪৩ মিনিট সময় লাগবে।
যদিও বক্সের মধ্যে সাধারণ চার্জার দেয়া থাকবে। তার মানে কুইক চার্জার আলাদা কিনতে হবে।
২.২ গিগাহার্টজ কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৬৬০ চিপসেট চালিত শাওমি রেডমি নোট ৭ ডিভাইসে ৩/৪/৬ জিবি র্যাম এবং ৩২/৬৪ জিবি স্টোরেজ ভ্যারিয়েশন পাওয়া যাবে। দাম হবে ১৫০ ডলার (৩/৩২), ১৭৫ ডলার (৪/৬৪), এবং ২০০ ডলার (৬/৬৪), যা বাংলাদেশে এলে কিছুটা বাড়তে পারে।
শুরুতে ব্লু, টুইলাইট গোল্ড এবং ব্ল্যাক কালারে চীনে পাওয়া যাবে শাওমি রেডমি নোট ৭ ফোন। জানুয়ারির শেষ নাগাদ ডিভাইসটি বাংলাদেশের বাজারে আসতে পারে।
যৌন হেনস্থা আইন
January 24, 2019
| ছবি: সংগৃহীত |
১৯৭৯ইং সালে নারীদের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ রোধের জন্য আন্তর্জাতিক কনভেনশনে ভারতও অন্যতম স্বাক্ষরকারী দেশ। এই কনভেনশনে নারীদের অধিকার রক্ষা করার যে প্রতিশ্রুতি রয়েছে, তা পালন করার একটি শর্ত হল তাদের যৌন হেনস্থা রোধ করতে হবে। ভারত এই কনভেশনে সই করলেও এ পর্যন্ত লোকসভা এ বিষয়ে কোনো আইনই প্রণয়ন করেনি। তবে ১৯৯৭ইং সালে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট 'বিশাখা ও অন্যরা বনাম রাজস্থান প্রদেশ ও অন্যরা' মামলায় যে রায় দেয়, সেটি কার্যক্ষেত্রে আইনেরই সমতুল্য। সুপ্রিম কোর্টের বিচারে কাজের জায়গায় কোনো মেয়েকে উত্যক্ত করার অর্থ তার যে কোনও পেশা বা জীবিকা গ্রহণের সাংবিধানিক অধিকারককে অস্বীকার করা। কিন্তু যেহেতু এ ব্যাপারে কোনও আইন নেই, তাই তার অভাব পূরণ করতে এই মামলায় সুপ্রিম কোর্ট কতগুলি নির্দেশাবলী জারি করেছে। আইনের কার্যকারিতা নির্ভর করে সাধারণ মানুষের সচেতনতার উপরে। সুপ্রিম কোর্টের গাইডলাইন বা নির্দেশিকার অন্যতম উদ্দেশ্য এ ব্যাপারে সচেতনতা বৃদ্ধি করা।
যৌন হেনস্থা কি?
যৌন হেনস্থা নানান আকার নিতে পারে। কতগুলো উদাহরণ নিলে ব্যাপারটি স্পষ্ট হবে।
আমার এক সহকর্মী (বা সহকর্মীরা) আমাকে শুনিয়ে শুনিয়েই আমার জামা-কাপড় নিয়ে নানান কুরুচিপূর্ণ বিরক্তিকর মন্তব্য করে।
আমার 'বস'প্রায়ই আমার গায়ে হাত দেন, আমি তাতে অস্বোয়াস্তি বোধ করি। উনি অবশ্য ভাব দেখান যে হঠাৎ হঠাৎ করেই লেগে যাচ্ছে - এর মধ্যে কোনো দুরভিসন্ধি নেই। কিন্তু আমার মনে হয় উনি ইচ্ছাকৃত ভাবে আমার গা স্পর্শ করছেন।
আমার সামনে বসে আমার সহকর্মীরা নানা রকম অশ্লীল রঙ্গ-রসিকতা করে। আমি বিরক্তি প্রকাশ করলে আমায় খ্যাপায় আমি হাসিঠাট্টা বুঝি না বলে। কিন্তু থামে না ওদের রঙ্গ-রসিকতা চালিয়ে যায়।
আমি এক বাড়িতে রান্নার কাজ করি। বাড়ির বাবু প্রায়েই রান্নাঘরে এসে আমার দিকে লোভি লোভি দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকেন। মাঝে মাঝেই এটা ওটা এগিয়ে দেবার অছিলায় আমার গা স্পর্শ করেন।
আমার 'বস'-এর ঘরে কোনো কাজের ব্যাপারে গেলে প্রথমেই আমার চেহারা আর পোষাকের প্রশংসা করেন। কাজের চেয়ে আমার ব্যক্তিগত জীবনেই ওনার উত্সাহ বেশি। কথায়-বার্তায় আকারে-ইঙ্গিতে উনি বুঝিয়ে দেন আমাকে ওনার খুব পছন্দ। আমি ওনাকে প্রশ্রয় দিতে চাই না, কিন্তু ভয়ে কিছু বলতে পারি না কারণ আমার পদোন্নতি ওনার উপরে নির্ভর করছে।
এ ধরণের অভিজ্ঞতা অনেক নারীর জীবনেই ঘটেছে। কাজ করতে গেলে এই ধরণের ঘটনা ঘটবে বলেই সবাই মেনে নেন এবং সমাজের অন্যান্য নানা অবিচারের মত এগুলোকেও সহ্য করেন।
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশিকা অনুসারে যৌন হেনস্থা হল:
গায়ে হাত দেওয়া বা হাত দেবার চেষ্টা করা।
যৌন সম্পর্ক স্থাপনের ইচ্ছে প্রকাশ করা।
যৌন রসাত্বক মন্তব্য বা রসিকতা করা।
অশ্লীল ছবি বা বই প্রদর্শন করা।
অন্য যেকোনো অবাঞ্ছিত যৌন আচরণ - দৈহিক, মৌখিক বা ইঙ্গিতসূচক।
এ ধরণের আচরণের প্রতিবাদ জানালে চাকরি চলে যেতে পারে পদোন্নতির সম্ভবনা নষ্ট হতে পারে, কর্মক্ষেত্রে একটা অপ্রতিকুল পরিবেশ সৃষ্টি হতে পার - কর্মক্ষেত্রে এই নিরাপত্তার অভাব নারীকে এক পরম অপমানজনক পরিস্থিতির মধ্যে ফেলে। এতে তার জীবিকা অর্জনের অধিকার খর্ব হয়, তার স্বাস্থ্য-হানিও ঘটতে পারে।
সুপ্রিম কোর্টের রায় লাঞ্ছিত নারীকে কিছু হাতিয়ার দিয়েছে যৌন হেনস্থর হাত থেকে নিজেদের রক্ষা করার জন্য। কিন্তু তার জন্য নারীকে সক্রিয় হতে হবে। প্রথমে তার প্রতি যে আচরণটি করা হয়েছে বা হচ্ছে সেটি অবাঞ্ছিত - সেটা প্রমাণ করতে হবে। উত্যক্তকারীকে উপেক্ষা না করে তাকে নিজের অস্বোয়াস্তি বা আপত্তির কথা জানাতে হবে। রেজিস্ট্রি পোস্টে আপত্তি জানালে সেটি প্রমাণ হিসেবে থাকবে। তারিখ দিয়ে হেনস্থার বিবরণ লিখে রাখা, বিষয়টি নিয়ে সহানুভুতিসম্পন্ন সহকর্মীদের সঙ্গে আলোচনা করা, ঘটনার সাক্ষী থাকলে তার সাক্ষ্য রাখা। কর্ম সংস্থায় যৌন হেনস্থা সম্পর্কে ভারপ্রাপ্ত ব্যক্তি থাকলে তার সঙ্গে আলোচনা করা - এগুলো সবই অবাঞ্ছিত আচরণ প্রমাণে সাহায্য করবে। অনেক ক্ষেত্রে এই রকম আলাপ আলোচনার মাধ্যমেই এই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে, না হলে অভিযোগ শোনার জন্য যে কমিটি থাকে - তাদের কাছে অভিযোগ জানাতে হবে।
যৌন হেনস্থা দূর করার জন্য সুপ্রিম কোর্টের বিধান অনুযায়ী কর্তৃপক্ষের প্রধান দায়িত্ব নারীদের জন্য বৈষম্যমুক্ত কাজের পরিবেশ তৈরি করা। তার জন্য কর্তৃপক্ষকের জন্য কোর্টের যে নির্দেশাবলীতে রয়েছে, তার কয়েকটি হল:
(১) যৌন হেনস্থা সম্পর্কে নিষেধাজ্ঞা ও সার্কুলার জারি করা।
(২) সরকারী প্রতিষ্ঠানে কর্মক্ষেত্রে আচরণ সংক্রান্ত নিয়মাবলীর মধ্যে যৌন হেনস্থা ও তার শাস্তির উল্লেখ করা।
(৩) বেসকরারী প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে 'ইণ্ডাস্ট্রিয়াল এমপ্লয়েমেণ্ট অ্যাক্ট, ১৯৪৬-এর যে হুকুমনামা আছে - তার মধ্যে যৌন হেনস্থার বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত করা।
(৪) কর্মক্ষেত্রে কাজ করার জায়গা, বিশ্রাম নেবার জায়গা, স্বাস্থ্যরক্ষা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্য হওয়ার জায়গা এমন ভাবে তৈরি করা যাতে কোনো নারীকর্মীর পক্ষেই সেটি অসুবিধাজনক পরিস্থিতির সৃষ্টি না করে।
(৪) যদি কোনো আচরণ ভারতীয় দণ্ডবিধির আওতায় পড়ে বা অন্য কোনো আইন তাতে লঙিঘত হয়, তাহলে প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তার দায়িত্ব সেটি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো। তাঁদের আরও দায়িত্ব থাকবে যে যার উপর যৌন হেনস্থা করা হয়েছে আর যারা সেই হেনস্থার সাক্ষী - তাদের উপর যেন কোনো বৈষম্যমূলক আচরণ বা অন্যায় না হয় সেটা দেখা।
(৫) এই আচরণ যদি চাকরির নিয়মাবলীর পরিপ্রেক্ষিতে অসদাচারণ বলে বিবেচিত হয়, তাহলে সেই অনুসারে পদক্ষেপ নেওয়া।
(৬) যৌন হেনস্থার অভিযোগ নেবার জন্য অভিযোগ শুনানির কমিটি গঠন করা, যেখানে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অভিযোগের মোকাবিলা করা যায়।
(৭) ইউনিয়ন বা কর্মীপরিষদের দায়িত্ব হল মিটিং-এ কোনো কর্মী যৌন হেনস্থা নিয়ে আলোচনা করতে চাইলে, তা করতে দেওয়া এবং মালিক-কর্মীর মিটিং-এ এ নিয়ে গঠনমূলক আলোচনা করা।
দুর্ভাগ্যবশতঃ আমাদের দেশে বেশির ভাগ নারীই কাজ করছেন অসংগঠিত সংস্থায়। সেখানে মালিক-কর্মীর আচরণ সংক্রান্ত কোনো নিয়মাবলীও নেই, অভিযোগ জানানোর কোনো কমিটিও নেই। তাই বহু ক্ষেত্রেই যৌন হেনস্থা থেকে বাঁচার একমাত্র উপায় চলে গিয়ে অন্য কোথাও কাজ নেওয়া।
আপনার মোবাইল কি বৈধ এখনই জেনেনিন?
