Showing posts with label নানাবিধ. Show all posts
Showing posts with label নানাবিধ. Show all posts

Monday, April 15, 2019

জানেন কতদিন পর পর শারীরিক মিলন করা উচিৎ ? বিজ্ঞান কি বলে এই বিষয়ে ?

April 15, 2019
ছবি: সংগৃহীত
প্রাপ্তবয়স্ক যেকোন ছেলে ও মেয়ের যেকোন সময় সহবাসের ইচ্ছা জাগতে পারে। এটা আজকালকার দিনে খুবই কমন একটা ব্যাপার। সেটা দিনের সময় হোক বা রাতের সময়। কিন্তু এই ক্ষেত্রে বিজ্ঞানের ভাষা যেটা বলে সেটা আমার আপনার সকলেরই জেনে রাখা উচিৎ। কারন না জেনে না বুঝে এগানো মানেই যখন তখন আপনার জীবনে আসতে পারে ঘোর বিপদ।

সব মানুষেরই তাদের বৈবাহিক জীবন নিয়ে থাকে কিছু আশা কিছু আকাঙ্ক্ষা। মন চায় যে তাদের বৈবাহিক জীবন নিয়ে আসবে সুখের পাহাড়। তাই এসব বিষয়ে জানা না থাকলে পরবর্তী কালে আপনার জীবনেই তৈরি হতে পারে বিভিন্ন সমস্যা।

একটি সুস্থ শারিরিক মিলনের জন্য স্বামী ও স্ত্রী দুজনকেই সুস্থ বা ফিট থাকতে হয়। ফিট থাকলে তারা অনায়েশেই প্রতিদিন সুস্থভাবে সহবাস করতে পারেন। কিন্তু দুজনের মধ্যে একজনের যদি কোন শারিরিক সমস্যা থাকে বা যদি সে আনফিট থাকেন, সেটার কারনে হতে পারে বিভিন্ন শারীরিক ক্ষতি। এফেক্ট পড়তে পারে আপনাদের বাচ্চার ওপরেও। তাই যেকোন দম্পতির ফিট থাকাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ।

এবার এই ব্যাপারে বিজ্ঞান যেটা বলে সেটা হল যেকোন ২০-৩০ বছর বয়সী কাপেলদের সপ্তাহে ২ থেকে ৩ বার মিলন করা উচিৎ। আর যাদের বয়স ৩০-৪০ তাদের সপ্তাহে ২ বার মিলিত হওয়া উচিৎ। এবার বিভিন্ন লোক এই বিষয়ে বিভিন্ন মত দেয়ে।

সত্যি বলতে মিলিত হওয়ার কোন নিদিষ্ট দিন কাল খন বা কোন সময় হয়না। মিলন যেকোন সময় করা যেতে পারে সেটা দিন হোক বা রাত।

যাদের বয়স ৪০-৫০ বছর তাদের সপ্তাহে ১ বার করে সহবাস করা উচিৎ। আর যাদের বয়স ৫০-৬০ হবে তাদের মাসে ১ বার বা ১৫ দিন অন্তর অন্তর ১ বার মিলিত হওয়া উচিৎ। তাতে আপনার মনও ভালো থাকবে আর শরীরও সব সময় সতেজ থাকবে। কোন রকমের দুর্বলতা থাকবে না।

এটা বিজ্ঞান বলে। আবার যাদের সদ্য বিবাহ করেন তাদের দিনে ২-৩ বার মিলন হয়ে যায়। কিন্তু সময় ও পরিস্থিতির চাপে তাদের মনের মধ্যে এই ইচ্ছেটি আসতে আসতে কমে যেতে থাকে।

কিন্তু বিজ্ঞান এটাও বলে যে সহবাস তখনই করা উচিৎ যখন দুজনেরই মত থাকবে। দুজনের মধ্যে একজনের যদি ইচ্ছে না থাকে সেই ক্ষেত্রে সহবাস না করাই ভালো।

সূত্র : দেশী গুরুজী

Saturday, April 13, 2019

শারীরিক মিলনের নানা সমস্যা

April 13, 2019
ছবি: সংগৃহীত

শারীরিক মিলনের প্রতি নারী এবং পুরুষের আকর্ষণ একেবারে প্রাকৃতিক । নারীর শারীরিক মিলনতা বিষয়ে অনেকেরই ধারণা যে, নারীর শারীরিক মিলন উপলদ্ধি কেবলমাত্র পুরুষের সংস্পর্শে এলেই বিকশিত হয়। কিন্তু এটি সম্পূর্ণ একটি ভুল ধারণা । নারী বয়ঃপ্রাপ্তির পর থেকেই শারীরিক মিলনের ব্যাপারে আকাঙিত থাকে।

পুরুষের যেমন একটা সুবিধা আছে যে,শারীরিক মিলনের হাতে খড়ি তার খুব সহজেই করতে পারে,কিন্তু নারীর ক্ষেত্রে এই ব্যাপাটি সম্ভব হয় না। অধিকাংশ নারী বিয়ের মাধ্যেমে শারীরিক মিলন জীবনে তথা দাম্পত্য জীবনে প্রবেশকরে এবং শারীরিক মিলনের স্বাদ গ্রহণ করে। মানুষ মাত্রই শারীরিক মিলন জীবনের একটা প্রয়োজন রয়েছে। তবে এই শারীরিক মিলন জীবনের ফলস্বরূপ কেবল মাত্র প্রয়জনের তাগিদে শারীরিক মিলনে  অংশ নেয় না।

মানুষ জগতের আর দশটা প্রাণীর চাইতে আলাদা এবং উন্নত। প্রজনন ছাড়াও শারীরিক মিলনের দ্বারা শারীরিক এবং মানসিক অপার আনন্দ নারীর কাম্য হয়ে উঠে। নারীর শারীরিক মিলন জীবনে একটি অবগুন্টিত ভাব রয়েছে। তার কারণ নারী ধীরে ধীরে উদগ্রীব হয়ে উঠে। এক্ষেত্রে নারী পুরুষের মতো অতি দ্রুত উত্তেজনায় পৌঁছে যেতে পারে না। বরং নারীর উত্তেজনা আসে ধীরে ধীরে । নারীর শরীরে প্রায় সবটুকু শারীরিক মিলন উদ্দীপক। পুরুষের মতো নারী শুধু গোপনাঙ্গে উত্তেজনা ধরে রাখে না। নারীর ঠোঁট, স্তন, নিতম্ব, তলপেট, স্তনবৃন্ত, উরু ইত্যাদি স্থানে চুমু , মৃদু দংশন এবং সোহাগের দ্বারা নারী উত্তেজিত হয়ে উঠে। একে শারীরিক মিলন ক্রীড়া বলে। শারীরিক মিলনক্রীড়া শারীরিক মিলনের আনন্দকে বাড়িয়ে তুলতে পারে। বিয়ের ফলে একজন নারী শারীরিক মিলন জীবনে পদার্পণ করে।

বিয়ে হচ্ছে একটি সমাজিক বন্ধন। একজন পুরুষ এবং একজন নারী একত্রে সহাবস্থানকে বিয়ে বলা হয় । নারী জীবনে বিয়ের প্রথম রাত একটি গুরুত্বপূর্ন ঘটনা। অনেক নারী এই রাতটিকে ভয় পায়। বিষেশ করে যারা ধর্মীয় কুসংস্কার দ্বারা আচ্ছন্ন তারা বিয়ের প্রথম রাতে নানা প্রকার অপ্রীতিকর কর্মকান্ড ঘটাতে পারে। আমাদের এই উপমহাদেশের বিয়ের সময় নানা প্রকার অনুষ্ঠানের আড়ম্বর থাকলেও বিয়ের পরবর্তী শারীরিক মিলন জীবনে নানা প্রকার শারীরিক এবং মানসিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে এই জাতীয় সমস্যাগুলো জেনেটিক বা বংশগত হতে পারে। আবার অনেক সময় এর কারণ নিতান্তই শারীরিক হয়ে থাকে। তবে শারীরিক মিলন জীবনে যে কোনো প্রকার সমস্যাই নারী এবং পুরুষ উভয়কেই ভাবিয়ে তুলতে পারে।

সূত্রঃ প্রফেসর ডাঃ মোহাম্মদ ফিরোজ

Monday, March 18, 2019

মেয়েদের যৌনতা নিয়ে চমকে দেওয়া তথ্য

March 18, 2019
ছবি: সংগৃহীত
একজন পুরুষ যদি ভেবে থাকেন, তিনি যখন ইচ্ছে তখনই সঙ্গিনীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হতে পারেন। তাহলে তা এক মহিলার মস্তিষ্ক ও চিন্তা শক্তিকেই খাটো করে দেখা হয়।

বলা যায় অপমানও। সাম্প্রতিক স্টাডি বলছে, সেক্স বা মিলনের বিষয়ে দিনের একটি নির্দিষ্ট সময়েই ভাবেন মহিলারা। ওই সময় তাঁরা শরীরী আদর পেতে চান তীব্র ভাবে।

স্টাডিতে দেখা গেছে, দিনে আঠারো বার একজন মহিলা শরীরী মিলন, যৌনতা নিয়ে ভাবেন। মার্কিন মুলুকে ২৮৩টি কলেজ পড়ুয়াদের উপর সমীক্ষা চালান বিজ্ঞানীরা। মূলত ১৮ থেকে ২৫ বছর বয়সের ছাত্র-ছাত্রীদের উপর চালানো ওই সমীক্ষায় দেখা যায়, এক সপ্তাহে খাদ্য, ঘুম ও সেক্স নিয়ে তারা কতটা ভাবেন।

কখন ভাবেন। দিনে যতবার সেক্স তাদের চিন্তার মধ্যে এসেছে, ততবার একটি খাতায় লিখে রাখতে বলা হয় ওই পড়ুয়াদের।

সমীক্ষার শেষে দেখা গেছে, পুরুষরা দিনে প্রায় ৩৪ বার যৌন চিন্তা করেন। কিন্তু মহিলারা সেখানে অনেকটাই পিছিয়ে। তারা দিনে প্রায় ১৮ বার যৌন মিলনের চিন্তা করেন। সমীক্ষায় আরও জানা গেছে, বেশির ভাগ মহিলাই সিনেমার কোনও হিরো, প্রাক্তন বয়-ফ্রেন্ড ও কোনও একটি ব্লু-ফিল্মের দৃশ্য কল্পনা করেন মিলনের সময়।

সূত্র : বিডি লেডি

Sunday, March 17, 2019

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় হলের কক্ষে সন্তান প্রসব, ট্র্যাংকে লুকিয়ে হাসপাতালে মা

March 17, 2019
ছবি: সংগৃহীত 
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিব হলের কক্ষে নবজাতক প্রসব করেছেন এক ছাত্রী। পরে নবজাতকটিকে নিজের ট্র্যাংকে তালা মেরে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান তিনি। এরপর ট্র্যাংক থেকে কান্নার শব্দ এলে তালা ভেঙে নবজাতককে উদ্ধার করে একই হাসপাতালে নিয়ে যায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। শনিবার (১৬ মার্চ) দুপুর আড়াইটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। রাত পৌনে ১০টার দিকে হাসপাতালে নবজাতকের মৃত্যু হয়। অন্যদিকে নবজাতকের মা আশঙ্কামুক্ত বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে ওই হলের প্রাধ্যক্ষ জানান, ‘ঘটনা শুনে সঙ্গে সঙ্গে হলে যাই। ছাত্রীরা যখন বলছিলো ঘর থেকে বাচ্চার কান্নার আওয়াজ পাওয়া যাচ্ছে। তখন ৪২৬ নম্বর রুমে গিয়ে ট্র্যাংকের তালা ভেঙে বাচ্চাকে উদ্ধার করে মেডিকেলে নিয়ে যাই। রাত পৌনে ১০টার দিকে বাচ্চাটি মারা যায়। তবে বাচ্চার মা ওই ছাত্রী আশঙ্কামুক্ত।’

