Monday, February 11, 2019

স্ত’নের প্রতি কেন আকৃষ্ট হন পুরুষরা, জানুন ১০ টি রহস্যময় কারন…

February 11, 2019
ছবি: সংগৃহীত

নারী শরীর হল রহস্যময়। সব পুরুষই নারী শরীর স্পর্শ করার জন্য সঠিক সময়ের অপেক্ষা করে থাকে। নারী শরীরের উপর পুরুষদের এক আলাদাই আকর্ষন। নারীদের শরীরের মধ্যে সুডৌল স্ত’নের প্রতি আকৃষ্ট হয় না এমন পুরুষ খুঁজলেও পাওয়া যাবে না। শুধু পুরুষ নয় মহিলারাও নিজেদের স্ত’ন নিয়ে খুব গর্ব করে। স্ত’নের আকৃতি ও গঠন নিয়ে মহিলারা খুব চিন্তায় থাকে।

স্তন আকারে ছোট হলে বা আকার ঠিক না থাকলে, ঝুলে গেলে মহিলারা অতিরিক্ত চিন্তায় পড়ে যায়। কিন্তু কেন ? কেন স্ত’নের প্রতি এত আকর্ষন ? বিশেষজ্ঞদের মতে এর পিছনে কিছু কারন রয়েছে, সেগুলি জেনে নেওয়া যাক।

১। প্রথম কারন হল মেয়েদের স্ত’ন সুগঠিত হলে দেখতে অত্যন্ত সুন্দর হয়। সে যেমন আকৃতিরি হোক না কেন। পুরুষেরা তা দেখে আকৃষ্ট হবেই। সুন্দর স্ত’ন মহিলাদের এক আলাদাই ব্যক্তিত্ব এনে দেয়। একটা মেয়ের দিকে তাকিয়ে তার স্ত’নের দিকে চোখ আটকে যায় প্রতিটা পুরুষের। একথা শুনতে খারাপ লাগলেও কথটা ১০০% সত্যি।

২। স্ত’ন হল নারীত্বের প্রতীক। স্ত’ন পুরুষ ও নারীর শরীরের মধ্যে পার্থক্য তৈরি করে। নাহলে বাইরে থেকে নারি পুরুষের পার্থক্য করা সম্ভব নয়। নারীর বক্ষযুগলের বিভাজিকা তাদের কাছে গর্ব। অনেক মহিলা সেইজন্য ক্লিভেজ দেখা যায় এমন পোশাক পরেন।

৩। নারীদের স্ত’নের প্রতি আকর্ষন আজ থেকে নয়। আদি কাল থেকেই নারীর সুগঠিত স্ত’ন দেখে পুরুষদের মনে ও শরীরে কামনার প্রবল ইচ্ছা জেগে ওঠে। এর পিছনে একটি মানসিক কারনও আছে। সেটি হল সন্তান জন্ম দানে সক্ষম ও উর্বর মহিলাদের স্ত’ন সুন্দর হয়। তাই পুরুষেরা জীবনসঙ্গী হিসাবে সুন্দর ও সুডৌল স্ত’নের মহিলাদেরই বেছে নেন।

৪। নারীদের শরীরের কিছু অংশ পোশাকের বাইরে থেকেও বোঝা যায়। বিশেষ করে স্ত’নের আকার তো বোঝাই যায়। তেমন গঠন হলে পুরুষদের চোখ সেদিকে আটকে যায়। চোখে দেখে মনে বা শরীরে যে কামনার আগুন জ্বলে তাকে বলা হয় ‘ভিসুয়াল স্টিমুলেশন’।

৫। নারীর অন্দরমহলে প্রবেশের রাস্তা হল তার স্ত’ন। সঙ্গমের আগে স্ত’ন ছুঁয়ে নারী ও পুরুষ উভয়ের মনেই কাম উত্তেজনা জাগে। ধীরে ধীরে কামের আগুন ছরিয়ে পড়ে সারা শরীরে। মিলনের আগে ফোর-প্লে তে স্ত’নের ভূমিকা অস্বীকার করা যায়না।

৬। সম্পর্ক যতই পুরনো হোক না কেন, নিজের সঙ্গিনীর স্ত’নের প্রতি আকর্ষন কখনোই যায়না পুরুষের। পুরুষেরা সারাদিন কর্মব্যাস্ততার পর স্ত্রীর স্ত’নে নিজের শান্তি খুজে পায়। স্ত’নে মাথা রেখে শুয়ে শান্তির খোজ করতে ভালোবাসে পুরুষেরা। গবেষণা বলে যে সব পুরুষ স্ত’নে মাথা রেখে ঘুমান তাড়া সুস্থ থাকেন, বেশিদিন বাঁচেন।

৭। স্ত’নের গঠন ইলাস্টিসিটির জন্য নারীদের স্ত’ন ছুঁয়ে দেখতে চায় পুরুষ। এখানে বিশেষজ্ঞরা একটি মনস্তাত্ত্বিক যুক্তির কথা বলেন। তারা বলেন যে সব পুরুষ নিজের স্ত্রী বা প্রেমিকার স্ত’ন খুব যত্নের সঙ্গে ছুঁয়ে দেখেন তারা স্ত্রীর প্রতি খুব দায়ীত্বশীল হন।

৮। স্ত’নযুগল নারী শরীরের অন্যতম রহস্যময় স্থান। যখনই পুরুষের চোখ স্ত’নের দিকে যায় তখনই মহিলারা পোশাকের নীচে স্ত’নের আসল আকৃতি নিয়ে ভাবতে শুরু করে দেয়। সেই স্ত’নের রহস্যভেদ না হওয়া পর্যন্ত সেই চিন্তা তাড়া করে।

৯। ক্লিভেজ ছাড়া স্ত’নের আসল মজা নেই। যে মহিলাদের পোশাকের বাইরে ক্লিভেজ দেখা যায় তাদের প্রতি বেশি আকর্ষিত হয় পুরুষেরা।

১০। নারীরাও নিজেদের স্ত’ন নিয়ে যথেষ্ট সচেতন। অন্তর্বাস পড়ার সময় মহিলারা খুব খুঁতখুঁতে হয়। তারা পোশাক পড়ার সময় বার বার আয়নায় নিজেদের মুখ দেখে। শুধু মুখ নয়, তারা স্ত’নও দেখে। দেখে যে স্ত’নের সাইজ কেমন লাগছে বা আগের থেকে কত বৃদ্ধি হয়েছে। সব মহিলাই চায় সুগঠিত সুন্দর স্ত’ন।

শারীরিক মিলনের স্বাভাবিক সময় কত মিনিটের হওয়া উচিৎ! সময় বাড়ানোর পদ্ধতি জেনে নিন