January 24, 2019
![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
বৈধভাবে আমদানি করা এবং উৎপাদিত হ্যান্ডসেটের আইএমইআই ‘এনওসি অটোমেশন অ্যান্ড আইএমইআই ডেটাবেজ (এনএআইডি)’ চালু করা হয়েছে। মঙ্গলবার ডাক, টেযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) ভবনে এই ডেটাবেজের উদ্বোধন করেন।
গ্রাহকের মোবাইল ফোনটি বৈধ নাকি অবৈধ ভাবে আমদানি করা হয়েছে, তা এখন জানা যাবে সহজেই। মোবাইল এসএমএসের মাধ্যমে আপনি যাচাই করতে পারবেন আপনার মোবাইলের বৈধতা। ২০১৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে আমদানি করা অথবা দেশে তৈরি মোবাইলের আইএমইআই নম্বর বিটিআরসির তথ্যভান্ডারে রয়েছে। এর আগের আইএমইআই নম্বর হয়তো পাওয়া যাবে না ডেটাবেজে।
বিটিআরসির তথ্যমতে, নতুন মোবাইল ফোনসেট কেনার সময় ফোনের প্যাকেটের গায়ে লেখা ১৫ ডিজিটের ২টি আইএমইআই নম্বরটি দেখে নিতে হবে। যদি প্যাকেটের গায়ে লেখা আইএমইআই নম্বরটি মনে না থাকে তাহলে সহজেই *#০৬# ডায়াল করলেই ২টি আইএমইআই নম্বর চলে আসবে।
এরপরে মোবাইল ফোনের এসএমএস অপশনে গিয়ে বড় অক্ষরের কেওয়াইডি লিখে স্পেস দিয়ে ১৫ ডিজিটের আইএমইআই নম্বরটি লিখে ১৬০০২ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে। ফিরতি এসএমএসে গ্রাহক বিটিআরসির ডেটাবেজে ওই আইএমইআই নম্বরটি আছে কি না, তা জানতে পারবেন।
বিটিআরসি’র তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশ মোবাইল ফোন ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএমপিআইএ) এর আর্থিক সহায়তায় এনএআইডি চালু করা হয়েছে। এই ডেটাবেজ চালু হওয়ায় অবৈধ ও চোরাই হ্যান্ডসেট আমদানি করা বন্ধ হয়ে যাবে। গত বছর দেশে মোট সোয়া তিন কোটি হ্যান্ডসেট বিক্রি হয়েছে। এর মধ্যে বিটিআরসি’র মাধ্যমে ২ কোটি ৭৬ লাখ ফোন বৈধভাবে আমদানি করা হয়। যত হ্যান্ডসেট বিক্রি হয় তার ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ আমদানি করা হয়। এর ফলে বিদায়ী বছরে এক হাজার থেকে ১২শ কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার।
Wednesday, January 23, 2019
যদি সূর্য হারিয়ে যায় তখন পৃথিবীর কী হবে?
January 23, 2019
![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
জানার ও কৌতূহলের কোনো শেষ নেই। আচ্ছা, কী হবে যদি এই মুহূর্তে হঠাৎ সূর্যটা গায়েব হয়ে যায়? অনেকে হয়ত ভাববেন এইসব চিন্তা করে সময় নষ্ট করে লাভ কী? কিন্তু কিছু কিছু কৌতূহলী মানুষ সারাক্ষণ এসব নিয়েই চিন্তা করে যাচ্ছেন। আপনারও যদি এই প্রশ্নের উত্তর জানার আগ্রহ সৃষ্টি হয়ে থাকে তাহলে চলুন দেখা যাক আসলেই এখন সূর্যটা বিলীন হয়ে গেলে কেমন হবে!
সূর্য পৃথিবী থেকে প্রায় ৩,৩৩,০০০ গুন ভারী আর এটা প্রতি সেকেন্ডে এক শত বিলিয়ন হাইড্রোজেন বোমার সমান শক্তি তৈরি করে। আর এর প্রবল আকর্ষণ বল দিয়েই এটা পৃথিবী সহ আটটি গ্রহকে তাদের কক্ষপথে ধরে রেখেছে। তাহলে চিন্তা করে দেখুন সূর্য না থাকলে আমাদের কী হবার কথা।
বিজ্ঞানীদের মতে, সূর্য হঠাৎ গায়েব হয়ে গেলে সৌরজগতের গ্রহগুলো সব ছিটকে মহাশূন্যে হারিয়ে যাবে। পাশাপাশি এদের মাঝে সংঘর্ষ হওয়াটাও অস্বাভাবিক কিছু নয়।
সূর্য কিন্তু আমাদের আলোর ও প্রধান উৎস। কিন্তু আলোর ব্যাপারটি একটু ভিন্ন। কারণ এত বেশি গতিতে চলার পরেও বিশাল দূরত্ব পাড়ি দিয়ে সূর্য থেকে আলো পৃথিবীতে পৌঁছাতে প্রায় ৮ মিনিট লেগে যায়। তাই মজার ব্যাপার হল ঠিক এই মুহূর্তে সূর্য বিলীন হয়ে গেলে তা আমাদের চোখে দেখে বুঝতে ৮ মিনিট সময় লেগে যাবে। মানে ৮ মিনিট পর বুঝবো যে সূর্য নেই। অবশ্য তার আগেই গ্রহগুলো ছিটকে গিয়ে একটা হুলস্থূল কান্ড ঘটে যাবে।
তবে অন্য কোনো দুর্ঘটনা না ঘটলে শুধুমাত্র আলোর অভাবে আমাদের তৎক্ষণাৎ কোন সমস্যা হবে না। কারণ ইলেকট্রিসিটি থাকবে এবং পাশাপাশি তারাগুলো তখনও কিছুটা আলো দিবে। এমনকি বৃহস্পতি গ্রহকেও প্রায় ১ ঘণ্টার মত দেখা যাবে (কারণ বৃহস্পতি থেকে সূর্যের আলো প্রতিফলিত হয়ে আসতে আসতে কিছুটা সময় নেবে। এই সময়ের পার্থক্যের কারণে সূর্য হারিয়ে গেলেও ঠিক আগের মুহূর্তের আলোটুকু এই পথ ঘুরে আসতে যে সময় দরকার সেই সময়টা বৃহস্পতিকে দেখা যাবে )।
কিন্তু পৃথিবীতে বিপত্তি ঘটবে ৮ মিনিট পর। কারণ, সূর্যের আলো ছাড়া সালোকসংশ্লেষণ হবে না।
তাই ছোট উদ্ভিদগুলো খাবার তৈরি করতে না পেরে কয়েকদিনের মধ্যেই মারা পড়বে। আর বড়গুলো হয়তো আরো কিছুদিন টিকে থাকবে। এর চেয়েও বড় সমস্যা আছে। আমরা জানি যে সূর্য আমাদের তাপেরও উৎস। আর তাপ যে কতটা দরকারি তা আর বলার অপেক্ষা রাখেনা। সূর্য বিলীন হয়ে যাওয়ার ১ সপ্তাহের মাঝে পৃথিবীর তাপমাত্রা ০ ডিগ্রী সেলসিয়াসে নেমে যাবে। আর সূর্যহীন এক বছর শেষে পৃথিবীপৃষ্ঠের তাপমাত্রা দাঁড়াবে মাইনাস ৭৩ ডিগ্রী সেলসিয়াস।
চিন্তা করে দেখুন তো, এই বরফশীতল অবস্থায় কোন জীবটির অস্তিত্ব থাকবে? তবে হাইড্রথার্মাল ভেন্টে যেসব প্রাণি আছে সেগুলো সূর্য ছাড়াই বেঁচে থাকতে পারবে বলে বিজ্ঞানীদের ধারণা।
ওই অবস্থায় পৃথিবীর সমুদ্রের উপরিভাগের পানিগুলো বরফ হয়ে পুরো পৃথিবীকে একটি বরফ খণ্ডের মত লাগবে। তবে মাটির নিচে, পৃথিবীর অভ্যন্তরে পৃথিবীর “কোর” তখনও তাপ উৎপাদন করবে। কেউ যদি এইদিকটায় সুবিধাজনক কোনো আশ্রয় পায়, তাহলে তার ভাগ্য কিছুটা প্রসন্ন বলা যায়, কিন্তু খাবে কী!
