Showing posts with label আন্তর্জাতিক. Show all posts
Showing posts with label আন্তর্জাতিক. Show all posts
Monday, March 18, 2019
৯ মিনিটে ছয় সন্তানের জন্ম!
March 18, 2019
![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে মাত্র ৯ মিনিটে একসঙ্গে ছয় সন্তানের জন্ম দিয়েছেন এক মা। শহরের উইম্যানস হসপিটাল অব টেক্সাসে নবজাতকগুলোর জন্ম হয়। সূত্র ফক্স নিউজ।
দুই জোড়া যমজ অর্থাৎ চারটি ছেলে এবং এক জোড়া যমজ অর্থাৎ দুটি মেয়েশিশুর জন্ম দেন ওই নারী।
নবজাতকদের ওজন এক পাউন্ড ১২ আউন্স থেকে দুই পাউন্ড ১৪ আউন্স পর্যন্ত। জন্মের পর মা ও শিশুরা সুস্থ আছে। হাসপাতালটির কর্মকর্তারা জানান, নবজাতকদের স্বাস্থ্য স্থিতিশীল রয়েছে। তাদের হাসপাতালের অ্যাডভান্সড নিওনেটাল ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে রাখা হয়েছে। তাদের মাও সুস্থ আছেন।
Saturday, March 16, 2019
কে এ হামলাকারী কেন এই হামলা
March 16, 2019
![]() |
| ছবি: সংগৃহীত: নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চের মসজিদে হামলাকারী শেতাঙ্গ বর্ণবাদী ব্রেনটন টেরেন্ট |
নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চের মসজিদে হামলাকারী একজন কট্টর শেতাঙ্গ বর্ণবাদী। তার নাম ব্রেনটন টেরেন্ট। ২৮ বছর বয়সী এ সন্ত্রাসী মুসলমান ও অভিবাসী বিদ্বেষী। তার মতে, মুসলমানরা ইউরোপের দেশগুলো দখল করে নিচ্ছে। এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক করতে এবং ইউরোপে ইসলামপন্থীদের সন্ত্রাসী হামলার প্রতিশোধ নিতে সে এ হামলা চালিয়েছে।
শুক্রবার হামলার আগে নিজের টুইটার অ্যাকাউন্টে ৭৩ পৃষ্ঠার কথিত মেনিফেস্টো (ঘটনার কারণ) প্রকাশ করে ব্রেনটন। এতে সে মুসলমানদের দাস, সন্ত্রাসী ও দখলদার হিসেবে উল্লেখ করে।
অভিবাসী ও মুসলমানদের প্রতি চরম ঘৃণা প্রকাশ করে সে বলে, ইউরোপ থেকে অভিবাসীদের নিশ্চিহ্ন করে ‘মাতৃভূমি’ পুনরুদ্ধার করা তার লক্ষ্য। অন্য ধর্ম থেকে মুসলমানে পরিণত হওয়াকে সে রক্তের সঙ্গে বেইমানি বলে উল্লেখ করে।
ব্রেনটন লিখেছে, আমাদের ভূখণ্ড কখনোই অনুপ্রবেশকারীদের ভূখণ্ড হবে না। আমাদের মাতৃভূমি আমাদের এবং যতদিন পর্যন্ত শ্বেতাঙ্গরা জীবিত থাকবে, ততদিন তারা আমাদের ভূখণ্ড দখল করতে পারবে না। তারা কখনোই আমাদের লোকদের জায়গা দখল করতে পারবে না।
সে বলে, সংজ্ঞায়িত করলে এটি একটি সন্ত্রাসী হামলা। কিন্তু দখলদার বাহিনীর বিরুদ্ধে এটি একটি পক্ষপাতমূলক হামলা বলেই আমি মনে করি।
হামলাকারীর পরিচয় নিশ্চিত করে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন বলেন, হামলাকারী মৌলবাদী, কট্টর ডানপন্থী ও সহিংস সন্ত্রাসী ছিল। সে অস্ট্রেলিয়ায় হাজতবাসেও ছিল। দেশটির নিউ সাউথ ওয়েলস অঙ্গরাজ্যের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে অপরাধসংক্রান্ত পুরনো রেকর্ড আছে। তার বাড়ি গ্রাফটন শহরে।
এ ভয়াবহ হামলা চালানোর জন্য ২ বছর ধরে পরিকল্পনা করছিল জানিয়ে ব্রেনটন আরও বলে, ৩ মাস আগেই সে ক্রাইস্টচার্চে হামলার সিদ্ধান্ত নেয়।
ব্রেনটন টেরেন্ট তার কথিত মেনিফেস্টোতে নিজেকে একজন ‘সাধারণ শ্বেতাঙ্গ’ বলে উল্লেখ করে। সে লিখেছে, ২০১৭ সালে সুইডেনের স্টকহোমে সন্ত্রাসী হামলায় ১১ বছর বয়সী শিশু এব্বা অকারলান্ডের নিহত হওয়ার ঘটনার শোধ নিতে এ হামলাটি চালানো হয়েছে।
তার ভাষ্য, ‘স্টকহোমের ওই ঘটনাটিই আমাকে প্রথম এ ধরনের হামলার অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে, বিশেষ করে ওই ১১ বছর বয়সী মেয়েটির মৃত্যু। এব্বার মৃত্যু হয়েছে ‘দখলদার’দের হাতে... আমি এ ধরনের হামলা এড়িয়ে যেতে পারি না।’
সে আরও লেখে, এটি ঐতিহাসিকভাবে ইউরোপের ভূমিতে বিদেশি ‘দখলদার’দের কারণে শত শত মানুষের মৃত্যুর পাল্টা প্রতিশোধ।
মেনিফেস্টোতে ব্রেনটন টেরেন্ট আরও বলে, ২০১১ সালে নরওয়ের অসলোতে ৭৭ জনকে হত্যাকারী আন্ডারস ব্রেইভিকের দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে সে এ সন্ত্রাসী হামলা চালিয়েছে।
এছাড়া সে নিজেকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থক বলেও দাবি করে। এ হামলার ঘটনায় সে ট্রাম্পের উগ্র সমর্থক ক্যানডিস ওউনসের কাছ থেকেও অনুপ্রাণিত হয়েছে।
ব্রেনটন তার টুইটার অ্যাকাউন্টের হেডার ফটো হিসেবে যে ছবি দিয়েছে, সেখানে ২০১৬ সালে ফ্রান্সের নিসে শহরে বাস্তিল ডে উদযাপন অনুষ্ঠানে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত একজনের ছবি দেখা যায়। সেদিন জনতার ওপর ট্রাক চালিয়ে দেয়ার ঘটনায় ৮৪ জনের প্রাণহানি হয়েছিল।
নিউজিল্যান্ডে মাত্র ১ শতাংশ মুসলমান। তারপরও কেন এ দেশটিকে হামলার জন্য বেছে নেয় ব্রেনটন- এর কারণ হিসেবে সে লিখেছে, দেশটি ইউরোপের অন্য দেশের চেয়ে তুলনামূলক দুর্গম। তারপরও এখানে দিন দিন মুসলমানদের সংখ্যা বাড়ছে। হামলার মাধ্যমে এ বিষয়ে সে সবাইকে সতর্ক করতে চেয়েছিল। নিজের পারিবারিক অবস্থা ও শৈশবের বেদনা উল্লেখ করে সে লিখেছে, আমি নিুবিত্ত পরিবারে জন্মেছি, বাবা-মা স্কটিশ আইরিশ এবং ইংলিশ ছিল, আমার কোনো নিয়মিত শৈশব ছিল না।
ক্রাইস্টচার্চের আল নুর মসজিদে প্রাণঘাতী হামলা চালাতে যখন গাড়ি চালিয়ে যাচ্ছিল, শ্বেতাঙ্গ শ্রেষ্ঠত্ববাদী ব্রেনটন তখন লোক গান ও সামরিক সঙ্গীত শুনছিল। এরপর একটি সরু গলিতে গাড়িটি পার্ক করে রেখে অস্ত্র নিয়ে মসজিদের দিকে এগিয়ে যায় সে।