প্রাধ্যক্ষ আরও বলেন, ‘তথ্য গোপন করে মেয়েটি অপরাধ করেছে। এই ঘটনা তদন্তের জন্য হলের সহকারী আবাসিক শিক্ষক লাবিবা খাতুন তানিয়াকে প্রধান করে চার সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে। ১০ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন হাতে এলে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, শনিবার দুপুর আড়াইটার দিকে ওই ছাত্রী নবজাতক প্রসব করে কাউকে না জানিয়ে নিজের ট্র্যাংকে লুকিয়ে রাখেন। তার রুমমেট রুমে এলে শুধু প্রসব বেদনার কথা জানান। পরে ওই কক্ষ থেকে নবজাতকের কান্নার আওয়াজ শুনতে পান ছাত্রীরা। ছাত্রীরা বিষয়টি হল প্রশাসন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাকেন্দ্রে জানান।

পরে খোঁজাখুঁজি করে ট্র্যাংকের তালা ভেঙে নবজাতককে উদ্ধার করে হল প্রশাসন। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা কেন্দ্রে নিয়ে যায়। চিকিৎসা কেন্দ্রে নেওয়ার সময় নবজাতকের শরীর নীলচে আকার ধারণ করে। পরে শিশুটিকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে এনাম মেডিকেলে পাঠানো হয়।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় চিকিৎসা কেন্দ্রের দায়িত্বরত চিকিৎসক আবু জাফর মোহাম্মদ সালেহ বলেন, ‘বাচ্চাকে যখন মেডিকেলে নিয়ে আসা হয় তখন তার শরীর সম্পূর্ণ নীল রং ধারণ করেছিল। পরে তাকে অক্সিজেন দিয়ে স্বাভাবিক করে এনাম মেডিকেলে পাঠানো হয়।’

সূত্র : বিডি অনলাইন নিউজ ২৪

Thursday, March 14, 2019

মাত্র ৩০ সেকেন্ডে মশা থেকে মুক্তি!

March 14, 2019
ছবি: সংগৃহীত
একটি ছোট্ট প্রাণী মশা। এই মশার কবল থেকে রক্ষা পেতে আমরা কত কৌশলই না অবলম্বন করি। কিন্ত শেষ পর্যন্ত রক্ষা হয়না অনেক সময়। মশা তাড়ানোর জন্য আমরা কয়েল বা স্প্রে সাধারণত ব্যবহার করে থাকি। যা প্রতিটিই তৈরি হয় ক্ষতিকর রাসায়নিক উপাদান দিয়ে। এই সব রাসায়নিক উপাদান আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।

আপনি চাইলেই ঘরেই তৈরি করতে পারেন মশা তাড়াবার জন্য কার্যকরী উপাদান, তাও মাত্র ৩০ সেকেন্ডের কম সময়ে। আর এতে আপনার কাজে আসবে নারিকেল তেল বা ভ্যানিলা এসেন্সের মত সাধারণ উপাদান!

প্রথম ধাপ: এই পদ্ধতিতে আমাদের লাগবে খুবই সাধারণ দুটি উপাদান। নারিকেল তেল ও এসেনশিয়াল অয়েল। নারিকেল তেল সবার ঘরেই মজুদ থাকে, সাথে বেছে নিন আপনার পছন্দের যেকোনো এসেনশিয়াল অয়েল। ল্যাভেনডার, মিনট, লবঙ্গ, বেসিল, লেমনগ্রাস বা রোজমেরি-এই ফ্লেভারগুলো থেকে বেছে নিন যেকোন একটি বা দুটি এসেনশিয়াল অয়েল।

২য় ধাপ: এরপর ৮ আউন্স নারিকেল তেলের সাথে মিশিয়ে নিন ২ চা চামচ এসেনশিয়াল অয়েল। ব্যাস, তৈরি আপনার জন্য মশা তাড়াবার প্রাকৃতিক তেল! এই তেল আপনি শরীরের যেকোনো অংশে মাখতে পারেন। মশা তো দূর হবেই, সাথে ত্বকও ভালো থাকবে। আর মশা থাকবে আপনার কাছ থেকে অনেক অনেক দূরে। কেবল মশা নয়, পিঁপড়াসহ অন্যান্য ক্ষুদ্র পোকামাকড়ও আর কাছে ভিড়বে না।

এই উপায়টিতে আপনার কাজে লাগবে কেবল ভালো মানের ভ্যানিলা এসেন্স। যে ভ্যানিলা এসেন্স আমরা খাবার তৈরিতে ব্যবহার করি, সেটাই।
ভ্যানিলা এসেন্সের সাথে সমান সমান পরিমাণ পানি মিশিয়ে নিন। তারপর সেই মিশ্রণ ব্যবহার করুন নিজের ত্বকে। চাইলে এই মিশ্রণের সাথে সামান্য লেবুর রস মিশিয়ে স্প্রে বোতলে ভরে নিজের ঘরে বা বাগানেও স্প্রে করতে পারেন।

মিয়া খলিফার পর্নস্টার হয়ে ওঠার গল্প

March 14, 2019
ছবি: সংগৃহীত

কেউ যদি বলেন মিয়া খলিফা নামটির সঙ্গে তিনি পরিচিত নন, তাহলে হয় তিনি মিথ্যা বলছেন, নতুবা তিনি ইচ্ছে করেই মুখে কুলুপ এঁটেছেন। একটি ওয়েবসাইট বলছে, মাত্র চার বছর আগেই এক নম্বর আকর্ষণীয় ব্যক্তির তালিকায় মিয়া খলিফার নাম উঠেছিল।

মিয়া খলিফা লেবাননের বৈরুতে জন্মগ্রহণ করেন। পরে তাঁর পরিবার যুক্তরাষ্ট্রে চলে যায়। তাঁর আসল নাম মিয়া কালিস্তা, পরে তিনি এ নাম পরিবর্তন করেন। পর্ন ইন্ডাস্ট্রিতে যাওয়ার পর পরিবারের লোকজন তাঁর সঙ্গে কথাও বলেননি। মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন মিয়া, কিন্তু পরে খ্রিস্টান ধর্ম গ্রহণ করেন। এতে মা-বাবা ও নিজ দেশের মানুষ তাঁর ওপর ক্ষুব্ধ হন।

মিয়া জানান, ২০১৫ সালের প্রথম দিকে একটি বিতর্কিত ভিডিও প্রকাশ করেই সবার চেনা হয়ে যান তিনি। মার্কিন পর্নস্টার মিয়া খলিফার বয়স তখন সবে ২১। মন দিয়ে স্নাতক পড়ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়ে। নিজেকে গুটিয়ে রাখতেন ক্যাম্পাস জীবনে। হঠাৎ একদিন তার মনে হলো আত্ম-সম্মান বোধের ঘাটতি রয়েছে তার। পাচ্ছেন না আত্মবিশ্বাস। সমাধানে ব্যায়াম করা শুরু করলেন মিয়া খলিফা। কমালেন ৫০ পাউন্ড ওজন। তাতেও মন ভরেনি। সার্জারি করিয়ে বড় করলে স্তনের আকার। তবু মনে হচ্ছিলো কোনো উন্নতি হয়নি।

একদিন একটি স্থানীয় ফাস্ট ফুড রেঁস্তোরায় কাজ করার সময় একজন ভোক্তার সান্নিধ্যে তাকে জিজ্ঞেস করা হয় যে, তিনি পর্নোচলচ্চিত্রে কাজ করতে আগ্রহী কি না। এরপর ২০১৫ সালের হিসেবে ১.৫ মিলিয়নেরও অধিক দর্শকসংখ্যার পাশাপাশি, ২২ বছর বয়সী খলিফা প্রাপ্তবয়স্ক ভিডিও শেয়ারিং পর্নহাবের সর্বাধিক অনুসন্ধানকৃত মডেল হিসেবে উন্নীত হন। সে বছর ২৮ ডিসেম্বরে পর্নহাব তাদের ওয়েবসাইটে নাম্বার ১ স্থানে খলিফার নাম প্রকাশ করে বহুদর্শী লিসা অ্যানের পরিবর্তে।

সম্প্রতি তার এ খ্যাতি মধ্য প্রাচ্যের জনমনে কঠিন সমালোচনার অবতারণা করে, যেখানে লজ্জাকর হিসেবে তার পেশাজীবন কলঙ্কময় বলে মনে করা হয় এবং যে কারণে নিজ দেশেও খলিফার সম্মানহানি ঘটে। মিয়া খলিফা বলেন, প্রথমদিন পর্ন অভিনয় করার পর একই সঙ্গে লজ্জা ও অপরাধবোধ কাজ করছিল। একই সঙ্গে মনে হচ্ছিলো আমি ঠিক করেছি। তখন আমি আসলে ২১ বছর বয়সী একটা গাধা ছিলাম।

ইউটিউবে জনপ্রিয় পডকাস্ট ‘ফরওয়ার্ড’ এর উপস্থাপক ল্যান্স আর্মস্ট্রংকে এসব কথা জানিয়েছেন লেবানিজ বংশোদ্ভূত মার্কিন পর্নস্টার মিয়া খলিফা। তিনি জানান, প্রথম দিন অভিনয়ের পর খুব বেশি বিচলিত হননি। ভেবেছিলেন কোম্পানির বাইরে কেউ তার পর্নগুলো খুঁজে পাবে না। কিন্তু পরে হঠাৎ চারদিক থেকে সাড়া হয়ে ভটকে যান। মিয়া খলিফা জানান, তিনি এমনটা ভেবেছিলেন কারণ সে সময় পর্যন্ত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কোনো অ্যাকাউন্টই ছিল না তার।

পর্নহাবে শীর্ষস্থান অধিকারের পরপর অনলাইন মৃত্যু হুমকি পান মিয়া, যার মধ্যে ইসলামিক স্টেট অব ইরাক অ্যান্ড দ্য লেভান্টের একটি হস্তনির্মিত ছবিতে তাকে শিরচ্ছেদের জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে এমন দেখানো হয় এবং একটি সতর্কবার্তায় তাকে নরকে যেতে হবে বলেও দাবি জানানো হয়, যার জবাব তিনি বলেন, ‘আমি সম্প্রতি একটু চিন্তিত।’ লেবানিজ সংবাদপত্র খলিফার সমালোচনামূলক নিবন্ধ লিখেছে, যা তিনি সে অঞ্চলের অন্যান্য ঘটনাগুলির কারণে তুচ্ছ বলে মনে করেন।

দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে, খলিফা বলেন বিতর্কিত দৃশ্যটি ছিল বিদ্রুপাত্মক এবং এটি সেভাবেই গ্রহণ করা উচিত, এবং হলিউড চলচ্চিত্রে যে কোনো পর্নগ্রাফির তুলনায় অনেক বেশি নেতিবাচক ভাবে ইসলামকে চিত্রিত করা হয়ে থাকে বলে দাবি করেন। যারা সর্বজনীনভাবে তার প্রাপ্তবয়স্ক কর্মী হয়ে উঠার সিদ্ধান্তে সমর্থন জানানোর জন্য মুখ খোলেন তাদের মধ্যে ছিলের ব্রিটিশ-লেবানিজ লেখক নাসরি আতাল্লাহ, যারা বিবৃত দেন, ‘এই নৈতিক আবেগ… দুটি কারণের জন্য ভুল। প্রথম এবং সর্বাধিক, একজন নারী হিসেবে, তিনি তার শরীরের সঙ্গে যে কোনো কিছুর করার অধিকার রাখেন।’ খলিফা তার বিতর্ক সম্পর্ক তিনি মন্তব্য করেছিলেন।

তাছাড়াও তিনি বলেন, তার পেশা নির্বাচনের কারণে তার বাবা তার সাথে কথা বলা বন্ধ করে দেন। পর্ণহাব থেকে প্রাপ্ত উপাত্ত অনুযায়ী, ৩-৪ জানুয়ারি, ২০১৫ সালে, মিয়া খলিফার অনুসন্ধানকারী পাঁচ দফা উন্নীত হয়। যার এক চতুর্থাংশ অনুসন্ধানকারী ছিলেন লেবানন থেকে, মূল অনুসন্ধানকারী ছিল মধ্যপ্রাচ্যের সিরিয়া এবং জর্দানের কাছাকাছি অঞ্চল থেকে। হিজাব সম্পর্কিত বিতর্কের কারণে, জুলাই ২০১৬ সালে, তিনি ব্রিটিশ পুরুষ ম্যগাজিন লোডেড কর্তৃক তাদের ‘দ্য ওয়ার্ল্ড’স টেন মোস্ট নটোরিয়াস পর্ন স্টার্স’ তালিকায় পঞ্চম স্থানে অবস্থান নেন।

জুলাই ২০১৬ সালে দ্য ওয়াশিংটন পোস্টে এক সাক্ষাৎকারে, খলিফা জানায় যে তিনি কেবল তিন মাসের জন্য পর্নোগ্রাফিতে অভিনয় করেছিলেন এবং এক বছরের আগেই পর্নশিল্প ছেড়ে দিয়েছিলেন, ‘আরও স্বাভাবিক কাজে’ যুক্ত হতে। তিনি বলেন, ‘আমি এটা আমার বিদ্রোহী পর্যায় ছিল বলে মনে করি। এটা সত্যিই আমার জন্য ছিল না। আমি ধীরে ধীরে নিজেকে এর থেকে দূরত্ব বজায় রাখতে চেষ্টা করি।’

খলিফা বলেন, এককালে লেবানীজ জাতি নিজেদের মধ্যপ্রাচ্যের সর্বাধুনিক বলে গর্ব করত, তারা পাশ্চাত্য রীতিনীতি এতটাই অনুকরণ করত যে তারা নিজেদের নিয়ে গর্বিত ছিল, আজ তারা আদিম রীতিতে বিশ্বাসিত হয়ে শোষিত হয়ে গেছে। তারা ভুলে গেছে নারী অধিকার!

সূত্র : বিডি অনলাইন নিউজ ২৪

Wednesday, March 13, 2019

২০ বছরের নীচে মেয়েকে বিয়ে করার কি সুবিধা জানেন ? জানলে আজই বিয়ে করতে চাইবেন…

March 13, 2019
ছবি: সংগৃহীত
আমাদের দেশে বহু প্রাচীন কাল থেকেই অল্প বয়সে মেয়েদের বিয়ে দেবার প্রথা প্রচলিত আছে। এমনকি অতিতে ১০-১২ বছর বয়সী মেয়েদের বিয়েও দিয়ে দেওয়া হতো। এই নিয়ে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর সহ বহু মনীষী অনেক লড়াই করেছেন।

আজ স্বাধীনতার বহু বছর পরেও যে এই প্রথার খুব একটা উন্নতি হয়েছে তা নয়। এখনও আমাদের দেশের বহু জায়গায় দেখা যায় পুরুষরা অল্প বয়সী মেয়েদের বিয়ে করতেই বেশী পছন্দ করে। তার বিশেষ কিছু কারণও রয়েছে।

আসুন জেনে নেওয়া যাক সেই কারণগুলি:

১. আধিপত্ত: সমাজবিজ্ঞানীদের মতে পুরুষেরা সর্বত্র আধিপত্ত বিস্তারে অভ্যস্ত, আর তাদের এই আধিপত্ত বিস্তারের যে চর্চা তা থেকে তাদের পরিবার এবং পরিবারের বাইরের সদস্যরাও বাদ যায় না। আর আমাদের পুরুষশাসিত সমাজে স্ত্রীর উপর স্বামীদের আধিপত্ত বিস্তার অত্যন্ত স্বাভাবিক একটি ঘটনা। তাই অল্পবয়সী মেয়েদের সাথে বিবাহবন্ধনে আগত হতে তারা বেশি সাচ্ছন্দ বোধ করে।

২. অস্বস্তিবোধ:পুরুষেরা তাদের সমবয়সী মেয়েদের সাথে সম্পর্ক স্থাপনে অস্বস্তিবোধ করে। পুরুষের সমযোগ্যতা সম্পন্ন নারীদের নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। এই ধারনাই পুরুষকে তার চেয়ে কম বয়সী নারীকে বিয়ে করতে উদ্বুদ্ধ করে।

৩. ২০ তেই বুড়ি:আমাদের দেশে পুরুষদের সামাজিক এবং অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতা লাভ করতে বয়স প্রায় ৩০ এর কোঠায় গিয়ে পৌঁছায়। আর আমাদের সমাজের প্রচলিত ধারণা যে মেয়েরা ২০ তেই বুড়ি হয়ে যায়। তাই স্বাভাবিকভাবেই স্বামী ও স্ত্রীর বয়সের ব্যবধান আমাদের সমাজে অনেক বেশি।

৪. ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা:পুরুষদের একটি বর্ধনীয় ধারণা যে তারা যখন বৃদ্ধ হয়ে যাবে তখন তাদের পরিচর্চা করবার মতন কেউ থাকবে না। এমনকি সন্তানেরাও তাদের পরিচর্চা করতে নাও পারে। তাই কমবয়সী স্ত্রী এই সমস্যার সমাধান। তাদের ধারণা স্ত্রীরা তাদের যথাযত পরিচর্চা করতে কখনোই অস্বীকৃতি জানাবে না।

৫. দীর্ঘ ও সুখের যৌন জীবন:সাধারণত ৪০ এর পরে অধিকাংশ নারীদের যৌন আবেদন ধীরে ধীরে স্থিমিত হতে থাকে। কিন্তু পুরুষদের যৌনকাঙ্ক্ষা আরও দীর্ঘ সময় বজায় থাকে। তাই সমবয়সী নারীদের বিবাহে অনেক পুরুষদেরই অনিহা রয়েছে। তাদের ধারণা অল্প বয়সী মেয়েদের বিয়ে করলে তারা দীর্ঘ ও সুখের যৌন জীবন লাভ করতে পারে।

সূত্র :বিডি অনলাইন নিউজ ২৪

Saturday, March 9, 2019

ভুলেও মেয়েদের এই অংগুলি স্পর্শ করবেন না, হতে পারে মারাত্মক বিপদ…

March 09, 2019
ছবি: সংগৃহীত

সামান্য ছুঁয়ে ফেলা থেকেও যে ঘটতে পারে নানান রকম অঘটন সেটা একেবারেই জানেন না বহু মানুষ। তাই আমরা বিভিন্ন সময় না জেনে ছুঁয়ে ফেলি অনেককে। আমরা ছুঁয়ে ফেলা নিয়ে বেশী কিছু ভাবি না, কারণ ছুঁয়ে ফেলা থেকে যে কারোর কোন ক্ষতি হতে পারে সে সম্পর্কে আমাদের কোন আইডিয়াই নেই।

পৃথিবীতে সবথেকে বেশী জীবানু ছড়ায় না ধোয়া হাত থেকে। আমরা বিভিন্ন সময়ে হাত দিয়ে নানা কাজ করে থাকি এবং পরে ভুলে যাই কি কি কাজ আমরা করেছিলাম এবং শেষে সেই হাত দিয়েই আমরা নানান কাজ শুরু করে দিই।

আমাদের জানতে হবে যে যদি আমরা সাবধান না হই এবং নানান অঙ্গে সেই হাত দিয়ে স্পর্শ করি, তাহলে আমাদের জীবনে অনেক সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে। সেই সমস্যা বেড়ে গিয়ে আমাদের জীবনের একটা খুব গুরুত্বপূর্ণ সময় আমরা হারিয়ে ফেলতে পারি।

তাই জীবাণু যুক্ত হাত নিয়ে কোথায় কোথায় স্পর্শ করা একদমই উচিত নয় সেটা আমাদের অবশ্যই জেনে রাখা উচিত। না জানলে কি হতে পারে সেই নিয়েও আমাদের সাবধান থাকতে হবে।

কারণ যদি আমরা না জানি এই অবাঞ্ছিত রোগ এবং জীবাণু থেকে ঠিক কিভাবে আমরা বাঁচবো, তাহলে আমাদের বাঁচার চেষ্টা জোরদার হয়ে উঠবে না কোনমতেই। আসুন জেনে নেওয়া যাক কোন কোন অঙ্গ ভুলভাবে ছুঁয়ে ফেলা সম্পর্কে আমাদের সাবধানে থাকতে হবে…

চোখঃ – শরীরের সবচেয়ে স্পর্শকাতর অংশ হল চোখ। তাই ভুলভাল জায়গা থেকে ঘুরে এসে চোখে হাত দেবেন না একেবারেই। আর যদি ভুল করে হাত দিয়েও দেন এবং চোখ জ্বালা শুরু করে তাহলে চোখে জলের ঝাপটা দিন তাড়াতাড়ি।

নাকঃ – নাক শরীরের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ স্পর্শকাতর অঙ্গ। সামান্য আঘাতেই ঘটতে পারে রক্তপাত। তাই কখনোই নাকে আঙ্গুল ঢোকাবেন না এবং নাকে আঙ্গুল ঢোকালে লোকে আপনাকে নোংরাও ভাবতে পারে।

কানঃ – শরীরের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হল কান। অনেকেই দেশলাই কাঠি এবং অন্যান্য অনেক জিনিস দিয়ে কান চুলকে থাকেন, কিন্তু এভাবে কান চুলকানোয় যে আপনার মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে সেই ব্যাপারে একদমই কেউ ভাবে না। তাই নিজের শরীরের কথা না ভেবে অনেকেই এমন ভুল ভাল কাজ করে থাকে এবং পরে সেই কাজ করার জন্য ভোগেন।

আজ থেকে সতর্ক হন। ভুলেও এইসব কাজ করা বন্ধ করুন, বিশেষ করে নোংরা হাতে বাচ্ছা ও নারীদের এইসব অঙ্গে হাত দেবেন না। হতে পারে মারাত্মক বিপদ। সাবধান হন এবং অপরকে সাবধান করুন।

সূত্র : দেশী গুরুজি

Wednesday, March 6, 2019

বাসর রাতে স্ত্রীর ঘরে অন্য পুরুষ পাঠালেন স্বামী!

