Wednesday, January 16, 2019

কাজী হায়াৎ এর মৃত্যু শুধুই গুজব

ছবি-সংগৃহীত

হঠাৎ করে ফেসবুকসহ অনলাইন নিউজ পোর্টাল গুলোতে মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়ার খবরে কষ্ট পেয়েছেন চলচ্চিত্রের গুণী নির্মাতা কাজী হায়াৎ।
গত বছরের ২২ ডিসেম্বর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে নিউইয়র্ক নেয়া হয়। সেখানে একটি হাসপাতালে তাকে ভর্তি করা হয়।
চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার রাতে হঠাৎ তার মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়ে ফেসবুকসহ অনলাইন নিউজ পোর্টাল গুলোতে।

এই গুজব খবরটি যখন তার পরিবার জানতে পারেন তখন ওই হাসপাতাল থেকে কাজী হায়াতের ছেলে চিত্রনায়ক কাজী মারুফের ফেসবুক লাইভে এসে কাজী হায়াৎ নিজেই বেঁচে থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। ফেসবুক লাইভে তিনি আক্ষেপ করে বলেন, আমি হাসপাতালে আছি। অসুস্থ, তবে বেঁচে আছি। যারা মিথ্যা কথাটি ছড়িয়েছেন, তাদের আমি নিন্দা করি। কেন এই মিথ্যা কথা বলা হচ্ছে? আমি খুব কষ্ট পেলাম এই গুজব খবরে। এ সময় তিনি সবার দোয়ায় সুস্থ হয়ে দ্রুত দেশে ফেরার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

কাজী হায়াৎ এর ছেলে কাজী মারুফ বলেন, আমার আব্বার জন্য সবাই দোয়া করবেন। তিনি যদি কখনও কারও মনে কষ্ট দিয়ে থাকেন, তবু তার জন্য দোয়া করবেন। যেন তিনি জেনো সুস্থ হয়ে আপনাদের কাছে ক্ষমা চাইতে পারেন।

মারুফ বলেন  ২২ ডিসেম্বর উন্নত চিকিৎসার্থে তাকে নিউইয়র্ক নেয়া হয়েছে। সেখানকার একটি হাসপাতালে তাকে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানান তার ছেলে চিত্রনায়ক কাজী মারুফ। কাজী হায়াতের সার্বক্ষণিক দেখভালের দায়িত্বে স্ত্রীর সঙ্গে ছেলে কাজী মারুফ রয়েছেন।

কাজী মারুফ জানান, কাজী হায়াতের ঘাড়ের একটি রক্তনালি ব্লক হয়ে গেছে। হাসপাতালে প্রতিটা দিনই বেশ আশঙ্কায় কাটছে তাদের।
গত বছরের মার্চে নিউইয়র্কের মাউন্ট সিনাই হাসপাতালে একবার চিকিৎসা নেন কাজী হায়াৎ। সম্প্রতি আবারও অসুস্থবোধ করছিলেন তিনি।
২০০৫ সালে ওপেন হার্ট সার্জারি করা হয় তার। এর পর গত বছরের জানুয়ারিতে আবারও হৃৎপিণ্ডে সমস্যা দেখা দিলে বরেণ্য এ নির্মাতা প্রধানমন্ত্রীর কাছে সাহায্যের জন্য আবেদন করেন। তার পর গত বছর প্রধানমন্ত্রীর তার নিজস্ব তহবিল থেকে ১০ লাখ টাকা অনুদান দেন।

আজ রাজশাহী কিংসের খেলোয়াড়রা খেললেন মায়ের নামের জার্সি পরে

সংগৃহীত ছবি

রাজশাহী কিংস ফ্র্যাঞ্চাইজিটির কার্যক্রমগুলো বেশ অভিনব। টুর্নামেন্টের আগে হাতিরঝিলে তারা আয়োজন করেছিল নৌ বিহার। নৌ বিহার শেষে হাতিরঝিলের মুক্তমঞ্চে মেহেদী হাসান মিরাজের নাম ঘোষণা করা হলো অধিনায়ক হিসেবে। এবার আরেকটি অন্যরকম উদ্যোগ নিচ্ছে রাজশাহী কিংস।

আজ সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে ঢাকা ডায়নামাইটসের বিপক্ষে রাজশাহীর খেলোয়াড়েরা মাঠে নামবেন মায়ের নামের জার্সি পরে। অধিনায়ক মিরাজের জার্সিতে লেখা থাকতে তাঁর মায়ের নাম— ‘মিনারা’। সৌম্য সরকারের জার্সিতে থাকবে তাঁর মায়ের নাম ‘নমিতা’। কোচ ল্যান্স ক্লুজনারের জার্সির পেছনে লেখা থাকবে ‘ডন’।