তার গাড়ি থেকে অন্তত ৬টি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। যে অস্ত্র-সরঞ্জাম নিয়ে ব্রেনটন টেরেন্ট ও তার সহযোগীরা হামলা চালিয়েছে সেখানে মুসলিমদের ওপর বিগত সাম্প্রদায়িক হামলার তথ্য তুলে ধরে এ ধরনের হামলা চালিয়ে যাওয়ার উৎসাহমূলক বিভিন্ন শব্দ-বাক্য দেখা যায়। হামলায় জড়িত সন্দেহে এক নারীসহ চারজনকে আটক করলেও ব্রেনটনকে আটক করতে পারেনি পুলিশ।
সূত্র : যুগান্তর
Thursday, March 14, 2019
শিক্ষিকার মাধ্যমে কর্মকর্তাদের সঙ্গে ছাত্রীদের শারীরিক সম্পর্ক
March 14, 2019
![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, মাধুরাই কামারাজ বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে ছাত্রীদের শারীরিক সম্পর্কের সুযোগ করে দিতেন নির্মলা দেবী। আর এ কাজ তিনি করতেন পরীক্ষায় ছাত্রীদের ভালো ফল পাইয়ে দেওয়ার লোভ দেখিয়ে।নির্মলা দেবীর বিরুদ্ধে এমন আভিযোগ আসার পর তাকে কলেজ থেকে বহিষ্কার করা হয়। তিনি ছিলেন ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত দেভাঙ্গা আর্টস কলেজের সহযোগী অধ্যাপক। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে একটি অডিওবার্তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফাঁস হয়ে গেলে তার এ কুকর্মের কথা বেরিয়ে আসে।
ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর নির্মলা দেবীর বিরুদ্ধে বেআইনি কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ আনে কলেজ কর্তৃপক্ষ। কলেজের অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত বছরের এপ্রিলে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারের ১১ মাস পর মঙ্গলবার মাদ্রাজ হাইকোর্ট তাকে জামিন দেন।
মাদ্রাজ হাইকোর্ট তার জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন। তবে তদন্ত কাজে পুলিশকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করার জন্য তাকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। তাছাড়া মামলার রায় না হওয়া পর্যন্ত তিনি কোনো সংবাদমাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দিতে পারবেন না বলেও জানিয়ে দিয়েছেন আদালত।
সূত্র : বিডি অনলাইন নিউজ ২৪
Saturday, March 2, 2019
আটক পাইলটকে ভারতের হাতে তুলে দিয়েছে পাকিস্তান
March 02, 2019
![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
বুধবার বিমান লড়াইয়ের সময় পাকিস্তানের অভ্যন্তরে তার বিমান বিধ্বস্ত হলে আহত অবস্থায় আটক হন ভারতের বিমান বাহিনীর উইং কমান্ডার আভিনন্দন ভার্তামান।
সাথে সাথে তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার পক্ষে ভারতে তীব্র জনমত তৈরি হয়। পুলাওয়ামায় সন্ত্রাসী হামলার জন্য পাকিস্তানকে শিক্ষা দেওয়ার দাবি ছাপিয়ে তাকে ফিরিয়ে আনার দাবি জোরালো হতে থাকে।
গতকাল বৃহস্পতিবার প্রায় অপ্রত্যাশিতভাবে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান আটক পাইলটকে পরের দিনই অর্থাৎ শুক্রবার ভারতের হাতে ফেরত দেওয়ার কথা ঘোষণা করেন। সন্ধ্যার পর উইং কমান্ডার ভার্তামানকে পাঞ্জাবের ওয়াগা সীমান্তে ভারতের কর্মকর্তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। তার কিছুক্ষণ আগে পাকিস্তান টিভিতে উইং কমান্ডার ভার্তামান বলেন, পাকিস্তান সেনাবাহিনীর আচরণে তিনি 'খুবই চমৎকৃত' হয়েছেন।
আটক পাইলটকে মুক্তি দেওয়ায় তার সিদ্ধান্তে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ভারতের বিভিন্ন মহলেও অভিনন্দিত হয়েছেন। কিন্তু এই পাইলটের মুক্তির মধ্যে দিয়ে কাশ্মীর নিয়ে দুই দেশের মধ্যে সর্ব-সাম্প্রতিক সংকটের নিরসন হবে এমন ইঙ্গিত এখনও পাওয়া যায়নি।
কাশ্মীরে সীমান্ত এলাকার দুধারে এখনও দুই দেশের হাজার হাজার সৈন্য মোতায়েন রয়েছে।
ভারত জুড়ে উৎসব
শুক্রবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে ভারতে ওয়াগা সীমান্ত দিয়ে তাকে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর হাতে তুলে দেয় পাকিস্তানী রেঞ্জার্স।
তারপরেই সারা ভারত জুড়ে শুরু হয়ে যায় উৎসব, বাজি পটকা ফাটানো।
সকাল থেকেই ভারতের নানা শহরে চলেছে আবির খেলা, মিষ্টি খাওয়ানো আর বাজি ফাটানো।
কে জিতলেন - ইমরান না মোদী ?
উইং কমান্ডার ভার্থমানকে মুক্তি দেওয়ার কথা যখন বৃহস্পতিবার ঘোষণা করেছিলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান, তখন থেকেই ভারতে টুইটার সহ সামাজিক গণমাধ্যমেও এ নিয়ে ব্যতিব্যস্ত।
খোলাখুলি ইমরান খানের প্রশংসা করছেন অনেকে। অনেকে লিখছেন মি. মোদীর দৃঢ়চেতা নেতৃত্বের কারণেই পাকিস্তান বিনা শর্তে পাইলটকে ফেরত দিচ্ছে।
ফেসবুক টুইটারের মতো সামাজিক মাধ্যম হোক বা হোয়াটসঅ্যাপের মতো যোগাযোগ মাধ্যম - সব মাধ্যমেই গত ৪-৫ দিন ধরে চর্চার বিষয় মূলত একটাই - ভারত পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা।
মে যখন পাকিস্তানের সীমানায় ঢুকে ভারতীয় বিমান থেকে বোমাবর্ষণ হল, সেইদিনটা ছিল নরেন্দ্র মোদীর পক্ষ নিয়ে ব্যাপক উচ্ছ্বাস প্রকাশের দিন।
পরের দিন আবার ভারতের আকাশ সীমা পার করে পাকিস্তানী বিমান ঢুকে পড়ায় সেই উচ্ছ্বাসে ভাটা পরেছিল একটু।