March 06, 2019
ছবি: সংগৃহীত

স্বামী নিজে অক্ষম। কিন্তু, বংশ তো আর থেমে থাকতে পারে না। ছেলে তো চাই-ই চাই। তাই নিজের স্বামীই তাকে জোর করেছেন শ্বশুরের শয্যাসঙ্গিনী হওয়ার জন্য। মুম্বইয়ের ভিরারে এ ঘটনা ঘটে। ২৫ বছরের এক যুবতী সম্প্রতি সেখানের পুলিশের কাছে এমন অভিযোগ করে।
ভারতীয় গণমাদ্যমের খবর অনুযায়ী, নীকেশ গিরি নামে ওই মহিলার স্বামী যৌনমিলনে অক্ষম। তাই তার বাবাই পুত্রবধূকে ধর্ষণ করার চেষ্টা করে।

মহিলা আরো অভিযোগ করেন যে, অনিল যাদব নামে এক চিকিৎসকের সঙ্গেও যৌনমিলনে তাকে জোর করে নীকেশ। স্বভাবতই এমন কুপ্রস্তাবে রাজি হননি মহিলা। তাই সারারাত তাকে কাটাতে হয় বাড়ির বারান্দায়। পরবর্তীকালে, শ্বশুর পান্নালাল গিরিও তার ঘরে চলে আসত বলে অভিযোগ করেন মহিলা। মদ্যপ অবস্থায় তার পাশে এসে শুয়ে তাকে স্পর্শ করত পান্নালাল।

ছ’মাস আগে, আমদাবাদের তার বাবার বাড়িতে খবর পাঠান মহিলা। তার বাবা মুম্বই এলে, মেয়ে-সহ তাদের বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয় গিরি পরিবার। মুম্বই পুলিশের মহিলা শাখার এসিপি, পান্না মোমায়া সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, গিরি পরিবার তাদের পুত্রবধূকে বিবাহবিচ্ছেদে রাজি হওয়ার জন্য শাসিয়েছে।

প্রসঙ্গত, নীকেশ গিরি ও তার বাবা পান্নালালের সঙ্গে, তাদের ওই ঘৃণ্য কাজে মদত করত নীকেশের মা ও বোনও।

সূত্র : বিডি নিউজ ওয়েব

Tuesday, March 5, 2019

৩ বছরেই নারকেল, ফল দেবে টানা ৮০ বছর!

March 05, 2019
ছবি: সংগৃহীত

মাত্র ৩ বছরেই গাছে ধরেছে নারকেল। তাও একটি/দুটি নয়, শত শত। খুলনার দৌলতপুর ও সাভারের রাজালাখ হর্টিকালচার সেন্টারে শোভা পাচ্ছে এ নারকেল। আশ্চর্যজনক হলেও সত্যি দ্রুত বর্ধনশীল খাটো জাতের এ নারকেল গাছে ১৮ মাসের মধ্যেই ফুল চলে আসে এবং তিন বছরের মাথায় ফল পরিপূর্ণ হতে শুরু করে। ভিয়েতনামের নারকেল গাছের এই প্রজাতির নাম ‘ডুয়া এক্সিম লু’। এ জাতটি আবার দু-ধরনের, সিয়াম গ্রিন কোকোনাট এবং সিয়াম ব্লু কোকোনাট।

সারা পৃথিবীতে এ পর্যন্ত দ্রুত নারকেল আসে-এমন জাতের যেসব গাছের উদ্ভাবন এবং চাষাবাদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে তার মধ্যে ভিয়েতনামের এই জাতটি সবচেয়ে বেশি আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। এই গাছ একটানা ৭০/৮০ বছর পর্যন্ত ফল দিতে পারে। স্বাদে-গন্ধে, আকার ও পুষ্টিমানে এটি অসাধারণ। এর পানি অত্যন্ত মিষ্টি ও সুস্বাদু। এছাড়া ভারতের ‘গঙ্গাবন্ধন’ জাতের নারকেল গাছেও দ্রুত ফল আসে।

জানা গেছে, ‘ডুয়া এক্সিম লু’ নারকেলের জাতটির আদি উৎপত্তি থাইল্যান্ডে যা ‘সিয়াম’ নামে পরিচিত। বিশেষ করে দক্ষিণ-পূর্ব ও মধ্য থাইল্যান্ডে এই জাতের নারকেল ব্যাপক পরিচিত ও জনপ্রিয়।

কৃষি মন্ত্রণালয়সূত্র জানিয়েছে, এই খাটো জাতের হাইব্রিড নারকেল গাছের চাষে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। এ নারকেল গাছ সনাতনী গাছের তুলনায় প্রায় তিনগুণ বেশি ফল দেবে। গাছের উচ্চতা ২ থেকে ৪ ফুট হলেই ফল ধরা শুরু করে। মাটিতে ছুঁই ছুঁই এ নারকেল মাটিতে বসেই পাড়া যাবে। লবণাক্ততা সহিষ্ণু এই গাছ সব ধরনের মাটিতে চাষের উপযোগী। এ চারা পরিচর্যা করা সহজ। ঝড়ে বা প্রাকৃতিক দুর্যোগে কম ক্ষতি হয়।

সূত্র জানিয়েছে, ‘বছরব্যাপী ফল উৎপাদনের মাধ্যমে পুষ্টি উন্নয়ন প্রকল্প’-এর মাধ্যমে উন্নত জাতের এ নারকেলের জাতটি দেশের বিভিন্ন জেলায় ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে কৃষি মন্ত্রণালয়। এরমধ্যে দক্ষিণাঞ্চলের বরিশাল, বাগেরহাট, খুলনা, বরগুনা, নোয়াখালী ও কক্সবাজারসহ ১০টি জেলাকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে এই প্রকল্পের আওতায় ১ লাখ ৪০ হাজার নারকেল গাছ লাগানো হয়েছে। আগামী তিন বছরের মধ্যে এই জাতের আরও ১০ লাখ নারকেলের চারা লাগানো হবে।

সূত্র : বিডি অনলাইন নিউজ ২৪

Thursday, February 28, 2019

নেশাখোরকে কামড়ে মরতে হলো সাপকেই

February 28, 2019
ছবি: সংগৃহীত

এতদিন আমরা জেনে এসেছি গোখরা সাপ কামড়ালে মানুষের বাচার সম্ভাবনা একেবারেই ক্ষীণ। কিন্তু এ ধারণাকে একেবারে ভুল প্রমাণ করেছেন ভারতের বিহার প্রদেশের এক তুখোর নেশাখোর। গোখরার মরণাত্মক বিষের ছোবলে মৃত্যুর পরিবর্তে একধরনের নেশার আমেজ জমত তার শরীরে। আর সে জন্যই গোখরা সাপটির ছোবল খাওয়ার আশায় সেটিকে গোপনে লালনপালন করত সে।

জানা গেছে, কিছুদিন আগে বিহারে মদ নিষিদ্ধ করেছে দেশটির সরকার। যাদের পকেটের জোর আছে, সেই নেশারুরা চোরা পথে কয়েকগুণ বেশি দাম দিয়ে মদের বন্দোবস্ত করেন। কিন্তু যাদের সেই উপায়, নেই তারা বাধ্য হয়েই বিকল্প নেশার ব্যবস্থা করে নিয়েছেন। সেরকমই এক ‘হতভাগ্য’ সুরাপ্রেমী বিহারের সমস্তিপুরের বাসিন্দা রানা তপেশ্বর সিংহ ওরফে লালন সিংহ।

একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, লালন সিংহ নামে এ ব্যক্তি মদ নিষিদ্ধ হওয়ার পরে প্রায় দিশেহারা হয়ে গিয়েছিলেন। নেশার তাগিদে কয়েকদিন বিশেষ একটি ট্যাবলেট খান তিনি। তার পরে নিজের দু’একজন পরিচিত নেশাড়ুর পরামর্শে একটি গোখরো সাপ জোগাড় করেন।

বাড়ির কাছেই একটি ঝোপের আড়ালে প্লাস্টিকের বড় কৌটোয় সেই সাপটিকে রেখে দিতেন লালন। হাতের কাছে মদ নেই, তাই যখনই নেশা করার ইচ্ছে হত, তখনই ওই কৌটোর মধ্যে নিজের আঙুল ঢুকিয়ে দিতেন লালন। সঙ্গে সঙ্গে সাপটি আঙুলে কামড়ে দিত। লালনের কথায়, গোখরোর ছোট্ট এক ছোবলেই যেন এক বোতল বিদেশি মদের নেশা হয়ে যেত তার। যার জের থাকত প্রায় দু’দিন।

প্রায় নিখরচায় এমন নেশা করে দিন বেশ ভালই কাটছিল লালনের। খাওয়ার জন্য গোখরোটিকে কৌটোয় দু’-একদিন অন্তর ব্যাঙ ছেড়ে দিতেন লালন। গোখরোও ছোট ছোট ছোবল মেরে লালনের নেশা চড়িয়ে দিত। বাড়ির লোকজন ভাবতেন, লুকিয়ে-চুরিয়ে লালন মদ খেয়ে বেহুঁশ হয়ে আছে।

সবই ঠিক চলছিল, কিন্তু গোখরোর মেজাজ বিগড়ে গিয়েই বিপত্তি বাধল। গত ৬ আগস্ট আবার ছোবল খাওয়ার জন্য গোখরোর সামনে আঙুল দেন লালন। কিন্তু ব্যাঙ না পেলে গোখরোই বা এমনি এমনি বিষ খরচা করবে কেন! জানা গিয়েছে, কয়েকদনি ধরে সাপটিকে ব্যাঙ খেতে দেননি লালন। ফলে, খিদের পেটে গোখরোর মেজাজ বেজায় বিগড়ে ছিল। মুখের সামনে লালনের আঙুল পেয়ে ব্যাঙ ভেবে কি না জানা নেই, সেদিন একেবারে আঙুল ধরে জোর কামড় দেয় সাপটি।

বিপত্তি যে কিছু একটা হয়েছে নেশার ঘোরে লালনও তা বুঝতে পেরেছিলেন। কিন্তু একটু বেশি খেয়ে নেয়ার মতো বিষয়টিকে খুব একটা গুরুত্ব দেননি তিনি। বরং নেশা কমাতে সঙ্গে সঙ্গে গোসল করে নেন লালন। তারপরে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে।

পরিবারের লোকজন প্রথমে ভেবেছিলেন অন্যান্য দিনের মতো নেশা করে এসেছেন লালন। কিন্তু শারীরিক লক্ষণ ভালো না ঠেকায় লালনকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। শারীরিক অবস্থা দেখে চিকিৎসকদের সন্দেহ হয়, লালনকে সাপে কামড়েছে। এর পরে বারো ঘণ্টা ধরে প্রায় আঠারোটি অ্যান্টি ভেনম ইঞ্জেকশন দিয়ে লালনের প্রাণ বাঁচান চিকিৎসকরা।

জ্ঞান ফেরার পরে নিজেই চিকিৎসক এবং পরিবারের লোকজনকে গোটা ঘটনার কথা বলেন লালন। পরিবারের লোকজন তো বটেই, লালনের কীর্তি শুনে চিকিৎসকদের চোখ কপালে ওঠার অবস্থা। গোখরোর এক ছোবল খেয়েই যেখানে অনেক সময়ে মৃত্যু হয় মানুষের, সেখানে দিনের পর দিন লালন কীভাবে ছোবলের পরে ছোবল হজম করলেন, সেটাই ভেবে পাচ্ছেন না চিকিৎসকরা।