February 11, 2019
ছবি: সংগৃহীত

মিলনের ঠিক কত সময় পর বীর্যপাত হওয়া স্বাভাবিক এবং কত দ্রুত বীর্যপাত হলে তা অস্বাভাবিক, সেটা কি জানেন ? যদি না জানেন তাহলে জেনে নিন আজকের এই প্রতিবেদনে। সেক্স হল একটা আর্ট, এখানে নির্দিষ্ট বলে কিছু নেই, ধরা বাধার কোন নিয়ম নেই। এরকম অনেক কিছুই আছে যা কেউ করতে পারেনা, আবার এমন কিছু মিলনের পদ্ধতি আছে যা খুব সাধারণ।

মিলনের জন্য সময় কতটা যাবে সেই বিষয়টি নির্ভর করছে সম্পুর্ন আপনার নিজের উপর। আপনি যদি শুধুমাত্র নিজের যৌন পিপাসা মেটানোর জন্য মিলিত হতে চান তাহলে দুই এক মিনিটের বেশি সময় লাগবেনা।

আর যদি দুজনের ভালোবাসার প্রতিফলন হিসাবে পূর্ব প্রস্তুতি নিয়ে মিলিত হন তাহলে ১৫ মিনিটের বেশি সময় লাগতে পারে। সব কিছুই নির্ভর করছে আপনার নিজের ওপর। শারীরিক মিলনের স্বাভাবিক সময় হল সাত থেকে তেরো মিনিট।

এক গবেষণায় গবেষকরা প্রমাণ করেছেন যে একটি ভালোবাসাপূর্ন মিলনের জন্য তিন মিনিট যথেষ্ট। গবেষণায় যৌন অভিজ্ঞদের থেকে তাদের “পেনিট্রেটিভ সেক্সের” অর্থাৎ লি’ঙ্গ যৌ’নাঙ্গে প্রতিস্থাপন করে যে মিলন তার সময়কাল নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল।

তাদের মধ্যে এক কানাডিয়ান দম্পতি এবং এক আমেরিকান দম্পতিকে প্রশ্ন করা হলে তারা জানান যে মিলনের জন্য সাত থেকে তেরো মিনিট কাম্য। কিন্তু তারা এও বলেন যে তাদের কাছে দু থেকে তিন মিনিট খুবই কম সময় এবং তেরো মিনিটের বেশি সময় খুব লম্বা সময়।

কিছু নারীর যৌ-ন মিলন সম্পর্কে ভুল ধারনা আছে। কেউ কেউ মনে করেন যে পুরুষের লি’ঙ্গ যত মোটা হবে, যত দৃঢ় হবে, মিলন কালে লি’ঙ্গ রডের মতো শক্ত হবে এবং সারা রাত ধরে যে পুরুষ মিলন করবে সেই সামর্থ্যবান।

পুরুষেরও কিছু ভুল ধারনা আছে যৌন মিলন সম্পর্কে। তারা মনে করেন নারী হবে বিছানায় কর্মঠ, সুন্দর শরীরের অধিকারিণী, সব অবস্থায় সহযোগী হবে। এই প্রতিবেদনের মূল উদ্দেশ্য হল সকল নারী পুরুষকে যৌন মিলন সম্পর্কে অলীক কল্পনা নিয়ে না থেকে বাস্তববাদী হওয়া।

যৌন মিলন বিষয়ে সঠিক শিক্ষা জায়গা, অঞ্চল, গায়ের রঙ ও শরীরের আকারের উপর নির্ভর করে। এই বিষয়গুলির উপর মিলনের সময়ও নির্ভর করে। ভারত, বাংলাদেশ, মায়ানমার এসব জায়গায় বাদামি চামড়ার লোকেদের যৌন মিলনের সময় লাগে গড়ে চার মিনিট।

Sunday, February 10, 2019

তরুণীকে চার নারী মিলে গণধর্ষণ, গ্রেফতার এক!

February 10, 2019
ছবি: সংগৃহীত

এবার ২৫ বছর বয়সী এক মহিলার বিরুদ্ধে উঠল ধর্ষণের অভিযোগ। কোনও পুরুষ এই অভিযোগ আনেননি। এনেছেন ১৯ বছরের এক তরুণী। অবিশ্বাস্য ঘটনাটি ঘটেছে চিত্র-বিচিত্রের দেশ ভারতের দিল্লিতে। পুলিশ এই ঘটনায় চারজনকে গ্রেফতার করেছে। দেশটিতে সমলিঙ্গে ধর্ষণের এটাই প্রথম ঘটনা বলে জানাচ্ছে পুলিশ।

দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, নির্যাতিতা ওই তরুণী উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বাসিন্দা। কাজের সন্ধানে দিল্লি আসে সে। ওই মহিলা তাঁকে দিল্লির দিলশাদ কলোনিতে নিয়ে যায়। এবং সেখানে তাঁকে ধর্ষণ করে। সে একা নয়। আরও তিন জনের হাতে গণধর্ষিতা হতে হয় তাঁকে। শুধু তাই নয়, অভিযুক্তরা দিনের পর দিন ব্ল্যাকমেইল করে তাঁর উপর যৌন অত্যাচার চালাত। শেষ পর্যন্ত আর অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে পুলিশের কাছে অভিযোগ জানান ওই তরুণী। যার ভিত্তিতে ওই মহিলা সহ চারজনকে গ্রেফতার করা হয়।

আটকদের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির নানা ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। পাশাপাশি অভিযুক্ত ওই মহিলার বিরুদ্ধে ৩৭৭ ধারায় মামলা রুজু করেছে পুলিশ। ভারতের সুপ্রিম কোর্ট সমকামী যৌনতাকে অপরাধমুক্ত করার পর এই প্রথম সেদেশে ৩৭৭ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আটকদের জেরার পর কারকারডোমা আদালতে তোলা হয়। সেখানে আদালত অভিযুক্তদের জেল পাঠানোর নির্দেশ দেন।
গতবছর সেপ্টেম্বর মাসে এক ঐতিহাসিক রায়ে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট সংবিধানের ৩৭৭ ধারায় বর্ণিত সমকামী যৌনতাকে অপরাধমুক্ত করে। তার আগে ২০১৮ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত এই ধারায় ২৮টি অভিযোগ দায়ের হয়। ২০১৫ সাল থেকে ২০১৮ মার্চ মাস পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন পুলিশ থানায় ৫৪৩টি অভিযোগ জমা পড়ে।

পুলিশকে ডেকে এনে নিজেই উলঙ্গ হলেন তরুণী, পরের ঘটনা মারাত্মক

February 10, 2019
ছবি: সংগৃহীত

এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঘটনার সূত্রপাত বৃহস্পতিবার রাতে। মুম্বইয়ের বাসিন্দা ওই তরুণীর সঙ্গে তাঁর ফ্ল্যাটের নিরাপত্তারক্ষীর বচসা বাধে। তরুণীর অভিযোগ, বচসার সময়ে তাঁর গায়ে হাত দেন নিরাপক্ষারক্ষীরা। অন্য দিকে নিরাপক্ষারক্ষীদের অভিযোগ, তাঁদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেছেন ওই যুবতী।

