Saturday, January 19, 2019

প্রাচীন যুগের আইন ও আদালত

ছবি: সংগৃহীত

অন্যায়ের জন্য শাস্তি দেওয়ার প্রচলন এই পৃথিবীতে বহু বছর আগে থেকেই ছিল এবং সেই প্রচলন এখনো আছে। সমাজের প্রধানরা তাঁদের ধর্মীয় বিদ্যাবুদ্ধি ও নৈতিক চিন্তাধারা ব্যবহার করে দোষীর শাস্তি বিধান করতেন প্রাচীন যুগে। কালের পরিবর্তনে তাঁদের এই চিন্তাধারা লিখিত রূপ পেয়ে আইন হিসাবে পরিণত হয়। তবে সে-যুগে সব দেশেই কিন্তু আইনের সঙ্গে ধর্মের যোগ ছিল না। যেমন প্রাচীন মেসোপটেমিয়ার আইনসূত্র, যেগুলি 'কোড অফ হাম্মুরাবি' বলে পরিচিত - সেগুলি ছিল মোটামুটি ভাবে ধর্ম-নিরপেক্ষ - ধর্ম ও তত্সংলগ্ন নীতিবোধের প্রভাব তার ওপর বিশেষ ছিল না। হাম্মুরাবি ছিলেন ব্যাবিলোনের রাজা। ১৭৫০ খ্রীষ্টপূর্বাব্দে তিনি সিংহাসনে বসেন। তাঁর রাজত্বকালে বড় বড় পাথরের ওপর এই আইনগুলি লিপিবদ্ধ করা হতো। ২৮২ টি অনুচ্ছেদে বিভক্ত এই আইনসমূহে বাণিজ্য, বিবাহ, দাসত্ব, কর্জ - সব কিছুই স্থান পেয়েছিল। শাস্তির যে-সব বিধান এখানে ছিল - আজকের যুগে সেগুলি বর্বর মনে হবে। চুরির অপরাধে আঙুল কেটে নেওয়া, বিবাহিত নারীকে কোনও পরপুরুষ চুম্বন করলে তাঁর ঠোঁট কেটে ফেলা, অপবাদ প্রচারের শাস্তি হল জিভ কেটে নেওয়া, বাড়ি ভেঙে পড়ে বাড়ির মালিকের পুত্রের মৃত্যু হলে, গৃহনির্মাতার পুত্রকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া, ইত্যাদি, ইত্যাদি।

অনুমান করা হয় যে, তৃতীয় শতাব্দী পর্যন্ত মিশর ও চীন দেশেও ধর্ম-নিরপেক্ষ আইনের প্রচলন কিছুটা ছিল। অন্যপক্ষে পুরনো যুগে হিন্দু, ইহুদী, খিরিস্টান ও মুসলিম সমাজের আইনের মধ্যে বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থ বেদ-উপনিষদ, বাইবেল ও কোরাণের প্রভাব লক্ষ করা যায়। ১৩০০ খ্রীষ্টপূর্বাব্দে বাইবেলের 'টেন কমাণ্ডমেণ্ট'-এর সঙ্গে যে-সব আইনের কথা লেখা হয়েছিল - সেগুলিতে শাস্তির বহরও অনেকটা হাম্মুরাবির বিধানের মতই কঠোর জাতীয় চিন্তাধারা-প্রসূত।

আমাদের দেশে মনুর ধর্মশাস্ত্রের আইনে (আনুমানিক ১২৮০ খ্রীষ্টপূর্বাব্দ থেকে ৮৮০ খ্রীষ্টপূর্বাব্দ) ধর্ম, বিশেষকরে ব্রাহ্মণত্বের প্রভাব বিশেষভাবে লক্ষণীয়। হিন্দুদের মধ্যে জাতিভেদকে সুপ্রতিষ্ঠিত করা ও বিভিন্ন ধরণের আইনের সঙ্গে সেই জাতিভেদকে জড়িত করা হয়েছে এই আইন-পুস্তকে। তবে মনু শাস্তির বিধান দিয়েছেন অল্প ক্ষেত্রেই। অঙ্গচ্ছেদনের উল্লেখ শাস্তি হিসেবে থাকলেও, সাধারণভাবে শাস্তিগুলি অত ভয়াবহ নয়। কোটিল্যের অর্থশাস্ত্রেও (আনুমানিক ২৫০ খ্রীষ্টপূর্বাব্দ) বেশ কিছু আইনের উল্লেখ আছে। সেখানেও ধর্মের প্রচ্ছন্ন প্রভাব লক্ষ্য করা যায়। কৌটিল্যের কিছুকাল আগে সম্রাট অশোক (আনুমানিক ২৬৫-২৩৮ খ্রীষ্টপূর্বাব্দে, মতান্তরে ২৭৪-২৩২ খ্রীষ্টপূর্বাব্দে) বিভিন্ন প্রস্তর-স্তম্ভে আইন বিষয়ক বিভিন্ন রাজাজ্ঞা বা নির্দেশ জারি করেছিলেন। এই রাজাজ্ঞার বেশ কয়েকটিতে অশোকের উদার ও নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গীর পরিচয় পাওয়া যায়। তাঁর সপ্তম প্রস্তর-স্তম্ভ রাজাজ্ঞার এক জায়গায় তিনি লিখেছিলেন:

আবেদন শোনার ও তার বিচারের ভার রজ্জুকদের ওপর ন্যাস্ত করা হয়েছে, যাতে তারা তাদের কর্তব্য নির্ভয়ে অবিচলিত চিত্তে বিশ্বস্তভাবে পালন করতে পারে। আমার ইচ্ছা যে আইন এবং সাজা যেন সব সময়ে একই ভাবে প্রযোজ্য হয় এমন কি আমি এতদূর পর্যন্ত গিয়েছি যে, মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত আসামী যারা এখন কারাগারে আছে, তাদের ওপর দণ্ডাদেশ পালন করা তিন দিনের জন্য স্থগিত রেখেছি। এই সময়ের মধ্যে তাদের আত্মীয়রা আপীল জানাতে পারে - মৃত্যুদণ্ড মকুবের জন্য। যদি কেউ আপীল না করে, তাহলে আসামীরা দান-ধ্যান বা উপবাস করে পর-জীবনের জন্য পূণ্য অর্জন করতে পারে। বলাবাহুল্য আমার ইচ্ছা এই যে, যদিও আসামীদের স্বল্প সময়, কিন্তু তার মধ্যেও তারা পরজীবনের জন্য প্রস্তুত হতে পারে এবং সাধারণের ধর্মাচরণ, আত্ম-সংযম ও বদান্যতা বৃদ্ধি পায়।

ধর্মের প্রভাব সে-যুগের বিচার ব্যবস্থার ওপর থাকলেও, বিচারের ভার সাধারণত রাজা বা গোষ্ঠিপ্রধানেরই হাতে ছিল। বড় বড় রাজাদের পক্ষে একা এই কাজ করা সম্ভবপর ছিল না, তাই নিজেদের আত্মীয় বা আমত্যদের ওপর ভার দিতেন বিচারকের কাজ করার জন্য। তবে অনেক সময়েই রাজারা স্বাধীনভাবে তাঁদের ন্যায়পালন বা বিচার করার ক্ষমতা হারিয়েছেন, যখন তাঁদের রাজ্যে ধর্মের জোয়ার এসেছে। সেক্ষেত্রে দেখা গেছে ধর্মপ্রধানেরা (যাজকগোষ্ঠী, মোল্লাসমাজ, প্রভৃতি) বিচারকের আসনে বসেছেন কিংবা না বসলেও বিচারকদের গভীরভাবে প্রভাবিত করেছেন। চীন দেশ ও বহু মুসলিম দেশে বিংশ শতাব্দীর আগে পর্যন্ত এই অবস্থা বিদ্যমান ছিল।

বিচার-ব্যবস্থার প্রথম দিকে উকিল শ্রেণী বলে কিছু ছিল না। নিজেদের বক্তব্য নিজেদেরই বিচারককে জানাতে হত। কিন্তু আইন যখন জটিলরূপ নিতে শুরু করল, সাধারণের পক্ষে তা ভালোভাবে জানা আর সম্ভবপর হল না - তখন প্রয়োজন হল বিশেষজ্ঞদের। তথাকথিত উকিল শ্রেণী বা আইনজ্ঞদের আত্মপ্রকাশ সম্ভবত প্রথম হয় গ্রীস ও রোমে - আনুমানিক ২০০ খ্রীষ্টপূর্বাব্দে। প্রথমে অবশ্য এঁদের সন্মানের চোখে দেখা হত না। রোম সাম্রাজ্যের শেষের দিকে এঁরা সমাজে প্রতিষ্ঠা লাভ করেন। শুধু কথায় নয় লিখিত ভাবেও এই সময় থেকে এঁদের অনেক নথিপত্র তৈরী করতে হত। ধীরে ধীরে এটি একটি সন্মানীয় জীবিকা হিসেবে সমাজে সুপ্রতিষ্ঠিত হল।