মায়ের নাম নিয়ে খেলবেন, এটি ভেবে ভীষণ উজ্জীবিত মিরাজ, ‘মায়ের নাম নিয়ে খেলাটা হবে নতুন অভিজ্ঞতা। মায়ের জন্য কিছু করাটা বিশেষ কিছু হবে আমাদের। আমরা ম্যাচটা জিততে চাই এবং মায়েদের উৎসর্গ করতে চাই।’

এই  বিপিএলে এখনো পর্যন্ত বলার মতো ইনিংস খেলতে পারেননি সৌম্য। মনটা তাই তাঁর বেজায় খারাপ। তবে আজ  মায়ের নামে জার্সি পরে দুর্দান্ত কিছুই করতে চান বাঁ হাতি টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান, ‘দেশে এটাই প্রথম। সব সময়ই ডাক নাম অথবা অফিশিয়াল নাম ব্যবহার করি জার্সিতে।এবার এমন কিছু হবে যেটা আগে ভাবিনি। সব সময়ই বলি আমরা আমাদের মায়েদের প্রতি ম্যাচ উৎসর্গ করতে চাই। এখন হচ্ছে আসল সময় মায়েদের উদ্দেশে একটা ম্যাচ উৎসর্গ করার। মায়েদের গর্বের মুহূর্ত এনে দেওয়ার এই তো সুযোগ।’

মায়ের আদেশে সৌম্য নির্দিষ্ট রঙের রিস্ট ব্যান্ড পরেন। আর এবার ফ্র্যাঞ্চাইজির উদ্যোগে জার্সিতে মায়ের নামই লেখাচ্ছেন। মায়ের মুখেই শুধু নয়, রাজশাহী-সমর্থকদের মুখে হাসি ফোটাতে তাঁকে দুর্দান্ত ইনিংস খেলতেই হবে।

আজ মায়ের নামের জার্সি পরে তারা খেলেছেন দুর্দান্ত ঢাকা ডায়নামাইটস কে ২০ রানে হারিয়ে তারা ম্যাচটি জিতে নিয়েছেন। ম্যান অফ দি ম্যাচ হয়েছেন স্পিনার আরাফাত সানি।

নারীদের পিরিয়ডের ব্যথা কমাতে করণীয়

মাসের বিশেষ সময়ে নারীরা মাত্রাতিরিক্ত পেট ও পিঠ ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে ব্যবহার করা যেতে পারে গরম পানি ভর্তি ব্যাগ এবং এড়িয়ে চলুন কিছু খাবার।

পিরিয়ডের  সময় তল পেট এবং পিঠে ব্যথা হলে গরম পানি ‘হট ওয়াটার ব্যাগ’ ভরে কিছুক্ষণ চেপে রাখলে আরাম পাওয়া যায়, এমনটাই জানান দিল্লির ইরেনে আইভিএফ সেন্টারের পরিচালক ইন্দিরা গনেশান নামের একজন মহিলা।

তিনি এই ব্যথা থেকে শান্তি পাওয়ার জন্য আরও কিছু পরামর্শ দেন:

– তল পেটে এবং পিঠের নিচের অংশে গরম পানি ভর্তি হট ওয়াটার ব্যাগ চেপে ধরে রাখলে ব্যথা অনেকটাই কমে আসবে। তাছাড়া বেশি অসুস্থ বোধ করলে কুসুম গরম পানি দিয়ে গোসল করে নিলেও উপকার পাওয়া যাবে বলে তিনি আসা প্রকাশ করেন।

– আদা চা, জেসমিন টি, ক্যামমাইল টি শুধু যে ব্যথা কমাতে সাহায্য করবে তা নয়, রক্ত ক্ষরণের ফলে শরীরের পানির ভারসাম্যও রক্ষা করতে সাহায্য করবে।

– এ সময় প্রচুর পরিমান ভিটামিন বি, ই, সি সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে। এই উপাদানগুলো মাসিকের ব্যথা কমাতে সাহায্য করে থাকে।

– আঁশ জাতীয় খাবার, প্রচুর ফল ও সবজি খেতে হবে। কারণ এই খাবারগুলোতে প্রচুর ভিটামিন, খনিজ উপাদান এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। তাছাড়া এ সময় ঘৃতকুমারী বা অ্যালোভেরা রসের শরবত ও পেঁপে খেলেও ব্যথায় আরাম পাওয়া যায়।

