Sunday, March 10, 2019
অপ্রতিরোধ্য মেসি, রেকর্ড জয় বার্সেলোনার
March 10, 2019
|
ন্যূ ক্যাম্পে অনুষ্ঠিত শনিবারের ম্যাচে রাউল দে তমাসের গোলে পিছিয়ে পড়া বার্সেলোনা জেরার্দ পিকের হেডে সমতায় ফেরে। পেনাল্টি গোলে দলকে এগিয়ে দেন মেসি। আর শেষ দিকে ব্যবধান বাড়ান লুইস সুয়ারেস।
ম্যাচের শুরু থেকে বল দখলে একচেটিয়া এগিয়ে থাকা বার্সেলোনা ২৩তম মিনিটে প্রথম উল্লেখযোগ্য সুযোগ পায়। কিন্তু ডি-বক্সে মেসির ছোট পাস ফাঁকায় পেয়ে গোলরক্ষক বরাবর দুর্বল শট নেন ফিলিপে কৌতিনিয়ো।
পাল্টা আক্রমণে পরের মিনিটে রাউল দে তমাসের দারুণ এক গোলে এগিয়ে যায় অতিথিরা। বল পায়ে অনেকটা ছুটে গিয়ে পিকেকে কাটিয়ে আরেক ডিফেন্ডারকে কোনো সুযোগ না দিয়ে ডি-বক্সের বাইরে থেকে জোরালো শটে পোস্ট ঘেঁষে বল জালে জড়ান স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড। চলতি মৌসুমে লিগে এটা তার একাদশ গোল।
৩৮তম মিনিটে গোলের অপেক্ষা শেষ হয় বার্সেলোনার। ডান দিক থেকে মেসির বাঁকানো এক ফ্রি-কিকে ফাঁকায় বল পেয়ে নিখুঁত হেডে গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন স্প্যানিশ ডিফেন্ডার পিকে।
দুই মিনিট পর নিজেই ব্যবধান দ্বিগুণ করার সুযোগ তৈরি করেছিলেন মেসি। কিন্তু দুজনকে কাটিয়ে ডি-বক্সে ঢুকে ঠিকমতো শট নিতে পারেননি আর্জেন্টাইন তারকা।
দ্বিতীয়ার্ধের ষষ্ঠ মিনিটে মেসির সফল স্পট কিকে এগিয়ে যায় বার্সেলোনা। পর্তুগিজ ডিফেন্ডার নেলসন সেমেদো ডি-বক্সে ফাউলের শিকার হলে ভিএআরের সাহায্য নিয়ে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি।
চলতি লিগে বার্সেলোনা অধিনায়কের এটি সর্বোচ্চ ২৬তম গোল। আসরে সতীর্থদের দিয়ে গোল করানোর তালিকাতেও সবার উপরে মেসি, ১২টি।
বার্সেলোনার হয়ে লিগে সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলার তালিকায় আন্দ্রেস ইনিয়েস্তাকে (৪৪২) ছাড়িয়ে গেলেন মেসি। ৪৪৩ ম্যাচ খেলা তারকা এই ফরোয়ার্ডের সামনে আছেন কেবল চাভি (৫০৫)।
৮২তম মিনিটে উসমান দেম্বেলের বাড়ানো বল ধরে খানিক আগে বদলি নামা ইভান রাকিতিচের সঙ্গে ডি-বক্সে একবার দেওয়া-নেওয়া করে প্লেসিং শটে স্কোরলাইন ৩-১ করেন সুয়ারেস। আসরে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা সুয়ারেসের এটি ১৭তম গোল।
২৭ ম্যাচে ১৯ জয় ও ছয় ড্রয়ে বার্সেলোনার পয়েন্ট ৬৩।
দিনের অন্য ম্যাচে লেগানেসকে ১-০ গোলে হারানো আতলেতিকো মাদ্রিদ ৫৬ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে। এক ম্যাচ কম খেলা রিয়াল মাদ্রিদ ৮ পয়েন্ট কম নিয়ে আছে তৃতীয় স্থানে।
সূত্র : নয়া দিগন্ত
বাংলাদেশী ছেলে বিয়ে করতে চান এই সার্বিয়ান অভিনেত্রী
March 10, 2019
![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
‘হৃদয়ের রংধনু’র মধ্য দিয়ে বাংলাদেশী ছবিতে অভিষেক হয়েছে সার্বিয়ান মডেল ও অভিনেত্রী মিনা পেটকোভিচ বসকানের। জটিলতা কাটিয়ে শুক্রবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সিনেমাটি মুক্তি পেয়েছে রাজধানীর স্টার সিনেপ্লেক্সে। ছবিটি পরিচালনা করেছেন রাজিবুল হোসেন।
ইংরেজির সাথে ভাঙ্গা বাংলাও বলতে পারেন এই অভিনেত্রী। বাংলাদেশে নিজের ছবি মুক্তি পাওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শেষ পর্যন্ত সিনেমাটি মুক্তি পেয়েছে এজন্য আমি অনেক আনন্দিত। আমার মনে হয়েছে এখানকার দর্শকরা খুব আবেগপ্রবণ ও তাদের মনে জটিলতা কম। সিনেমাটিতে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে তুলে ধরা হয়েছে। যার কারণে সবাই খুব সহজে সিনেমাটি গ্রহণ করছেন এবং হলে গিয়ে দেখছেন। তাছাড়া আমাকে অনেকে ফেসবুকে ইনবক্সে অভিনন্দন জানিয়েছেন। আমি খুব খুশি।
বাংলাদেশী ছবিতে অভিনয় করার অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমার আছে খুব ভালো লেগেছে। কারণ এখানকার মানুষ অনেক আন্তরিক। সিনেমা নির্মাণ পুরোটাই টিম ওয়ার্কের উপর নির্ভর। পুরো টিম আমার কাছে পরিবারের মতো হয়ে গিয়েছিল। সবাই আমার খুব যত্ন নিয়েছেন। আমি আমার ব্যক্তিগত বিষয়গুলোও টিমের সদস্যদের সাথে সহজেই শেয়ার করতে পেরেছি। তাই কাজ করতে একেবারেই কষ্ট হয়নি।
ইউরোপের দেশ সার্বিয়া থেকে বাংলাদেশের ছবির সাথে যুক্ত হওয়ার বিষয়টি খুব মজার উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই দেশের সিনেমার সাথে আমার যুক্ত হওয়াটা সিনেমার গল্পের মতো। ভবিষতে আমি এ গল্প নিয়ে সিনেমা নির্মাণ করবো। স্ক্রিপ্টও লেখা শুরু করেছি। তাই এখনই গল্পটা শোনাতে চাচ্ছি না। সবাইকে পর্দাতে আমার বাংলাদেশে আসার গল্প দেখাবো। সেটার জন্য অপেক্ষা করতে হবে। তবে একটা তথ্য দিই, আমি সার্বিয়ার নাগরিক হলেও সেখান থেকে কিন্তু বাংলাদেশে আসিনি। অন্য একটি দেশ থেকে এসেছি।
নিজের অন্য কাজ সম্পর্কে তিনি বলেন, শুরুর দিকে আমি সার্বিয়াতে ছোট বোনের সাথে মাডেলিং করেছি। এরপর ইতালি, চায়না, থাইল্যান্ড ও ভারতে মডেলিং করেছি। এছাড়া বাংলাদেশের সিনেমাটি শেষ হওয়ার পর আমি ভারতের একটি সিনেমাতেও অভিনয় করেছি। সার্বিয়ান নির্মাতা সারার পরিচালনায় সিনেমাটির নাম ‘ইঙ্কব্লট’। জয়পুর আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে এটি প্রদর্শিত হয়েছে।