আর উত্তেজনাময় তৃতীয় দিন, বৃহস্পতিবার যখন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ঘোষণা করলেন যে গ্রেপ্তার হওয়া পাইলটকে মুক্তি দেবেন তারা, সেদিন পাল্লাটা যে কোন পক্ষে ভারী, সেটা গবেষণার বিষয়।
এক ফেসবুক ব্যবহারকারী অমিতাভ আইচ লিখেছেন - '১৯৮১ সালে যখন পাকিস্তানে খেলতে যায় ভারত তখন রিভার্স সুইং সম্বন্ধে কোনও ধারণা ছিল না। ইমরান খানেরই আবিষ্কার ওটা। গুন্ডাপ্পা বিশ্বনাথের মতো ব্যাটসম্যান, যাকে ফাস্ট বোলিং সামলানোর অন্যতম সেরা বলে মনে করা হত, তিনি বারেবারেই ওই রিভার্স সুইংয়ে আউট হয়ে যাচ্ছিলেন। তার ক্যারিয়ারই একরকম শেষ হয়ে গিয়েছিল ইমরানের ওই বলে।'
মি আইচ বিবিসিকে বলেন, 'গুন্ডাপ্পা বিশ্বনাথের ক্যারিয়ারই ইমরানের খানের রিভার্স সুইং আর ইনডীপারের সামনে প্রায় হারিয়ে গেল, তাহলে নরেন্দ্র মোদীর কী হবে, সেটাই ভাবছি।"
নরেন্দ্র মোদী এবং বিজেপির পক্ষ নিয়ে নিয়মিতই ফেসবুক পোস্ট করেন বিজেপির এক নেতা দীপ্তিমান সেনগুপ্ত।
তার কথায়, "পাকিস্তান নানা উগ্রপন্থী সংগঠনকে দিয়ে একটা ইয়র্কার দিতে গিয়েছিলেন কিন্তু নরেন্দ্র মোদী নিঃসন্দেহে একটা ছক্কা মেরেছেন। আমাদের কিছু সৈনিক মারা গেছেন ঠিকই, কিন্তু দেশ একত্রিত হয়ে গেছে। ১৯৪৭ এর পর থেকে এতবড় চাপ পাকিস্তানের ওপরে আর কেউ তৈরি করতে পারে নি।"
সামাজিক মাধ্যমে খুবই অ্যাক্টিভ কলকাতার অধ্যাপক গর্গ চ্যাটার্জী। তিনি অবশ্য কে হারল কে জিতল তার বাইরে গিয়ে একটু অন্যভাবে দেখতে চান এই ঘটনাক্রমে।
তিনি বলেন, "একটা যুদ্ধে উভয় পক্ষেরই সাধারণ মানুষই হারে। তবে এক্ষেত্রে বলব যে পাকিস্তানে বেশ কিছু সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের ঘাঁটি রয়েছে, সেই দেশই যখন একজন ভারতীয় বৈমানিককে ছেড়ে দেয়, তাতে বলাই যায় অ্যাডভান্টেজ পাকিস্তান। কারণ তারপরে ভারতের বাহিনীও কিন্তু বলেছে এরপরে আর আগ্রাসন না হলে তারাও আর কিছু করবে না ।"
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক কাকলি সেনগুপ্তও নজর রেখেছিলেন সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত মতামতগুলির ওপরে।
তিনি বলছেন, "ইমরান খানের ঘোষণার পরে সামাজিক মাধ্যমে নানা ভাবে সেটাকে ব্যাখ্যা করছেন মানুষ। এইরকম দুটো দেশের মধ্যে যখন একটা উত্তেজনাকর পরিস্থিতি থাকে, তার মধ্যেই যদি কোনও পক্ষ একটা শান্তির বার্তা দেয়, তাহলে তাদের একটা আশঙ্কা থাকেই যাতে অপর পক্ষ সেই বার্তাটাকে তাদের দুর্বলতা হিসাবে না দেখে। আবার অন্য দেশটিও ব্যাখ্যা করতে পারে যে তাদের কাছে মাথা নোয়াতে হল অন্য দেশটিকে।"
"আমার মতে এভাবে বিষয়টাকে ব্যাখ্যা করাই উচিত নয়। কারণ যখন ঐতিহাসিকভাবেই বৈরিতা আছে এমন দুটো দেশের মধ্যে উত্তেজনা প্রশমন করাটাই সবথেকে জরুরী। প্রয়োজন আলোচনায় বসার," বলছিলেন মিজ সেনগুপ্ত।
সামাজিক মাধ্যমে যেমন নানা জন নানা মত প্রকাশ করছেন ভারত পাকিস্তানের মধ্যেকার এই কদিনের উত্তেজনা নিয়ে, তেমনই চলছে বেশ কিছু হ্যাশট্যাগও - হাজার হাজার টুইট করছেন সেখানে মানুষ - কেউ আবার নানা ধরণের কার্টুনও শেয়ার করছেন।
সব মিলিয়ে মনে হচ্ছে ভারতের পশ্চিম সীমান্তে যুদ্ধ না হলেও ফেসবুক টুইটারে রীতিমতো যুদ্ধই বেধে গেছে ভারত পাকিস্তানের দুই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আর ইমরান খানের পক্ষে এবং বিপক্ষে।
সূত্র : বিবিসি বাংলা
Wednesday, February 27, 2019
ভারত-পাকিস্তানের সামরিক শক্তির পার্থক্য কতটা?
February 27, 2019
![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
জঙ্গি হামলার ওই ঘটনার পর থেকেই দুই দেশের মধ্যে চলছে উত্তেজনা। পুলওয়ামায় হামলার পর ভারত এর সমুচিত জবাব দেয়ার হুমকি দিয়েছিল। অন্যদিকে, পাকিস্তান বলেছিল যে আক্রান্ত হলে তারাও বসে থাকবে না।
দুটো দেশের হাতেই পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে। কিন্তু প্রতিবেশী এই দুই বৈরী দেশের কার কেমন সামরিক শক্তি রয়েছে অনেকের জানা নেই। বিবিসির এক প্রতিবেদনে দেয়া হয়েছে দুই দেশের অস্ত্রের খোঁজ।
গ্লোবাল ফায়ার পাওয়ারের ২০১৮ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সামরিক শক্তির দিক থেকে বিশ্বের ১৩৬টি দেশের মধ্যে ভারতের অবস্থান চতুর্থ, অন্যদিকে পাকিস্তানের অবস্থান সতেরোতম।
এই তালিকা তৈরি করা হয়েছে ৫৫টির বেশি বিষয় বিবেচনায় নিয়ে। ভৌগলিক, অর্থনৈতিক, স্থানীয় শিল্প, প্রাকৃতিক সম্পদ, কর্মক্ষমতা এবং প্রথম, দ্বিতীয় বা তৃতীয় বিশ্বের দেশের মর্যাদার বিষয়গুলো এখানে বিবেচনায় নেয়া হয়েছে।
জনসংখ্যার দিক থেকে পাকিস্তানের চেয়ে অনেক এগিয়ে ভারত। পাকিস্তানের জনসংখ্যা যেখানে ২০ কোটি ৫০ লাখ সেখানে ভারতের জনসংখ্যা ১২৮ কোটিরও বেশি। পাকিস্তানের সৈন্য সংখ্যা ৯ লাখ ১৯ হাজার হলেও ভারতের সেনাবাহিনীর সদস্য সংখ্যা আনুমানিক ৪২ লাখ।
প্রতিরক্ষা বাজেট
ভারত ও পাকিস্তান - এই দুই দেশের প্রতিরক্ষা বাজেটে বড় পার্থক্য রয়েছে। ভারতের প্রতিরক্ষা বাজেট চার হাজার ৭০০ কোটি ডলার, অন্যদিকে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষায় বরাদ্দ রয়েছে ৭০০ কোটি ডলার।
সামরিক বিমানের সংখ্যা
ভারতের মোট সামরিক বিমান রয়েছে ২ হাজার ১৮৫টি, আর পাকিস্তানের রয়েছে ১ হাজার ২৮১টি বিমান। এসবের মধ্যে ভারতের যুদ্ধবিমান রয়েছে ৫৯০টি আর পাকিস্তানের ৩২০টি।