যদিও, লালনের পরিবারের লোকজন আর কোনো ঝুঁকি নেননি। হাসপাতাল থেকে ফিরেই সাপটিকে মেরে ফেলেন তারা। লালনের প্রাণঘাতী নেশার ঠেলায় শেষ পর্যন্ত গোখরোটিকেই বেঘোরে মরতে হলো।

 সূত্র : বিডি নিউজ ওয়েব



Sunday, February 24, 2019

পুরুষের কোন অঙ্গটি নারীদের বেশি পছন্দ? জানলে অবাক হবেন

February 24, 2019
ছবি: সংগৃহীত 

নারীর কাছে আকর্ষণীয় হয়ে উঠতে পুরুষের চেষ্টার কোনো দাঁড়ি-কমা নেই। সাজগোজে পরিপাটি থাকতে পা থেকে মাথা পর্যন্ত পুরুষের এই চেষ্টা-চরিত্রের নীরব সাক্ষী আয়না।

এর সামনে দাঁড়িয়ে অনেকে নিজের হাসি মাজা-ঘষা করেন, কেউ আবার চিরুনি চালিয়ে বশ মানান অবাধ্য চুলকে। হাল আমলে অবশ্য ‘স্পাইক’ আর ‘জেল’ বেশ চলছে। নারীদেরও তা ভীষণ পছন্দ। অনেকের আবার পোশাক-পরিচ্ছেদে খুব খেয়াল। কিন্তু বলুন তো, পুরুষের কোন অঙ্গটি নারীদের বেশি পছন্দ?

এ নিয়ে নানাজন দেবেন নানা মত। কেউ বলবেন হাসি, কারও কাছে চুল, কারও আবার মনে হবে পুরুষের পটলচেরা চোখই নারীদের বেশি পছন্দ। তবে অনেকের ভাবনাতেই আসবে না হাতের কথা। অথচ আরও একবার প্রমাণিত হলো, পুরুষের হাত নারীর কাছে অন্যতম আকর্ষণীয় অঙ্গ বলে বিবেচিত। তবে হাতটিকে কিছু যোগ্যতায় পাস করতে হবে অবশ্যই।

পুরুষের হাত বিষয়টি আবারও আলোচনায় আনল টুইটার-জগতে সাম্প্রতিক এক পোস্ট। ‘ডিইই’ নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে একটি হাতের ছবি পোস্ট করে বলা হয়েছিল, ‘নারীদের জন্য, যাঁদের হাত পছন্দ।’ পুরুষ চোখে হাতটিতে তেমন বিশেষত্ব চোখে পড়বে না। হালকা আঁচড়ের দাগ আছে তাতে। এ ছাড়া বিশেষত্ব কিছু নেই। অথচ সেই হাতের ছবিটাই ‘লাইক’ পেয়েছে ২৮ হাজার এবং ‘রি-টুইট’ হয়েছে ৬ হাজার! টুইটারে যাঁদের যাতায়াত নিয়মিত, তাঁরা জানেন, খুব কম টুইট এতটা আলোড়ন ফেলতে পারে।

শুধু নারী নন, এই হাতের মাজেজা বুঝতে তাতে হুমড়ি খেয়ে পড়েছেন অনেক পুরুষও। নিজেদের হাতের ছবি তুলে তাঁরা সেখানে ‘রি-টুইট’ করছেন। উদ্দেশ্য একটাই, আমাদের হাতই-বা কী দোষ করল!

অনেকে ব্যাপারটা বোঝার চেষ্টা করছেন। তাঁদের প্রশ্ন, এক হাত নিয়ে এমন হাতাহাতি হওয়ার জোগাড় কেন? কী আছে পুরুষদের হাতে। সেখানেই অনেকে উত্তর দিয়েছেন, ‘ওঁরা (নারী) ছেলেদের শিরা-উপশিরা বোঝা যায়—এমন হাত পছন্দ করে।’ এক নারীর আবার একটু কাটাছেঁড়া হাত বেশি পছন্দ। তাঁর মন্তব্য, ‘ঠিক জানি না কেন, তবে কাটার দাগটায় আমি শিহরিত।’

বিজ্ঞান কী বলছে? বিজ্ঞানও বলছে, পুরুষদের হাতের প্রতি নারীর দুর্বলতা আছে। বিশেষ করে শিরা-উপশিরা দৃশ্যমান হয়—এমন হাত সত্যিই নারীদের ‌‌‌‌‘শিহরিত’ করে। পুরুষের হাতের প্রতি নারীদের আসক্তি নিয়ে কিন্তু কম গবেষণা হয়নি। হাতের আঙুলগুলোর কথাই ধরুন, ডান হাতের অনামিকা আর তর্জনীর মধ্যে উচ্চতার পার্থক্য নিয়ে গবেষণা করেছে ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়।

তাদের সমীক্ষায় উঠে এসেছে, তর্জনী থেকে অনামিকার উচ্চতা বড় হলে সেই পুরুষ তুলনামূলক বেশি সন্তান প্রজননে সক্ষম হন। তাঁর আইকিউও অন্যদের তুলনা বেশি হয়ে থাকে। এমন সঙ্গীকেই তো নারীরা চাইবেন!

আবার জেনেভা বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক জানিয়েছেন, সবচেয়ে বেশি না হলেও নারীরা পুরুষকে পছন্দ করার ক্ষেত্রে হাতকে বেশ গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। আরও কিছু অঙ্গপ্রত্যঙ্গের ব্যাপারে আড়চোখে নারীরা ঠিকই পরখ করে নেন পুরুষদের।

সূত্র : বিডি নিউজ ওয়েব

Saturday, February 23, 2019

নারী সঙ্গীর মন জয় করার সহজ ৮টি উপায়

February 23, 2019
ছবি: সংগৃহীত

সময়ের সাথে সাথে বেড়ে চলেছে প্রেম করার প্রবণতাও। আর এজন্য প্রয়োজন একজনকে অন্যজনের মন জয় করা। এক্ষেত্রে পুরুষের মন জয় করা যতটা সোজা ততটায় যেন কষ্ট নারীর মন জয় করা। তবে কাজটা কিন্তু মোটেও কঠিন নয়।এজন্য প্রয়োজন কিছু টেকনিক। আজকাল পুরুষেরা নানান বিচিত্র উপায়ে নারীর মন জয়ের চেষ্টা করেন, কিন্তু সত্য কথাটা এই যে কিছু সাধারণ কাজেই যে কোন নারীর মন আজীবনের জন্য জিতে নিতে পারবেন আপনি। হ্যাঁ, এই সাধারণ ভদ্রতা সূচক কাজগুলো আজকাল আর পুরুষেরা করেন না। আর করেন না বলেই নারীদের কাছে সেটা ভীষণ আকর্ষণীয়। জেনে নিন সেই সাধারণ কাজগুলো।

১. দরজাটা খুলে দেয়া
পছন্দের মেয়েটিকে নিয়ে কোথাও বেড়াতে যাচ্ছেন? রেস্তরাঁ কিংবা গাড়ির দরজাটি তার জন্য খুলে ধরুন। এমনকি প্রেমিকা বা স্ত্রী ছাড়াও অন্য মেয়েদের জন্য কাজটি করুন। এটি একজন আদর্শ পুরুষের খুবই সাধারণ ভদ্রতা।

২. তাকে কোথাও উঠতে বা বসতে সাহায্য করা
রিকশায় বা অন্য কোন বাহনে উঠতে সাহায্য করা, কিংবা রেস্তরাঁয় বসার সময় চেয়ারটি টেনে দেয়া। এগুলোও খুবই সাধারণ ভদ্রতা পুরুষের জন্য। আমাদের দেশে এটার চর্চা নেই, কিন্তু পশ্চিমা সমাজে আছে। তাই নারীদের কাছে এটা খুবই আকর্ষণীয়।

৩. রেস্তরাঁয় সঙ্গী নারীটিকেই অর্ডার করতে দেয়া
সাথে যে নারী আছেন, তাকেই প্রথমে অর্ডার করতে দিন। আপনি পরে করুন বা নিজের পছন্দ তার ওপরে চাপিয়ে দেবেন না। স্ত্রী বা প্রেমিকা হলেও না।

৪. মেয়েটির উপস্থিতিতে অন্য কোন নারীর দিকে না তাকানো
মেয়েদের দিকে তাকান কমবেশি সকল পুরুষই। কিন্তু সাথে অপর একজন নারী থাকলে কাজটি মোটেও করবেন না, সম্পূর্ণ মনযোগ তাঁকেই দিন। আর দেখুন, কীভাবে আপনার প্রতি তার ধারণা বদলে যায়!

৫. কপালে চুমু খাওয়া
এই কাজটি একজন নারী যে কি ভীষণ ভালোবাসেন, সেটা জানেন কেবল নারীরাই। কারণ এর মাধ্যমে প্রকাশিত হয় ভালোবাসা, মমতা ও হৃদয়ের উষ্ণতা।

৬. ফুল উপহার দেয়া
নারীরা ভীষণ ভালোবাসেন ফুল উপহার পেতে। রাগ বা অভিমান করলে ফুল তো দেবেনই, বিনা কারণেও তাঁকে কিনে দিন ফুল। ভীষণ খুশি হয়ে উঠবেন। আর সেই ফুল খোঁপায় পরিয়ে দিলে তো কথাই নেই।

৭. হাত ধরে পাশপাশি হাঁটা
ব্যস্ত জীবনে চলার পথে একটু পাশাপাশি হাঁটুন কখনো। আর সেই সময়ে ধরে থাকুন তার হাত। সম্পর্কটি হয়ে উঠবে অটুট।

৮. মেয়েটির পরিবারের সাথে সময় কাটানো
প্রত্যেক নারীই চান স্বামী বা প্রেমিক তার পরিবারকে ভালবাসুক। এই কাজটি যখন আপনি আন্তরিকভাবে করবেন, পছন্দের নারীর মন জিতে নেবেন আজীবনের জন্য।

উপরিউক্ত কাজগুলো যদি ঠিকঠাক মতো করতে পারেন তাহলে পছন্দের নারীর মন পেতে পারেন নিমিষেই। আর এই কাজগুলো যদি নিয়মিত চালিয়ে যেতে পারেন তাহলে আপনি যেমন সুখী থাকবেন তেমনি খুশি থাকবে আপনার পছন্দের মানুষটি।

সূত্র : বিডি নিউজ ওয়েব

Friday, February 22, 2019

নারীর ‘চুড়ান্ত যৌনসুখানুভুতি’র রহস্য প্রকাশ

February 22, 2019
ছবি: সংগৃহীত

ফিমেল অরগাজম বা নারীর চুড়ান্ত যৌন সুখানুভুতির বিষয়টি এতোদিন বিজ্ঞানীদেরকে হতবুদ্ধি করে রেখেছিল। অবশেষে সম্প্রতি গবেষকরা দাবি করেছেন, তারা হয়তো নারীর চুড়ান্ত যৌন সুখানুভুতির বিবর্তনীয় শেকড় খুঁজে পেয়েছেন।