অ্যাডভেঞ্চারভিত্তিক সিনেমা দিয়ে বাংলাদেশে অভিনয় অভিষেক হওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘হৃদয়ে রংধনু’ ছবিতে শুটিংয়ের সময়টা আমার অসাধারণ কেঁটেছে। আমাকে অনেক পরিশ্রম করতে হয়েছে, কিন্তু তেমন ঝুঁকি ছিল না। তবে মজার ব্যাপার হচ্ছে প্রতিবার শুটিংয়ের সময় আমাকে অনেকদিন ধরে সমুদ্রের সামনে থাকতে হয়েছে। যেটা আমার জন্য অনেক আনন্দের বিষয় ছিল। কারণ আমার দেশে কোনো সমুদ্র সৈকত নেই। তাই কক্সবাজারে গিয়ে আমি নিজেকে হারিয়ে ফেলেছিলাম। তাছাড়া এখানকার আবহাওয়াও আমার অনেক পছন্দ। আমাদের দেশে অনেক ঠাণ্ডা পড়ে, কিন্তু এখানে তেমন না।
এই দেশে অভিনয় করতে এসে শিখে ফেলেছেন বাংলা। এখন তার কাছে নাকি প্রিয় ভাষা হয়ে গেছে বাংলা। এ প্রসঙ্গে মিনা পেটকোভিচ বলেন,
শুটিংয়ের প্রয়োজনে আমাকে বাংলা শিখতে হয়েছে। আমি ইংরেজিতেও কথা বলতে পারি। কিন্তু ইংরেজির চেয়েও আমার বাংলা ভাষা অনেক বেশি ভালো লাগে। বাংলা বলা মানুষদেরও আমার অনেক ভালো লাগে। আমার ইচ্ছে আছে সারাজীবন বাংলাদেশে থাকবো আর বাংলাদেশের কোনো ছেলেকেই একদিন বিয়ে করবো।
নিজের প্রিয় বাংলা বাক্য সম্পর্কে বলেন, ‘আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি। জাতীয় সঙ্গীতের এই লাইন আমার খুব প্রিয়’। বাংলাভাষা আয়ত্ব করতে তিনি ইউটিউবে বাংলাদেশের সিনেমা দেখেছেন। এছাড়া অনেক নাটকও দেখেছেন। এই অভিজ্ঞতা থেকে এই দেশের মানুষ সম্পর্কে তার মন্তব্য, এখনকার মানুষ প্রেমের গল্প বেশি ভালোবাসেন। আর নাটক দেখতে দেখতে কয়েকজনের অভিনয় আমার দুর্দান্ত লেগেছে। তবে তাদের নাম মনে করতে পারছি’।
বাংলাদেশের সিনেমা নিয়ে তিনি ভবিষৎ পরিকল্পনাও ঠিক করেছেন। এ সম্পর্কে মিনা পেটকোভিচ বলেন, বাংলাদেশের আরও অনেক কাজ করার ইচ্ছে আছে আমার। শুধু ভালোবাসার গল্প না। আমি নতুন কোনো বিষয়ের গল্পে কাজ করবো। যেটা ট্রেন্ড চেঞ্জ করবে।
সূত্র : নয়া দিগন্ত
একসঙ্গে ৬ তারকাকে বিশ্রাম দিয়ে পাকিস্তানের দল ঘোষণা
March 10, 2019
![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
পাকিস্তানের ক্রিকেট দলের নিয়মিত অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদসহ ছয় ক্রিকেটারকে বিশ্রাম দিয়ে অস্ট্রেলিয়া সিরিজে ওয়ানডে দল ঘোষণা করেছে পিসিবি।
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আসন্ন পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে দল থেকে বাদ পড়া অন্য ক্রিকেটাররা হলেন বাবর আজম, শাহিন শাহ আফ্রিদি, ফখর জামান, শাদাব খান ও হাসান আলী।
আসন্ন এ সিরিজে পাকিস্তানকে নেতৃত্ব দেবেন দলের অভিজ্ঞ খেলোয়াড় শোয়েব মালিক। দলে জায়গা পেয়েছেন নতুন তিন তরুণ মুখ। তারা হলেন সাদ আলি, মোহাম্মদ আব্বাস ও মোহাম্মদ হাসনাইন।
১৬ সদস্যের ওয়ানডে দলে ফিরেছেন উমর আকমল, জুনাইদ খান, ইয়াসির শাহ ও হারিস সোহেল।
দল ঘোষণা নিয়ে ইমরান খানের নেতৃত্বাধীন বিশ্বকাপ জয়ী দলের সদস্য ও পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) বর্তমান প্রধান নির্বাচক ইনজামাম-উল হক বলেন, ‘আমাদের এখন প্রধান টার্গেট বিশ্বকাপ। তাই আমরা এমন কোনো পরিস্থিতিতে পড়তে চাই না যাতে এর কারণে পেছনে পড়ে যেতে হয়। এছাড়াও বিশ্বকাপের আগে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজটি আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।’
প্রধান নির্বাচক ইনজামাম-উল হক আরও বলেন, ‘আমি চেয়েছি টানা অনেকগুলো ম্যাচ খেলা ক্রিকেটারদের বিশ্রাম দিতে। এজন্য সরফরাজকেও বিশ্রাম দেয়া হয়েছে। আমরা চাই বিশ্বকাপের মতো বড় আসরে যাওয়ার আগে আমাদের খেলোয়াড়দের মাঝে চাঙ্গা ভাব থাকুক। এজন্য সরফরাজের জায়গায় রিজওয়ানকে নিয়েছি। কিন্তু আমি মনে করি না এ সিরিজে রিজওয়ান আহামরি কিছু করবে। সরফরাজের পজিশনটি খুবই বিপজ্জনক (গুরুত্বপূর্ণ) জায়গায়। এ দুই উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যানের মাঝে বিরাজ ফারাক রয়েছে, কারণ সরফরাজ পাকিস্তানের অধিনায়ক সে সব সময় তার সেরাটাই দেয়।’
তিনি বলেন, ‘হাফিজ পাকিস্তান দলের একজন গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় এতে কোনো সন্দেহ নেই। আমি আশা করি দ্রুত সে তার ফিটনেস ফিরে পাবে। সে তার যোগ্যতা দিয়ে পুনরায় দলে ফিরবে।’
আগামী ২২ মার্চ শারজায় শুরু হবে অজিদের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ।
ওয়ানডের পাকিস্তান দল: আবিদ আলী, শান মাসুদ, ইমাম-উল-হক, হারিস সোহেল, শোয়েব মালিক (অধিনায়ক), সাদ আলি, মোহাম্মদ রিজওয়ান (উইকেটরক্ষক), উমর আকমল, ফাহিম আশরাফ, ইমাদ ওয়াসিম, ইয়াসির শাহ, জুনাইদ খান, মোহাম্মদ আমির, মোহাম্মদ আব্বাস, মোহাম্মদ হাসনাইন, উসমান শিনওয়ারি।
সূত্র: ডন, দ্য নিউজ ইন্টারন্যাশনাল
যে কারণে গ্রেফতার হিরো আলম
March 10, 2019
![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