সেই সঙ্গে ভারতের আক্রমণকারী বা অ্যাটাকিং বিমান রয়েছে ৮০৪টি, অন্যদিকে পাকিস্তানের আছে ৪১০টি। পরিবহনের জন্য ভারতের রয়েছে ৭০৮টি বিমান, পাকিস্তানের রয়েছে ৪৮৬টি।
হেলিকপ্টার
পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর কাছে সাধারণ হেলিকপ্টার রয়েছে যেখানে ৩২৮টি, ভারতের কাছে রয়েছে ৭২০টি। তবে পাকিস্তানের আক্রমণকারী বা অ্যাটাকিং হেলিকপ্টার রয়েছে ৪৯টি, যেখানে ভারতের আছে মাত্র ১৫টি। কার্যক্ষম বিমানবন্দর রয়েছে ভারতের ৩৪৬টি, আর পাকিস্তানের ১৫১টি।
ট্যাংক ও সাঁজোয়া যান
পাকিস্তানের মোট ট্যাংকের সংখ্যা ২ হাজার ১৮২টি হলেও ভারতের রয়েছে এর প্রায় দ্বিগুণ- ৪ হাজার ৪২৬টি। তাছাড়া ভারতের সাঁজোয়া যান রয়েছে ৩ হাজার ১৪৭টি, আর পাকিস্তানের ২ হাজার ৬০৪টি।
আর্টিলারি
গ্লোবাল ফায়ার পাওয়ারের তালিকায় স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রের দিক বিবেচনায় ভারতের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে পাকিস্তান। ভারতের ১৯০টি এ ধরণের অস্ত্র থাকলেও পাকিস্তানের রয়েছে ৩০৭টি।
তবে টেনে নিয়ে যাওয়া যায়, এমন আর্টিলারি ভারতের আছে ৪ হাজার ১৫৮টি। তবে পাকিস্তানের আছে এর এক চতুর্থাংশ - মাত্র ১ হাজার ২৪০টি। রকেট প্রজেক্টর ভারতের কাছে আছে ২৬৬টি আর পাকিস্তানের কাছে আছে ১৪৪টি।
নৌবাহিনীর সরঞ্জাম
ভারতের নৌবাহিনীর কাছে মোট যুদ্ধযান রয়েছে ২৯৫টি আর পাকিস্তানের আছে ১৯৭টি। এসব যুদ্ধযানের মধ্যে ভারতের একটি বিমানবাহী রণতরী থাকলেও ভারতের সেরকম কিছু নেই। ভারতের কাছে ১৬টি সাবমেরিন বা ডুবোজাহাজ থাকলেও পাকিস্তানের আছে পাঁচটি। ফ্রিগেট রয়েছে ভারতের ১৪টি, আর পাকিস্তানের ১০টি।
ভারতের ১১টি ডেস্ট্রয়ার থাকলেও পাকিস্তানের এরকম কোন যুদ্ধজাহাজ নেই। তেমনি ভারতের ২২টি কর্ভেট (ছোট আকারের যুদ্ধজাহাজ) থাকলেও পাকিস্তানের এরকম কোন নৌযান নেই। ভারতের প্যাট্রোল নৌযান রয়েছে ১৩৯টি, আর পাকিস্তানের আছে ১১টি। মাইন যুদ্ধজাহাজ রয়েছে ভারতের ৪টি আর পাকিস্তানের ৩টি।
নৌ-বন্দর, কর্মক্ষম ব্যক্তি, বাণিজ্য জাহাজ, সংরক্ষিত শক্তি ইত্যাদির দিক বিবেচনায় পাকিস্তানের চেয়ে বেশ অনেকটা এগিয়ে রয়েছে ভারত। গ্লোবাল ফায়ার পাওয়ার ইনডেক্স অনুযায়ী, সামরিক দিক থেকে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী দেশ যুক্তরাষ্ট্র। এরপরেই রয়েছে রাশিয়া, চীন ও ভারত।
শীর্ষ ১০দেশের মধ্যে আরো রয়েছে ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, তুরস্ক এবং জার্মানি। ভারত এবং পাকিস্তান - এই দুটো দেশের হাতেই রয়েছে পারমাণবিক অস্ত্র।
তবে গ্লোবাল ফায়ার পাওয়ার তাদের রিপোর্টে উল্লেখ করেনি যে কোন দেশের হাতে কতটি এ ধরণের অস্ত্র রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি বলছে, পারমাণবিক অস্ত্র ক্ষমতার বিষয়টি তারা তাদের রিপোর্টে বিবেচনায় নেয়নি।
সামরিক বিশ্লেষকরা অবশ্য বলে থাকেন যে পারমাণবিক অস্ত্র যুদ্ধের ক্ষেত্রে অনেকটা ডেটেরেন্ট বা নিবৃত্তকরণের উপাদান হিসেবে কাজ করে, কারণ শেষ বিচারে এ ধরণের অস্ত্র কেউ ব্যবহার করতে চাইবে না।
সূত্র: বিবিসি বাংলা
Monday, February 25, 2019
হিরের আংটি ফেরত দিলেন বাংলাদেশি রাজু আহমেদ
February 25, 2019
![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
যাত্রীর মূল্যবান হিরের আংটি ফেরত দিয়ে আবারও নিউইয়র্কে প্রশংসা কুড়ালেন বাংলাদেশের এক ক্যাবচালক। মাত্র তিন বছর আগে আমেরিকায় আসা ক্যাবচালক রাজু আহমেদ গত আগস্ট মাসে ম্যানহাটনের লোরেনকে গাড়িতে ওঠান। একপর্যায়ে গাড়িতে বসেই লোরেন রাজুকে জানান, তিনি তাঁর হিরের আংটি হারিয়ে ফেলেছেন।
গাড়িতে তন্নতন্ন করে খুঁজেও আংটির কোনো হাদিস করতে পারেননি রাজু এবং তাঁর যাত্রী লোরেন। দাদির দেওয়া আংটি হারিয়ে মন খারাপ করা লোরেনের ফোন নম্বর রেখেছিলেন এবং কয়েক দফা বার্তা বিনিময় করেছিলেন হারিয়ে যাওয়া আংটি পাওয়া গেল কি না তা জানতে।
সম্প্রতি রাজু আহমেদের গাড়িতে বড় ধরনের মেরামতের কাজ করাতে হয়। এ সময় গাড়ির কার্পেটসহ সবকিছু বদলে ফেলার প্রস্তুতই নিচ্ছিলেন তিনি। বিস্ময়কর হলেও সত্যি, ছয় মাস আগে যাত্রী লোরেনের ফেলে যাওয়া দাদির স্নেহ ও ভালোবাসার উপহার সেই আংটি নিজের গাড়িতেই খুঁজে পান রাজু। চেষ্টা করে খুঁজে বের করেন ম্যানহাটন নিবাসী লোরেনকে।
পূর্বযোগাযোগ অনুযায়ী বুধবার ম্যানহাটনের একটি রেস্তোরাঁয় রাজু আহমেদ সেই হিরের আংটিটি লোরেনের হাতে তুলে দেন। মুগ্ধ লোরেন রাজুর সততার প্রশংসা করে ভালোবাসার মহা মূল্যবান হিরের আংটি ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য রাজুর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। রাজু আহমেদ বলেন, ‘আমি আমার পারিবারিক এবং ধর্মীয় শিক্ষা থেকেই এমনটি করেছি। আমার যাত্রী খুশি হয়েছেন দেখে আমি নিজেও খুশি। হিরের আংটিটির বাজারমূল্য ২০ হাজার ডলারের বেশি বলে মনে করা হচ্ছে।’
নিউইয়র্কে বাংলাদেশিদের সততার জন্য সুনাম অর্জনকারী রাজু আহমেদের বাড়ি সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলায়।
সূত্র : প্রথম আলো
Sunday, February 10, 2019
তরুণীকে চার নারী মিলে গণধর্ষণ, গ্রেফতার এক!