গর্ভধারণের জন্য নারীদের চুড়ান্ত যৌন সুখানুভুতির অভিজ্ঞতা লাভ জরুরি নয়। আর তাছাড়া শুধু যৌন মিলনের সময়েই যে নারীরা এই অভিজ্ঞতা লাভ করেন তাও নয়। ফলে বিষয়টি এতোদিন বিজ্ঞানীদেরকে হতবুদ্ধি করেই রেখেছিল।

তবে যুক্তরাষ্ট্রের বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি এর রহস্য উদঘাটনের ঘোষণা দিয়েছেন। তাদের মতে নারীদের চুড়ান্ত যৌন সুখানুভুতি মূলত আমাদের বিবর্তনীয় অতীত থেকে এসেছে। আর এর অনুষঙ্গ হিসেবে নারী দেহে যে হরমোনগত জোয়ার আসে তা সন্তান উৎপাদনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে।

গবেষণাটির সহরচয়িতা সিনসিনাটি চিলড্রেনস হসপিটালের চিকিৎসক, মেহায়েলা পাভলিসেভ বলেন, “একটি বিষয় জোর দিয়ে বলা দরকার যে, আজকের মানবীদের মধ্যে চুড়ান্ত যৌন সুখানুভুতির যে রূপ দেখা যায় তা আগেও একই রকম ছিল সেটা ভাবা ঠিক নয়। আমাদের ধারণা সন্তান উৎপাদনের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করার জন্য নারীদেহে হরমোনগত যে জোয়ার আসে সেটিই আগে এই চুড়ান্ত যৌনসুখানুভুতির কেন্দ্রে ছিল।

আর সেটিই পরবর্তীতে মানবীদের মধ্যে বিবর্তনের মাধ্যমে আরো পরিবর্তিত রুপ নিয়ে হয়ে হাজির হয়।”জেইজেড মলকিউলার অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টাল ইভোলিউশন নামের জার্নালে প্রকাশিত গবেষণা নিবন্ধে পাভলিসেভ এবং ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের গুন্টার ওয়েগনার নারীদের চুড়ান্ত যৌন সুখানুভুতির রহস্য উদঘাটনে বিভিন্ন স্তন্যপায়ী প্রাণির উপর চালানো গবেষণার বিবরণ দিয়েছেন।

চুড়ান্ত যৌন সুখানুভুতির আনুষঙ্গিক ঘটনা নারীদেহের হরমোনগত জোয়ারের উপর ভিত্তি করে তারা স্তন্যপায়ী প্রাণিদের অ্যানাটমি ও আচরণগত বিশ্লেষণের মাধ্যমে এর রহস্য উদঘাটন করেছেন তারা। বিড়াল ও ইদুরের মতো স্তন্যপায়ী জীবদের মধ্যে হরমোনগত এই জোয়ার শুধু যৌন মিলনের সময়ই দেখা যায়। যা ডিম্বাশয় থেকে ডিম্বানু নিঃসরণের জন্য সংকেত পাঠানোর ক্ষেত্রে প্রধান ভুমিকা পালন করে।কিন্তু বর্তমানে মানুষসহ অন্যান্য সমজাতীয় স্তন্যপায়ী প্রাণীদের ক্ষেত্রে নারীদেহের ডিম্বাশয় থেকে ডিম্বানু নিঃসরণের ঘটনাটি স্বয়ংক্রিয়ভাবেই ঘটে থাকে।

এর জন্য চুড়ান্ত যৌনসুখানুভুতির মাধ্যমে সন্তান উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় হরমোনগত জোয়ার সৃষ্টি করে সংকেত পাঠানোর আর কোনো দরকার হয় না।এই গবেষণা থেকে প্রমাণিত হয়, নারী-পুরুষের যৌন মিলনের সময় নারীরা চুড়ান্ত যৌন সুখানুভুতির অভিজ্ঞতা লাভের মধ্য দিয়ে তাদের ডিম্বাশয়ে সংকেত পাঠানোর মাধ্যমে ডিম্বানু নিঃসরণের যে ঘটনা ঘটাতো তা বিবর্তনের একধাপ আগে সত্য ছিল।

সম্ভবত আজ থেকে প্রায় সাড়ে ৭ কোটি বছর আগেই মানুষ ও তার সমগোত্রীয় স্তন্যপায়ী প্রজাতির প্রাণিদের নারী দেহের ডিম্বাশয় থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ডিম্বানু নিঃসরণ প্রক্রিয়া চালু হয়।এই গবেষণা থেকে এও প্রমাণিত হয় যে, আগে মানব প্রজাতির নারী-পুরুষের যৌন মিলনের সময়ও নারীরা চুড়ান্ত যৌন সুখানুভুতির অভিজ্ঞতা লাভের মাধ্যমেই তাদের ডিম্বাশয়ে ডিম্বানু নিঃসরণের জন্য সংকেত পাঠাতো।কিন্তু সাড়ে ৭ কোটি বছর আগে মানবীদের দেহের ডিম্বাশয় থেকে ডিম্বানু নিঃসরণের স্বয়ংক্রিয় প্রক্রিয়া চালু হওয়ার পর থেকে ডিম্বানু নিঃসরণে চুড়ান্ত যৌন সুখানুভুতির আর কোনো ভুমিকাই রইলো না।

এরপর নারীদের চুড়ান্ত যৌন সুখানুভুতির অভিজ্ঞতা সম্ভবত অন্য কোনো কাজে নিয়োজিত হয়। পাভলিসেভ বলেন, “ডিম্বাশয় থেকে ডিম্বানু নিঃসরণের জন্য সংকেত পাঠানোর কাজে ভুমিকা হারানোর পর থেকে নারীদের চুড়ান্ত যৌনসুখানুভুতির অভিজ্ঞতা নারী-পুরুষের বন্ধন শক্তিশালি করার মতো আচরণ সৃষ্টি বা তেমনই কোনো ক্ষেত্রে হয়তো গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করছে। সুতরাং আমরা বলতে পারিনা যে ফিমেল অর্গাজম পুরোপুরিভাবে মানব প্রজাতির পুনরুৎপাদন থেকে ভিন্ন কোনো ভুমিকায় সহযোজিত হয়েছে। কেননা, নারী-পুরুষের বন্ধন শক্তিশালি করার কাজও প্রজাতির পুনরুৎপাদন সংশ্লিষ্ট কাজ বটে। গবেষকরা বলেছেন, এই তত্ত্বের পক্ষে বিভিন্ন প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণিদের জননাঙ্গে ভগাঙ্কুরের অবস্থানের একটি তুলনামূলক চিত্র হাজির করা হয়।

ভগাঙ্কুরই চুড়ান্ত যৌনসুখানুভুতির অভিজ্ঞতা লাভের প্রধান মাধ্যম। যেসব প্রজাতির নারী সদস্যরা তাদের ডিম্বাশয় থেকে ডিম্বানু নিঃসরণের জন্য যৌন মিলনের সময় চুড়ান্ত যৌন সুখানুভুতি এবং হরমোনগত জোয়ারের ওপরই নির্ভরশীল তাদের জননাঙ্গের যোনিপথের সম্মুখভাগেই এই ভগাঙ্কুরের অবস্থান থাকে।যাতে যৌন মিলনের সময় সহজেই এতে ঘর্ষণের মাধ্যমে উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়। কিন্তু যে প্রজাতির নারী সদস্যরা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই ডিম্বাশয় থেকে ডিম্বানু নিঃসরণ করে তাদের জননাঙ্গের যোনিপথ থেকে এই ভগাঙ্কুরের অবস্থান অনেক দূরে থাকে।

পাভলিসেভ বলেন, এ থেকে “বেশিরভাগ মানবীই কেন যৌন মিলনের সময় চুড়ান্ত যৌন সুখানুভুতির অভিজ্ঞতা লাভ করেন না তারও একটি ব্যাখ্যা মিলবে। মানব প্রজাতির নারী সদস্যদের জননাঙ্গের যোনিপথ থেকে ভগাঙ্কুরের অবস্থান দূরে হওয়ার কারণেই সঙ্গমের সময় তাদের চুড়ান্ত যৌন সুখানুভুতির অভিজ্ঞতা লাভ না করাই স্বাভাবিক।”

দ্য কেস অফ দ্য ফিমেল অরগাজম বইয়ের লেখক ইন্ডিয়ানা বিশ্ববিদ্যালয়ের জীব বিজ্ঞানের অধ্যাপক এলিজাবেথ লয়েড বলেন, “নারীদের চুড়ান্ত যৌন সুখানুভুতি এখন আর শুধু ইন্দ্রিয় সুখানুভুতি সৃষ্টি করা ছাড়া সন্তান উৎপাদনের ক্ষেত্রে কোনো ভুমিকাই পালন করছে না। তার মানে এই নয় এটি এখন গুরুত্বপূর্ণ নয়। বরং এটি শুধু এখন আর প্রজাতির বিবর্তনে কোনো ভুমিকা পালন করছে না।”তবে নারী পুরুষের বন্ধন আরো শক্তিশালি বা ঘনিষ্ঠ করার ক্ষেত্রে এর ভুমিকা রয়েছে বলে অন্যান্য গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে।
সূত্র : বিডি অনলাইন নিউস ২৪।

Thursday, February 14, 2019

বিয়ের পর মেয়েদের যে সব শারীরিক পরিবর্তন হয়

February 14, 2019
ছবি: সংগৃহীত

বিয়ের কিছুদিন পরেই দেখা যায়, অনেক মেয়ের স্তন ও কোমড় মোটা হয়ে গেছে। এ নিয়ে নানা ধরণের কথা বিভিন্ন সমাজে প্রচলিত আছে। অবিবাহিতদের তুলনায় দম্পতিরা সাধারণত স্বাস্থ্যকর খাবার বেশি খেয়ে থাকেন। তার কারণে স্তন ও কোমড় মোটা হয়ে যায়।

“দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্কে জড়িত মেয়েরা অনেক সচেতনতার সঙ্গে আরও স্বাস্থ্যকরভাবে খাওয়া-দাওয়া করে থাকেন।” তবে তার মানে এই নয় যে তারা সুস্বাস্থ্যের অধিকারী নয়।

অবিবাহিতদের তুলনায় বিবাহিতা মেয়েরা শারীরিক পরিশ্রম কম করে থাকেন। দম্পতিদের বিএমআই’য়ের মাত্রা অবিবাহিতদের তুলনায় বেশি, নারী-পুরুষ উভয়েরই।

“সামাজিক ও শারীরিক বিষয়গুলো স্তনের উপর উপর প্রভাব ফেলতে পারে। আর বিয়ে এবং আনুষঙ্গিক পরিবর্তনগুলো শারীরিক পুষ্টি এবং ওজনের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কযুক্ত।”

বিবাহিত দম্পতিদের পাশাপাশি অবিবাহিত দম্পতিদের নিয়েও বাড়তি গবেষণা করেছেন গবেষকরা।“বাস্তবে দম্পতিরা সবক্ষেত্রে ততটা স্বাস্থ্যকর মিলন করেন না, যতটা মনে করা হয়।

Wednesday, February 13, 2019

নারীরা বিবাহিত পুরুষদের প্রতি দুর্বল হয় কেন?