সোশ্যাল মিডিয়ার বদৌলতে আলোচনায় আসা আশরাফুল হোসেন আলম ওরফে হিরো আলমকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বুধবার দিবাগত রাত সোয়া ১০টার দিকে তাকে বগুড়া সদর থানা থেকে গ্রেফতার করা হয় বলে নিশ্চিত করেছেন সদর থানার ওসি সোহেল রানা।
জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সনাতন চক্রবর্তী জানান, হিরো আলমের মারধরে স্ত্রী আহত হওয়ায় বগুড়া সদর থানায় তার নামে অভিযোগ দায়ের করেন তার শ্বশুর। সেই মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে হিরো আলমকে।
বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন হিরো আলমের স্ত্রী সাদিয়া বেগম সুমি জানান, দুই মাস পর গত সোমবার রাতে হিরো আলম বগুড়া শহরতলীর এরুলিয়া গ্রামে তার বাড়িতে আসেন। বাসায় ফেরার পর থেকে বিছানায় শুয়ে একটানা তিন ঘণ্টা মোবাইলে ঢাকার এক নারীর সঙ্গে কথা বলেন। এর প্রতিবাদ করলে সোমবার রাতেই তাকে মারপিট করেন হিরো আলম।
এদিকে, সুমিকে মারপিটের খবর পেয়ে শ্বশুরবাড়ির লোকজন ক্ষিপ্ত হয়ে হিরো আলমকেও মারপিট করেন। এ ঘটনায় হিরো আলম তার শ্বশুর ও স্ত্রীসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে বগুড়া সদর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।
মেয়েকে পেটানোর ব্যাপারে হিরো আলমের শ্বশুর সাইফুল ইসলাম বলেন, মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর মেয়েকে আবারও নির্যাতন করা হয়েছে, এমন খবর পেয়ে মেয়ের বাড়িতে যাই। সেখানে গিয়ে মেয়েকে উদ্ধার করে রাতেই হাসপাতালে ভর্তি করি। সুমির মাথার পেছনে রক্তাক্ত জখম হয়েছে।
সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুর রহিম জানান, মঙ্গলবার রাতে হিরো আলম থানায় হাজির হয়ে তার শরীরে মারপিটের চিহ্ন দেখান। তাকে মারপিট করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে বুধবার সকালে তিনি ঘটনাস্থলে যান। সেখানে গিয়ে তিনি জানতে পারেন হিরো আলমও তার স্ত্রীকে মারপিট করেছেন। এ কারণে তার স্ত্রী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
এ ব্যাপারে হিরো আলম জানান, তার বিরুদ্ধে সব মিথ্যা অভিযোগ করা হয়েছে। তাকে হিরো থেকে জিরো করতে এসব মিথ্যা ঘটনা সাজানো হচ্ছে।
সূত্র : বিডি-প্রতিদিন
Saturday, March 9, 2019
বরকে খুশি রাখতে রোজ রাতে যা করেন রানী মুখার্জি, জানলে চমকে যাবেন আপনি…
March 09, 2019
![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
রানী মুখার্জি হলেন বলিউডের এক জনপ্রিয় অভিনেত্রী। অনেক হিট সিনেমা তিনি উপহার দিয়েছেন দর্শকদের। সম্প্রতি ‘হিচকি’ ছবির মাধ্যমে তিনি আরও জনপ্রিয়তা লাভ করেছেন। তার অভিনয়ের কারনে ছবিটি অনেক সাফল্য লাভ করেছে। সমস্ত অভিনেত্রীদের একটি আবশ্যক বিষয় হল তাদের সাজগোজ। কাজের জন্য সব সময় সেজে ফিটফাট রাখতেই হয় নিজেদের। কিন্তু রানী মুখার্জির গল্পটা একটু আলাদা।
একটি গনমাধ্যমের কাছে তিনি বলেন, তার জীবন অন্যান্য অভিনেত্রীর মতন নয়। তিনি অভিনয়ের জন্য যত না সাজগোজ করেন তার থেকে বেশি করেন নিজের স্বামীর জন্য। বাড়িতে থাকার সময় তিনি বিনা মেকআপেই থাকতে পছন্দ করেন। সারাদিন আর বাকি মহিলাদের মত সাধারণ ভাবেই থাকেন।
তিনি বলেন তার কাজ নিয়ে কোন চাপ নেই। বরং তার স্বামীকে নিয়ে তিনি বেশি চাপে থাকে। তার স্বামী আদিত্য চোপড়া। তিনি খুব সহজ মানুষ যে নন সেটা রানীর কথা শুনেই বোঝা যায়। রানীর সমস্ত কাজ ক্যামেরার সামনে হলেও ক্যামেরার সামনে আসতে একদম রাজি নন তার স্বামী।
ক্যামেরার সামনে আসা নিয়ে তার প্রবল আপত্তি। আদিত্য চোপড়া যেমন নিজে ক্যামেরার সামনে আসেন না তেমন তিনি পছন্দ করেন না যে তাদের একমাত্র কন্যা আদিরা ক্যামেরার সামনে আসুক। রানী মুখার্জি কিন্তু যেমন ভালো অভিনেত্রী তার থেকেও ভালো স্ত্রী তিনি।
তিনি সংসার সুখের রাখতে আর স্বামীকে খুশি রাখতে অনেক কিছু করে থাকেন। তিনি সিনেমায় কাজ করার জন্য যত না সাজেন তার থেকে বেশি সাজেন তার স্বামীকে খুশি করার জন্য। তিনি বলেন বিয়ের পর এটা জরুরি হয়ে দাঁড়ায় যে স্ত্রীকে যেন সুন্দর লাগে তার স্বামীর চোখে।
তিনি আরো বলেন যে আগে তিনি স্ত্রী, তারপর তিনি অভিনেত্রী। তার মতে, একজন স্বামী রাতে বাড়ি ফিরে কি দেখতে চান? একটা হাসিখুশি মুখ, আর বাড়ির সুন্দর বাতাবরণ। সেটাই যদি না থাকে তাহলে সংসার কখনো সুখের হতে পারেনা।
রোজ স্বামী যদি বাড়ি ফিরে দেখে বাড়ির পরিবেশ ভালো না, বা তার স্ত্রীকে খুব অগোছালো লাগছে তাহলে তার সারাদিনের ক্লান্তি দূর হবে কিকরে। তাই সংসার সুখের রাখতে স্ত্রীর নিজেকে যেমন ঠিক থাকতে হয় তেমন বাড়ির পরিবেশও ভালো রাখতে হয়।
তাই প্রতিদিন রাতে আদিত্যের বাড়ি ফেরার আগে তিনি মেকআপ করেন। যাতে তাকে তার স্বামীর চোখে সুন্দরী লাগে। মেকআপের সাথে সাথে তিনি সুন্দর পোশাকও পরেন। শুধু তাই নয়, রোজ রাতে রানীকে নিজের ঘর পরিষ্কার ও সাজাতে হয়।
ভুলেও মেয়েদের এই অংগুলি স্পর্শ করবেন না, হতে পারে মারাত্মক বিপদ…
March 09, 2019
![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