এর পরেই পুলিশ আসে ওই ফ্ল্যাটে। কিন্তু তখনই বাধে বিপত্তি। পুলিশকর্মীদের সঙ্গে কোনও মহিলা পুলিশ ছিল না। এর পরেই পুলিশের সঙ্গে থানায় যেতে বেঁকে বসেন ওই যুবতী। তিনি জানান, মহিলা পুলিশকর্মী না এলে তিনি থানায় যাবেন না। কিন্তু ঘটনাস্থলে মোতায়েন পুলিশকর্মীরা সেই কথা না শুনলে তার পরে নিজের জামাকাপড় খুলে ফেলেন  তিনি তার পরেই শুরু করেন চিৎকার।

পরে ওই যুবতী গোটা ঘটনার ভিডিও আপলোড করেন টুইটারে। প্রধানমন্ত্রী, মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী ও পুলিশ কমিশনারকে ভিডিওটি ট্যাগও করে দেন তিনি। এর পরেই ভিডিওটি ভাইরাল হয়ে যায় সোশ্যাল মিডিয়ায়। এখনও পর্যন্ত এই ঘটনা কোনও এফআইআর দায়ের করা হয়নি।

বিয়ে পিঁড়িতে বসছেন ভারতের বাংলা চলচিত্রের জনপ্রিয় অভিনেত্রী নুসরাত জাহান

February 10, 2019
ছবি: সংগৃহীত

টলিপাড়ায় অনেক আগে থেকেই গুঞ্জন আছে নুসরাত জাহানের বিবাহিত জীবন নিয়ে, তবে কখনও নুসরাত স্বীকার করেনি। সম্প্রতি আবারও বিয়ে করতে যাচ্ছেন কলকাতার জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী। এজন্য পর্দার আড়ালে থাকা স্বামীকে ডিভোর্স দিচ্ছেন।

ব্যক্তিগত সম্পর্কের টানাপড়েনের জন্য সব সময়েই শিরোনামে নুসরাত। শোনা যাচ্ছে, নতুন সম্পর্কে রয়েছেন তিনি। সেই সম্পর্ক বিয়ের পথে এগোচ্ছে। একটি বিখ্যাত শাড়ির ব্র্যান্ডের মালিকের সঙ্গে নাকি গাঁটছড়া বাঁধতে চলেছেন নুসরাত। তবে এ বিয়ের জন্য আগের বিয়ে থেকে ডিভোর্স পেতে হবে। বিবাহ-বিচ্ছেদের আইনি প্রক্রিয়া চলছে বলে খবর।

বছর চারেক আগে রেজিস্ট্রি করে ভিক্টর ঘোষের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল তার। ভিক্টর পেশায় এভিয়েশন ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে যুক্ত। তবে জনসমক্ষে পরস্পর লিভ-ইন সম্পর্কে আছেন এমনটাই বলতেন। সংবাদমাধ্যমের সামনে অবশ্য বিয়ের কথাও স্বীকার করেননি নুসরাত।

তবে বরাবরই নুসরাত এই বিয়ের খবর অস্বীকার করে আসছে। নুসরাতের দাবি, ‘যারা বলছে আমি বিবাহিত, তারা প্রমাণ দিক। যার সঙ্গে অনেক দিন ধরে সম্পর্কে আছি, তাকেই বিয়ে করব।

Saturday, February 9, 2019

মুসলিম হওয়ায় বিদ্বেষের শিকার মিশরীয় তারকা ফুটবলার সালাহ

February 09, 2019
ছবি: সংগৃহীত

এবার ফুটবল মাঠে ধর্মীয় বিদ্বেষের শিকার হলেন ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব লিভারপুলের মিশরীয় তারকা মোহাম্মদ সালাহ। ওয়েস্টহ্যামের বিপক্ষে সর্বশেষ লিগ ম্যাচে ১-১ গোলে ড্র করেছে লিভারপুল। সেই ম্যাচেই একটা কর্নার নিতে গিয়ে এক ওয়েস্ট হ্যাম সমর্থক সালাহকে তার ধর্ম নিয়ে গালাগাল করেন। সেই ঘটনার ভিডিও এখন সোশ্যাল সাইটে ভাইরাল। সেই ভিডিওর ওপর ভিত্তি করে তদন্ত শুরু করেছে যুক্তরাজ্য পুলিশ।

সালাহকে উদ্দেশ্য করে যা কিছু বলা হলো, তা শুনে অনেক কষ্ট পেয়েছি। এসব লোক আমাদের সমাজে থাকার অনুপযুক্ত। এর চেয়ে খালি গ্যালারিতে ম্যাচ হওয়া ভালো।’ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর নড়েচড়ে বসে ওয়েস্ট হ্যাম ক্লাব ও লন্ডন মেট্রোপলিটন পুলিশ। ক্লাবটি জানিয়েছে, তারা দ্রুত এই ঘটনায় দায়ী ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গকে খুঁজে বের করতে চেষ্টা করবে। এক বিবৃতিতে ক্লাব কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বর্ণবাদ ও ধর্মীয় বিদ্বেষের এই ঘটনায় তারা জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করবে।

অভিযুক্তদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। ওয়েস্টহ্যাম একটি ঐতিহ্যবাহী ও অনন্য ফুটবল ক্লাব। এ নিন্দনীয় ঘটনার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের বিস্তারিত তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহায়তা করা হবে এবং ওয়েস্ট হ্যামের মাঠ লন্ডন স্টেডিয়ামে তাদের আজীবন নিষিদ্ধ করা হবে।

ছেলেদের জন্য ডিমের কুসুম বিশেষ উপকারী

February 09, 2019
ছবি: সংগৃহীত

ডিমের কুসুমে অনেক পরিমান পুষ্টিগুণ রয়েছে, যা ছেলেদের জন্য বিশেষ উপকারী হিসেবে কাজ করে। দিল্লির একটি বেসরকারি হাসপাতালের চিফ ডায়েটিশিয়ান এমনই দাবি করেছেন। অনেক পুরুষই ডিমের কুসুম না খেয়ে ডিমের সাদা অংশটি খান। কিন্তু অনেক পুরুষই ডিমের কুসুমের উপকারিতা  জানে না। ডিমের কুসুম খাব কি খাব না এ নিয়ে অনেকে দ্বিধা দণ্ডের মধ্যে থাকেন। ওজন বাড়িয়ে দেয়, হৃদরোগ তৈরি করে-এমন অনেক অভিযোগ রয়েছে ডিমের কুসুমের বিরুদ্ধে।

তবে সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের পুষ্টিবিদরা দাবি করেছেন, ডিমের কোলেস্টেরলকে যতটা ক্ষতিকর মনে করা হয়, আসলে অতটা ক্ষতিকর নয়। এর সঙ্গে হৃদরোগের কোনো সম্পর্কও খুঁজে পায়নি পুষ্টিবিদরা। তাই কুসুমসহ ডিম খাওয়ায় তেমন বাধা নেই। ডিম উচ্চ পুষ্টিসম্পন্ন। গবেষকরা বলছেন, সপ্তাহে একদিন ডিমের কুসুম খাওয়া জরুরি। জেনে নিন উপকারগুলো:-