February 13, 2019
ছবি: সংগৃহীত

জেনে শুনে অন্যের সংসার ভাঙতে চাননা কেউই। তবে কখনো কখনো পুরো ব্যাপারটা সবার হাতে থাকেনা। কারণ মোহ অতি বিষম বস্তু। একবার কারোর প্রতি চলে গেলে চাইলেও তাকে বাগে আনা যায়না। ফলে শুরু হয় মানসিক অশান্তি এবং জীবনে নেমে আসে নানা অসুবিধা। তাই আগে থেকেই সাবধান হোন এইভাবে:-

আকর্ষণ বা মোহ সহজাত প্রবৃত্তি থেকে আসে। অপরিচিত বা অল্প পরিচিত বা পরিচিত বিবাহিত পুরুষের প্রতি আপনার ভালোলাগা জন্মাতেই পারে। কিন্তু মনের এ আবেগকে মোটেও বেশি পাত্তা দেবেন না। আপনার জন্য কেউ না কেউ আছেন যার দেখা এখনো মেলেনি। তার দেখা পেলেই বর্তমানের ভালোলাগা চলে যাবে।

হতে পারে পুরুষটি একদমই আপনার মনের মতন। কিন্তু ওই মানুষটি আপনার জন্য নন, তিনি অন্য কারোর। কাজেই আপনার একচেটিয়া ভালোবাসায় তার কাছ থেকে আপনি কিছুই পাবেন না। কাজেই যে একা মানুষটি আপনার জন্য অপেক্ষা করছেন তার কাছ থেকে অন্তত ভালোবাসার প্রতিদান পাবেন আপনি।

বহু মানুষ আছেন যারা বিয়ের পরও আগের জীবনের প্রেম-ভালোবাসা বরাবরের মতোই চালিয়ে যান। এসব ক্ষেত্রে তারা স্ত্রীর কাছে আদর্শ স্বামী সেজে থাকেন, ওদিকে অন্য নারীর কাছে অসুখী বিবাহিত জীবনের নানা গল্প ফেঁদে আপনার দুর্বল মানসিকতার সুযোগ নেবে। কিন্তু দেখবেন, তার প্রতি আপনার ভালোবাসা তাকে বিবাহিত জীবন থেকে ফিরিয়ে আনবে না।

কাজেই এ পরিস্থিতিতে মাথা ঠাণ্ডা রেখে তার কাজ-কারবার খেয়াল করুন। বরং ভেবে দেখুন, যে নারী এই পুরষটিকে বিয়ে করেছেন, তিনি কতোটা ঠকছেন এবং সৌভাগ্যের বিষয় সেই নারীটি আপনি নন।

আপনাকে মানসিকভাবে দুর্বল করতে তার নানা প্রেমময় মেসেজ, খুনসুটি, বেড়াতে নিয়ে যাওয়া বা গিফট করা ইত্যাদি কাজে দুর্বল হবেন না। এসবে গুরুত্ব দিয়ে তার সুযোগ আরো বেড়ে যাবে। ভেবে দেখুন, আপনার পছন্দের বিবাহিত পুরুষটি এমন এক মানুষ যে কিনা তার স্ত্রীর সঙ্গে অনবরত প্রতারণা করে যাচ্ছে। ওই পুরুষ যদি ব্যক্তিত্ববান হন, তবে দেখবেন তিনি আপনার এই আচরণের প্রতিবাদ করছেন না এবং তিনি সরে যাবেন। কিন্তু যদি না করেন, তবে বুঝবেন আপনাকে তার শিকার বানানোর প্রক্রিয়া চলছে।

মনে রাখবেন যে মানুষ একজনের হতে পারেনা সে কারোরই হতে পারেনা। সুতরাং যে নিজের বউএর সাথে প্রতারণা করছে সে যে আপনার সাথে একই কাজ করবেনা এর গ্যারান্টি কেউ দিতে পারেনা।

বিবাহিত কোনো পুরুষের প্রতি প্রেম জন্মানোটা অপরাধ নয়। তার ওষুধ আপনাকে ওপরের টিপসগুলোতে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু যদি এমন হয় যে, একের পর এক বিবাহিত পুরুষের প্রতি আকর্ষণ বোধ করেন আপনি, তবে নিজেকে নিয়ে চিন্তার বিষয় রয়েছে। এ ক্ষেত্রে নির্জনে নিজের বিবেকের সঙ্গে কথা বলুন।

এমন কেনো হয় আপনার? দুই একাকী নর-নারী পরস্পরের প্রতি ভালোবাসা, দায়িত্বশীলতা এবং সততা নিয়ে জুটি গড়ে। আপনি কী এই দায়িত্বশীলতা এবং সততার ঝামেলা থেকে দূরে থাকতে চান? তাই বিবাহিত পুরুষকেই নিরাপদ মনে হয়? যদি এমনই হয়, তবে নিজেকে নিজের কাছে পরিষ্কার করে নেওয়াটা জরুরি।

সত্‍, দায়িত্বশীল এবং অঙ্গীকারবদ্ধ সম্পর্ক আপনাকে সেই আবেগ-অনুভূতি দিবে যার জন্য আপনি সম্পর্কে জড়ান।

শারীরিক মিলনে উত্তেজনার চারটি ধারা

February 13, 2019
ছবি: সংগৃহীত

স্বামী  ও  স্ত্রী  যখন দৈহিক মিলনে উপনিত হয়, তখন উভয়ের শরীরে দৈহিক উত্তেজনা চলে আসে । নারী এবং পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রেই এই উত্তেজনার চারটি ধারা হলো-

১. উত্তেজনার ধারা।
২. শারীরিক মিলনের ধারা।
৩. চরমপুলকের ধারা।
৪. শিথিলতার ধারা।

উত্তেজনার স্তরে পুরুষ এবং নারী একে অন্যের স্পর্শে বা আদরে উত্তেজিত হতে পারে। উত্তেজনার ধারাটি ধারা সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ শারীরিক মিলন আনন্দ পাবার ক্ষেত্রে। যদি কেউ শারীরিক মিলনের আগে পূর্ণাঙ্গ উত্তেজিত না হয় তবে শারীরিক মিলনে  চরমপুলক সে পুরোপুরি পায় না। এজন্য উত্তেজিত হবার দরকার আছে। নারীর সাধারণত পিরিয়ড চলাকালীন সময়ে শারীরিক মিলন পছন্দ করে। কেননা এই সময়ে শরীর অবসন্ন থাকে এবং নারীর স্তন শারীরিক মিলনকাতর হয়ে উঠতে পারে। স্বাভাবিক ভাবে শারীরিক মিলনের ক্ষেত্রে পুরুষ এবং নারী উভয়ের শারীরিক মিলনের উত্তেজনার মাত্রা বাড়তে থাকলে এক সময় উভয়েই চূড়ান্ত মিলন আশা করে।

নারীর নিতম্ব, স্তন, স্তনবৃন্ত এবং যৌনাঙ্গ  মিলনের আনন্দে উত্তেজিত হয়ে উঠে। এই পর্যায়ে পুরুষের লিঙ্গ দৃঢ় হয় এবং লিঙ্গ শারীরিক মিলনের জন্য উন্মুখ হয়ে উঠে। জেনে রাখা ভালো যে কোনো কোনো নারী শারীরিক মিলনের আগে উত্তেজনার স্তরেই তার শারীরিক মিলনি থেকে তরলের ক্ষরণ হতে পারে। এটা নারী যে উত্তেজিত তার প্রমাণ এবং এটি শারীরিক মিলনিকে পিচ্ছিল করে তোলে, যাতে করে লিঙ্গ চালনা সহজ হয়।

পুরুষের লিঙ্গের মাথাতেও এই সময় সাদাটে পানির মতো পদার্থ বের হতে দেখা যায়। এ থেকে বোঝা যায় যে পুরুষ শারীরিক মিলনের উত্তেজনার চরমে উঠেছে এবং এ পর্যায়ে পুরুষও নারী চূড়ন্ত শারীরিক মিলনের জন্য প্রস্তুত পুরুষের লিঙ্গ নারীর যৌনাঙ্গের  ভেতর চালনার ফলে নারীর শারীরিক মিলন আনন্দ ঘনিভূত হয় এবং এই পর্যায়ে পুরুষের র্বীযপাত হবার সম্ভাবনা দেখা দেয়। পুরুষ মোটামুটি ভাবে নারীর যৌনাঙ্গে  অর্থাৎ প্রবেশের পর থেকেই শারীরিক মিলন আনন্দ পায়।

প্রথম প্রথম শারীরিক মিলনের সময় নারীর গোপনাঙ্গে ব্যথার সৃষ্টি হলেও পরে অবশ্য তা এমনিতেই কেটে যেতে পারে। শারীরিক মিলন যখন চলতে থাকে তখন উভয়েরই শারীরিক এবং মানসিক অবস্থা চূড়ান্ত উত্তেজিত পর্যায়ে পোঁছে যায়। এই সময়ে নারীর এবং পুরুষের শ্বাস-প্রশ্বাস দ্রুত এবং রক্ত চলাচলের গতি বেড়ে যায়। এরপর চরমপুলকের ধারায় পুরুষ এবং নারী শারীরিক মিলন আনন্দ পায়। পুরুষের মতো নারীর বীর্যপাত না হলেও তার জননাঙ্গর ভেতরে তরলের ক্ষরণ হয়। পুরুষের বীর্যপাত ঘটলে তার চরমপুলক এসে যায়। কোনো কোনো নারী একবার শারীরিক মিলনেই কয়েকবার শারীরিক মিলন আনন্দ লাভ করে। একে মাল্টিপোল অর্গাজম বলে।

কিন্তু পুরুষের ক্ষেত্রে এ রকম ঘটতে দেখা যায়  কম। পুরুষের বীর্যপাত হলে তার লিঙ্গ শিথিল হয়ে পড়ে এবং নারীর জননাঙ্গ ধীরে ধীরে শুষ্ক হয়ে উঠতে থাকে। এই পর্যায়ে শিথিল ধারায় আবির্ভাব ঘটে। অর্থাৎ পুরুষ এবং নারী উভয়ের দেহই শিখিল হয়ে পড়ে। কেননা শারীরিক মিলনের সময় যে শারীরিক এবং মানসিক গতির সঞ্জার হয় তা ধীরে ধীরে কমে আসে এবং সেই সাথে হৃদপিন্ডের ক্রিয়া ও শ্বাস-প্রশ্বাসের গতি স্বাভাবিক হয়।

চরমপুলকের পরে পুরুষ এবং নারীর দৈহিক শিখিলতা অবস্থা শারীরবৃত্তীয় স্বাভাবিক কারণেই সংঘটিত হয়। পুরুষ এবং নারী শিথিল অবস্থার পরবর্তী সময়ে আবার শারীরিক মিলনের জন্য উত্তেজিত হয়ে উঠতে পারে । নারীর ক্ষেত্রে শারীরিক মিলনের আনন্দ কোনো কোনো সময় খুব বেশি কাঙিত আবার কোনো কোনো সময় ততোটা কাঙিত হয় না। পুরুষের ক্ষেত্রে অবশ্য কোনো শারীরিক এবং মানসিক চাপ না থাকলে পুরুষের শারীরিক মিলন উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়।