February 10, 2019
![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
এবার ২৫ বছর বয়সী এক মহিলার বিরুদ্ধে উঠল ধর্ষণের অভিযোগ। কোনও পুরুষ এই অভিযোগ আনেননি। এনেছেন ১৯ বছরের এক তরুণী। অবিশ্বাস্য ঘটনাটি ঘটেছে চিত্র-বিচিত্রের দেশ ভারতের দিল্লিতে। পুলিশ এই ঘটনায় চারজনকে গ্রেফতার করেছে। দেশটিতে সমলিঙ্গে ধর্ষণের এটাই প্রথম ঘটনা বলে জানাচ্ছে পুলিশ।
দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, নির্যাতিতা ওই তরুণী উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বাসিন্দা। কাজের সন্ধানে দিল্লি আসে সে। ওই মহিলা তাঁকে দিল্লির দিলশাদ কলোনিতে নিয়ে যায়। এবং সেখানে তাঁকে ধর্ষণ করে। সে একা নয়। আরও তিন জনের হাতে গণধর্ষিতা হতে হয় তাঁকে। শুধু তাই নয়, অভিযুক্তরা দিনের পর দিন ব্ল্যাকমেইল করে তাঁর উপর যৌন অত্যাচার চালাত। শেষ পর্যন্ত আর অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে পুলিশের কাছে অভিযোগ জানান ওই তরুণী। যার ভিত্তিতে ওই মহিলা সহ চারজনকে গ্রেফতার করা হয়।
আটকদের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির নানা ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। পাশাপাশি অভিযুক্ত ওই মহিলার বিরুদ্ধে ৩৭৭ ধারায় মামলা রুজু করেছে পুলিশ। ভারতের সুপ্রিম কোর্ট সমকামী যৌনতাকে অপরাধমুক্ত করার পর এই প্রথম সেদেশে ৩৭৭ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আটকদের জেরার পর কারকারডোমা আদালতে তোলা হয়। সেখানে আদালত অভিযুক্তদের জেল পাঠানোর নির্দেশ দেন।
গতবছর সেপ্টেম্বর মাসে এক ঐতিহাসিক রায়ে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট সংবিধানের ৩৭৭ ধারায় বর্ণিত সমকামী যৌনতাকে অপরাধমুক্ত করে। তার আগে ২০১৮ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত এই ধারায় ২৮টি অভিযোগ দায়ের হয়। ২০১৫ সাল থেকে ২০১৮ মার্চ মাস পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন পুলিশ থানায় ৫৪৩টি অভিযোগ জমা পড়ে।
পুলিশকে ডেকে এনে নিজেই উলঙ্গ হলেন তরুণী, পরের ঘটনা মারাত্মক
February 10, 2019
![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঘটনার সূত্রপাত বৃহস্পতিবার রাতে। মুম্বইয়ের বাসিন্দা ওই তরুণীর সঙ্গে তাঁর ফ্ল্যাটের নিরাপত্তারক্ষীর বচসা বাধে। তরুণীর অভিযোগ, বচসার সময়ে তাঁর গায়ে হাত দেন নিরাপক্ষারক্ষীরা। অন্য দিকে নিরাপক্ষারক্ষীদের অভিযোগ, তাঁদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেছেন ওই যুবতী।
এর পরেই পুলিশ আসে ওই ফ্ল্যাটে। কিন্তু তখনই বাধে বিপত্তি। পুলিশকর্মীদের সঙ্গে কোনও মহিলা পুলিশ ছিল না। এর পরেই পুলিশের সঙ্গে থানায় যেতে বেঁকে বসেন ওই যুবতী। তিনি জানান, মহিলা পুলিশকর্মী না এলে তিনি থানায় যাবেন না। কিন্তু ঘটনাস্থলে মোতায়েন পুলিশকর্মীরা সেই কথা না শুনলে তার পরে নিজের জামাকাপড় খুলে ফেলেন তিনি তার পরেই শুরু করেন চিৎকার।
পরে ওই যুবতী গোটা ঘটনার ভিডিও আপলোড করেন টুইটারে। প্রধানমন্ত্রী, মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী ও পুলিশ কমিশনারকে ভিডিওটি ট্যাগও করে দেন তিনি। এর পরেই ভিডিওটি ভাইরাল হয়ে যায় সোশ্যাল মিডিয়ায়। এখনও পর্যন্ত এই ঘটনা কোনও এফআইআর দায়ের করা হয়নি।
Wednesday, February 6, 2019
শুধু পুরুষ না নারীরাও যৌন নির্যাতনকারী হয়ে থাকে
February 06, 2019
![]() |
| ছবি : সংগৃহীত |
বৃটেনে শিশু ও টিনেজ বালক- বালিকাদের ওপর যৌন নির্যাতনকারী নারীর সংখ্যা বাড়ছেক্রমাগতভাবে। তাদেরকে অভিযুক্ত করে সাজা দেয়া হলেও এ প্রবণতা থামছে না। মঙ্গলবার সোফি এলমস নামের ১৮ বছর বয়সী এক নারীকে এমন অভিযোগে ৭ বছর ১০ মাসের জেল দিয়েছে আদালত। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ দুটি শিশুর ওপর ভয়াবহ যৌন নির্যাতন করেছেন তিনি। ওই দুটি শিশুর একটির বয়স দুই বছর। অন্যজনের তিন।
এভাবে শিশুদের ওপর যৌন নির্যাতনকারীদের ইংরেজিতে বলা হয় পায়েডোফাইল। সোফি এলমস এমন নির্যাতনকারী একাই নন, বৃটিশ আইন মন্ত্রণালয়ের নতুন এক রিপোর্টে বলা হয়েছে, ২০১৬ সালে রেকর্ড সংখ্যক নারী যৌন নির্যাতনের দায়ে অভিযুক্ত হয়েছেন।
ওই বছরে ১৪২ জন নারী ও যুবতীর বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ গঠন করা হয়। অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে শিশুদের ধর্ষণ, যৌন নির্যাতন, তাদের সঙ্গে বিভিন্ন রকম যৌনতা সংশ্লিষ্ট আচরণ। এর দুই বছর আগে যে পরিমাণ নারী ও যুবতী এসব অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছিলেন ২০১৬ সালের সংখ্যা তার দ্বিগুণ। লন্ডনের একটি ট্যাবলয়েড পত্রিকার অনলাইন সংস্করণে এ খবর দেয়া হয়েছে। এ প্রবণতা বা পরিসংখ্যানকে অস্বস্তিকর বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে এতে। তাতে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, নারী যৌন নির্যাতনকারীর সংখ্যা কি বাস্তবেই বেড়ে চলেছে?
সাম্প্রতিক সময়ে ভয়াবহ এমন সব ঘটনা ঘটেছে, যাতে যৌন নির্যাতনকারী নারী। তারা শিশুদের ওপর যৌন নির্যাতনে সরাসরি জড়িত অথবা সম্পৃক্ত। এর মধ্যে সবচেয়ে হাই প্রোফাইল যৌন নির্যাতনকারী হলেন ভ্যানেসা জর্জ। তিনি সোফি এলমসের মতো একজন নার্সারি নার্স। তবে সোফি এলমসের মতো এই নির্যাতনের ঘটনা তিনি শিশুদের যত্ন নেয়ার কেন্দ্রে ঘটান নি। তাকে শিশুদের পিতামাতা নিরপরাধী হিসেবে দেখতেন। বর্তমানে তার বয়স ৪৮ বছর। তাকে বলা হয় লন্ডনে শিশুদের ওপর যৌন নির্যাতনকারী সবচেয়ে নিকৃষ্ট অপরাধী।