ডিমের কুসুমে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিডস থাকে, যা ছেলেদের স্পার্ম কাউন্ট বাড়াতে সাহায্য করে থাকে। কুসুমে অতিরিক্ত পরিমাণে কপার থাকে, যা ছেলেদের টাক পড়া রোধ করে থাকে। কুসুমে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন থাকায় ছেলের মাংসপেশি এবং অ্যাবস শক্তিশালী করে। প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ডি থাকায় ডিমের কুসুম খেলে হাড় শক্ত হয়। ডিমের কুসুমে কোলিন থাকে, যা স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে থাকে।

কুসুমে প্রচুর মাত্রায় আয়রন থাকায় তা অ্যানিমিয়া রোধে সাহায্য করে থাকে। ডিমের কুসুমে ভিটামিন-ই থাকে, যা ছেলেদের ত্বক ফর্সা করতে সাহায্য করে। কুসুমে প্রচুর পরিমাণে ফসফরাস থাকে, যা খেলে দাঁত এবং মাড়ি মজবুত হয়ে থাকে। ক্যানসার প্রতিরোধের ক্ষেত্রেও ডিমের কুসুম উপকারী। কারণ এতে ভিটামিন কে থাকে।

Friday, February 8, 2019

লিঙ্গে কালজিরার তেল ব্যবহার করলে কি উপকার হয় জেনেনিন

February 08, 2019
ছবি : সংগৃহীত

সর্বরোগের মহাওষুধ হলো কালিজিরা। একমাত্র মৃত্যু ব্যতিত সকল রোগ থেকে মুক্তি পেতে কালিজিরার কথা ইসলামেও রয়েছে। কালিজিরার তেলে ১০০টিরও বেশি উপযোগী উপাদান আছে। এতে আছে প্রায় ২১ শতাংশ আমিষ, ৩৮ শতাংশ শর্করা এবং ৩৫ শতাংশ ভেষজ তেল ও চর্বি।

কালিজিরার অন্যতম উপাদানের মধ্যে আছে নাইজেলোন, থাইমোকিনোন ও স্থায়ী তেল। এতে আরও আছে আমিষ, শর্করা ও প্রয়োজনীয় ফ্যাটি এসিডসহ নানা উপাদান। পাশাপাশি কালিজিরার তেলে আছে লিনোলিক এসিড, অলিক এসিড, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, আয়রন, জিংক, ম্যাগনেশিয়াম, সেলেনিয়াম, ভিটামিন-এ, ভিটামিন-বি, ভিটামিন-বি২, নিয়াসিন ও ভিটামিন-সি।

এর মধ্যে রয়েছে ফসফেট, লৌহ, ফসফরাস, কার্বো-হাইড্রেট ছাড়াও জীবাণু নাশক বিভিন্ন উপাদান সমূহ। এতে রয়েছে ক্যন্সার প্রতিরোধক কেরোটিন ও শক্তিশালী হর্মোন, প্রস্রাব সংক্রান্ত বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধকারী উপাদান, পাচক এনজাইম ও অম্লনাশক উপাদান এবং অম্লরোগের প্রতিষেধক কালিজিরার তেল এ প্রাকিতিক শক্তি আছে তাই এটির জন্য কালিজিরার তেল লিঙ্গে মাখলে সহজে বীর্যপাত হয় না এবং লিঙ্গ অনেক বেশি শক্ত হয়।

পুরুষাঙ্গ প্রতিদিন কালিজিরার তেল দিয়ে মালিশ করলে, পুরুষাঙ্গ শক্ত ও মোটা হতে পারে। সবসময় পুষ্টিকর খাবার খান কারন প্রতিদিনের স্বাভাবিক খাবারেই যৌনক্ষমতা ধরে রাখা সম্ভব। আর কিছু সেক্সফুড আছে যা সত্যিই যৌনক্ষমতা বাড়ায় ওগুলো খাবেন।

আসলে লিঙ্গ মোটা করা কিংবা লম্বা করার মত কোনো ব্যাবস্থা এখনো পর্যন্ত তৈরি হয়নি। আপনি যদি লিঙ্গ মোটা করার জন্যে কোনো কিছু করতে চান তাহলে সেটা আপনার জন্যে বিপদও ডেকে আনতে পারে। সবসময় পুষ্টিকর খাবার খান কারন প্রতিদিনের স্বাভাবিক খাবারেই যৌনক্ষমতা ধরে রাখা সম্ভব। আর কিছু সেক্সফুড আছে যা সত্যিই যৌনক্ষমতা বাড়ায় ওগুলো খাবেন।কালিজিরার তেলে ১০০টিরও বেশি উপযোগী উপাদান আছে। এতে আছে প্রায় ২১ শতাংশ আমিষ, ৩৮ শতাংশ শর্করা এবং ৩৫ শতাংশ ভেষজ তেল ও চর্বি।

কালিজিরার অন্যতম উপাদানের মধ্যে আছে নাইজেলোন, থাইমোকিনোন ও স্থায়ী তেল। এতে আরও আছে আমিষ, শর্করা ও প্রয়োজনীয় ফ্যাটি এসিডসহ নানা উপাদান।পাশাপাশি কালিজিরার তেলে আছে লিনোলিক এসিড, অলিক এসিড, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, আয়রন, জিংক, ম্যাগনেশিয়াম, সেলেনিয়াম, ভিটামিন-এ, ভিটামিন-বি, ভিটামিন-বি২, নিয়াসিন ও ভিটামিন-সি।এর মধ্যে রয়েছে ফসফেট, লৌহ, ফসফরাস, কার্বো- হাইড্রেট ছাড়াও জীবাণু নাশক বিভিন্ন উপাদান সমূহ।

এতে রয়েছে ক্যন্সার প্রতিরোধক কেরোটিন ও শক্তিশালী হর্মোন, প্রস্রাব সংক্রান্ত বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধকারী উপাদান, পাচক এনজাইম ও অম্লনাশক উপাদান এবং অম্লরোগের প্রতিষেধক।

কালি জিরার স্বাস্থ্যগুন: তিলের তেলের সাথে কালিজিরা বাঁটা বা কালিজিরার তেল মিশিয়ে ফোড়াতে লাগালে ফোড়ার উপশম হয়। অরুচি, উদরাময়, শরীর ব্যথা, গলা ও দাঁতের ব্যথা, মাইগ্রেন, চুলপড়া, সর্দি, কাশি, হাঁপানি নিরাময়ে কালিজিরা সহায়তা করে। ক্যান্সার প্রতিরোধক হিসাবে কালিজিরা সহায়ক ভূমিকা পালন করে। চুলপড়া, মাথাব্যথা, অনিদ্রা, মাথা ঝিমঝিম করা, মুখশ্রী ও সৌন্দর্য রক্ষা, অবসন্নতা-দুর্বলতা, নিষ্কিয়তা ও অলসতা, আহারে অরুচি, মস্তিষ্কশক্তি তথা স্মরণশক্তি বাড়াতেও কালোজিরা উপযোগী।