সূর্য না থাকলে মহাকর্ষ বল এর অভাবে পৃথিবী শূন্যের দিকে সোজা ছুটতে থাকবে। এখন পৃথিবী সূর্যের চারপাশে প্রতি ঘণ্টায় প্রায় ৬৭০০০ মাইল বেগে ছুটে চলেছে। সেই হিসেবে অন্য কোন কিছুর সাথে সংঘর্ষ না ঘটলে পৃথিবী প্রথম ১ বিলিয়ন বছরে পুরো আকাশগঙ্গা ছায়াপথের দৈর্ঘ্যের সমান দূরত্ব অতিক্রম করে ফেলবে আর অনন্তকাল এইভাবেই চলবে। কিন্তু আসলেই কি তাই? আমাদের ছায়াপথেই প্রায় ১০০ বিলিয়ন সূর্যের মত তারা রয়েছে, আরও আছে ১ বিলিয়নের মত ব্ল্যাক হোল। তাদের মাঝে কোন একটা যে পৃথিবীকে আবার ঐটার কক্ষপথে বসিয়ে দিবে না (কিংবা গ্রাস করবেনা) তাই বা কে বলতে পারে। সবই সর্ব শক্তিমান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন জানেন।
পারিবারিক আইন ও আদালত, ১৯৮৪
January 23, 2019
| ছবি: সংগৃহীত |
এই আইনটি প্রণয়ন করা হয়েছে নারীদের সুবিধার জন্য - তাদের পারিবারিক সমস্যার দ্রুত নিস্পত্তি করার জন্য। আজকের ভারতবর্ষে নারীদের আইনগত অনেক অধিকার থাকলেও, আইন সম্পর্কে বহু নারীর অজ্ঞতা, আর্থিক অসুবিধা ও যে-কোনও মামলা নিস্পত্তি হতে দীর্ঘকাল সময় লাগা, ইত্যাদি প্রতিকুলতার জন্য নারীরা তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে অনেক সময়েই বঞ্চিত হয়ে থাকেন। এইসব সমস্যার কথা ভেবেই পারিবারিক আদালত আইন তৈরি করা হয়েছে।
পারিবারিক কোর্টে কোনও উকিল নিযুক্ত করতে পারে না (অর্থবলের ফলে এক পক্ষ দুর্ধর্ষ উকিল এনে যাতে মামলায় নিজের সুবিধা না করে নিতে পারে, বা যাতে আইনের মারপ্যাঁচে মামলা দীর্ঘস্থায়ী না করতে পারে - এগুলি বন্ধ করার উদ্দেশ্যে) । এই কোর্টে উকিলের বদলে থাকবে শুধু নিরপেক্ষ পরামর্শদাতা বা কাউন্সেলর (Counselor) । তারা বাদী ও বিবাদী - দুই পক্ষের কাছেই যাবে ও তাদের সাথে কথা বলবে প্রয়োজন মত তাদের বন্ধু আত্মীয়স্বজনদের প্রশ্ন করবে বিষয়টি ভালো করে জানার জন্য। ব্যাপারটি নিজেরা পরিষ্কার বুঝে তারা দু-পক্ষকেই বোঝাবে ও বিচারকের কাছে তাদের রিপোর্ট পেশ করবে।
মামলা যদি বৈবাহিক -বিষয়ক হয়, তাহলে প্রথমে বিচারকের চেষ্টা হবে ব্যাপারটা আপোসে মিটিয়ে ফেলা। সেটা সম্ভব না হলে, উভয়পক্ষ যদি রাজি হয় - তাহলে তাদের সন্মতি নিয়ে বিবাহ-বিচ্ছেদের আদেশ দেওয়া। সম্পত্তি কি ভাবে ভাগ করা হবে, ভরণপোষণের দায়িত্ব কার কি বর্তাবে, নাবালকের অভিভাবকত্ব কে পাবে - এইসব বিচারক স্থির করে দেবে।
১২ বছর অন্তর ফোটে এই ফুল
January 23, 2019
![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
নীলাকুরিঞ্জি— কত শুনেছি তার নাম। অতি সাধারণ, হালকা নীল রঙের ছোট ছোট ফুল। গন্ধও নেই তেমন। তবুও কেন তার এত কদর!
কারণ একটাই— সে অতি দুর্লভ। বারো বছর পর পর সে ফোটে। সেই সময় পশ্চিমঘাট পর্বতমালার নীলগিরি পর্বত আক্ষরিক অর্থেই নীল হয়ে ওঠে তার আগমনে।
২০১৮ সালেই জুলাই থেকে অক্টোবর তার ফুটবার সময়। মনটা লাফিয়ে উঠেছিল। ১২ বছর পর কে কোথায় থাকব তার ঠিক নেই। সুতরাং এ সুযোগ হাতছাড়া করা যাবে না। কর্তামশাইকে রাজি করানো, প্লেনের টিকিট কাটা, হোটেল বুক— ঝপাঝপ সব করে ফেললাম।
চেন্নাই হয়ে কেরলের কোচি শহর। সেখান থেকে বাসে বা গাড়ি ভাড়া করে যেতে হবে সবুজে মোড়া পাহাড়ি শহর মুন্নারে। কিন্তু, দু’দিনের মধ্যেই মনের তুরুক নাচ বন্ধ হওয়ার উপক্রম হলো। টিভি, খবরের কাগজ সব জায়গায় খবরের শিরোনামে কেরলের বন্যা। মুন্নার যাওয়ার সব রাস্তা বন্ধ। কোচি বিমানবন্দরেরও একই অবস্থা।
সব বুঝি বিফলে যায়। মনখারাপের বোঝা কোথায় রাখি! তবু আশায় বাঁচে চাষা। হোটেল বুকিং ক্যানসেল করলেও ফ্লাইটের টিকিট করা হলো না সেই আশাতেই। শেষে এক বন্ধুর পরামর্শে ঠিক হলো, চেন্নাই থেকে কোদাইকানাল চলে যাব। সেখানেও নাকি নীলাকুরিঞ্জি ফোটে। তবে খুবই কম।
হোক কম। তবুও দেখতে তো পাব। সেখান থেকে মুন্নার যেতে পারলে ভাল। না হলে অন্য কোথাও চলে যাব।
সেই মতো সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহান্তে বেরিয়ে পড়লাম। কলকাতা থেকে দুপুরের ফ্লাইট। বিকেল ৪.৩০ নাগাদ পৌঁছে গেলাম চেন্নাই। সেখান থেকে বেশ সুন্দর আর আরামদায়ক নাইট সার্ভিস স্লিপার বাস। ৫২৬ কিলোমিটার পথ পেরোতে সময় নেয় ঘণ্টা দশেক।
সকাল ৬টা নাগাদ পৌঁছে গেলাম মেঘকুয়াশা মাখা, সদ্য ঘুম ভাঙা, হালকা শীতের চাদর জড়ানো কোদাইকানাল শহরে। মোটামুটি পছন্দসই এক হোটেল খুঁজে, লটবহর রেখে, ফ্রেশ হয়ে বেরিয়ে পড়া গেল শহর দেখতে। অবশেষে বিকেলের দিকে কোদাইকানাল বোটানিকাল গার্ডেনে দেখা মিলল সেই বিরল ফুলের। পাহাড়ের গায়ে প্রাকৃতিক ভাবে জন্মানো নয়, তবু চোখের দেখা তো হলো।
সে রাত কাটল কোদাইকানালেই। পরের দিন অনিশ্চিত যাত্রা মুন্নারের দিকে। বন্যাতে মুন্নারে যাওয়ার রাস্তাগুলি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। দু-একটি খুললেও আমাদের একটু ঘুরপথেই যেতে হয়েছিল। কোদাইকানাল থেকে বাসে ২ ঘণ্টার রাস্তা বাটলাগুন্ডু। সেখান থেকে বাসে আরও প্রায় দেড় ঘণ্টা পরে গিয়ে পৌঁছলাম থানিতে। এখান থেকে জিপ ভাড়া করে মুন্নার প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা।
মুন্নারে ঢুকতেই মন ভাল হয়ে গেল। গোটা শহর জুড়ে শুধু সবুজ চা বাগান। আর আছে ভেষজ উদ্ভিদের চাষ। চারিদিকে বিভিন্ন আকারের পাহাড়, কোনওটা নীল, কোনওটা সবুজ। জঙ্গল, ছোট ছোট ঝরনা, লেক দিয়ে সাজানো সুন্দরী মুন্নার।
পরদিন সকালে ঘুম ভাঙল এক উত্তেজনা নিয়ে। যে কারণে মুন্নারে আসা, তা দেখতেই আজ যাব এরাভিকুলাম ন্যাশানাল পার্ক-এ। এই সময় পাহাড় নাকি ছেয়ে থাকে নীল ফুলে। নীল আকাশের সঙ্গে নাকি বাজি লড়ে নীলগিরি।
এই ট্রিপে প্রায় জোর করেই আসা প্রকৃতির ইচ্ছার বিরুদ্ধে। সেপ্টেম্বর, কিন্তু এখনও বর্ষার প্রকোপ কাটেনি। ২০০০ মিটার উচ্চতার এরাভিকুলাম ন্যাশনাল পার্কে যখন পৌঁছলাম, মেঘ নেমে এসেছে মাথার উপর। দূরের পাহাড়গুলো আবছা, রহস্যময়। আর সব থেকে দুঃখজনক ঘটনা, অতি বৃষ্টিতে প্রায় সব ফুল ঝরে গিয়েছে।
মনটা খারাপ হয়ে গেল। টিম টিম করে এদিক ওদিক ছড়িয়ে কিছু নীলাকুরিঞ্জি। বাকি পাহাড় জুড়ে শুধু ছাইরঙা ফুলহীন গাছগুলো ভরে আছে। মনকে সান্ত্বনা দিলাম। যে ভয়ানক বন্যার কবল থেকে বেঁচে উঠল এই শহর, তার পর এইটুকু দেখতে পাওয়াও তো সৌভাগ্যের ব্যাপার।
এরই মধ্যে হঠাৎ পাশের পাহাড় থেকে দুড়দাড় করে নেমে এল বেশ কয়েকটি 'নীলগিরি থর'। বুনো ছাগলেরই এক প্রজাতি, দেখতে কিছুটা হরিণের মতো। এই প্রাণীগুলি নীলগিরির নিজস্ব বাসিন্দা।
ইতিমধ্যে মাথার উপর জমে থাকা মেঘগুলি ভারী হয়ে আর নিজেদের ধরে রাখতে পারল না। নামল ঝমঝমিয়ে। ভিজে চুপ্পুস হয়ে ফিরে এলাম মুন্নারে। আবার বারো বছর! আর কি পাবো দেখা?