২০০৯ সালে তিনি স্বীকার করেন যে, তার তত্ত্বাবধানে থাকা শিশুদের ওপর নির্যাতন করেছেন। এর পরই তাকে অনির্দিষ্টকালের জেল দেয়া হয়েছিল। একটি গ্যাং, যারা শিশুদের ওপর যৌন নির্যাতন করে তাদের ‘মিস্ট্রেস’ বা রক্ষিতা হওয়ার ফলে নরউইচের একটি আদালত ২০১৫ সালে যাবজ্জীবন জেল দেয় ৩৪ বছর বয়সী যুবতী মেরি ব্ল্যাককে। ওই রায় দিয়ে বিচারক বলেছিলেন, তিনি ওই সময় পর্যন্ত যত মামলার রায় দিয়েছেন এটি ছিল তার মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ।
ওদিকে মঙ্গলবার একজন শিক্ষিকাকে দুই বছরের বেশি জেল দেয়া হয়েছে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি ১৫ বছর বয়সী একটি স্কুলছাত্রীর সঙ্গে ৯ মাস ধরে যৌন সম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন। ২০১৫ সালে ৩২ বছর বয়সী টিচিং এসিস্ট্যান্ট চার্লোটি পারকারকে শিক্ষকতা থেকে নিষিদ্ধ করা হয়। তিনি স্বীকার করেন, এসেক্সে তার স্কুলের ১৪ বছর বয়সী এক ছাত্রীকে তিনি হাজার হাজার যৌন উত্তেজক মেসেজ পাঠিয়েছেন। তারপর ওই ছাত্রীর বয়স ১৫ বছর হলে তার সঙ্গে গড়ে তোলেন যৌন সম্পর্ক। এরপরই তার বিরুদ্ধে ওই শাস্তি ঘোষণা করা হয়।
এর এক বছর পরে লরেন কক্স নামে ২৭ বছর বয়সী ভূগোলের শিক্ষিকাকে এক বছরের জেল দেয়া হয়। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, ১৩ বছর বয়সী এক ছাত্রের সঙ্গে তার সাক্ষাৎ হয়। তার পর তাদের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তবে ওই ছাত্রের বয়স যখন ১৬ বছর, তখন তাদের মধ্যে গড়ে ওঠে শারীরিক সম্পর্ক। একজন শিক্ষার্থীকে আপত্তিকর শব্দ সংবলিত কার্ড পাঠানোর জন্য ৪৯ বছর বয়সী শিক্ষিকা ইয়েঅনি প্রেসটনকে পেশা থেকে বহিষ্কার করা হয়।
ব্রিস্টলে ইউনিভার্সিটি অব দ্য ওয়েস্ট অব ইংল্যান্ডের অপরাধ বিজ্ঞানের সহযোগী প্রফেসর ও যৌন অপরাধ বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ড. কিয়েরান ম্যাকারটান। তিনি যৌন নির্যাতনকারী নারীর সংখ্যা নিয়ে বলেছেন, এই সংখ্যা মহামারি নয়। তবে এটা সংস্কৃতি পরিবর্তনের ফল। আমার মনে হয় সমাজে একটি পরিবর্তন ঘটেছে। আর সেজন্যই নির্যাতিতরা আস্থার সঙ্গে সামনে এগিয়ে আসছে এবং কথা বলছে। পুলিশের মধ্যে যৌন অপরাধের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নেয়ার প্রবণতা বেড়েছে। তারা এর তদন্ত করছে। বেশির ভাগ মামলার তদন্ত শেষে আদালতে পাঠিয়ে দেয়া হচ্ছে।
Sunday, February 3, 2019
‘বিশ্ব বাংলা গেট’ এর উদ্বোধন
February 03, 2019
![]() |
| ছবি : সংগৃহীত |
কলকাতায় নির্মিত ঐতিহ্যবাহী গেটটি খুলে দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আনুষ্ঠানিকভাবে এটি খোলার ঘোষণা দিয়েছিলেন। ‘কলকাতা গেট’ নামে পরিচিত এই ফটকের বর্তমান নামকরণ করা হয়েছে ‘বিশ্ব বাংলা গেট’।
কলকাতা মহানগরীর নতুন উপশহর রাজারহাটের নারকেলবাগান মোড়ে এই গেটের অবস্থান। এটির কাছেই কবিগুরুর স্মরণে তৈরি রবীন্দ্র তীর্থ। একটু দূরেই আবার কবি নজরুলের স্মরণে তৈরি নজরুল তীর্থ। কাছেই মোমের জাদুঘর, ইকোপার্ক। নেতাজি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরও অনেকটা কাছে।
২৫ মিটার উঁচু আর ২০০ মিটার বৃত্তাকারে ইস্পাত দিয়ে তৈরি এই গেটের নির্মাণকাজ ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে। এটি নির্মাণ করেছে ওয়েস্ট বেঙ্গল হাউজিং ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট করপোরেশন (হিডকো)। বৃত্তাকার এই গেটে রয়েছে ত্রিস্তরীয় ৩৮ মিলিমিটারের ল্যামিনেটেড গ্লাস। এই ফটকে উঠে দেখা যাবে রাজারহাটে তৈরি নতুন কলকাতা উপশহরের অপরূপ শোভা।
সম্পূর্ণ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত এই গেটের বৃত্তাকারের মাঝ বরাবরে থাকছে ক্যাফেটেরিয়া, রেস্তোরাঁ, কিউরিও শপ, ফটো গ্যালারি ও ভিআইপি লাউঞ্জ। উপড়ে উঠতে রয়েছে দুটি লিফট। একটিতে ৮ জন একসঙ্গে উঠতে পারবেন। ওপরে একসঙ্গে ৮০-৯০ জন বসতে পারবেন। খেতে পারবেন। ভেতরের ৪ মিটার চওড়া বৃত্তের দেওয়ালে আঁকা হয়েছে বাংলার বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান এবং মনীষীদের ছবি। রয়েছে অভ্যর্থনা ডেস্ক। গেটের বাইরে লাগানো হয়েছে ১৬টি সিসি টিভি ক্যামেরা আর ভেতরে লাগানো হয়েছে ২৪টি। আছে আধুনিক অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা। পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য রাখা রয়েছে সিঁড়িও। বলা হচ্ছে, ভূমিকম্পের দাপট সইতে পারবে এই গেট। গেটের নিরাপত্তার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বিধাননগর পুলিশকে।
এই গেটে উঠতে হলে টিকিট কাটতে হবে। তবে দর্শনার্থী লাগেজ, প্লাস্টিক ব্যাগ, পানির বোতল, সিগারেট, দেশলাই, লাইটার নিয়ে উঠতে পারবেন না। তবে মোবাইলে সেলফি তোলার সুযোগ পাবেন। বাণিজ্যিক ছবি তুলতে গেলে অনুমতি নিতে হবে। গেটের ওপরে একবারে ৮০-৯০ জন ওঠার পর তাঁদের একসঙ্গে এক ঘণ্টা করে সময় কাটানোর সুযোগ দেওয়া হবে। এই দলটি নিচে নেমে এলে পরবর্তী দলকে গেটে তোলা হবে। অপেক্ষমাণ দর্শনার্থীদের জন্য টিকিট কাউন্টারের সামনে আছে ওয়েটিং লাউঞ্জ।
Tuesday, January 29, 2019
কানাডার প্রধানমন্ত্রীর চেয়ারে কে এই মেয়েটি?
January 29, 2019
![]() |
| ছবি : সংগৃহীত |
তিনি কানাডার প্রধানমন্ত্রী। চেয়ারটাতে বসার কথা তাঁর। কিন্তু জাস্টিন ট্রুডো দাঁড়িয়ে আছেন। প্রধানমন্ত্রীর চেয়ারে বসে আছে ৯ বছর বয়সি একটি কন্যাশিশু! যেনতেন বসা না, দুই পা টেবিলে তুলে দিয়ে আয়েশি ভঙ্গিতে বসা। যেন প্রধানমন্ত্রীর এই চেয়ারটি কোনো ব্যাপারই না তার কাছে!
শিশুটির নাম এলা গ্রেস মার্গারেট ট্রুডো। এলা প্রধানমন্ত্রী ট্রুডোর সন্তান। ছবিটি কানাডার প্রধানমন্ত্রী আজ বৃহস্পতিবার নিজের ফেসবুক পেজে প্রকাশ করেছেন। শুধু প্রকাশ না, তিনি তা নিজের ফেসবুকের ‘কভার ফটো’ হিসেবেও দিয়েছেন।
১১ অক্টোবর আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস। দিবসটি মনে করিয়ে দিতেই ছবিটি প্রকাশ করেছেন জাস্টিন ট্রুডো। ছবিতে ক্যাপশনে ট্রুডো লিখেছেন, ‘শুভ আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস।’