মাথা ব্যথায় কপালে উভয় চিবুকে ও কানের পার্শ্ববর্তি স্থানে দৈনিক ৩/৪ বার কালোজিরা তেল মালিশ করলে উপকার পাওয়া যায়। কালোজিরা চূর্ণ ও ডালিমের খোসাচূর্ণ মিশ্রন, কালোজিরা তেল ডায়াবেটিসে উপকারী। চায়ের সাথে নিয়মিত কালোজিরা মিশিয়ে অথবা এর তেল বা আরক মিশিয়ে পান করলে হৃদরোগে যেমন উপকার হয়, তেমনি মেদ ও বিগলিত হয়।

মধুসহ প্রতিদিন সকালে কালোজিরা সেবনে স্বাস্থ্য ভালো থাকে ও সকল রোগ মহামারী হতে রক্ষা পাওয়া যায়। জ্বর, কফ, গায়ের ব্যথা দূর করার জন্য কালিজিরা যথেষ্ট উপকারী বন্ধু। এতে রয়েছে ক্ষুধা বাড়ানোর উপাদান। পেটের যাবতীয় রোগ-জীবাণু ও গ্যাস দূর করে ক্ষুধা বাড়ায়। সন্তান প্রসবের পর কাঁচা কালিজিরা পিষে খেলে শিশু দুধ খেতে পাবে বেশি পরিমাণে। কালিজিরায় রয়েছে অ্যান্টিমাইক্রোরিয়াল এজেন্ট, অর্থাৎ শরীরের রোগ-জীবাণু ধ্বংসকারী উপাদান।

এই উপাদানের জন্য শরীরে সহজে ঘা, ফোড়া, সংক্রামক রোগ (ছোঁয়াচে রোগ) হয় না। কালিজিরা মেধার বিকাশের জন্য কাজ করে দ্বিগুণ হারে। কালিজিরা নিজেই একটি অ্যান্টিবায়োটিক বা অ্যান্টিসেপটিক।দাঁতে ব্যথা হলে কুসুম গরম পানিতে কালিজিরা দিয়ে কুলি করলে ব্যথা কমে; জিহ্বা, তালু, দাঁতের মাড়ির জীবাণু মরে। কালিজিরা কৃমি দূর করার জন্য কাজ করে।

দেহের কাটা-ছেঁড়া শুকানোর জন্য কাজ করে। কালোজিরার যথাযথ ব্যবহারে দৈনন্দিন জীবনে বাড়তি শক্তি অজির্ত হয়। এর তেল ব্যবহারে রাতভর প্রশান্তিপর্ন নিদ্রা হয়। প্রস্রাব বৃদ্ধির জন্য কালিজিরা খাওয়া হয়। বহুমুত্র রোগীদের রক্তের শর্করার মাত্রা কমিয়ে দেয় এবং নিম্ন রক্তচাপকে বৃদ্ধি করে ও উচ্চ রক্তচাপকে হ্রাস করে। মস্তিস্কের রক্ত সঞ্চলন বৃদ্ধির মাধ্যমে স্মরণ শক্তি বাড়িয়ে তুলতে সাহায্য করে।

Thursday, February 7, 2019

মোবাইল ফোনের কারণে কি ক্যান্সার হতে পারে?

February 07, 2019
ছবি : সংগৃহীত

মোবাইল ফোন বা এই ধরনের তারবিহীন যোগাযোগ যন্ত্র থেকে যে তরঙ্গ বিকিরণ হয় সেটা সবারই জানা। তাই বর্তমান বিশ্বে মোবাইল ফোনের সহজলভ্যতার সাথে পাল্লা দিয়ে এর রেডিয়েশন নিয়ে দুশ্চিন্তাও বাড়ছে। অনেকেই বলছেন “বেশি সময় ফোন কানে নিয়ে কথা বললে মস্তিষ্কে ক্যান্সার হতে পারে… পকেটে মোবাইল ফোন রাখলে রেডিয়েশন থেকে শারীরিক ক্ষতিসাধন হতে পারে” ইত্যাদি। কিন্তু এ ব্যাপারে বিজ্ঞানীরা কী বলছে? এমন কোনো গবেষণা কি আছে যা দ্বারা প্রমাণ হয় মোবাইল ফোনের রেডিয়েশন থেকে মানুষের ক্যান্সার হতে পারে? সেই প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যাবে এই পোস্টে।

রেডিয়েশন! রেডিয়েশন!!
আমরা কেনই বা মোবাইল ফোনের রেডিয়েশন নিয়ে এতটা দুশ্চিন্তায় আছি? এর কারণ হচ্ছে, রেডিয়েশন শব্দটার মাঝেই আমরা একধরনের ভয় পাই, যে এই অদৃশ্য শক্তির নিশ্চয়ই অনেক ক্ষমতা! বিশেষ করে জাপানের হিরোশিমা আর নাগাসাকিতে যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক পারমাণবিক হামলায় রেডিয়েশনে মানুষের ক্ষতির কথা জানার পর থেকে রেডিয়েশন শব্দটাই আমাদের কাছে একটা নেতিবাচক অর্থ দাঁড়া করাচ্ছে।

তাহলে মোবাইল ফোনের তরঙ্গ থেকে মানুষের কি ক্যান্সার হতে পারে? সত্যি কথা বলতে গত কয়েক বছর ধরেই বিজ্ঞানীরা এই প্রশ্নের উত্তর পেতে চেষ্টা করছেন। তবে এখন পর্যন্ত এ সংক্রান্ত সকল প্রশ্নের স্পষ্ট উত্তর পাওয়া এখনো যায়নি।

গবেষণা কী বলছে?
গত বছর প্রকাশিত আমেরিকান সরকারের একটি গবেষণায় কতগুলো ইঁদুরের উপর খুবই উচ্চমাত্রার সেলফোন রেডিয়েশন প্রয়োগ করা হলে দেখা যায় কিছু পুরুষ ইঁদুরের হৃদপিণ্ডে এক ধরনের টিউমার সৃষ্টি হয়েছে। কিছু পুরুষ ইঁদুরের ব্রেইনেও টিউমার ধরা পড়ে। অবশ্য, স্ত্রী জাতীয় ইঁদুরে এই সমস্যা দেখা যায়নি। এর সাাথে যোগসূত্র থাকার ব্যাপারে একটি প্রেস রিলিজও প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি সংস্থা ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব এনভায়রোমেন্টাল হেলথ সায়েন্সেস।

তবে যুক্তরাষ্ট্রের আরেকটি সরকারি সংস্থা এফডিএ এ ব্যাপারে বলছে, বর্তমানের সেফটি লিমিট অনুযায়ী সেলফোন থেকে বিকিরিত রেডিওফ্রিকোয়েন্সি এনার্জি  মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য নিরাপদ বলে এফডিএ বিশ্বাস করে। যদিও এসব ব্যাপারে এখনও গবেষণা চলছে।

সেলফোনগুলো থেকে অবশ্যই পরিবেশে রেডিয়েশন হচ্ছে। কিন্তু তার মানে এই না যে এটা একটা পারমাণবিক বোমা থেকে বা এক্সরে মেশিন থেকে প্রাপ্ত রেডিয়েশনের মতো শক্তিশালী!