লেখাটি সংগৃহীত
ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর ২ বছরের জেল
January 23, 2019
![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
স্পেন ছেড়ে ইতালিত ক্লাবে যোগ দিলেও স্পেন এর আদালত পিছু ছাড়ছে না পর্তুগিজ সুপারস্টার ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর। স্পেনে পুরোনো সেই কর ফাঁকির মামলার শুনানিতে আজ মাদ্রিদের আদালতে হাজিরা দিতে হয়েছে রোনালদোকে। দোষী সাব্যস্ত হলেও কারাবাস করতে হচ্ছে না জুভেন্টাস তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর। মাদ্রিদের আদালত তাঁকে দুই বছরের জেল দিয়েছেন। তবে স্পেনে সহিংস অপরাধ ছাড়া অন্য কোনো প্রথম অপরাধের ক্ষেত্রে দুই বছর পর্যন্ত সাজা পেলে কাউকে জেল খাটতে হয় না। জরিমানা অবশ্য এড়াতে পারছেন না রোনালদো। একই শুনানিতে আদালত তাঁকে ৩৫ লাখ ৭০ হাজার ইউরো জরিমানা করেছেন।
কর ফাঁকির মামলার মধ্যেই গত বছরের শেষ দিকে তাঁর বিরুদ্ধে মার্কিন মডেল ক্যাথরিন মায়োর্গার করা ধর্ষণের মামলাও আবার নতুন করে চালু হয়েছে। সম্প্রতি সেটির জন্য ইতালিয়ান কর্তৃপক্ষের কাছে রোনালদোর ডিএনএ চেয়ে পাঠিয়েছে লাস ভেগাসের পুলিশ। এ যেন মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা। এগুলো তাঁর জীবনযাত্রায় কোনো প্রভাব ফেলছে কি না। এই প্রসঙ্গ তুড়ি দিয়ে উড়িয়ে দিয়েছেন সি আর সেভেন, ‘আমি খুব ভালো আছি।’ আদালত চত্বর ছেড়ে যাওয়ার জন্য গাড়িতে ওঠার আগে ভক্তদের কিছু অটোগ্রাফও দিয়েছেন তিনি।
পুরুষদের মাথায় টাক আছে তিনটি ঘরোয়া সমাধান
January 23, 2019
| ছবি: সংগৃহীত |
একটা বয়স পেরোলেই যুবক বা বৃদ্দ সব পুরুষরাই টাকের সমস্যায় ভুগতে শুরু করেন। মাথার সামনের দিকে বা মাঝখানে চুল পাতলা হতে দেখা যায়। এক সময়ে মাথার সামনের অংশের সব চুল পড়ে যায়। বিশেষ করে যাঁরা হেলমেট পরে কাজ বা মোটর বাইক চালান, তাঁদের আগে মাথায় টাক পড়ে। কিন্তু এই টাক সমস্যা থেকে বাঁচারও রয়েছে বিশেষ কিছু উপায়। জেনে নিন কয়েকটি ঘরোয়া উপায়।
• এক গ্লাস পানি একটি পাত্রে নিয়ে ফোটান। পানি ফুটে উঠলে এতে ২টি জবাফুল দিয়ে ৩-৪ মিনিট সিদ্ধ করুন। সেই পানি ছেঁকে নিয়ে ঠান্ডা করে, তাতে লেবুর রস মিশিয়ে নিন। চুল শ্যাম্পু করার পরে এই মিশ্রণটি মাথায় লাগিয়ে নিন। জবা ফুলের রস চুলের গোড়ার জন্য উপকারী।
• তিন গ্লাস পানিতে দশটি নিমপাতা ফোটান। পানি ফুটে গেলে ঠান্ডা করুন। তার পরে চুলের গোড়ায় ভাল করে মিশ্রণটি লাগিয়ে নিন। সপ্তাহে দু’দিন ব্যবহার করুন।
• অলিভ অয়েল তৈল গরম করে নিন। এর পরে এতে দুই চামচ মধু এবং এক চামচ দারচিনি গুঁড়ো ভাল করে মেশান। মিশ্রণটি ভাল করে চুলের গোড়ায় লাগিয়ে নিন। ১৫ থেকে ২০ মিনিট রেখে দিবেন। শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে একদিন এইটা ব্যবহার করুন।
Tuesday, January 22, 2019
মুসলিম বিবাহ আইন
January 22, 2019
![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
ভারতবর্ষে মুসলিম আইন সৃষ্টি হয়েছে মূলতঃ কোরআন থেকে। তবে নির্দেশ গুলি সংশোধিত হয়েছে বিধানসভা ও লোকসভায় গৃহীত বিল এবং কোর্টের বিভিন্ন রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে।
মুসলিম আইন (শরিয়ত) অনুসারে বিবাহ বা নিকা হল পরস্পরের উপভোগের জন্য এবং বৈধ সন্তান উত্পাদনের জন্য স্বেচ্ছায় চুক্তিবদ্ধ হওয়া।
এর প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি হল:
মুসলিম বিবাহ হতে গেলে এক পক্ষ থেকে বিবাহের প্রস্তাব আসতে হবে এবং অন্য পক্ষকে তাতে সন্মতি জানাতে হবে। সন্মতি ছাড়া বিবাহ বৈধ হবে না এবং এই সন্মতি কোনও শর্ত-সাপেক্ষ হওয়া চলবে না। উপরোন্তু এই সন্মতি আদায় করার জন্য কোনও রকম চাপ সৃষ্টি, মিথ্যার প্রশ্রয় নেওয়া বা কোনোরূপ প্রভাব খাটানো চলবে না। একই বৈঠকে প্রস্তাব ও সন্মতিদান সম্পন্ন করতে হবে এবং এগুলি করতে হবে সুস্পষ্টভাবে উচ্চারণ করে। সাক্ষী থাকবে দুই জন পুরুষ অথবা একজন পুরুষ ও দুই জন নারী (সুন্নি আইন অনুসারে)। নারীসাক্ষীদের ক্ষেত্রে সাক্ষীদের হতে হবে প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থমনা ও মুসলিম। শিয়া আইনে বিবাহের সময় সাক্ষীর প্রয়োজনীয়তা নেই।
মুসলিম বিবাহ আইনে নাবালক ও অসুস্থমনা ব্যক্তিদের বিবাহ হওয়া সম্ভব, কিন্তু সেই ক্ষেত্রে অভিভাবক বা কোনও প্রতিনিধি কর্তৃক এই বিবাহ-চুক্তি সম্পাদিত হবে। নাবালকরা প্রাপ্ত-বয়স্ক হবার পর চাইলে এই চুক্তি বাতিল করতে পারবে।
এই বিবাহের অধিকার ও দায়ের মধ্যে রয়েছে বিবাহের আগে, বিবাহের সময়ে অথবা বিবাহের পরে উভয়পক্ষের মধ্যে যে বোঝাপড়া হবে, তা যদি মুসলিম আইন বা সাধারণ নীতির পরিপন্থী না হয়, তাহলে সেই শর্ত বাধ্যতামূলক হবে।
মুসলিম বিবাহ আইনে দেনমোহরের ব্যবস্থা আছে। দেনমোহরে একটি অর্থের পরিমান নির্দিষ্ট করা হয়, যেই পরিমান অর্থ স্ত্রীকে দিতে স্বামী বাধ্য থাকবে। বিবাহের সময়ে বা পূর্বে এই দেনমোহর স্থির হয়। অবশ্য পরেও করা যেতে পারে। দেনমোহরকে বিবাহ-চুক্তির মূল্য বা শর্ত বলা চলে না (মুসলিম বিবাহে কোনও শর্ত থাকে না)। লাহোর ও এলাহাবাদ হাইকোর্ট দেনমোহরকে স্ত্রীর মর্যাদাস্বরূপ বলে বিচার করেছেন - অর্থাৎ এটি হল আইনগত স্ত্রীর প্রাপ্য মার্যাদা। বিবাহ-চুক্তিতে যদি লেখাও থাকে দেনমোহর দিতে হবে না - সেক্ষেত্রেও দেনমোহর স্ত্রীর প্রাপ্য। অন্যপক্ষে কলকাতা হাইকোর্টের মতে, দেনমোহর হল সম্পত্তির মূল্য।
মুসলিম বিবাহ আইনে নিকট আত্মীয়দের মধ্যে বিবাহ নিষিদ্ধ। সেই আত্মীয়তা রক্ত-সম্পর্কিত হতে পারে (যেমন, পুরুষের ক্ষেত্রে তার মাতা, মাতামহী, কন্যা, পৌত্রী, ইত্যাদি), কিংবা অন্য কোন নিকট আত্মীয় হতে পারে (যেমন, পুরুষের ক্ষেত্রে শাশুড়ি, স্ত্রীর পূর্ববিবাহজাত কন্যা, বিমাতা, ইত্যাদি)।
এই আইন অনুসারে পুরুষরা একসঙ্গে চারটি বিবাহ করতে পারে। কিন্তু নারীদের পক্ষে একই সঙ্গে একাধিক স্বামী থাকা নিষিদ্ধ।
মুসলিম বিবাহ আইনে অনেক অবৈধ বিবাহ বৈধ হয়ে যায় যখন অবৈধতার কারণ লুপ্ত হয়। যেমন, চারটি স্ত্রী বর্তমান থাকলেও কেউ যদি আবার বিবাহ করে, তাহলে সেই বিবাহ অবৈধ। কিন্তু সে যদি একজন স্ত্রীকে তালাক দেয় (বা পরিত্যাগ করে), তাহলে তার অবৈধ বিবাহটি বৈধ হয়ে যায়। কোনও নারীর ইজ্জতের সময়কালে তাকে বিবাহ করলে সেই বিবাহ অবৈধ, আবার ইজ্জতের সময়ে পার হয়ে গেলেই সেটি বৈধ বলে গণ্য হবে।