সামান্য ছুঁয়ে ফেলা থেকেও যে ঘটতে পারে নানান রকম অঘটন সেটা একেবারেই জানেন না বহু মানুষ। তাই আমরা বিভিন্ন সময় না জেনে ছুঁয়ে ফেলি অনেককে। আমরা ছুঁয়ে ফেলা নিয়ে বেশী কিছু ভাবি না, কারণ ছুঁয়ে ফেলা থেকে যে কারোর কোন ক্ষতি হতে পারে সে সম্পর্কে আমাদের কোন আইডিয়াই নেই।
পৃথিবীতে সবথেকে বেশী জীবানু ছড়ায় না ধোয়া হাত থেকে। আমরা বিভিন্ন সময়ে হাত দিয়ে নানা কাজ করে থাকি এবং পরে ভুলে যাই কি কি কাজ আমরা করেছিলাম এবং শেষে সেই হাত দিয়েই আমরা নানান কাজ শুরু করে দিই।
আমাদের জানতে হবে যে যদি আমরা সাবধান না হই এবং নানান অঙ্গে সেই হাত দিয়ে স্পর্শ করি, তাহলে আমাদের জীবনে অনেক সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে। সেই সমস্যা বেড়ে গিয়ে আমাদের জীবনের একটা খুব গুরুত্বপূর্ণ সময় আমরা হারিয়ে ফেলতে পারি।
তাই জীবাণু যুক্ত হাত নিয়ে কোথায় কোথায় স্পর্শ করা একদমই উচিত নয় সেটা আমাদের অবশ্যই জেনে রাখা উচিত। না জানলে কি হতে পারে সেই নিয়েও আমাদের সাবধান থাকতে হবে।
কারণ যদি আমরা না জানি এই অবাঞ্ছিত রোগ এবং জীবাণু থেকে ঠিক কিভাবে আমরা বাঁচবো, তাহলে আমাদের বাঁচার চেষ্টা জোরদার হয়ে উঠবে না কোনমতেই। আসুন জেনে নেওয়া যাক কোন কোন অঙ্গ ভুলভাবে ছুঁয়ে ফেলা সম্পর্কে আমাদের সাবধানে থাকতে হবে…
চোখঃ – শরীরের সবচেয়ে স্পর্শকাতর অংশ হল চোখ। তাই ভুলভাল জায়গা থেকে ঘুরে এসে চোখে হাত দেবেন না একেবারেই। আর যদি ভুল করে হাত দিয়েও দেন এবং চোখ জ্বালা শুরু করে তাহলে চোখে জলের ঝাপটা দিন তাড়াতাড়ি।
নাকঃ – নাক শরীরের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ স্পর্শকাতর অঙ্গ। সামান্য আঘাতেই ঘটতে পারে রক্তপাত। তাই কখনোই নাকে আঙ্গুল ঢোকাবেন না এবং নাকে আঙ্গুল ঢোকালে লোকে আপনাকে নোংরাও ভাবতে পারে।
কানঃ – শরীরের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হল কান। অনেকেই দেশলাই কাঠি এবং অন্যান্য অনেক জিনিস দিয়ে কান চুলকে থাকেন, কিন্তু এভাবে কান চুলকানোয় যে আপনার মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে সেই ব্যাপারে একদমই কেউ ভাবে না। তাই নিজের শরীরের কথা না ভেবে অনেকেই এমন ভুল ভাল কাজ করে থাকে এবং পরে সেই কাজ করার জন্য ভোগেন।
আজ থেকে সতর্ক হন। ভুলেও এইসব কাজ করা বন্ধ করুন, বিশেষ করে নোংরা হাতে বাচ্ছা ও নারীদের এইসব অঙ্গে হাত দেবেন না। হতে পারে মারাত্মক বিপদ। সাবধান হন এবং অপরকে সাবধান করুন।
সূত্র : দেশী গুরুজি
Friday, March 8, 2019
খ্রিস্টান ব্যবসায়ী আড়াই কোটি টাকায় তৈরি মসজিদ মুসলিম কর্মীদের উপহার দিলেন
March 08, 2019
![]() | |
|
চেরিয়ান লক্ষ্য করেন ট্যাক্সি চেপে কাছাকাছি মসজিদে যেতে হয় কর্মীদের। প্রতি শুক্রবারের জুম্মার নামাজের জন্য তাদের খরচ হয় ২০ সৌদি মুদ্রা। তা দেখেই মসজিদ তৈরির কথা মাথায় আসে তার। তাই কর্মীরা যেখানে থাকে, তার পাশেই তৈরি করা হয়েছে মসজিদ। ২০০৩ সালে চেরিয়ান ভারত থেকে আরব আমিরাতে এসেছিলেন আড়াইশ দিরহাম সম্বল করে।
আর আজ তিনি প্রায় আড়াই কোটি টাকা দিয়ে তৈরি ওই মসজিদ উপহার দিলেন কর্মীদের। আমিরাতের একটি শ্রমিক আবাসের মালিক তিনি। যেখানে ফুজাইরাহ শহরের প্রায় ৫৩ টি কোম্পানির শ্রমিকরা বসবাস করে। আল হায়াল শিল্প এলাকায় ইস্ট ভিলা রিয়েল এস্টেট কমপ্লেক্সের পাশেই তৈরি হওয়া এই মসজিদে একসাথে অন্তত ২৫০ জন মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারবেন।
আর মসজিদের ঘেরা বাগানে নামাজ পড়তে পারবে আরো ৭০০ জন। বছর খানেক আগে মসজিদ তৈরির কাজ শুরু হয়। চলতি মাসে মসজিদ তৈরির কাজ শেষ হয়েছে। চেরিবান বলেন, ‘আমি একজন খ্রিস্টান হয়েও মসজিদ তৈরি করেছি জেনে খুশি প্রশাসন। মসজিদে বিনামূল্যে বিদ্যুৎ ও পানির ব্যবস্থাও করা হচ্ছে।’
সূত্র : বিডি অনলাইন নিউজ ২৪
২০৭০ সালের মধ্যে বিশ্বের সর্ববৃহৎ ধর্ম হবে ইসলাম
March 08, 2019
![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ২০১০ সালে বিশ্বে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীর সংখ্যা ছিল ২২০ কোটি। এটা তখনকার মোট জনসংখ্যা ৬৯০ কোটির প্রায় এক-তৃতীয়াংশ। এ সময় মুসলিম জনসংখ্যা ছিল ১৬০ কোটি, যা বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ২৩ ভাগ।মুসলমানদের মধ্যে জন্মহার বৃদ্ধির কারণে ২০৫০ সালে খ্রিস্টান ও মুসলমান জনসংখ্যা হবে প্রায় সমান সমান। এরপর ২০৭০ সালে খ্রিস্টানদের ছাড়িয়ে যাবে মুসলমানদের সংখ্যা।প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইউরোপসহ বিশ্বের বহু অঞ্চলে আগামী বছরগুলোতে দ্রুত ইসলাম ধর্মের অনুসারীর লোকের সংখ্যা বাড়তে থাকবে।
পিউ রিসার্চ সেন্টারের দেওয়া তথ্য বলছে, ২০১০ থেকে ২০৫ এই ৩০ বছরের মধ্যে মুসলমান জনসংখ্যা বাড়বে ৭৩ শতাংশ, যা ১ দশমিক ৬ বিলিয়ন থেকে বেড়ে হবে ২ দশমিক ৮ বিলিয়ন। অন্য দিকে, খ্রিষ্টান জনসংখ্যা বাড়বে ৩৫ শতাংশ। একই সময়ে অন্যান্য ধর্মাবলম্বীর জনসংখ্যা অল্প হলেও বাড়বে। আগামী ২০ বছরে খ্রিস্টানদের ছাড়িয়ে শীর্ষে যাবে মুসলমানরা! আগামী ২০ বছরে খ্রিস্টানদের ছাড়িয়ে শীর্ষে যাবে মুসলমানরা!