মোবাইল ফোনের রেডিয়েশন কি ক্ষতিকর?
রেডিয়েশন বিভিন্ন রকম হতে পারে। অ্যামেরিকান ক্যান্সার সোসাইটির ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, সেলফোনের রেডিয়েশন হচ্ছে রেডিওফ্রিকোয়েন্সি রেডিয়েশন যা মানুষের দেহকোষকে ক্ষতিগ্রস্ত করে টিউমার সৃষ্টি করার মতো যথেষ্ট শক্তিশালী নয়। এগুলোকে বলে ‘নন-আয়োনাইজিং’ রেডিয়েশন বলে, যা কোষে ডিএনএ এর রাসায়নিক বন্ধন ভেঙে ক্যান্সার তৈরি করতে সক্ষম নয়। এ ধরণের আরও কিছু ‘নন-আয়োনাইজিং’ রেডিয়েশন হচ্ছে এফএম রেডিওর তরঙ্গ, মাইক্রোওয়েভ এবং দৃশ্যমান আলো।

অ্যামেরিকান ক্যান্সার সোসাইটি আরও বলছে, অনেক বেশি মাত্রায় মোবাইল ফোনের তরঙ্গ যদি মানবদেহের সংস্পর্শে আসে, তাহলে এটি শরীরের কোষের উষ্ণতা বাড়িয়ে দিতে পারে। সেইসাথে সাইটটি এটাও বলছে, মোবাইল ফোন থেকে বিকিরিত তরঙ্গের শক্তি এতটাই কম, যে তা মানুষের কোষের উষ্ণতা বৃদ্ধি করার জন্য যথেষ্ট না।

সবকিছুর পরেও সেলফোন রেডিয়েশনকে ক্ষতিকর মনে করার জন্য অনেক তথ্য উপাত্ত হয়ত আপনি পাবেন, যেহেতু বিজ্ঞানীরাও এখনো সম্পুর্ন পরিষ্কার নন বিষয়টি নিয়ে। শত শত গবেষণা হয়েছে, কিন্তু সরাসরি সেলফোন রেডিয়েশনকে মানুষের জন্য ক্যান্সারের কারণ বলে কেউ ১০০% প্রমাণ করতে পারেনি। তবে বিজ্ঞানীরা বরাবরই এর ঝুঁকির ব্যাপারে ইঙ্গিত দিয়েছেন।

দিনে দিনে নেটওয়ার্কে পরিবর্তন আসছে। ইঁদুরের ওপর পরিচালিত উপরোক্ত গবেষণা ২জি, ৩জি নেটওয়ার্কের ফ্রিকোয়েন্সি দিয়ে করা হয়েছে। এখন ৪জি ও ৫জি এর যুগ। তাই সময়ের সাথে মোবাইল ফোনের বিকিরণ মানবদেহে কেমন প্রভাব ফেলে সে ব্যাপারে উপসংহার টানার সময় এখনও হয়নি।

তবে যেহেতু বিজ্ঞানীরা আগাম সতর্কতা হিসেবে মোবাইল ফোনের তরঙ্গ থেকে যতটা সম্ভব দূরে থাকতে পরামর্শ দিয়েছেন, তাই আমাদের অবশ্যই যতটা সম্ভব মোবাইল ব্যবহার কমানো উচিত। সেই সাথে মোবাইল ফোন এর অতিরিক্ত ব্যবহার যেন আমাদের যান্ত্রিক না করে দেয় সেদিকে খেয়াল রাখাটাও অনেক দরকার।

‘কমে যাচ্ছে পুরুষের শুক্রাণু বিলুপ্ত হতে পারে মানুষ’

February 07, 2019
ছবি: সংগৃহীত

প্রায় দুই শত টি গবেষণা প্রতিবেদনের তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে গবেষকেরা সারা বিশ্বে পুরুষদের শরীরে যে হারে শুক্রাণুর সংখ্যা বা স্পার্ম রেট কমে যাচ্ছে, শুক্রাণু কমে যাবার সেই হার বজায় থাকলে মানুষ বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে বলে হুঁশিয়ার করে দিয়েছেন চিকিৎসকরা। প্রায় দুই শতটি  গবেষণা প্রতিবেদনের তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণ করে গবেষকেরা দেখেছেন, ৪০ বছরেরও কম সময়ের মধ্যে প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে পুরুষদের শুক্রাণুর কাউন্ট।

উত্তর আমেরিকা, ইউরোপ, অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ডের পুরুষদের ওপর করা হয়েছিল এসব গবেষণা। মানব প্রজন্মের সাম্প্রতিক এই তথ্য নিয়ে অবশ্য কিছু গবেষক সন্দেহও প্রকাশ করেছেন। তবে তথ্য সংগ্রহের এই গবেষণা দলের প্রধান ড: হ্যাগাই লেভিন জানাচ্ছেন, ভবিষ্যতে কী ঘটবে তা নিয়ে তিনি ‘খুবই উদ্বিগ্ন’।

এই তুলনামূলক গবেষণাটি করা হয় ১৯৭৩ইং  থেকে ২০১১ইং  সাল পর্যন্ত। এই সময়কালে করা ১৮৫টি গবেষণার তথ্যের ভিত্তিতে এই গবেষণা কাজটি করে ড: লেভিনের দল। ডঃ লেভিন একজন ‘এপিডেমিওলজিস্ট’। রোগ বিস্তার সংক্রান্ত বিদ্যা ও এর সাথে সম্পর্কিত ওষুধের শাখা, রোগের সম্ভাব্য নিয়ন্ত্রণ এসব বিষয়ে তিনি বিশেষজ্ঞ গবেষক। বিবিসিকে ডঃ লেভিন জানান, “এভাবে স্পার্ম কাউন্ট কমতে থাকলে এক সময় মানুষ বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে”। শুক্রাণু কমে যাবার সংখ্যা ‘দিনে দিনে বাড়ছে’ “আমরা যদি নিজেদের জীবনযাপনের ধরন, পরিবেশ এবং রাসায়নিক ব্যবহারে পরিবর্তন না হয়, তাহলে ভবিষ্যতে কী হবে তা ভেবে আমি উদ্বিগ্ন” ।

“একটা সময়ে এটা বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়াবে, আর তাতে মানব প্রজাতির বিলুপ্তিও হয়ে যেতে পারে” -বিবিসিকে বলেন ড: লেভিন। যেসব বিজ্ঞানীরা এই গবেষণার সঙ্গে ছিলেন না তারাও এই গবেষণার মানের প্রশংসা করে বলেন, তাদের কাজ খুবই ভালো, তাদের তথ্যও ঠিক আছে। কিন্তু এখনই এই সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায় না যে ‘মানব প্রজাতি বিলুপ্ত হয়ে যাবে’। জেরুজালেমের হিব্রু ইউনিভার্সিটির গবেষক ড: লেভিন তাঁর অনুসন্ধানে দেখেছেন, শুক্রাণুর ঘনত্ব কমে এসেছে ৫২.৪ শতাংশ এবং শুক্রাণুর কাউন্ট কমে এসেছে ৫৯.৩ শতাংশ।