(ইজ্জত: স্বামীর মৃত্যুর পর বা বিবাহ-বিচ্ছেদের পর মুসলিম নারী যে-সময়ের জন্য [মোটামুটিভাবে তিনমাস বা তার অধিক] একা থাকে)।
সুন্নি পুরুষ যদি কোনও মুসলিম নারী বা কিতাবিয়াকে (অর্থাৎ , যে-ধর্মে ঈশ্বর-প্রদত্ত বাণী পুস্তকাকারে [বাইবেল, কোরান, ইত্যাদি] আছে - সেই ধর্মাবলম্বীকে) বিবাহ করে - তাহলে সুন্নি আইন অনুসারে সেটি বৈধ হবে। কিন্তু যে ধর্মে পৌত্তলিকতা আছে (যেমন, হিন্দু ধর্ম) - সেই ধর্মাবলম্বী নারীকে বিবাহ করতে পারে না। করলে, সেটিকে নিয়ম-বহির্ভূত বা অনিয়মিত বলে গণ্য করা হবে। শিয়া আইনে এটি শুধু অনিয়মিত নয়, এটি হবে অবৈধ। সুন্নি ও শিয়া - কোন আইনেই মুসলিম নারী কোনও অমুসলিম পুরুষকে (সে কিতাবিয়া হলেও) বৈধভাবে বিবাহ করতে পারে না। সুন্নি আইন অনুসারে সেটি হবে নিয়ম-বহির্ভূত বিবাহ। শিয়া আইন অনুসারে সেটি হবে অবৈধ।
যদিও কোরআন ও হাদীছে এ-বিষয়ে সমর্থন নেই, তবুও অন্যান্য চুক্তির মত বিবাহ-চুক্তিও যাতে ভঙ্গ করা যায় - তার ব্যবস্থা ভারতবর্ষের মুসলিম আইনে রয়েছে। ১৯৩৯ সাল অনুসারে মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইনে নারীর পক্ষে বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য আদালতে যাবার কয়েকটি শর্ত আছে:
১) চার বছর ধরে স্বামী নিখোঁজ।
২) দুই বছর ধরে স্বামী তাকে অবহেলা করছে বা ভরণপোষণ দেয়নি।
৩) স্বামী সাত বছর বা তার অধিক কালের জন্য কারাদণ্ড পেয়েছে।
৪) তিন বছর ধরে কোনও যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া দাম্পত্য কর্তব্য করেনি।
৫)দুই বছর ধরে স্বামীর মাথা খারাপ কিংবা কুষ্ঠরোগগ্রস্থ বা বাজে যৌনব্যাধিতে আক্রান্ত।
৬) বিবাহের সময় স্বামী অক্ষম ছিল এবং এখনও আছে।
৭) ১৫ বছর বয়স হবার আগে যে বিবাহ হয়েছিল, ১৮ বছর বয়সের আগেই সে বিবাহকে স্বামী অস্বীকার করেছে এবং দাম্পত্য সম্পর্ক ঘটেনি।
৮) স্বামী নিষ্ঠুর আচরণ করছে, যেমন, তাকে প্রহার করছে বা মানসিক ভাবে পীড়ন করছে, অসৎ রমণীর সঙ্গে সংসর্গ করছে, স্ত্রীকে জোর করে অসামাজিক অবৈধ জীবনযাপন করতে বাধ্য করছে, ধর্মীয় আচরণে হস্তক্ষেপ করছে, স্ত্রীর আইনসঙ্গত অধিকারে বাধা দিচ্ছে, কোরআন এর অনুশাসন অনুযায়ী সকল স্ত্রীদের সঙ্গে সম-আচরণ করছে না, ইত্যাদি।
পুরুষদের ক্ষেত্রে বিবাহ-বিচ্ছেদের একক ইচ্ছার আইন আছে। যে কোনও পুরুষ তিনবার তালাক উচ্চারণ করে স্ত্রীকে পরিত্যাগ করতে পারে। যার উদ্দেশ্যে তালাক দেওয়া হল, সে সেখানে না থাকলেও এই বিচ্ছেদ স্বীকৃতি পাবে। তবে তালাক দেওয়া স্ত্রীকে সেই পুরুষ আবার বিবাহ করতে পারবে না। তালাক-প্রাপ্তা সেই মুসলিম নারী যদি অন্য কোনও পুরুষকে বিবাহ করে এবং সেই বিবাহ ভেঙ্গে যায়, তখনই আবার তাকে বিবাহ করা যাবে।
শরিয়ত আইনে স্ত্রীকে বিবাহ বিচ্ছেদের অধিকার দেওয়া হয়েছে দুইটি ক্ষেত্রে। এক হল জিহার, অর্থাৎ স্বামী যদি নিষিদ্ধ সম্পর্কের কোনও স্ত্রীর প্রতি আসক্ত হয় এবং তার জন্য প্রায়শ্চিত্ত করতে রাজি না হয়। সেক্ষেত্রে স্ত্রী আবেদন করলে আদালত বিবাহ বিচ্ছেদের আদেশ দেবে।
স্ত্রী স্বামীকে মুক্তিমূল্য (স্বামীর শর্ত অনুযায়ী খুলা) দিয়ে বিবাহ-বিচ্ছেদ করিয়ে নিতে পারে। স্বামী-স্ত্রীর উভয়ের সন্মতিতেই বিবাহ-বিচ্ছেদ হয়, একে বলা হয় মুবারাত।
মুহাম্মদ আহমেদ খান ও শাহবানো বেগমের মামলায় সুপ্রীম কোর্ট রায় দিয়েছিল যে, বিবাহ বিচ্ছেদের পরে যদি মুসলিম নারী নিজের ভরণপোষণ চালাতে পারে, তাহলে পুরুষের দায়িত্ব ইজ্জতের পরেই শেষ হয়ে যাবে। কিন্তু সেই নারী যদি নিজের ভরণপোষণ চালাতে সক্ষম না হয়, তাহলে ক্রিমিনাল কোডের ১২৫ ধারা অনুযায়ী তার ভরণপোষণের দায়িত্ব থাকবে প্রাক্তন স্বামীর। এর পর মুসলিম স্বামীদের প্রাক্তন স্ত্রীর দায়িত্ব নিয়ে নানান বাদ-প্রতিবাদ শুরু হয়। মুসলিম নারী (বিবাহবিচ্ছেদের পর অধিকার রক্ষা আইন), ১৯৮৬ পাশ করানো হয় সুপ্রীম কোর্টের এই রায়ের প্রযোজ্যতা সীমিত করার জন্য। সাধারণভাবে ফৌজদারী আইনের ১২৫ ধারা মুসলিম নারীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না, যদি না সেই নারী ও তার প্রাক্তন স্বামী যৌথভাবে বা আলাদা ভাবে কোর্টে ঘোষণা করে বা স্বীকৃতি দেয় যে তারা ফৌজদারী আইনের ১২৫ থেকে ১২৮ ধারা মেনে চলবে।
এই আইনে স্বামীর দায়িত্ব থাকলো:
(১) শুধু ইজ্জত কাল পর্যন্ত। ইজ্জত কাল হলো বিবাহ বিচ্ছেদের পর তিনটি ঋতুকালের পর্যন্ত আর যদি ঋতুর অবস্থা না থাকে তাহলে তিনটি চান্দ্রমাস পর্যন্ত। যদি সন্তান সম্ভবা অবস্থায় বিবাহ বিচ্ছেদ হয় তাহলে সন্তানের জন্ম বা গর্ভপাতের সময়ের মধ্যে স্বামীর কাছ থেকে ন্যায্য ও উপযুক্ত ব্যবস্থা ও খোরপোষ পাবে।
(২) যদি বিবাহ বিচ্ছেদের আগে বা পরে জাত সন্তানের ভরণপোষণ সে নিজেই বহন করে, তাহলে তার প্রাক্তন স্বামী সন্তান জন্মের দুবছর পর্যন্ত ভরণপোষণ দেবে।
(৩) দেন মোহরের সমান অর্থ দেবে।
(৪) বিয়ের সময় আগে বা পরে স্বামী, আত্মীয় বা বন্ধুদের দেওয়া সমস্ত সম্পত্তি স্বামী দিয়ে দেবে।
উল্লেখিত সমস্ত সম্পত্তি না দিলে বিবাহ বিচ্ছিন্না স্ত্রী ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে আবেদন জানাবে এবং ম্যাজিস্ট্রেট একমাসের মধ্যে তার রায় দেবে।
এই আইন অনুসারে ইজ্জত কালের অর্থের পর যে স্ত্রী নিজের ভরণপোষণ চালাতে না পারে, তার আত্মীয়স্বজন (যারা তার সম্পত্তির অধিকারী) তারা দায়িত্ব নেবে। তারাও যদি অক্ষম হয়, তাহলে রাজ্য ওয়াকফ বোর্ডকে সেই দায়িত্ব নিতে হবে।
বাংলাদেশের কিংবন্দি চিত্রনায়ক সালমান শাহ’র সেই প্রিয় ডানা মেলা গাড়ি এখন কোথায়
January 22, 2019
![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
অকাল প্রয়াত জনপ্রিয় চিত্রনায়ক সালমান শাহকে বর্তমান নায়কদের আইকন হিসেবে মানেন এই যুগের তরুণরা।
শুধু পোশাক বা সাজসজ্জা নয়, গাড়ির প্রতিও বিশেষ আকর্ষণ ছিল সালমান শাহ’র। তেমন একটি গাড়ি দেখা যায় সালমান অভিনীত ‘প্রিয়জন’ সিনেমার গানে। ডানা মেলা সাদা রং এর সেই গাড়িটি নিয়ে সে সময় বেশ আলোচনাও হয়েছে।
সালমান শাহ’র মৃত্যুর দুই দশক পর পেরিয়ে গেলেও তার মতো ভক্তদের মন থেকে হারিয়ে যায়নি তার গাড়িটিও। তাদের প্রশ্ন এখন কোথায় তাদের প্রিয় নায়কের সেই গাড়িটি?