আগামী ২০ বছরে- বর্তমানে সারা বিশ্বে যেকোনও সম্প্রদায়ের থেকে খ্রিস্টান শিশুর জন্মই বেশি দেন মায়েরা। তবে আগামী ২০ বছরে চিত্রটা পাল্টাতে চলেছে। মুসলিম মায়েদের প্রসব করা সন্তানের সংখ্যা বেশ খানিকটা বাড়তে চলেছে। মার্কিন গবেষণা সংস্থা পিউ রিসার্চ সেন্টার প্রকাশিত সাম্প্রতিক এক রিপোর্টে এই তথ্য সামনে এসেছে। খবর ইন্ডিয়া টাইমসের।
এই সংস্থার গণনা বলছে, ‘এখন থেকে ২০ বছরেরও কম সময়ের মধ্যে খ্রিস্টানদের থেকে মুসলিম শিশু জন্মের সংখ্যা বাড়তে চলেছে।’ এর কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, গত কয়েক বছরে ও আগামী কয়েক বছরে বিশ্বের মোট মৃত্যুর মধ্যে বেশিরভাগই হয়েছে বা হতে চলেছে খ্রিস্টানদের। কারণ তাদের জনসংখ্যায় তুলনামূলকভাবে বার্ধক্যের পরিমাণই বেশি।উল্টোদিকে, মুসলিম জনসংখ্যা সেই তুলনায় অনেক বেশি নবীন এবং তুলনামূলকভাবে তাদের ফার্টিলিটি রেটও বেশি। পিউ রিসার্চ সেন্টারের রিপোর্টে বলা হয়েছে, ‘২০৩০-৩৫ সালের মধ্যে খ্রিস্টান শিশুর (২২৪ মিলিয়ন) থেকে মুসলিম শিশু (২২৫ মিলিয়ন) বেশি জন্মাবে বলে মনে করা হচ্ছে।
যদিও মোট খ্রিস্টান জনসংখ্যা সর্বাধিকই থাকবে।’ ২০১৫ সালে এই মার্কিন সংস্থার প্রোজেকশন ছিল, আগামী এক দশকের মধ্যে বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুত গতিতে বেড়ে চলা ধর্মীয় দল হবে মুসলিমরা।পিউ-এর তরফে বলা হয়, এই দাবি যে সঠিক হতে চলেছে তার ইঙ্গিত ইতোমধ্যেই মিলেছে। বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি মুসলিম জনসংখ্যা ইন্দোনেশিয়ায়।
সূত্র : বিডি অনলাইন নিউজ ২৪
‘ছেলের চেয়ে বাপ মজার’
March 08, 2019
![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
বদলা’ নামের নতুন একটি ছবি করেছেন অমিতাভ বচ্চন। শিগগিরই মুক্তি পাচ্ছে ছবিটি। এর কেন্দ্রীয় চরিত্রে দেখা যাবে অমিতাভ বচ্চন ও তাপসী পান্নুকে। ‘পিঙ্ক’ ছবির পর আবারও এই কিংবদন্তির সঙ্গে কাজের সুযোগ পেলেন তাপসী। সেটাও কি কম রোমাঞ্চকর? এ নিয়ে তাপসী বললেন, ‘যেবার তাঁর সঙ্গে “পিঙ্ক”-এ অভিনয় করলাম, আমি তো ভয়েই অস্থির। অথচ দ্রুত সব ভয়ডর সরিয়ে কাজে নামতে হয়েছিল। আমার বয়সী কাউকে তাঁর নায়িকা হিসেবে কখনোই দেখা যাবে না, এমনকি বিতর্কিত কোনো গল্পেও না। তবু যে সুযোগটা পাওয়া গেছে, সেটাও কম নয়।’
তাপসী মনে করেন, অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গে দ্বিতীয়বারের মতো কাজের সুযোগ এক বিরাট উপহার। তিনি বলেন, ‘সত্যি বলতে, আমি খুব নির্ভার বোধ করেছি। “পিঙ্ক”-এর সময় বুঝেছিলাম, মানুষ হিসেবে তিনি দারুণ মজার। এবার তো মনে হলো, তিনি বন্ধু হয়ে ফিরেছেন।
সবচেয়ে মজার বিষয় হচ্ছে, অমিতাভ ও তাঁর ছেলে অভিষেক বচ্চন, দুজনের সঙ্গেই কাজ করেছেন তাপসী পান্নু। ‘মনমর্জিয়া’ ছবিতে অভিষেক বচ্চনের সঙ্গে কাজের সুযোগ হয়েছিল তাঁর। নিজে থেকেই তাপসী স্বীকার করেছেন, ‘ছেলের চেয়ে বাপের সঙ্গে কাজ করেই বেশি মজা পেয়েছি।’
অমিতাভ বচ্চনের নায়িকা হয়ে বিতর্ক সৃষ্টি করতে চান না তাপসী পান্নু। বরং সহজ পথে নিজের ক্যারিয়ার গড়তে চেয়েছেন তিনি। নিজের ক্যারিয়ার তৈরির কাজটি বেশ ভালোভাবেই করতে পেয়েছেন তাপসী পান্নু। অন্তত নিজে তিনি সেটা বিশ্বাস করেন। শাহরুখ খানের স্ত্রী গৌরীর প্রযোজনা সংস্থা থেকে কাল শুক্রবার মুক্তি পাচ্ছে তাঁর নতুন ছবি ‘বদলা’।
তথ্যসূত্র: ডেকান ক্রনিকল
Wednesday, March 6, 2019
শরীরী মিলন নয়; যা বেঁচে থাকার জন্য একান্ত জরুরি, জানাল বিজ্ঞান
March 06, 2019
![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে গেলে সবার আগে জানা প্রয়োজন, ঠিক কোন ক্রিয়াটি সম্পর্কের একেবারে কেন্দ্রে রয়েছে। বিশেষ করে রোম্যান্টিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে যখন ভাঙন অনিবার্য হয়ে ওঠে, তখন তাকে জোড়া লাগাতে ঠিক কোন আঠা ব্যবহার করা সাব্যস্ত, সে খবর কি আমরা রাখি? এবেলা.ইন-এর পাতাতেই কয়েক মাস আগে প্রকাশিত হয়েছিল প্রিয়জনকে বুকে টেনে নিন, আলিঙ্গনে জড়িয়ে রাখুন।
সম্পর্ক টিকবে বহুদিন শীর্ষক প্রতিবেদনটি (ক্লিক করে আরও এক বার পড়ে নিতে পারেন), যেখানে মনোবিদ ফাহাদ বশিরের ‘দ্য সায়েন্স অফ ইমোশন’ বইটির অন্যতম উপজীব্য আলিঙ্গনকে তুলে ধরে দেখানো হয়েছিল, কী ভাবে আলিঙ্গন স্ট্রেস কমায়, ভাঙা সম্পর্ক জোড়া লাগায় এবং সর্বোপরি আত্মবিশ্বাসকে পিরিয়ে আনে।
আলিঙ্গন যে সামাজিক সম্পর্কের ক্ষেত্রেও বিপুল পরিমাণে কার্যকর একটি ক্রিয়া, সে কথা এই মুহূর্তে স্বীকার করছেন অর্ধেক ভূগোলের মানুষ। ইউরোপ ও মার্কিন দেশে এই মুহূর্তে দারুণ জনপ্রিয় ‘কাড্ল ক্লাব’ । নিরাপত্তাহীনতা, আত্মবিশ্বাসে ঘাটতি, সম্পর্কে শীতলতা ইত্যাদি সমস্যা নিয়ে মানুষ হাজির হন এই সব ক্লাবে।
এখানে একান্ত অপরিচিত ব্যক্তিরাও আলিঙ্গনের মাধ্যমে পরস্পরের কাছাকাছি আসেন। মনের ভিতরে জমতে থাকা মেঘগুলোকে বের করে দিতে পারেন সামান্য কিছু কসরতের মাধ্যমে। কেবল প্রেমবঞ্চিত মানুষই নন, এই ক্লাবে সামিল হয়েছেন বহু সংসারী নারী-পুরুষ। একাকীত্ব মেটানোর প্রয়োজন এক ছাদের নীচে সমবেত করে চলেছে অসংখ্য মানুষকে।
কেবল কাডল ক্লাব নয়, ইউরোপ আর আমেরিকার বিভিন্ন দেশে এই মুহূর্তে দারুণ জনপ্রিয় কাডল ওয়ার্কশপ ও কাডল পার্টি। কীভাবে জড়িয়ে ধরতে হবে, কখন আলিঙ্গন করতে হবে, আলিঙ্গনের পরবর্তী ক্রিয়াগুলি কী, এই সব বিষয়ের চর্চাই এই ক্লাব, পার্টি বা ওয়ার্কশপের উপজীব্য।
বিনামূল্যে নয়, রীতিমতো অর্থের বিনিময়ে মানুষ ‘কাড্ল’ বা ‘হাগ’-এর শিক্ষা নিতে সামিল হচ্ছেন এই সব কর্মকাণ্ডে। একটি আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম থেকে জানা যাচ্ছে, লন্ডেনের একটি কাডল ক্লাব আয়োজিত কর্মশালায় অংশ নিতে মাথাপিছু ২৪ পাউন্ড প্রদান করতে হয়। কেবল কাড্ল বা হাগ নয়, এখানে চুম্বনের প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়।
আলিঙ্গন বা চুম্বন কেবল যৌনক্রিয়ার অনুষঙ্গ নয়, এ কথা এই ক্লাবের কর্মকর্তারা স্পষ্টই জানান। আবসাদকে কাটাতে চুম্বনের চাইতে ভাল দাওয়াই আর হতে পারে না, এমনই মত তাঁদের।
সাইকোথেরাপিস্ট ডায়ানা পার্কিনসন জানিয়েছেন, প্রকৃতির নিয়েমেই রয়েছে এই ক্রিয়াগুলি। মানবেতর জীবদের মধ্যেও আলিঙ্গনের প্রবণতা বিদ্যমান। কেবল ‘সভ্যতা’-র প্রকোপে পড়েই মানুষ এই প্রকৃতিক ক্রিয়া থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে।
আলিঙ্গন, চুম্বন বা আরও কিছু ক্রিয়া, যাদের সাধারণত যৌন অনুষঙ্গে ভাবা হয়, তাদের বিচার করা প্রয়োজন অন্যভাবে। এই ক্রিয়াগুলি মানুষকে বাঁচতে শেখায়। মানসিক শান্তির পথ দেখায়।
সূত্র : বিডি নিউজ ওয়েব
বাসর রাতে স্ত্রীর ঘরে অন্য পুরুষ পাঠালেন স্বামী!