Tuesday, February 12, 2019

কুমিরের সঙ্গে যৌনমিলন? মুহূর্তেই তা ভাইরাল

February 12, 2019
ছবি: সংগৃহীত

কুমিরের সঙ্গে যৌনমিলন?এমনও হয়?হ্যাঁ ঠিক এমনটাই করে বসলেন এক অস্ট্রেলিয় যুবক।পরিণাম ?যা হবার ছিল তাই ,কুমিরটি যুবকের দেহ কামড়ে দেয়।এই খবর প্রকাশিত হয় অস্ট্রেলিয়ার নিউজ পোর্টাল Cairns Times-এ ও মুহূর্তেই তা ভাইরাল হয়ে যায় ।

প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, অস্ট্রেলিয়ার ক্লিফ্টন সৈকতে বসে কয়েকজন যুবক নিষিদ্ধ মাদক ‘ICE’ সেবন করছিলেন ।হটাৎই তাদের মধ্যে এক ২৬ বছর বয়সী যুবক মাদকের প্রভাবে নেশাগ্রস্হ হয়ে পোশাক খুলে জলের দিকে এগিয়ে যান ।

সে সময় সৈকতে শুয়ে ছিল একটি কুমির । তখনই নাকি কুমিরের সঙ্গে যৌন সঙ্গমে লিপ্ত হতে যান ঐ যুবক ।কুমিরটিও যুবকের দেহে কামড় দিয়ে সমুদ্রে নেমে যায় ,তারপর থেকেই নিরুদ্দেশ ঐ যুবক। সঙ্গীদের বক্তব্য অনুযায়ী ওই যুবক এর আগেও নাকি মাদকের প্রভাবে অসংলগ্ন আচরণ করেছে ।ব্যাপারটি ভাইরাল হলেও এখনো সত্যতা পাওয়া যায়নি ।

Monday, February 11, 2019

স্ত’নের প্রতি কেন আকৃষ্ট হন পুরুষরা, জানুন ১০ টি রহস্যময় কারন…

February 11, 2019
ছবি: সংগৃহীত

নারী শরীর হল রহস্যময়। সব পুরুষই নারী শরীর স্পর্শ করার জন্য সঠিক সময়ের অপেক্ষা করে থাকে। নারী শরীরের উপর পুরুষদের এক আলাদাই আকর্ষন। নারীদের শরীরের মধ্যে সুডৌল স্ত’নের প্রতি আকৃষ্ট হয় না এমন পুরুষ খুঁজলেও পাওয়া যাবে না। শুধু পুরুষ নয় মহিলারাও নিজেদের স্ত’ন নিয়ে খুব গর্ব করে। স্ত’নের আকৃতি ও গঠন নিয়ে মহিলারা খুব চিন্তায় থাকে।

স্তন আকারে ছোট হলে বা আকার ঠিক না থাকলে, ঝুলে গেলে মহিলারা অতিরিক্ত চিন্তায় পড়ে যায়। কিন্তু কেন ? কেন স্ত’নের প্রতি এত আকর্ষন ? বিশেষজ্ঞদের মতে এর পিছনে কিছু কারন রয়েছে, সেগুলি জেনে নেওয়া যাক।

১। প্রথম কারন হল মেয়েদের স্ত’ন সুগঠিত হলে দেখতে অত্যন্ত সুন্দর হয়। সে যেমন আকৃতিরি হোক না কেন। পুরুষেরা তা দেখে আকৃষ্ট হবেই। সুন্দর স্ত’ন মহিলাদের এক আলাদাই ব্যক্তিত্ব এনে দেয়। একটা মেয়ের দিকে তাকিয়ে তার স্ত’নের দিকে চোখ আটকে যায় প্রতিটা পুরুষের। একথা শুনতে খারাপ লাগলেও কথটা ১০০% সত্যি।

২। স্ত’ন হল নারীত্বের প্রতীক। স্ত’ন পুরুষ ও নারীর শরীরের মধ্যে পার্থক্য তৈরি করে। নাহলে বাইরে থেকে নারি পুরুষের পার্থক্য করা সম্ভব নয়। নারীর বক্ষযুগলের বিভাজিকা তাদের কাছে গর্ব। অনেক মহিলা সেইজন্য ক্লিভেজ দেখা যায় এমন পোশাক পরেন।

৩। নারীদের স্ত’নের প্রতি আকর্ষন আজ থেকে নয়। আদি কাল থেকেই নারীর সুগঠিত স্ত’ন দেখে পুরুষদের মনে ও শরীরে কামনার প্রবল ইচ্ছা জেগে ওঠে। এর পিছনে একটি মানসিক কারনও আছে। সেটি হল সন্তান জন্ম দানে সক্ষম ও উর্বর মহিলাদের স্ত’ন সুন্দর হয়। তাই পুরুষেরা জীবনসঙ্গী হিসাবে সুন্দর ও সুডৌল স্ত’নের মহিলাদেরই বেছে নেন।

৪। নারীদের শরীরের কিছু অংশ পোশাকের বাইরে থেকেও বোঝা যায়। বিশেষ করে স্ত’নের আকার তো বোঝাই যায়। তেমন গঠন হলে পুরুষদের চোখ সেদিকে আটকে যায়। চোখে দেখে মনে বা শরীরে যে কামনার আগুন জ্বলে তাকে বলা হয় ‘ভিসুয়াল স্টিমুলেশন’।

৫। নারীর অন্দরমহলে প্রবেশের রাস্তা হল তার স্ত’ন। সঙ্গমের আগে স্ত’ন ছুঁয়ে নারী ও পুরুষ উভয়ের মনেই কাম উত্তেজনা জাগে। ধীরে ধীরে কামের আগুন ছরিয়ে পড়ে সারা শরীরে। মিলনের আগে ফোর-প্লে তে স্ত’নের ভূমিকা অস্বীকার করা যায়না।

৬। সম্পর্ক যতই পুরনো হোক না কেন, নিজের সঙ্গিনীর স্ত’নের প্রতি আকর্ষন কখনোই যায়না পুরুষের। পুরুষেরা সারাদিন কর্মব্যাস্ততার পর স্ত্রীর স্ত’নে নিজের শান্তি খুজে পায়। স্ত’নে মাথা রেখে শুয়ে শান্তির খোজ করতে ভালোবাসে পুরুষেরা। গবেষণা বলে যে সব পুরুষ স্ত’নে মাথা রেখে ঘুমান তাড়া সুস্থ থাকেন, বেশিদিন বাঁচেন।

৭। স্ত’নের গঠন ইলাস্টিসিটির জন্য নারীদের স্ত’ন ছুঁয়ে দেখতে চায় পুরুষ। এখানে বিশেষজ্ঞরা একটি মনস্তাত্ত্বিক যুক্তির কথা বলেন। তারা বলেন যে সব পুরুষ নিজের স্ত্রী বা প্রেমিকার স্ত’ন খুব যত্নের সঙ্গে ছুঁয়ে দেখেন তারা স্ত্রীর প্রতি খুব দায়ীত্বশীল হন।

৮। স্ত’নযুগল নারী শরীরের অন্যতম রহস্যময় স্থান। যখনই পুরুষের চোখ স্ত’নের দিকে যায় তখনই মহিলারা পোশাকের নীচে স্ত’নের আসল আকৃতি নিয়ে ভাবতে শুরু করে দেয়। সেই স্ত’নের রহস্যভেদ না হওয়া পর্যন্ত সেই চিন্তা তাড়া করে।

৯। ক্লিভেজ ছাড়া স্ত’নের আসল মজা নেই। যে মহিলাদের পোশাকের বাইরে ক্লিভেজ দেখা যায় তাদের প্রতি বেশি আকর্ষিত হয় পুরুষেরা।

১০। নারীরাও নিজেদের স্ত’ন নিয়ে যথেষ্ট সচেতন। অন্তর্বাস পড়ার সময় মহিলারা খুব খুঁতখুঁতে হয়। তারা পোশাক পড়ার সময় বার বার আয়নায় নিজেদের মুখ দেখে। শুধু মুখ নয়, তারা স্ত’নও দেখে। দেখে যে স্ত’নের সাইজ কেমন লাগছে বা আগের থেকে কত বৃদ্ধি হয়েছে। সব মহিলাই চায় সুগঠিত সুন্দর স্ত’ন।

Wednesday, February 6, 2019

নিম্নাঙ্গে নয়, ঊর্ধ্বাঙ্গেই চরম শরীরী সুখের হদিশ দিতে ৬টি উপায় এখন শিরোনামে

February 06, 2019
ছবি : সংগৃহীত

মানব শরীরে কি সুখস্থান কেবল নিম্নাঙ্গেই? বাৎস্যায়ন জানিয়েছেন, শরীরী সুখের হদিশ লুকিয়ে রয়েছে দেহের সর্বত্র। কিন্তু সেই সন্ধান জানে খুব কম মানুষই। পশ্চিমি বিশ্বে এই সুখ-সন্ধান নিয়ে চলছে নিরন্তর গবেষণা। প্রথাগত যৌনতা থেকে বেরিয়ে সুখের নতুন দিগন্ত উন্মোচন নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন বিজ্ঞানী থেকে শুরু করে সেক্স টয়ের কোম্পানিগুলির কর্তারা পর্যন্ত।

এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে জানা গিয়েছে, ইউরোপ ও মার্কিন মুলুকের বাজার ছেয়ে গিয়েছে এমন কিছু সেক্স টয়-এ, যার সঙ্গে তেমন পরিচিতি ছিল না গ্রাহকদের। সেক্স টয় প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলি জানাচ্ছে, নিম্নাঙ্গে নয়, মানব-ঊর্ধ্বাঙ্গেই চরমতম শরীরী অনুভূতি জাগাতে তারা বের করেছে বিবিধ ‘খেলনা’। এই শরীরী সুখ স্তনবৃন্ত-কেন্দ্রিক। তাই একে ‘অরগ্যাজম’ না বলে ‘নিপলগ্যাজম’ বলাই শ্রেয়, এমনটাই মত প্রস্তুতকর্তাদের।

এই জাতীয় সেক্স টয়ের ব্যবহার যে আগে ছিল না, এমন নয়। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ‘রিফাইনারিটোয়েন্টি ডট কম’ থেকে জানা যাচ্ছে, ২০১১ সালেই এক সমীক্ষায় বিজ্ঞানীরা দেখেছিলেন, স্ত্রী-পুরুষ উভয়েরই স্তনবৃন্ত এক বিশেষ সুখস্থান। সেখান থেকেও চরম রতিসুখ লাভ হতে পারে। এই সমীক্ষা মার্কিন ন্যাশনাল লাইব্রেরি অফ মেডিসিন-এর জার্নালেও প্রকাশিত হয়। বিজ্ঞানীরা দেখান যে, স্তনবৃ্ন্তের বিশেষ শৃঙ্গার মস্তিষ্কের এমন কিছু অংশকে সক্রিয় করে তোলে, যা অন্য উপায়ে ততটা সম্ভব নয়। এই ক্রিয়াই ‘নিপলগ্যাজম’। 

‘নিপলগ্যাজম’-কে গ্রাহকদের ‘হাতের মুঠোয়’ তুলে দিতে ৬ রকমের সেক্স টয় বাজারে লভ্য হয়েছে সম্প্রতি। এগুলি যথাক্রমে— নিপল সাকার, ক্ল্যাম্প, পেন্ড্যান্ট, নিপল বাম, নিপল ম্যাগনেট ও ফিঙ্গার টিজার। এদের বিশদ ব্যবহার নিয়েও প্রচার চালাচ্ছে উৎপাদনকারী সংস্থাগুলি।