ছবির মন্তব্যে জাস্টিন ট্রুডো বলেন, ‘দিনটি আমাদের কন্যা, নাতনি, বোন, ভাতিজিদের। নিশ্চিত করতে হবে এমন একটা পৃথিবী যেখানে তাদের কথাটা শোনা হয়, যেন স্বপ্নপূরণের জন্য সব ধরণের সহযোগিতা তারা পায়।’
শুধু তাই না দিবসটি উপলক্ষে বিবৃতিও দিয়েছেন ট্রুডো। তিনি বলেছেন, ‘কানাডাসহ পুরো বিশ্বে এগিয়ে যাবার জন্য নারীরা নিজেদের পরিবর্তন করার পাশাপাশি সমাজকে বদলে দিচ্ছে। তাঁরা দেখিয়েছে পর্যাপ্ত সুযোগ ও সমর্থন পেলে তাঁরা সর্বোচ্চটুকু অর্জন করতে পারবে, আমাদের পৃথিবীকে বদলে দিতে পারবে।’
Monday, January 28, 2019
স্ত্রীকে উপহার দিলেন ৫৫ হাজার ড্রেস, জানুন এই দম্পতির ভালবাসার এক অনন্য কাহিনি
January 28, 2019
![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
মার্গট ও পল ব্রকম্যানের দাম্পত্য জীবনের ৫৬ বছর অতিবাহিত এবং এই সুদীর্ঘ সময়ে স্ত্রীকে তিনি উপহার দিয়েছেন ৫৫ হাজার ড্রেস।
সেই কোন তরুণ বয়সে দেখা হয়েছিল মার্গটের সঙ্গে পলের। তখন দু’জনেই জার্মানির বাসিন্দা। এক নাচের আসরে মার্গটকে প্রথম দেখেন পল। দেখেই ভাল লেগে গিয়েছিল তাঁকে। তার পরে সবই যেন স্বপ্নের মতো।
মার্গট ও পল ব্রকম্যানের দাম্পত্য জীবনের ৫৬ বছর অতিবাহিত। এবং এই সুদীর্ঘ সময়ে স্ত্রীকে তিনি উপহার দিয়েছেন ৫৫ হাজার ড্রেস। সব যে একেবারে নতুন, তা নয়। এই বিশাল সম্ভারের মধ্যে বেশিরভাগ পোশাকই সেকেন্ড-হ্যন্ড এবং তাদের রয়েছে কোনও না কোনও ‘ভিন্টেজ ভ্যালু’।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ‘ডেলি মেল’-এর এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, মাত্র ১৩ বছর বয়স থেকেই নাচের প্রতি এক অমোঘ আকর্ষণ ছিল পল ব্রকম্যানের। এবং সেই সব ডান্স-হলে মহিলাদের পরনের সুন্দর সুন্দর পোশাক তাঁকে মোহিত করত। মার্গটের সঙ্গে আলাপের পরে তাঁর জীবন অনেকটাই পালটে যায় বলে জানান পল। ’৫০-এর দশকে মার্গটের পরিবার চলে আসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। নিজের দেশ ছেড়ে পলও চলে আসেন মার্গটের পিছু পিছু। বর্তমানে ব্রকম্যান দম্পতি থাকেন লস এঞ্জেলেসে।
বিয়ের এতগুলো বছর কেটে গেলেও, পল কখনই ভুলতে পারেননি তাঁদের প্রথম দেখা। মার্গটের মনে না থাকলেও, পলের এখনও মনে আছে সেই সন্ধ্যায় কী পরেছিলেন মার্গট।
বিয়ের পরেও প্রতি সপ্তাহে ব্রকম্যান দম্পতি ‘বলরুম ডান্স’-এ অংশ নিতেন বলে জানান পল। এবং প্রতি সপ্তাহে মার্গটের জন্য তিনি কিনে আনতেন একটি করে নতুন ড্রেস। এমনও হয়েছে যে, একই দিনে মোট ৩০টি ড্রেস কিনে বাড়ি ফিরেছেন পল, জানিয়েছেন মার্গট। এ ভাবেই মার্গটের কালেকশানে জমে যায় ৫৫ হাজার ড্রেস। জানা গিয়েছে, এমন অনেক ড্রেসই রয়েছে যা এখনও পরেননি মার্গট।
বর্তমানে পলের বয়স ৮৩ বছর, মার্গটের ৬১। শারীরিক অসুস্থতা ও জায়গার অভাবে ব্রকম্যান দম্পতি এখন তাঁদের ড্রেসের কালেকশান বিক্রি করছেন। তবে সব নয়। নিজেদের পছন্দের ২০০টি ড্রেস রাখবেন পল।
Tuesday, January 22, 2019
চুল বিক্রি করে কোটিপতি পাকিস্তান
January 22, 2019
![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
চীনে চুল বেচে এক কোটি রুপির বেশি আয় করেছে পাকিস্তান। গত পাঁচ বছরে চীনের বাজারে পাকিস্তান এক লাখ কেজি চুল বিক্রি করেছে।
পাকিস্তান এর সংবাদ পত্র ডন-এর খবরে বলা হয়েছে, গত শুক্রবার পাকিস্তানের সংসদে ব্যবসা-বাণিজ্য নিয়ে আলোচনা চলছিল। সেখানে চুল বিক্রির অর্থ থেকে আয়ের হিসাব দিয়েছে বাণিজ্য ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়। হিসাবে বলা হয়েছে, গত পাঁচ বছরে চীনে মোট এক লক্ষ পাঁচ হাজার চার শত একষট্টি কেজি চুল রপ্তানি করা হয়েছে। এর জন্য মিলেছে এক লক্ষ বত্রিশ হাজার ডলার। ডলার থেকে রুপি করলে এর মূল্যমান হবে এক কোটি চুরাশি লক্ষ ষাট হাজার দুইশত পাকিস্তানি রুপি। বিভিন্ন পারলার থেকে চুল কিনে পাকিস্তান সেগুলো চীনে বিক্রি করেছে।
২০১৩-১৪ অর্থবছরে তিরাশি হাজার নয়শত এক কেজি, ২০১৪-১৫ অর্থবছরে তেরো হাজার একশত পাঁচ কেজি, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে এক হাজার চারশত কেজি মানুষের চুল চীনে রপ্তানি করেছে পাকিস্তান।
ক্ষমতায় বসেই অর্থনৈতিক দুরবস্থা নিয়ে মুখ খুলেছিলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান৷ আর্থিক অবস্থার উন্নতির জন্য নানান উদ্যোগ নিয়েছেন ক্রিকেটার থেকে রাজনীতিবিদ এরপর প্রধানমন্ত্রী বনে যাওয়া ইমরান৷ ক্ষমতায় ছয় মাসের মাথায় ইমরানের সরকার সংসদে জানাল, পাঁচ বছরে চীনে মাথার চুল রপ্তানি করে বিপুল অর্থ পকেটে পুরেছে ইসলামাবাদ৷ লাভের পরিমাণ প্রায় এক কোটি রুপির কাছাকাছি।
পাকিস্তানের অন্যতম পরীক্ষিত বন্ধু চীন৷ প্রায় সব সময় ইসলামাবাদের পাশে থাকছে বেইজিং৷ গত কয়েক বছরে চীনের প্রসাধনসামগ্রী ব্যবসা অনেক বড় হয়েছে। মানুষের মধ্য স্টাইল ও ফ্যাশন সম্পর্কেও বেড়েছে সচেতনতা। এর সঙ্গে বেড়েছে ‘উইগ’ বা ‘পরচুলা’র ব্যবহার। উচ্চমানের ওই সব পরচুলা তৈরিতে ব্যবহার করা হয় সাধারণ মানুষের চুল। নিজের দেশের মানুষের চুল দিয়েও এর জোগান দিতে পারছিল না বেইজিং। তাই চুলের প্রয়োজন মেটাতে দ্বারস্থ হয় পাকিস্তানের।
মোটা অর্থের বিনিময়ে পাকিস্তান থেকে চুল পৌঁছে যাচ্ছে চীনের প্রসাধন সামগ্রীর ব্যবসায়ীদের কাছে। এক হিসাবে বলা হয়েছে, গত পাঁচ বছরে পাকিস্তান থেকে প্রায় এক লক্ষ পাঁচ হাজার চার শত একষট্টি কেজি চুল রপ্তানি হয়েছে চীনে৷ এর দাম আনুমানিক এক লক্ষ বত্রিশ হাজার মার্কিন ডলার৷ বিভিন্ন পারলার থেকে পাঁচ ও ছয় হাজার রুপি কেজি দরে চুল কিনে পাকিস্তান। সেই চুল শুধু চীন নয়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানেও রপ্তানি করছে পাকিস্তান।
Thursday, January 17, 2019
কী হইতেছে তাবলীগ জামাতের ভিতরে? সমস্যার সমাধান হবে কি ভারতে?