সালমানের রহস্যময় মৃত্যুর দুই দশক পর গাড়িটি সম্প্রতি আবারো খবরের শিরোনাম হয়েছে। সপ্তাহ দুয়েক আগে গাড়িটিতে চড়ে ঢাকাতে একটি ‘বিয়ে মেলা’ উদ্বোধন করতে আসেন তারকা দম্পতি নাঈম-নাদিয়া।
বর্তমানে গাড়িটি ব্যবসায়ী রুকনুজ্জামানের মালিকানায় রয়েছে। গাড়িটিতে আগের সাদা রঙ পাল্টিয়ে লাল রঙ করা হয়েছে। ছবিটি গণমাধ্যমে প্রকাশ হতেই সালমান ভক্তদের নস্টালজিয়ায় আক্রান্ত হতে দেখা যায়। অনেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছবিটি শেয়ার করেছেন। জুড়ে দিয়েছেন তাদের নিজেদের আক্ষেপের সুর।
জুলফিকার রাসেল নামে একজন লিখেছেন- খুব খারাপ লাগলো! দেশের মহানায়কের গাড়িটি যেখানে স্মৃতি হিসাবে জাদুঘরে সংরক্ষণ করা উচিত ছিল। আর সেখানে এই গাড়িটি সালমান শাহ’র পরিবার বিক্রি করে ফেলছে। সালমান শাহ’র গাড়ির যোগ্য মালিক একমাত্র সালমান শাহ্ নিজেই।
তিনি আরো লিখেন- সংরক্ষণ করা হলে গাড়িটি ভক্তরাও দেখতে পারতো। এই গাড়িটি হয়তো একসময় নষ্ট হয়ে যাবে এবং চিরতরে সালমান শাহ্’র স্মৃতিচিহ্নটি মুছে যাবে।
অবশ্য গাড়িটি সংরক্ষণ না করায় সালমান ভক্তদের ক্ষোভ অনেকদিনের। ২০১৫ সালের অক্টোবরে সালমান ভক্ত মাসুদ রানা নকীব ফেসবুকে লিখেছিলেন, সালমানের অনেক পছন্দের এই গাড়িটি এখন আর নেই। গাড়িটির মালিকানা বদল হয়েছে সালমানের অকাল মৃত্যুর পরই। এখন এই গাড়ির মালিক সিলেট শহরের অন্য আরেকজন!
সালমানের কয়েকটা গাড়ি ও বাইকসহ তার ব্যবহার করা অনেক কিছুই তার মা বিক্রি করে দিয়েছেন। আবার অবহেলায় অযত্মে নষ্ট হয়েছে অনেক কিছুই!
লেখার পরবর্তী অংশে তিনি সালমানের স্মৃতি সংরক্ষণে জাদুঘর না করায় স্বজনদের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
এ ব্যাপারে সম্মিলিত নাট্য পরিষদ, সিলেটের সভাপতি মিশফাক আহমদ মিশু বলেন- সালমান শাহ্ গাড়িটি এখন কার কাছে রয়েছে তার জানা নেই। তবে সালমান শাহ্ পরিবার থেকে যার কাছে বিক্রি করা হয়েছিল তিনি এখন দেশের বাইরে রয়েছেন।
তিনি মনে করেন সালমান শাহ্ স্মৃতি সংরক্ষণে গাড়িটিও সংরক্ষণ করা প্রয়োজন।
চুল বিক্রি করে কোটিপতি পাকিস্তান
January 22, 2019
![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
চীনে চুল বেচে এক কোটি রুপির বেশি আয় করেছে পাকিস্তান। গত পাঁচ বছরে চীনের বাজারে পাকিস্তান এক লাখ কেজি চুল বিক্রি করেছে।
পাকিস্তান এর সংবাদ পত্র ডন-এর খবরে বলা হয়েছে, গত শুক্রবার পাকিস্তানের সংসদে ব্যবসা-বাণিজ্য নিয়ে আলোচনা চলছিল। সেখানে চুল বিক্রির অর্থ থেকে আয়ের হিসাব দিয়েছে বাণিজ্য ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়। হিসাবে বলা হয়েছে, গত পাঁচ বছরে চীনে মোট এক লক্ষ পাঁচ হাজার চার শত একষট্টি কেজি চুল রপ্তানি করা হয়েছে। এর জন্য মিলেছে এক লক্ষ বত্রিশ হাজার ডলার। ডলার থেকে রুপি করলে এর মূল্যমান হবে এক কোটি চুরাশি লক্ষ ষাট হাজার দুইশত পাকিস্তানি রুপি। বিভিন্ন পারলার থেকে চুল কিনে পাকিস্তান সেগুলো চীনে বিক্রি করেছে।
২০১৩-১৪ অর্থবছরে তিরাশি হাজার নয়শত এক কেজি, ২০১৪-১৫ অর্থবছরে তেরো হাজার একশত পাঁচ কেজি, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে এক হাজার চারশত কেজি মানুষের চুল চীনে রপ্তানি করেছে পাকিস্তান।
ক্ষমতায় বসেই অর্থনৈতিক দুরবস্থা নিয়ে মুখ খুলেছিলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান৷ আর্থিক অবস্থার উন্নতির জন্য নানান উদ্যোগ নিয়েছেন ক্রিকেটার থেকে রাজনীতিবিদ এরপর প্রধানমন্ত্রী বনে যাওয়া ইমরান৷ ক্ষমতায় ছয় মাসের মাথায় ইমরানের সরকার সংসদে জানাল, পাঁচ বছরে চীনে মাথার চুল রপ্তানি করে বিপুল অর্থ পকেটে পুরেছে ইসলামাবাদ৷ লাভের পরিমাণ প্রায় এক কোটি রুপির কাছাকাছি।
পাকিস্তানের অন্যতম পরীক্ষিত বন্ধু চীন৷ প্রায় সব সময় ইসলামাবাদের পাশে থাকছে বেইজিং৷ গত কয়েক বছরে চীনের প্রসাধনসামগ্রী ব্যবসা অনেক বড় হয়েছে। মানুষের মধ্য স্টাইল ও ফ্যাশন সম্পর্কেও বেড়েছে সচেতনতা। এর সঙ্গে বেড়েছে ‘উইগ’ বা ‘পরচুলা’র ব্যবহার। উচ্চমানের ওই সব পরচুলা তৈরিতে ব্যবহার করা হয় সাধারণ মানুষের চুল। নিজের দেশের মানুষের চুল দিয়েও এর জোগান দিতে পারছিল না বেইজিং। তাই চুলের প্রয়োজন মেটাতে দ্বারস্থ হয় পাকিস্তানের।
মোটা অর্থের বিনিময়ে পাকিস্তান থেকে চুল পৌঁছে যাচ্ছে চীনের প্রসাধন সামগ্রীর ব্যবসায়ীদের কাছে। এক হিসাবে বলা হয়েছে, গত পাঁচ বছরে পাকিস্তান থেকে প্রায় এক লক্ষ পাঁচ হাজার চার শত একষট্টি কেজি চুল রপ্তানি হয়েছে চীনে৷ এর দাম আনুমানিক এক লক্ষ বত্রিশ হাজার মার্কিন ডলার৷ বিভিন্ন পারলার থেকে পাঁচ ও ছয় হাজার রুপি কেজি দরে চুল কিনে পাকিস্তান। সেই চুল শুধু চীন নয়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানেও রপ্তানি করছে পাকিস্তান।
Monday, January 21, 2019
১০০০ পিস সাদা ইয়াবার চালান আটক
January 21, 2019
![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
চট্টগ্রামে ডিবি পুলিশের অভিযানে ধরা পড়েছে সাদা রঙের ইয়াবার একটি চালান।
এযাবত পর্যন্ত ধরা পড়া ইয়াবা ট্যাবলেট গুলো লাল বা গোলাপি রঙের হলেও কিছুদিন আগে ঢাকাতেও সাদা ইয়াবার চালান ধরা পড়েছিল। সাদা ইয়াবাগুলো লাল বা গোলাপি ইয়াবার চেয়ে আকারে কিছুটা বড় ও কম সুগন্ধিযুক্ত।
চট্টগ্রাম নগর ডিবি পুলিশের সহকারী কমিশনার (দক্ষিণ) জাহাঙ্গীর আলম সাংবাদিকদের বলেন, “এর আগে চট্টগ্রামে হলুদ রঙের ইয়াবা উদ্ধার করা হলেও সাদা রঙের ইয়ারা এই প্রথম ধরা পড়েছে।”