উকুনের ‘পুরুষাঙ্গ’, নারীদের শরীরে খিদে মেটান সঙ্গমের মাধ্যমে

ছবি: সংগৃহীত

বিচিত্র এক দৈহিক মিলন! নারী সঙ্গীর শরীরে জন্ম নিচ্ছে উকুনের ‘পুরুষাঙ্গ’। সে তাই দিয়ে শারীরিক সঙ্গমে লিপ্ত হচ্ছে পুরুষ সঙ্গীর সঙ্গে। পুরুষ সঙ্গীর শরীরে রয়েছে যোনির মতো দেখতে অঙ্গ। এমন আশ্চর্য সঙ্গম চলে দিনের পর দিন। প্রাণীবিজ্ঞানে যৌন মিলনের চেনা ছবির একেবারেই উলটো ছবি এই বিশেষ প্রজাতির উকুনদের সংসারে। দেখে বিস্ময়ে হতবাক গবেষকরা।

এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা যাচ্ছে, দক্ষিণ আমেরিকা ও দক্ষিণ আফ্রিকায় এই প্রজাতির উকুনের দেখা মেলে। এরা গুহাবাসী। ‘বায়োলজি লেটার্স’ নামের এক জীববিদ্যা সংক্রান্ত ওয়েবসাইটে প্রকাশিত গবেষণাপত্র থেকে এই উকুনদের শরীরী খেলার সন্ধান মিলেছে। গবেষণাপত্রটির অন্যতম রচয়িতা জাপানের হোক্কাইডো বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজুনোরি ইওশিজাওয়া জানাচ্ছেন, স্ত্রী-উকুনেরা পুরুষ সঙ্গীদের সঙ্গে বহুক্ষণ সঙ্গম করতে থাকে। দেখা গিয়েছে ৭০ ঘণ্টা পর্যন্ত এরা মিলিত হয়েছে!

কিন্তু কেন এমন উগ্র যৌনতা? এর পিছনের কারণ চমকে দেয়। গবেষকরা জানাচ্ছেন, গুহার ভিতরে খাদ্যের সন্ধান পাওয়া বেশ শক্ত। তাই খিদে মেটাতেই যৌনতার আশ্রয় নেয় স্ত্রী-উকুনেরা। পুরুষ সঙ্গীর সঙ্গে সংযুক্ত অবস্থায় তারা টেনে নেয় সঙ্গীর শরীরের শুক্রাণু। যা রীতিমতো পুষ্টিকর। এভাবেই তারা খিদে মিটিয়ে শরীর রক্ষা করে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই তারা সামনে কোনও পুরুষ সঙ্গী দেখলেই তার সঙ্গে মিলিত হয়। সঙ্গীর সম্মতি আছে কিনা সে নিয়ে তাদের বিন্দুমাত্র মাথাব্যথা থাকে না।

গবেষকরা এমনও দেখেছেন, পুরুষ সঙ্গীকে ধরে তার শরীর ছিন্ন করে গেলেও তখনও সঙ্গমে লিপ্ত থাকে স্ত্রী-উকুন। তাদের শরীরে উৎপন্ন পুরুষাঙ্গটির এমনতর সংযুক্তি ক্ষমতা দেখে বিস্মিত গবেষকরা। ঠিক কী করে এমন অদ্ভুত পরিবর্তন হল এই প্রজাতির উকুনদের শরীরে, তা নিয়ে আরও গবেষণার প্রয়োজন আছে বলে মনে করছেন গবেষকরা। 

এরশাদ গুরুতর অসুস্থ চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর যাবেন

ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় পার্টি (জাপা) চেয়ারম্যান ও নবগঠিত একাদশ জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা এইচএম এরশাদ গুরুতর অসুস্থ। তার শরীর বেশ ভেঙে পড়েছে। প্রচণ্ড দুর্বল হয়ে পড়েছেন তিনি।

অনেক দিন ধরে তার উঠতে-বসতে ও হাঁটাচলায় সমস্যা হলেও গত দুইদিন ধরে তার নড়াচড়া করতে খুব অসুবিধা হচ্ছে। পরিমাণমতো খেতেও পারছেন না তিনি। ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিত্সাধীন এরশাদ এককথায় বিছানায় পড়ে গেছেন। এই অবস্থায় আগামীকাল রবিবার তাকে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হচ্ছে।