March 06, 2019
![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
স্বামী নিজে অক্ষম। কিন্তু, বংশ তো আর থেমে থাকতে পারে না। ছেলে তো চাই-ই চাই। তাই নিজের স্বামীই তাকে জোর করেছেন শ্বশুরের শয্যাসঙ্গিনী হওয়ার জন্য। মুম্বইয়ের ভিরারে এ ঘটনা ঘটে। ২৫ বছরের এক যুবতী সম্প্রতি সেখানের পুলিশের কাছে এমন অভিযোগ করে।
ভারতীয় গণমাদ্যমের খবর অনুযায়ী, নীকেশ গিরি নামে ওই মহিলার স্বামী যৌনমিলনে অক্ষম। তাই তার বাবাই পুত্রবধূকে ধর্ষণ করার চেষ্টা করে।
মহিলা আরো অভিযোগ করেন যে, অনিল যাদব নামে এক চিকিৎসকের সঙ্গেও যৌনমিলনে তাকে জোর করে নীকেশ। স্বভাবতই এমন কুপ্রস্তাবে রাজি হননি মহিলা। তাই সারারাত তাকে কাটাতে হয় বাড়ির বারান্দায়। পরবর্তীকালে, শ্বশুর পান্নালাল গিরিও তার ঘরে চলে আসত বলে অভিযোগ করেন মহিলা। মদ্যপ অবস্থায় তার পাশে এসে শুয়ে তাকে স্পর্শ করত পান্নালাল।
ছ’মাস আগে, আমদাবাদের তার বাবার বাড়িতে খবর পাঠান মহিলা। তার বাবা মুম্বই এলে, মেয়ে-সহ তাদের বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয় গিরি পরিবার। মুম্বই পুলিশের মহিলা শাখার এসিপি, পান্না মোমায়া সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, গিরি পরিবার তাদের পুত্রবধূকে বিবাহবিচ্ছেদে রাজি হওয়ার জন্য শাসিয়েছে।
প্রসঙ্গত, নীকেশ গিরি ও তার বাবা পান্নালালের সঙ্গে, তাদের ওই ঘৃণ্য কাজে মদত করত নীকেশের মা ও বোনও।
সূত্র : বিডি নিউজ ওয়েব
মাইক হাতে রাস্তায় তাহসান
March 06, 2019
![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
রিকশায় তাহসান। হুড নামানো। পাশে কোনো রমণী নেই। কিন্তু রিকশার ওপরে একটা মাইক আছে, মাইক্রোফোন তাহসানের হাতে। গান করছেন না। যেই মাইক্রোফোন হাতে তাহসানকে সব সময় গান গাইতে শোনা যায়, সেই মাইক্রোফোনে তিনি আজ জানান দিচ্ছেন—একটি সংবাদ। শোক সংবাদ নয়, সুখ সংবাদ। ‘আসিতেছে, গায়ক তাহসানের প্রথম সিনেমা। এবার তিনি নায়ক তাহসান।’
সিনেমার প্রচারণায় মাইকিং করার বিষয়টি পুরনো। এ দৃশ্যের সঙ্গে কমবেশি সবাই পরিচিত। কিন্তু সিনেমা মুক্তির আগে নায়ক নিজেই মাইকিং করছেন, এমনটা কেউ দেখেননি। সবাইকে চমকে দিয়ে সেই কাজটি করে যাচ্ছেন তাহসান। মঙ্গলবার বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রশিক্ষক কেন্দ্রের সামনে থেকে এমন প্রচারণা শুরু করেন তিনি। এ সময় রিকশায় সঙ্গে ছিলেন তাহসান অভিনীত ‘যদি একদিন’ সিনেমার পরিচালক মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজ।
‘আসিতেছে। আপনার প্রিয় প্রেক্ষাগৃহে। আপনাদের পছন্দের চলচ্চিত্র ‘যদি একদিন. ‘যদি একদিন’..‘যদি একদিন’—এভাবেই রাস্তায় মাইকিং করছেন তাহসান। পুরো বিষয়টি তিনি বেশ উপভোগও করছেন। সিনেমার প্রচারের এমন ভাবনা প্রসঙ্গে তাহসান বললেন, ‘আমরা আলোচনা করছিলাম ছবি মুক্তির আগে সাধারণ মানুষের আগ্রহ কীভাবে বাড়ানো যায়। এমন সময় আমাদের দলের ফটোগ্রাফার রিয়াজ বলল, আমার মাথায় একটা আইডিয়া আছে। সিনেমার সঙ্গে তো আসলে মাইকিং অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। এখন তো আর এটি হয় না। যদি ঘটা করে এই কাজটা করা যায় তাহলে কিন্তু দারুণ হয়। তখন আমি বললাম, কাজটি তো আমি নিজেই করতে পারি। মনে হলো, এটা পুরোনো ঐতিহ্য, মানুষকে আকৃষ্ট করবে।’
তাহসানের মতে, এমন প্রচারণা করতে গিয়ে সুবিধা হয়েছে। বললেন, ‘বেশ কিছু সুবিধা হয়েছে। কিছুক্ষণ পরপর রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা মানুষ ছবি তুলছে। ছবিটি সম্পর্কে জানতে আগ্রহী হয়েছে। সব মিলিয়ে পুরো ব্যপারটাও ছিল উৎসবমুখর। দলের সবাই নাচানাচি করছিল। বাদ্যযন্ত্রীর দলও ছিল। আমরা চেষ্টা করেছি, যাতে শব্দদূষণ কম হয়। তাই মাইক নিয়ে প্রচারণা বেশিক্ষণ চালাইনি। দুই ঘণ্টার মতো মাইকিং করেছি।’
তাহসানকে এভাবে রাস্তায় দেখে নিশ্চয় অবাক হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। এমন প্রশ্নে তাহসান বলেন, ‘আসলেই তাই। মানুষ খুব অবাক হচ্ছে এই ভেবে যে, আমি কেন এমন কাজ করছি। আমার অন্য কোনো কাজের প্রচারে তো কেউ এভাবে দেখে নাই। তবে তারা সবাই বিষয়টাকে ইতিবাচকভাবেই দেখছে। তাদের ধারণা, আমার কাজের ওপর বিশ্বাস আছে বলেই হয়তো এমনটা করছি। ভক্ত ও সাধারণ মানুষেরা আস্থাটাও পাচ্ছে অনেক বেশি।’
তাহসান আরও বলেন, ‘দেশের মানুষ সুন্দর গল্পের সিনেমা দেখতে চায়। আমাকেও তারা বড় পর্দায় দেখার জন্য বারবার বলছিল। কিন্তু ব্যাটে–বলে না মেলায় এত দিন করতে পারিনি। এবার সবকিছু মিলে যাওয়াতে নিজের সেরাটা দিয়ে সিনেমার কাজটা করার চেষ্টা করেছি।’