নগরীর ফিরিঙ্গী বাজার ব্রিজ ঘাট এলাকা থেকে রোববার রাতে বালতির ভেতরে করে পাচারের সময় সাদা ইয়াবার চালানটি আটক করা হয় বলে জানিয়েছেন ডিবি কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর।
এই ইয়াবার চালানের সঙ্গে মো. ইদ্রিস (২২) নামে কক্সবাজারের টেকনাফের হোয়াইনছড়ি এলাকার এক ব্যক্তিকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ডিবি অফিসাররা বলেন, “ইদ্রিস শাহ আমানত ব্রিজ এলাকার দিক থেকে ফিরিঙ্গী বাজারের দিকে আসার সময় তাকে বহনকারী সিএনজি অটো রিকশাটি আটক করা হয়। পরে তার সাথে থাকা বালতির ভেতর থেকে সাদা রঙের এক হাজার ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।”
ইদ্রিস যে বালতি করে ইয়াবাগুলো এনেছিলেন, তাতে অতিরিক্ত তলা লাগানো হয়েছিল। তার ভেতরে ইয়াবা গুলো রাখা হয়েছিল।
গত বছরের অক্টোবরে ঢাকার পশ্চিম রামপুরা উলন রোডের থাই আবাসিক এলাকার এক নম্বর গেইটের সামনে অভিযান চালিয়ে ৮০টি সাদা রঙের ইয়াবাসহ রাজীব মোল্লা (২২) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছিল র্যাব।
তার আগে চট্টগ্রামের সদরঘাট থানার শুভপুর বাস স্ট্যান্ড এলাকা থেকে দশ হাজার পিস হলুদ রঙের ইয়াবাসহ দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছিল র্যাব। গোয়েন্দা কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর বলেন, “সাধারণত লাল রঙের ইয়বাগুলো ‘WY’ লেখা থাকে, আবার কিছু কিছু ইয়াবাতে কিছুই লেখা থাকে না। তবে সাদা রঙের ইয়াবাগুলোতে ‘R’ লেখা আছে।
“লাল রঙের ইয়াবাতে যে ধরনের তীব্র ঘ্রাণ আছে, সাদা রঙের ইয়াবাতে তা নেই। এর গন্ধ লাল রঙের ইয়াবার চেয়ে অনেক কম। দেখতে সাধারণ ওষুধের মতো মনে হয়।”
হিন্দু বিবাহ আইন, ১৯৫৫
January 21, 2019
![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
এই হিন্দু বিবাহ আইন জন্মু ও কাশ্মীর ছাড়া ভারতের অন্য সব জায়গাতেই প্রযোজ্য। কোনও হিন্দু যদি এই আইনের আওতায় পরে এমন কোনও স্থানে বসবাস করেন - তাহলে তিনি বাইরে থেকে এলেও এই আইন তাঁর প্রতি প্রযোজ্য হবে। অহিন্দু, অর্থাৎ, ক্রিস্টান, মুসলমান, ইহুদী, পার্শীদের প্রতি এই আইন প্রযোজ্য নয়। হিন্দু ও অহিন্দুর মধ্যে বিবাহ একমাত্র সম্ভবপর "সিভিল ম্যারেজ"-এর সাহায্যে। ১৯৫৪ সালের স্পেশাল বিবাহ আইন অনুযায়ী প্রদেশ সরকারের নিয়োজিত ম্যারেজ রেজিস্ট্রাররা এই বিবাহ দিতে পারেন।
হিন্দু বিবাহ বিধিতে সামাজিক প্রথা ও নিয়ম অনুযায়ী হিন্দু বিবাহ সম্পন্ন হলে তাকে বৈধ হিসাবে গণ্য করা হয় এবং সপ্তপদী যে-সব বিবাহের একটি অঙ্গ, অগ্নি-সাক্ষী করে সপ্তপদী হয়ে যাবার পরেই বিবাহ সম্পূর্ণ হয়েছে বলে ধরা হয়। হিন্দু আইনে কোথাও বলা হয় নি যে, উভয়পক্ষের সন্মতি না থাকলে বিবাহ অসিদ্ধ হবে। কিন্তু যদি কোনও পক্ষের সন্মতি অসম্মত উপায়ে বা জোর করে নেওয়া হয় - তাহলে সেই বিবাহ অবৈধ ঘোষিত হতে পারে।
হিন্দু বিবাহ আইনের কতগুলি প্রয়োজনীয় তথ্য:
বৈধ বিবাহের শর্ত:
* হিন্দু হতে হবে।
* ন্যূনতম বয়স: পাত্রের ক্ষেত্রে ১৮ (বর্তমান সীমা ২১) ও পাত্রীর ক্ষেত্রে ১৫ (বর্তমান সীমা ১৮) বছর হতে হবে (এর থেকে কম বয়সে বিবাহ করা দণ্ডনীয় অপরাধ, যদিও তার জন্য বিবাহটি অবৈধ নাও হতে পারে)।
* বিবাহকালে পাত্রীর অন্য স্বামী বা পাত্রের অন্য স্ত্রী জীবিত থাকলে চলবে না।
* পাত্র ও পাত্রী পরস্পরের নিকট আত্মীয় (যা আইনত নিষিদ্ধ) হবেন না। (বিভিন্ন লোকাচার অনুয়াযী এগুলি শিথিলযোগ্য। যেমন দক্ষিণ ভারতের অনেক জায়গায় মামা তাঁর ভাগ্নীকে বিবাহ করতে পারেন)।
* উভয়ের কেউই সপিণ্ড হবেন না (কারোর সপিণ্ড সম্পর্ক বিচার করতে হলে প্রথমে দেখতে হবে সেই সেই ব্যক্তিকে প্রথম প্রজন্ম হিসেবে ধরে তার মায়ের দিক থেকে তিনটি প্রজন্ম আগে এবং বাবার দিক থেকে পাঁচটি প্রজন্ম আগে কারা ছিলেন। দুজনকে তখনই সপিণ্ড বলা হবে যদি একজনের সপিণ্ড সম্পর্কের কেউ অন্যজনের সপিণ্ড সম্পর্কের হয় অথবা একজন অন্যজনের সপিণ্ড সম্পর্কের কেউ হয়। )।
নিষিদ্ধ সম্পর্কগুলির বিবরণ:
* আপন সন্তান।
* পুত্র-বধূ, জামাতা, পিতার স্ত্রী, মাতার স্বামী।
* ভাই, বোন - আপন, মামাতো, মাসতুতো, পিসতুতো, খুড়তুতো, জ্যাঠতুতো সবাই।
* মেয়েদের মামা, কাকা, ও জ্যাঠা। ছেলেদের মাসি ও পিসি।
হিন্দু বিবাহ বিধিতে অসিদ্ধ এবং অসিদ্ধ-সম্ভব বিবাহের কথা বলা হয়েছে।
বিবাহ অসিদ্ধ হবে যদি প্রাক-বিবাহ বাধা সত্বেও বিবাহ সংঘটিত হয়। এই বাধাগুলিকে আবার দুটো ভাগে ভাগ করা যেতে পারে:
* নিরঙ্কুশ বাধা: এই বাধা সত্বেও কেউ বিবাহ করলে সেটি প্রথম থেকেই অবৈধ। যে কোনও পক্ষ আবেদন জানালে এটি অসিদ্ধ বলে জারি করা হবে।
* আপেক্ষিক বাধা: এক্ষেত্রে বিবাহ অসিদ্ধ বলে ঘোষিত হতে পারে যদি কোনও পক্ষ তার জন্য আবেদন করে।
নিরঙ্কুশ বাধাগুলি হল:
* বিবাহকালে পাত্রের অন্য স্ত্রী বা পাত্রীর অন্য স্বামী জীবিত থাকলে চলবে না।
* পাত্র-পাত্রী সপিণ্ড হলে
* পাত্র-পাত্রী সম্পর্ক নিষিদ্ধ সম্পর্কের মধ্যে পড়বে না
* এছাড়াও অন্য কারণে বিবাহ অসিদ্ধ হতে পারে, যেমন, বিবাহ-অনুষ্ঠানের আবশ্যকীয় অংশগুলি পালন না করা।
অসিদ্ধ বিবাহের সঙ্গে অসিদ্ধ-সম্ভব বিবাহের পার্থক্য হল অসিদ্ধ-সম্ভব বিবাহ বৈধ বলে ধরা হবে যদি না কোনও এক পক্ষ এটি অসিদ্ধ ঘোষণা করার জন্য আবেদন জানায় এবং সেই আবেদন গৃহীত হয়ে বিবাহ বাতিল করা হয়। সেক্ষেত্রে বিবাহের দিন থেকেই এই বিবাহ অসিদ্ধ বলে ধরা হবে। অসিদ্ধ-সম্ভব বিবাহের মূলে চারটি কারণ থাকতে পারে:
* স্বামী পুরুষত্বহীন হয়।
* বিবাহের সময়ে কোনও পক্ষ পাগল বা জড়বুদ্ধিসম্পন্ন হয়।
* বিবাহে সম্মতি আদায় করেছে শঠতার আশ্রয় নিয়ে বা জোর করে (এক্ষেত্রে: (১) শঠতা ধরা পরার বা বলপ্রয়োগের (যা শারীরিক মানসিক দুই হতে পারে) এক বছরের মধ্যে আবেদন জানাতে হবে); এবং (২) বলপ্রয়োগের বা শঠতা আবিষ্কৃত হবার পর আবেদনকারী স্বেচ্ছায় অন্যপক্ষের সঙ্গে সহবাসে লিপ্ত হন নি)