– এই সময়ে অতিরিক্ত দুগ্ধজাত খাবার, মাংস এবং শুঁটকি জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলতে হবে।

– অতিরিক্ত চা ও কফি, অর্থাৎ ক্যাফেইন এড়িয়ে চলতে হবে। তাছাড়া এ সময় ধূমপান ও অ্যালকোহল গ্রহণ এড়িয়ে চলতে হবে।

– হালকা ব্যয়াম এ সময় ব্যথা উপশমে বেশ কার্যকর হতে পারে। তাছাড়া যে কোনো এসেনশিয়াল তেল দিয়ে হালকা মালিশেও ব্যথা কমে আসবে।

– অতিরিক্ত ব্যথা হলে ব্যথা কমানোর ওষুধ খাওয়া যেতে পারে। তবে ওষুধ খাওয়ার আগে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

উইন্ডোজ ফোনের বিদায়

আপনি কি এখনো উইন্ডোজ ফোন ব্যবহার করতেছেন ? আপনার  কি উইন্ডোজ ফোন খুব পছন্দ? তাহলে আপনাকে একটা গুরুত্বপূর্ণ খবর দেওয়া হবে। আপনার ফোন পরিবর্তনের সময় এসে গেছে। কারণ, মাইক্রোসফট নিজেই উইন্ডোজ ফোন নিয়ে আশা ছেড়ে দিয়েছে বলে জানিয়েছেন কোম্পানিটির এক কর্মকর্তা।

মাইক্রোসফটের উইন্ডোজ ১০ বিভাগের প্রধান জো বেলফোর এই তথ্য জানিয়েছেন। টুইটারে বেশ কিছু টুইট বার্তায় বেলফোর জানান, মাইক্রোসফট এখন আর উইন্ডোজ ফোন অপারেটিং সিস্টেমে নতুন কোনো ফিচার যোগ করতে আগ্রহী না। নতুন কোনো উইন্ডোজ ফোন ডিভাইস তৈরির ইচ্ছেও এখন মাইক্রোসফটের নেই বলে জানান এই মাইক্রোসফট কর্মকর্তা।
তবে বিদ্যমান গ্রাহকদের জন্য উইন্ডোজ ফোনে বাগ ফিক্স ও নিরাপত্তা আপডেট দিতে থাকবে মাইক্রোসফট।
উইন্ডোজ ফোন ওএস বাজারে প্রতিযোগিতা করতে না পারার অন্যতম কারণ হচ্ছে এর অ্যাপের অপ্রতুলতা। ব্যবহারকারী কম বলে ডেভেলপাররা উইন্ডোজ মোবাইলের জন্য অ্যাপ তৈরিতে আগ্রহী হননি। জো বেলফোর জানান, তারা উইন্ডোজ ফোনের অ্যাপ বৃদ্ধি করার জন্য ডেভেলপারদের অনেক সুযোগ সুবিধা দিয়েছেন, এমনকি টাকাও দেয়া হয়েছে, কিন্তু কোনোকিছুই শেষ পর্যন্ত কাজে আসেনি।

মাইক্রোসফট এখন এটা অনুভব করছে যে, পিসিতে উইন্ডোজ জনপ্রিয় হলেও ফোনে তারা ঠিক জনপ্রিয় হয়ে উঠতে পারছেনা, তাই নিজেদের সার্ভিসগুলো ঠিকঠাক চালাতে এখন এন্ড্রয়েড ও আইওএসের জন্য আরও গুরুত্ব সহকারে অ্যাপ বানাচ্ছে কোম্পানিটি। কিছুদিন আগে এন্ড্রয়েডের জন্য একটি হোম লঞ্চার এবং এন্ড্রয়েড ও আইওএসের জন্য এজ ব্রাউজার প্রকাশ করেছে মাইক্রোসফট।

অপরদিকে, মাইক্রোসফটের সহপ্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস সম্প্রতি জানিয়েছেন, তিনি নিজেও উইন্ডোজ ফোন ছেড়ে এখন এন্ড্রয়েড ফোন ব্যবহার করছেন। সেই সাথে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম বিভাগের প্রধান জো বেলফোর-ও এখন এন্ড্রয়েড ফোন ব্যবহার করছেন।
তো, সবকিছু মিলিয়ে উইন্ডোজ ফোন মোবাইলের বিদায় ঘন্টা তাহলে বেজেই গেল, যা অনেক দিন ধরেই দোল খাচ্ছিল।