‘যদি একদিন’ সিনেমার প্রচারে শুধু মাইকিং নয়, নানা রকমের প্রচারণায় থাকছেন এই ছবির নায়ক ও কলাকুশলীরা। কদিন আগের এক মধ্যরাতে তাহসান রাস্তায় নেমে নিজ হাতে পোস্টার লাগিয়েছেন, অনলাইন জরিপের উত্তর দিয়েছেন। শোনা যাচ্ছে, ছবিটির প্রতি দর্শকদের আগ্রহী করতে অনেকের বাড়ি বাড়িও হঠাৎ করে ঢুঁ মারতে পারেন তিনি।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে প্রচারণা শুরু হয়ে নিউমার্কেট, নীলক্ষেত, ইডেন কলেজ, গার্হ্যস্থ অর্থনীতি কলেজসহ নানা জায়গায় গিয়েছেন তাহসান, মোস্তফা কামাল রাজসহ ছবির কলাকুশলীরা। ‘যদি একদিন’ চলচ্চিত্রে তাহসানের বিপরীতে অভিনয় করেছেন কলকাতার শ্রাবন্তী। আরও অভিনয় করেছেন তাসকিন, সাবেরী আলম, ফখরুল বাশার মাসুম, রাইসা, মিলি বাশারসহ অনেকে। এই সিনেমার গানে কণ্ঠ দিয়েছেন তাহসান, হৃদয় খান, কোনাল, ইমরান, পড়শি, ফাহাদ ও আনিসা। ছবির আবহসংগীত করেছেন নাভেদ পারভেজ। গানের সংগীত পরিচালনা করেছেন ইমরান ও নাভেদ পারভেজ। ৮ মার্চ বিশ্ব নারী দিবসে মুক্তি পাচ্ছে ঢাকাসহ সারা দেশের ৩০টি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে যদি একদিন।
সূত্র : প্রথম আলো
Tuesday, March 5, 2019
৩ বছরেই নারকেল, ফল দেবে টানা ৮০ বছর!
March 05, 2019
![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
মাত্র ৩ বছরেই গাছে ধরেছে নারকেল। তাও একটি/দুটি নয়, শত শত। খুলনার দৌলতপুর ও সাভারের রাজালাখ হর্টিকালচার সেন্টারে শোভা পাচ্ছে এ নারকেল। আশ্চর্যজনক হলেও সত্যি দ্রুত বর্ধনশীল খাটো জাতের এ নারকেল গাছে ১৮ মাসের মধ্যেই ফুল চলে আসে এবং তিন বছরের মাথায় ফল পরিপূর্ণ হতে শুরু করে। ভিয়েতনামের নারকেল গাছের এই প্রজাতির নাম ‘ডুয়া এক্সিম লু’। এ জাতটি আবার দু-ধরনের, সিয়াম গ্রিন কোকোনাট এবং সিয়াম ব্লু কোকোনাট।
সারা পৃথিবীতে এ পর্যন্ত দ্রুত নারকেল আসে-এমন জাতের যেসব গাছের উদ্ভাবন এবং চাষাবাদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে তার মধ্যে ভিয়েতনামের এই জাতটি সবচেয়ে বেশি আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। এই গাছ একটানা ৭০/৮০ বছর পর্যন্ত ফল দিতে পারে। স্বাদে-গন্ধে, আকার ও পুষ্টিমানে এটি অসাধারণ। এর পানি অত্যন্ত মিষ্টি ও সুস্বাদু। এছাড়া ভারতের ‘গঙ্গাবন্ধন’ জাতের নারকেল গাছেও দ্রুত ফল আসে।
জানা গেছে, ‘ডুয়া এক্সিম লু’ নারকেলের জাতটির আদি উৎপত্তি থাইল্যান্ডে যা ‘সিয়াম’ নামে পরিচিত। বিশেষ করে দক্ষিণ-পূর্ব ও মধ্য থাইল্যান্ডে এই জাতের নারকেল ব্যাপক পরিচিত ও জনপ্রিয়।
কৃষি মন্ত্রণালয়সূত্র জানিয়েছে, এই খাটো জাতের হাইব্রিড নারকেল গাছের চাষে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। এ নারকেল গাছ সনাতনী গাছের তুলনায় প্রায় তিনগুণ বেশি ফল দেবে। গাছের উচ্চতা ২ থেকে ৪ ফুট হলেই ফল ধরা শুরু করে। মাটিতে ছুঁই ছুঁই এ নারকেল মাটিতে বসেই পাড়া যাবে। লবণাক্ততা সহিষ্ণু এই গাছ সব ধরনের মাটিতে চাষের উপযোগী। এ চারা পরিচর্যা করা সহজ। ঝড়ে বা প্রাকৃতিক দুর্যোগে কম ক্ষতি হয়।
সূত্র জানিয়েছে, ‘বছরব্যাপী ফল উৎপাদনের মাধ্যমে পুষ্টি উন্নয়ন প্রকল্প’-এর মাধ্যমে উন্নত জাতের এ নারকেলের জাতটি দেশের বিভিন্ন জেলায় ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে কৃষি মন্ত্রণালয়। এরমধ্যে দক্ষিণাঞ্চলের বরিশাল, বাগেরহাট, খুলনা, বরগুনা, নোয়াখালী ও কক্সবাজারসহ ১০টি জেলাকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে এই প্রকল্পের আওতায় ১ লাখ ৪০ হাজার নারকেল গাছ লাগানো হয়েছে। আগামী তিন বছরের মধ্যে এই জাতের আরও ১০ লাখ নারকেলের চারা লাগানো হবে।
সূত্র : বিডি অনলাইন নিউজ ২৪
স্ত্রী দোলার রোমান্টিক স্ট্যাটাসে রুবেলের কমেন্ট
March 05, 2019
![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
জবাবে রুবেল হোসেন কমেন্ট করেন- মনে হচ্ছে চাঁদের দেশে আছি। ব্যস্ত ক্রিকেট সূচির কারণে পরিবারের সঙ্গে খুব একটা সময় কাটাতে পারেননি রুবেল হোসেন। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ষষ্ঠ আসর শেষ হতে না হতেই নিউজিল্যান্ড সিরিজ নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েন জাতীয় দলের ডানহাতি এই পেসার।
জাতীয় দলের সঙ্গে এই মুহূর্তে নিউজিল্যান্ড অবস্থান করলেও রুবেলের মন পড়ে আছে প্রিয়তমা স্ত্রী দোলা হোসেনের কাছে। বিশ্ব ভালোবাসা দিবসের পরদিনই ফেসবুকে স্ত্রীর একটি ছবি পোস্ট দিয়ে এমনটা জানিয়েছেন ডানহাতি এই পেসার। জবাবে স্ত্রী দোলা জানান, তিনিও রুবেলকে মিস করছেন।
সূত্র : বিডি অনলাইন নিউজ ২৪
Sunday, March 3, 2019
সিমলা-সানাইয়ের কি হবে
March 03, 2019
![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
সম্প্রতি দুটি ঘটনায় বিতর্কে জড়িয়েছেন চিত্রনায়িকা সিমলা ও সানাই। সিমলার সাবেক স্বামী পলাশের বিমান ছিনতাইয়ের চেষ্টা আর সানাইয়ের গোপন বাগদান হলেও বরের নাম প্রকাশ করছেন না তিনি। এ নিয়ে প্রতিনিয়ত মানুষের কৌতূহল বাড়ছে। এ বিষয়ে জানতে গতকাল বাংলাদেশ প্রতিদিনের শোবিজ বিভাগের সঙ্গে কথা হয় তাদের।