 উত্তর আমেরিকা, ইউরোপ, অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ডে বসবাসরত পুরুষদের মধ্যে  শুক্রাণুর হার কমে যাবার এই ধারা অব্যাহত রয়েছে এবং এটি দিনে দিনে আরো বাড়ছে। পূ্র্ববর্তী গবেষণা নিয়ে ‘দ্বন্দ্ব’ তবে দক্ষিণ আমেরিকা, এশিয়া এবং আফ্রিকার পুরুষদের মধ্যে শুক্রাণু কাউন্ট বা শুক্রাণুর হার কমতে দেখা যায়নি। তবে গবেষকেরা বলছেন, এসব দেশে যথেষ্ট গবেষণা হয়নি এবং একটা সময়ে এখানেও শুক্রাণু কাউন্ট কমে আসতে পারে বলে ধারণা করেছেন ড: লেভিন।

এসব গবেষণার তথ্য নিয়ে বিতর্ক আছে অনেক কারণে। এর আগে কয়েকটি গবেষণা কাজে বলা হয়েছিল উন্নত অর্থনীতির দেশে শুক্রাণু কাউন্ট কমে আসছে। তবে বিশেষজ্ঞদের অনেকের ধারণা এর মধ্যেও ‘বিভ্রান্তিমূলক তথ্য’ রয়েছে। এছাড়া আরো কিছু গবেষণা করা হয় কমসংখ্যক পুরুষ নিয়ে। আবার ফার্টিলিটি ক্লিনিক থেকে তথ্য নিয়ে যেসব গবেষণা করা হয় সেখানে শুক্রাণু কাউন্ট কম আসা স্বাভাবিক, কারণ মানুষ সমস্যা নিয়েই সেখানে যায়। আরেকটি বড় চিন্তার বিষয় হলো, শুক্রাণু কাউন্ট কমে আসছে এমন ফলাফল দেখতে পেলে তা জার্নালে প্রকাশিত হবার সম্ভাবনা থাকে বেশি।

এই কারণে হয়তো  শুক্রাণু হার কমে আসছে এমন একটা ভুল ধারণা তৈরি হতে পারে। কিন্তু এই গবেষকেরা দাবি করছেন এরকম সব ধরনের সমস্যার বিষয়েই তারা চিন্তা করেছেন এবং গবেষণা করে যে তারা যে ফলাফল পেয়েছেন তা সত্য বলে মানছেন অনেকে। যেমন শেফিল্ড ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক অ্যালান পেসি বলছেন “এর আগে শুক্রাণু কাউন্টের বিষয়ে যেসব গবেষণা হয়েছে তাতে আমি খুব একটা আশ্বস্ত হয়নি।

কিন্তু ড: লেভিন ও তার দল যে গবেষণা করেছেন এবং তারা যে প্রতিবেদন দিয়েছেন তা পূর্ববর্তী অনেক গবেষণা নিয়ে ভ্রান্তি দূর করে দেয়”। ধুমপান এবং স্থূলতা তবে অধ্যাপক পেসি বলছেন, নতুন এই গবেষণাটি অনেক ভ্রান্তি দূর করলেও ফলাফলের বিষয়টি নিয়ে সতর্কতার সাথে এগুতে হবে। “এ বিষয়টা নিয়ে তর্কের অবসান কিন্তু এখনই হচ্ছে না। এ বিষয়ে আরো অনেক কাজ করতে হবে” -বলেন অধ্যাপক পেসি।

কেন শুক্রাণু হার কমে যাচ্ছে তার সঠিক কারণ এখনো জানা যায়নি। তবে কীটনাশক এবং প্লাস্টিকে থাকা রাসায়নিকের সংস্পর্শে আসা, ওবেসিটি বা স্থূলতা, ধুমপান, মানসিক চাপ, খাদ্যভ্যাস, এমনকি অতিরিক্ত টিভি দেখা এক্ষেত্রে ক্ষতিকর বলে গবেষণা প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।। ড: লেভিন বলছেন, কেন শুক্রাণুর হার কমে যাচ্ছে সে বিষয়টি জানা খুব জরুরি হয়ে পড়েছে। একইসাথে এমনটা যেন না ঘটে সেই উপায়ও খুঁজে বের করতে হবে বলে উল্লেখ করেন এই চিকিৎসক বিশেষজ্ঞ।

Wednesday, February 6, 2019

নিম্নাঙ্গে নয়, ঊর্ধ্বাঙ্গেই চরম শরীরী সুখের হদিশ দিতে ৬টি উপায় এখন শিরোনামে

February 06, 2019
ছবি : সংগৃহীত

মানব শরীরে কি সুখস্থান কেবল নিম্নাঙ্গেই? বাৎস্যায়ন জানিয়েছেন, শরীরী সুখের হদিশ লুকিয়ে রয়েছে দেহের সর্বত্র। কিন্তু সেই সন্ধান জানে খুব কম মানুষই। পশ্চিমি বিশ্বে এই সুখ-সন্ধান নিয়ে চলছে নিরন্তর গবেষণা। প্রথাগত যৌনতা থেকে বেরিয়ে সুখের নতুন দিগন্ত উন্মোচন নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন বিজ্ঞানী থেকে শুরু করে সেক্স টয়ের কোম্পানিগুলির কর্তারা পর্যন্ত।

এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে জানা গিয়েছে, ইউরোপ ও মার্কিন মুলুকের বাজার ছেয়ে গিয়েছে এমন কিছু সেক্স টয়-এ, যার সঙ্গে তেমন পরিচিতি ছিল না গ্রাহকদের। সেক্স টয় প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলি জানাচ্ছে, নিম্নাঙ্গে নয়, মানব-ঊর্ধ্বাঙ্গেই চরমতম শরীরী অনুভূতি জাগাতে তারা বের করেছে বিবিধ ‘খেলনা’। এই শরীরী সুখ স্তনবৃন্ত-কেন্দ্রিক। তাই একে ‘অরগ্যাজম’ না বলে ‘নিপলগ্যাজম’ বলাই শ্রেয়, এমনটাই মত প্রস্তুতকর্তাদের।

এই জাতীয় সেক্স টয়ের ব্যবহার যে আগে ছিল না, এমন নয়। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ‘রিফাইনারিটোয়েন্টি ডট কম’ থেকে জানা যাচ্ছে, ২০১১ সালেই এক সমীক্ষায় বিজ্ঞানীরা দেখেছিলেন, স্ত্রী-পুরুষ উভয়েরই স্তনবৃন্ত এক বিশেষ সুখস্থান। সেখান থেকেও চরম রতিসুখ লাভ হতে পারে। এই সমীক্ষা মার্কিন ন্যাশনাল লাইব্রেরি অফ মেডিসিন-এর জার্নালেও প্রকাশিত হয়। বিজ্ঞানীরা দেখান যে, স্তনবৃ্ন্তের বিশেষ শৃঙ্গার মস্তিষ্কের এমন কিছু অংশকে সক্রিয় করে তোলে, যা অন্য উপায়ে ততটা সম্ভব নয়। এই ক্রিয়াই ‘নিপলগ্যাজম’। 