* বিবাহের পূর্বে পাত্রী যদি অন্য পুরুষের দ্বারা গর্ভবতী হয়ে থাকে। (এক্ষেত্রে, (১) বিবাহের সময়ে পাত্রীকে গর্ভবতী থাকতে হবে, (২) গর্ভধারণ ঘটেছে স্বামী ছাড়া অন্য কোনও পুরুষের দ্বারা; (৩) আবেদনকারী বিবাহের সময়ে এই গর্ভধারণের কথা জানতেন না; (৪) স্ত্রী গর্ভবতী জানার পর স্বামী স্বেচ্ছায়ে স্ত্রীর সঙ্গে মিলিত হন নি); (৫) গর্ভবতী জানতে পারার এক বছরের মধ্যে স্বামীকে আবেদন করতে হবে।
হিন্দু বিবাহ বিধিতে বিবাহ-বিচ্ছেদের জন্য আবেদন করা চলতে পারে এবং উপযুক্ত কারণ দেখাতে পারলে আদালত তা মঞ্জুর করতে পারে। কিন্তু বিবাহ হবার পর থেকে তিন বছরের মধ্যে এই আবেদন করা চলবে না। নিম্নলিখিত কারণগুলি উপযুক্ত কারণ হিসেবে গণ্য করা হবে:
* স্বামী বা স্ত্রী ব্যভিচারে লিপ্ত হলে।
* ধর্মান্তর গ্রহণ করে আর হিন্দু না থাকলে।
* আবেদনের প্রাক্কালীন তিন বছর ধরে স্বামী বা স্ত্রী কেউ যদি মস্তিষ্ক বিকৃতিতে বা আরোগ্যের অতীত কুষ্ঠ ব্যধিতে, কিংবা সংক্রামক যৌনব্যাধিতে ভুগলে।
* স্বামী বা স্ত্রী সংসার ত্যাগ করলে বা কোনও ধর্ম-সম্প্রদায়ে যোগ দিলে।
* স্বামী বা স্ত্রীর কেউ সাত বছর নিরুদ্দিষ্ট থাকলে।
* আদালত কর্তৃক আলাদা হয়ে থাকার হুকুমনামার (জুডিশিয়াল সেপারেশন) পর উভয়পক্ষ আর স্বামী-স্ত্রী রূপে সহবাস না করলে।
* আদালত দাম্পত্য-জীবন পূর্ণপ্রতিষ্টার (রেস্টিট্যুশন অফ কনজুগাল রাইটস) হুকুম দেওয়া সত্বেও, হুকুম অমান্য করে দুই বছর আলাদা হয়ে বাস করলে।
* স্বামী যৌন-অত্যাচার করলে।
* স্ত্রী বর্তমান থাকা সত্বেও অন্য কাউকে বিবাহ করলে। (যদিও সেই দ্বিতীয় বিবাহ অসিদ্ধ, কিন্তু এটিও বিবাহ-বিচ্ছদে আবেদনের একটি উপযুক্ত কারণ)।
* দুজনের সম্মিলিত ইচ্ছা।
আদালতে যদি বিবাহ-বিচ্ছেদের নির্দেশ দেয় (এবং তার বিরুদ্ধে কোনও আপীল না করা হয়), তাহলে এক বছর অপেক্ষা করার উভয়পক্ষই আবার বিবাহ করতে পারে। প্রসঙ্গতঃ বিবাহ-বিচ্ছেদের নির্দেশ পাবার আগে যদি স্ত্রী গর্ভবতী হন, তাহলে সেই সন্তান স্বামীর বৈধ সন্তান বলে গণ্য হবে|
বিশ্বের এই প্রথম ভাঁজ করা স্মার্টফোন
January 21, 2019
![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
বিশ্বের প্রথম বাণিজ্যিক ভাবে ফোল্ডিং স্মার্টফোন নিয়ে এসেছে মার্কিন সংস্থা ‘রোয়োল ফ্লেক্সপাই’। যুক্তরাষ্ট্রের লাস ভেগাসে এক প্রযুক্তি মেলাতে স্মার্টফোনটি নিয়ে আসা হয়েছে। গত ২০১৮ ইং সালের অক্টোবর মাসে চীনে এই ফোনটি লঞ্চ হয়েছিল।
‘রোয়োল ফ্লেক্সপাই’ ফোনটিতে রয়েছে ফোল্ডেবেল ডিসপ্লে। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে মোট ২ লাখ বার ফোনটিকে ভাঁজ করা যাবে। এটির ডিসপ্লে বেশ উজ্জ্বল ও রঙিন। বৈচিত্র্য রয়েছে ফোনটির ফিচারেও৷
ফ্লেক্সপাইতে রয়েছে একটি ২৪ মেগা পিক্সেল ক্যামেরা। সঙ্গে থাকছে উইএসবি টাইপ সি পোর্ট, ডুয়েল সিম স্লট, পাওয়ার বাটন, ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সার। ফোল্ডেবেল স্মার্টফোনে থাকছে স্নাপড্রাগন ৮৫৫ চিপসেট। ৬ ও ৮ জিবি র্যাম। ১২৮ থেকে ২৫৬ জিবি ইন্টারনাল স্টোরেজ। থাকছে ফার্স্ট চার্জিং সার্পোট।
কোম্পানিটি দাবি করেছে, মাত্র ৩০ মিনিটেই একেবারে ০ থেকে ৮০ শতাংশ চার্জ হয়ে যাবে ফোনটি। এটি চলবে Android 9.0 Pie অপারেটিং সিস্টেম এর দ্বারা। ইতিমধ্যেই চীনে প্রি-অর্ডার নেওয়া শুরু হয়ে গিয়েছে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ‘রোয়োল ফ্লেক্সপাই’ এই ফোল্ডিং মোবাইল এর দাম হতে চলেছে ১,৬০০ মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১ লাখ ৩৩ হাজার ৯শত ৩৯ টাকার মত।
বাংলাদেশে ও ভারতে এই স্মার্টফোনটি কবে আসছে তা এখনো ঠিক করেনি প্রতিষ্ঠানটি। তারা বলছে, দক্ষিণ এশিয়ার এই অঞ্চলে ফোনটি ডিস্ট্রিবিউশন করার জন্য এখনো পার্টনার পায়নি তারা। তবে যত তাড়াতারি সম্ভব এটি বাজারে ছাড়তে প্রস্তুত কোম্পানিটি।
এবি ডি ভিলিয়ার্স এর স্ত্ৰী ড্যানিয়েল 'পাগলের মতো' মিস করছেন স্বামীকে
January 21, 2019
![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগএ খেলতে ইতিমধ্যে বাংলাদেশে এসেছেন এবি ডি ভিলিয়ার্স। ১৭ই জানুয়ারী ২০১৯ইং সকালে ঢাকায় পৌঁছান এই দক্ষিণ আফ্রিকান বিশ্ব সেরা ব্যাটসম্যান। এরপর ১৯ই জানুয়ারী ২০১৯ইং সিলেট স্টেডিয়ামে রংপুর রাইডার্সের হয়ে খেলেছেন বিপিএল এ তার প্রথম ম্যাচ। তবে এরই মধ্যে স্বামীকে খুব মিস করতে শুরু করেছেন তার স্ত্রী ড্যানিয়েল ডি ভিলিয়ার্স।
বাংলাদেশের আসার মাত্র চার দিনের মাথায় স্বামীকে তার খুব মনে পড়ছে এবং স্বামীকে ছাড়া নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন তিনি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে ড্যানিয়েল ডি ভিলিয়ার্সের একটি স্ট্যাটাস। একই সময়ে ইনস্টাগ্রামে স্বামীর সঙ্গে একটি ছবিও পোস্ট করেছেন তিনি।
স্ট্যাটাসে এবি ডি ভিলিয়ার্স এর স্ত্রী ড্যানিয়েল লেখেন, 'দীর্ঘদিন পর এটি তোমার প্রথমবারের মতো এত লম্বা ট্যুর। তুমি হয়তো ভাবতে পারো, আমি এর সঙ্গে অভ্যস্ত। কিন্তু ছোট দুই বাচ্চাকে নিয়ে জীবনটা এখন অন্যরকম তোমাকে ছাড়া। তারা প্রত্যেক সকালে ঘুম থেকে উঠে দুটি শব্দ করে- বাবা কোথায়? আমরা তিনজন ধীরে ধীরে আমাদের নতুন রুটিনের সঙ্গে অভ্যস্ত হয়ে যাচ্ছি'।
স্ট্যাটাসের শেষের দিকে তিনি লেখেন, 'তোমাকে পাগলের মতো মিস করছি। তুমি আমাদের জন্য যা করেছ, তার জন্য আমরা খুবই কৃতজ্ঞ'। তুমি যেখানেই থাকো ভালো থেকো।
Subscribe to:
Posts (Atom)