দুজনের বলা কথা তুলে ধরেছেন- আলাউদ্দীন মাজিদ পুুলিশ ডাকলেই ছুটে আসব: সিমলা বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইট ‘ময়ূরপঙ্খী’ ছিনতাই চেষ্টার ঘটনায় জড়িত পলাশ আহমেদ ওরফে মাহিবি জাহানের বিষয়ে তার সাবেক স্ত্রী চিত্রনায়িকা সিমলাকে জিজ্ঞাসাবাদ করার উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিট। সিমলা এখন ভারতের মুম্বাইয়ে অবস্থান করছেন। তিনি কখন দেশে ফিরছেন? এ বিষয়ে গতকাল তার কাছে জানতে চাওয়া হলে সিমলা দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, ‘দেশের আইনশৃঙ্খলা বিভাগ যদি এ বিষয়ে জানতে আমাকে ডাকে আমি অবশ্যই দেশে ফিরব। আমার তো কোনো ভয় নেই।
আমি তো কোনো অপরাধ করিনি। তা ছাড়া পলাশের সঙ্গে আমার ডিভোর্স হয়েছে গত বছরের নভেম্বরে। তারপর থেকেই আমি মুম্বাইয়ে একটি ছবির কাজে ব্যস্ত। পলাশ সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু না জানলেও আইনের প্রতি সব সময়ই আমি শ্রদ্ধাশীল। এই শ্রদ্ধা থেকেই আমাকে ডাকার সঙ্গে সঙ্গে আমি ছুটে আসব।’ বর্তমানে মুম্বাইয়ে কি কাজ নিয়ে ব্যস্ত আছেন? এমন প্রশ্নে সিমলা বলেন, “এখানে আমি ‘সফর’ ছবির পোস্টার ও ফটোসেশনের কাজ নিয়ে ব্যস্ত আছি।
কলকাতার কিংস এন্টারপ্রাইজ প্রযোজিত ও অর্পণ রায় পরিচালিত এই হিন্দি ছবিটির প্রধান নায়িকা আমি। গত নভেম্বর থেকে শুটিং শুরু করেছি।” নভেম্বরে ভারত যাওয়ার পর আর দেশে ফিরলেন না কেন? এ প্রশ্নের জবাবে সিমলা বলেন, ‘এখানে একটানা এই ছবির শুটিং-ডাবিংয়ে অংশ নিলাম। আমি যেহেতু একজন অভিনেত্রী, তাই যখন দেখলাম দেশে কাজ নেই আর মুম্বাই থেকে ছবির প্রস্তাব পাচ্ছি তখন স্বাভাবিকভাবেই তা লুফে নিয়েছি।’।
সিমলার কাছে জানতে চাইলাম নভেম্বরে ডিভোর্স আবার একই মাসে মুম্বাইয়ে ছবির কাজের প্রস্তাব পাওয়া বিষয়টি কীভাবে সম্ভব হলো? তার কথায়, “কয়েক বছর আগে বলিউডের নায়ক গোবিন্দর সঙ্গে মুম্বাইয়ে কাজ করেছি। তখন থেকেই এখানে অনেক কাজের প্রস্তাব ছিল। সেই ধারাবাহিকতায় নভেম্বরে ‘সফর’ ছবির কাজে মুম্বাই আসি আর কাজ করে যাচ্ছি। এখন যখন এমন একটি ঘটনা ঘটে গেছে আর আমার সঙ্গে একসময় সেই পলাশের বৈবাহিক সম্পর্ক ছিল তখন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তদন্তের স্বার্থে আমাকে ডাকতেই পারে।
তারা যখনই আমার কাছে কোনো নোটিস পাঠাবে আমি ছুটে আসব এবং আমার পক্ষে যতটা সহযোগিতা করা প্রয়োজন সবই করব।” বরের নাম এখন বলবই না: সানাই চিত্রনায়িকা সানাইয়ের গোপন বাগদান এবং হবু বরের নাম প্রকাশ না করার বিষয়টি নিয়ে সাধারণ মানুষের কৌতূহল বাড়ছেই। কিন্তু বরের নাম প্রকাশে এখনো অনিচ্ছুক সানাই। তার বর হিসেবে পর পর দুই সাবেক মন্ত্রীর নাম চাউর হলেও তার সাফ কথা, সবই মিথ্যে। সময় হলে পারিবারিকভাবে বরের নাম প্রকাশ করব।
গতকাল বিষয়টি নিয়ে আবারও সানাইয়ের মুখোমুখি হলে তিনি বলেন, ‘বিষয়টি একেবারেই আমার ব্যক্তিগত। এ নিয়ে জল ঘোলা করা মানে আমার বিয়ের বিষয়টিকে অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলে দেওয়া। শুধু এটুকু বলতে চাই, আমার হবু বর একজন সাবেক মন্ত্রী। সঙ্গত কারণেই তার নাম এই মুহূর্তে বলতে চাই না।’ সাবেক মন্ত্রী রাঙ্গার নামের পর এখন আবার আরেক সাবেক মন্ত্রী ও ফুটবলার আরিফ খান জয়কে সানাইয়ের সঙ্গে যুক্ত করে গুঞ্জন উঠার বিষয়ে তিনি বিরক্তির সুরে বলেন, ‘আমার ব্যক্তিগত বিষয়টি নিয়ে কেন নানা মর্যাদাবান মানুষকে ঘিরে বার বার মিথ্যা ও ভিত্তিহীন প্রচার চালানো হচ্ছে বুঝতে পারছি না। সাবেক মন্ত্রী রাঙ্গার সঙ্গে একটি মাত্র অনুষ্ঠানে দেখা হয়েছিল।
এরপর তার সঙ্গে কখনো কথাও হয়নি। আর এখন আবার আরিফ খান জয়ের কথা বলা হচ্ছে। ব্যক্তিগতভাবে তাকে আমি চিনি না। তার সঙ্গে কখনো দেখাও হয়নি। যাকে দেখিনি, জানি না তার সঙ্গে আমার বিয়ে হয় কি করে। আমি সবার কাছে বিনীত অনুরোধ করব দয়া করে আমাকে একটু শান্তিতে থাকতে দিন। কারও সঙ্গে বাগদান বা বিয়ে করতে যাওয়া তো অপরাধ নয়। আমি একজন সেলিব্রেটি বলে আমার যে কোনো বিষয়ে সাধারণ মানুষের কৌতূহল থাকতেই পারে।
কিন্তু কিছু বিষয় আছে, যা সময়ের আগে প্রকাশ করতে গেলে হিতে বিপরীত হয়। আমার হবু বরের নাম প্রকাশে অহেতুক চাপ সৃষ্টি করে আমার সুন্দর ভবিষ্যৎ কেউ নষ্ট করে দেবেন না। আবারও তার কাছে জানতে চাইলাম, স্বামীর পরিচয় প্রকাশ করতে সমস্যা কোথায়? সানাই বলেন, ‘কিছু সমস্যা তো আছেই। তা না হলে এখনই বলে দিতাম।
মানুষজন উল্টাপাল্টা কথা বলবে, তাই কোনোভাবেই এখন তার নাম প্রকাশ করব না। তবে এটুকু আশ্বস্ত করতে চাই, যে মানুষটার সঙ্গে আমার আংটি বদল হয়েছে, তিনি এর আগে একটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন। তবে সর্বশেষ নির্বাচনে তিনি অংশ নেননি। সরাসরি জড়িত আছেন আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে। তিনি একজন ব্যবসায়ীও।
সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন।
Subscribe to:
Posts (Atom)