January 17, 2019
সরকার তাবলীগ জামাতের বিভক্তি মিটিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে বিশ্ব ইজতেমা করার জন্য সংগঠনটির দুই গ্রুপের প্রতিনিধিদের ভারতের দেওবন্দে পাঠানোর উদ্যোগ নিয়েছে।এই উপমহাদেশে মাদ্রাসা শিক্ষার কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ভারতের দেওবন্দে ফতোয়ার জন্য পাঠানোর এই উদ্যোগকে সরকারের পক্ষ থেকে তাবলীগ জামাতকে ঐক্যবদ্ধ রাখার শেষ চেষ্টা বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
তাবলীগ জামাতের মধ্যে বিভক্তির কারণে এবার বিশ্ব ইজতেমা নির্ধারিত সময়ে হতে পারেনি এবং অনিশ্চয়তা আরো বেড়েছে। তাবলীগ জামাতের নেতা ভারতীয় সাদ কান্দালভিকে নিয়ে বাংলাদেশে সংগঠনটির প্রতিপক্ষ দুটি গোষ্ঠীই যার যার অবস্থানে অনড় রয়েছে। তাবলীগ জামাতের দুই গ্রুপ এবার আলাদা আলাদাভাবে ঢাকার কাছে টঙ্গীতে বিশ্ব ইজতেমা করার তারিখ ঠিক করেছিল।
সেজন্য টঙ্গীর সেই ইজতেমা মাঠের দখল নিয়ে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে একজন নিহত হওয়ার ঘটনাও ঘটে গত ২০১৮ইং সালের ১লা ডিসেম্বর। সেই ঘটনার পরে সরকার তাবলীগের দু'টি গোষ্ঠীর সাথে বৈঠক করেছিল এবং সেই বৈঠকে ইজতেমা স্থগিত করা হয়েছিল।
"সাদ (কান্দালভি) কিছু কথা বলেছেন। এটা আলেম ওলামা সমাজ মনে করেন, সেটা কোরআন ও সুন্না বিরোধী। আবার সাদ সাহেবের পক্ষের লোকেরা বলছেন, উনি সেটাকে রুজু করেছেন, মানে প্রত্যাহার করেছেন। তো এখন দেওবন্দের কর্তৃপক্ষ এটাকে অর্থ্যাৎ এই রুজু করাটাকে গ্রহণ করেছেন কিনা বা তা কার্যকর হয়েছে কিনা -এটা দেখার জন্য বাংলাদেশ এর ধর্ম মন্ত্রনালয়ের পক্ষ থেকে তাবলীগের দুই পক্ষ দেওবন্দ যাবে।"
তাবলীগে বিরোধ মেটানোর জন্য কয়েক দিনের মধ্যে ভারতের দেওবন্দে ফতোয়া নিতে যারা যচ্ছেন, ধর্ম প্রতিমন্ত্রী নিজেই সেই দলের নেতৃত্ব দেবেন।কিন্তু বাংলাদেশে তাবলীগ জামাতের কেন্দ্র কাকরাইল মসজিদ থেকে শুরু করে গ্রাম পর্যায় পর্যন্ত এর সাথে জড়িতরা আলাদা আলাদাভাবে কাজ করছেন।
ভারতের সাদ কান্দালভিকে নিয়েই এই যে বিভক্তি, সেই সাদ কান্দালভির পক্ষের অংশের আশরাফ আলী অভিযোগ করেছেন, হেফাজতে ইসলাম এখন তাবলীগ জামাতকেও নিয়ন্ত্রণে নেয়ায় সেখানে রাজনীতি ঢুকে এই বিভক্তি এসেছে।
"হেফাজতে ইসলামের সাথে আমাদের তাবলীগেরই একটা অংশের লিঁয়াজো হয়ে যাওয়ার কারণে বাইরের লোক ঢুকে গেছে। আর সেকারণে একটা রাজনৈতিক স্টাইল এখানে ঢুকে গেছে। "আশরাফ আলী আরো বলেছেন, "এখন আমাদের দুই অংশের মধ্যে একেবারে নীতিগত পার্থক্য হয়ে গেছে। এটা নয় যে শুধু মনমালিন্য হয়েছে এখানে মত পার্থক্য ও তৈরী হয়েছে। "সাদ কান্দালভি তাবলীগ জামাতে কিছু সংস্কারের কথা বলেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, "ধর্মীয় শিক্ষা বা ধমীয় প্রচারণা অর্থের বিনিময়ে করা উচিত হবে না "। তাঁর এসব বক্তব্য নিয়ে বিশ্বের অন্যান্য জায়গার মতো বাংলাদেশেও তাবলীগ জামাত বিভক্ত হয়ে পড়েছে তাবলীগের নেতৃত্ব নিয়ে নিয়ে বিরোধও এই বিভক্তির অন্যতম একটি কারণ বলে মনে করেন।
তবে ভারতের দেওবন্দে গিয়ে যে সমঝোতা হয়ে যাবে, সেটা তাবলীগের দুই পক্ষের এই নেতারা জোর দিয়ে বলতে পারছেন না।ধর্ম প্রতিমন্ত্রীও বলছেন তারা একটা শেষ চেষ্টা করছেন।
![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
তাবলীগ জামাতের মধ্যে বিভক্তির কারণে এবার বিশ্ব ইজতেমা নির্ধারিত সময়ে হতে পারেনি এবং অনিশ্চয়তা আরো বেড়েছে। তাবলীগ জামাতের নেতা ভারতীয় সাদ কান্দালভিকে নিয়ে বাংলাদেশে সংগঠনটির প্রতিপক্ষ দুটি গোষ্ঠীই যার যার অবস্থানে অনড় রয়েছে। তাবলীগ জামাতের দুই গ্রুপ এবার আলাদা আলাদাভাবে ঢাকার কাছে টঙ্গীতে বিশ্ব ইজতেমা করার তারিখ ঠিক করেছিল।
সেজন্য টঙ্গীর সেই ইজতেমা মাঠের দখল নিয়ে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে একজন নিহত হওয়ার ঘটনাও ঘটে গত ২০১৮ইং সালের ১লা ডিসেম্বর। সেই ঘটনার পরে সরকার তাবলীগের দু'টি গোষ্ঠীর সাথে বৈঠক করেছিল এবং সেই বৈঠকে ইজতেমা স্থগিত করা হয়েছিল।
"সাদ (কান্দালভি) কিছু কথা বলেছেন। এটা আলেম ওলামা সমাজ মনে করেন, সেটা কোরআন ও সুন্না বিরোধী। আবার সাদ সাহেবের পক্ষের লোকেরা বলছেন, উনি সেটাকে রুজু করেছেন, মানে প্রত্যাহার করেছেন। তো এখন দেওবন্দের কর্তৃপক্ষ এটাকে অর্থ্যাৎ এই রুজু করাটাকে গ্রহণ করেছেন কিনা বা তা কার্যকর হয়েছে কিনা -এটা দেখার জন্য বাংলাদেশ এর ধর্ম মন্ত্রনালয়ের পক্ষ থেকে তাবলীগের দুই পক্ষ দেওবন্দ যাবে।"
তাবলীগে বিরোধ মেটানোর জন্য কয়েক দিনের মধ্যে ভারতের দেওবন্দে ফতোয়া নিতে যারা যচ্ছেন, ধর্ম প্রতিমন্ত্রী নিজেই সেই দলের নেতৃত্ব দেবেন।কিন্তু বাংলাদেশে তাবলীগ জামাতের কেন্দ্র কাকরাইল মসজিদ থেকে শুরু করে গ্রাম পর্যায় পর্যন্ত এর সাথে জড়িতরা আলাদা আলাদাভাবে কাজ করছেন।
ভারতের সাদ কান্দালভিকে নিয়েই এই যে বিভক্তি, সেই সাদ কান্দালভির পক্ষের অংশের আশরাফ আলী অভিযোগ করেছেন, হেফাজতে ইসলাম এখন তাবলীগ জামাতকেও নিয়ন্ত্রণে নেয়ায় সেখানে রাজনীতি ঢুকে এই বিভক্তি এসেছে।
"হেফাজতে ইসলামের সাথে আমাদের তাবলীগেরই একটা অংশের লিঁয়াজো হয়ে যাওয়ার কারণে বাইরের লোক ঢুকে গেছে। আর সেকারণে একটা রাজনৈতিক স্টাইল এখানে ঢুকে গেছে। "আশরাফ আলী আরো বলেছেন, "এখন আমাদের দুই অংশের মধ্যে একেবারে নীতিগত পার্থক্য হয়ে গেছে। এটা নয় যে শুধু মনমালিন্য হয়েছে এখানে মত পার্থক্য ও তৈরী হয়েছে। "সাদ কান্দালভি তাবলীগ জামাতে কিছু সংস্কারের কথা বলেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, "ধর্মীয় শিক্ষা বা ধমীয় প্রচারণা অর্থের বিনিময়ে করা উচিত হবে না "। তাঁর এসব বক্তব্য নিয়ে বিশ্বের অন্যান্য জায়গার মতো বাংলাদেশেও তাবলীগ জামাত বিভক্ত হয়ে পড়েছে তাবলীগের নেতৃত্ব নিয়ে নিয়ে বিরোধও এই বিভক্তির অন্যতম একটি কারণ বলে মনে করেন।
তবে ভারতের দেওবন্দে গিয়ে যে সমঝোতা হয়ে যাবে, সেটা তাবলীগের দুই পক্ষের এই নেতারা জোর দিয়ে বলতে পারছেন না।ধর্ম প্রতিমন্ত্রীও বলছেন তারা একটা শেষ চেষ্টা করছেন।
Subscribe to:
Posts (Atom)