এরশাদের ছোট ভাই ও জাপার কো-চেয়ারম্যান জিএম কাদের গতকাল শুক্রবার বলেন, ‘এরশাদ সাহেবের শরীর দুর্বল থেকে দুর্বলতর হয়ে পড়েছে। হাঁটাচলা তো করতেই পারছেন না, এমনকি বিছানায় নড়াচড়া করতেও তার অনেক কষ্ট হচ্ছে। চিকিত্সকরা খাবারের পরিমাণ বাড়াতে পরামর্শ দিয়েছেন এরশাদ সাহেবকে। কিন্তু তিনি ঠিকমতো খেতেও পারছেন না, আজ (শুক্রবার) একটু খেয়েছেন, তাও পরিমাণে খুব সামান্য। সম্ভবত তার লিভারে খুব সমস্যা হচ্ছে।’

জিএম কাদের জানান, এরশাদ আজ শনিবার সিএমএইচ থেকে বারিধারার বাসায় যাবেন। সেখান থেকে আগামীকাল বেলা ১২টা ২০ মিনিটের একটি ফ্লাইটে সিঙ্গাপুর যাবেন। সিঙ্গাপুরে ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে তিনি চিকিত্সা নেবেন, সেখানে হয়তো কয়েক সপ্তাহ থাকতে হতে পারে। জানা গেছে, এরশাদের সঙ্গে তার এক ছোট ভাই, ব্যক্তিগত সচিব ও জাপার প্রেসিডিয়াম সদস্য মেজর (অব.) খালেদ আখতার ও একজন ব্যক্তিগত স্টাফ সিঙ্গাপুর যাবেন।

সিএমএইচে এরশাদকে দেখতে যাওয়া জাপার একাধিক নেতা জানান, এরশাদ বর্তমানে একা-একা বাথরুমেও যেতে পারছেন না। ওষুধ খাওয়ার জন্য পানির গ্লাসও নিজ হাতে ধরতে পারছেন না। কথাবার্তাও খুব কম বলছেন। এমনকি দলের ও ব্যক্তিগত বিভিন্ন কাগজপত্রে স্বাক্ষর করার জন্য কলম ধরতেও তার কষ্ট হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, গত ৮ ডিসেম্বর একাদশ সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকেই অসুস্থ হয়ে পড়েন এরশাদ। এরপর থেকে বেশিরভাগ সময় তাকে হাসপাতালেই থাকতে হচ্ছে। ১০ই  থেকে ২৬ই  ডিসেম্বর ২০১৮ ইং পর্যন্ত সিঙ্গাপুরে চিকিত্সা নিলেও তার অবস্থার খুব একটা উন্নতি হয়নি। রংপুর-৩ আসন থেকে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেও অসুস্থতার কারণে একদিনও প্রচারণায় যেতে পারেননি। গত ৫ই  জানুয়ারি ২০১৯ ইং হুইল চেয়ারে করে সংসদ ভবনে স্পিকারের কার্যালয়ে গিয়ে এমপি হিসেবে শপথ নেন।

এরশাদের অবর্তমানে বা চিকিত্সাধীন অবস্থায় বিদেশে থাকাকালীন জাপার কো-চেয়ারম্যান জি এম কাদের দলের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করবেন বলে দলীয় বিস্বাস যোগ্য সূত্রে জানা গেছে। গতকাল জাপার পক্ষ থেকে এরশাদ এর স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এতথ্য জানানো হয়। অবশ্য ‘সাংগঠনিক নির্দেশনা’ শিরোনামে লেখা এই চিঠিতে এরশাদ স্বাক্ষর করেছেন গত বুধবার। সেটি গণমাধ্যমে পাঠানো হয়েছে গতকাল। জিএম কাদের বলেন, ‘এরশাদ সাহেবের অবর্তমানে কিংবা চিকিত্সার জন্য বিদেশে থাকাকালে কে দলের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন তা নিয়ে যেন কোনো অস্পষ্টতা না থাকে, সে কারণেই তিনি বিষয়টা একদম স্পষ্ট করে দিয়েছেন। অসুস্থ হলেও তার মানসিক অবস্থা ঠিক আছে। সেই কারণে বিদেশে যাওয়ার আগে তিনি সবকিছু ঠিকঠাক করে যাচ্ছেন।’

এর আগে এরশাদ গত ১লা  জানুয়ারি ২০১৯ইং  এক চিঠিতে তার অবর্তমানে জাপার চেয়ারম্যান পদে জি এম কাদেরের নাম ঘোষণা করেছিলেন। ‘অবর্তমান’ শব্দটি স্পষ্ট না হওয়ায় দলের ভেতরে এনিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়। এই ধোঁয়াশা দূর করতেই নতুন করে এরশাদ নতুন করে নির্দেশনা দিলেন।