‘নিপলগ্যাজম’-কে গ্রাহকদের ‘হাতের মুঠোয়’ তুলে দিতে ৬ রকমের সেক্স টয় বাজারে লভ্য হয়েছে সম্প্রতি। এগুলি যথাক্রমে— নিপল সাকার, ক্ল্যাম্প, পেন্ড্যান্ট, নিপল বাম, নিপল ম্যাগনেট ও ফিঙ্গার টিজার। এদের বিশদ ব্যবহার নিয়েও প্রচার চালাচ্ছে উৎপাদনকারী সংস্থাগুলি। 

পান পাতার ১০টি গুনা গুন জেনেনিন

February 06, 2019
ছবি : সংগৃহীত

পান পাতায় উপস্থিত একাধিক উপাদান নানাবিধ রোগের প্রকোপ হ্রাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। কিন্তু পান পাতার উপকারিতা সম্পর্কে আমরা তেমন অবগত নই। আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে নানা রোগের চিকিৎসায় এই পাতাটির ব্যবহার করা হয়। আসুন জেনে নেয়া যাক কী কী রোগের চিকিৎসায় এই প্রাকৃতিক উপাদানটি কাজে আসে:

১. নিমেষে মাথা যন্ত্রণা কমিয়ে ফেলে: শুনতে আজব লাগলেও এ কথার মধ্যে কোনও ভুল নেই যে নিয়মিত পান পাতা খাওয়া শুরু করলে শরীরের ভেতরে “কুলিং প্রপাটির” মাত্রা বাড়তে শুরু করে, যার প্রভাবে মাথা যন্ত্রণা কমে যেতে শুরু করে। প্রসঙ্গত, মাথা যন্ত্রণা কমাতে আরেক ভাবেও পান পাতাকে কাজে লাগানো যেতে পারে। কীভাবে? এবার থেকে যখনই মাথা যন্ত্রণা করবে তখনই ১-২ টা পান পাতা নিয়ে কপালে লাগিয়ে ফেলবেন। দেখবেন কষ্ট কমতে সময় লাগবে না।

২. কনস্টিপেশনের মতো রোগ দূরে পালায়: বেশ কিছু গবেষনায় দেখা গেছে পান পাতায় উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরে প্রবেশ করার পর এমন খেল দেখায় যে “পি এইচ লেভেল” স্বাভাবিত হতে সময় লাগে না। ফলে কোষ্টকাঠিন্যের মতো রোগের প্রকোপ কমতে শুরু করে।

৩. ব্রণের প্রকোপ কমায়: পান পাতার অন্দরে উপস্থিত অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল প্রপাটিজ একদিকে যেমন ব্রণের প্রকোপ কমায় অন্যদিকে স্কিন অ্যালার্জি এবং চুলকানির মতো সমস্যা দূর করতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। এখন প্রশ্ন হল, ত্বকের পরিচর্যায় কীভাবে কাজে লাগাতে হবে পান পাতাকে? এক্ষেত্রে কয়েকটি পান পাতা নিয়ে প্রথমে ভাল করে বেটে নিতে হবে। তারপর অল্প পরিমাণ হলুদ, পান পাতার সঙ্গে মিশিয়ে সারা মুখে ভাল করে লাগিয়ে কম করে ১৫-২০ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে। সময় হয়ে গেলে ধুয়ে ফেলতে হবে মুখটা।

৪. ওজন হ্রাসে সাহায্য করে: যে কোনও অনুষ্টান বাড়িতে মহাভোজের পর পান পরিবেশন করার রেওয়াজ রয়েছে কেন জানেন? কারণ পান পাতায় এমন কিছু উপাদান রয়েছে যা আমাদের বিপাক প্রক্রিয়াকে জোরদার করে। সেই সঙ্গে হজমে সহায়ক রসের !ক্ষরণ বাড়িয়ে দিয়ে হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটায়। এখানেই শেষ নয়, পান পাতায় উপস্থিত ফাইবার, কনস্টিপেশন দূর করে এবং শরীরে জমে থাকা অতিরিক্ত চর্বিকে গলিয়ে দেয়। ফলে একাধারে যেমন ওজন হ্রাস পায়, তেমনি নানাবিধ শারীরিক সমস্যাও কমতে শুরু করে।

৫. ক্ষত সারাতে কাজে দেয়: পান পাতায় রয়েছে প্রচুর মাত্রায় অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। এই উপাদানটি যে কোনও ক্ষত সারিয়ে তুলতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। এক্ষেত্রে ক্ষতস্থানে প্রথমে অল্প করে পান পাতার রস দিয়ে দিন। তারপর তার উপর কয়েকটি পান পাতা রেখে বেঁধে দিন। এমনভাবে ১-২ দিন থাকলেই দেখবেন ক্ষত একেবারে সেরে গেছে।

৬. অবসাদ কমাতে এবং মন ভাল করতে সাহায্য করে: যারা মারাত্মক মানসিক চাপে ভুগছেন তারা আজ থেকেই পান পাতা খাওয়া অভ্যাস করতে পারেন। কারণ এতে উপস্থিত বেশ কিছু প্রাকৃতিক উপাদান নিমেষে মন ভাল করে দেয়। সেই সঙ্গে-ডিপ্রেশন কমাতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে পান। এক্ষেত্রে রাতের খাবার শেষ করে ১-২ টা পান পাতা চিবোলেই দারুন উপকার পাওয়া যায়।

৭. জয়েন্ট পেইন কমায়: পলিফেনাল নামে এক ধরনের অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান রয়েছে পান পাতায়, যা প্রদাহ বা যন্ত্রণা কমাতে দারুন কাজে আসে। সেই কারণেই তো আর্থ্রাইটিস রোগীদের পান পাতার রস লাগানোর পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা।

৮. মুখের গন্ধ দূর করে: মুখ গহ্বরে উপস্থিত ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াদের মেরে ফেলে মুখের বদ গন্ধ দূর করতে পান পাতার কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। আসলে পান পাতা চিবানোর সময় প্রচুর মাত্রায় স্যালাইভা তৈরি হয়, যা গন্ধ সৃষ্টিকারি ব্যাকটেরিয়াদের মেরে ফেলে। সেই সঙ্গে পি এইচ লেভেলকে স্বাভাবিক মাত্রায় নিয়ে আসে। ফলে গন্ধ একেবারে গায়েব হয়ে যায়।

৯. গলা ব্যথা কমায়: অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান থাকার কারণে গলা ব্যথা এবং ঠান্ডা লাগার মতো সমস্যা কমাতে পান পাতা বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। শুধু তাই নয়, প্রতিদিন পান পাতার সঙ্গে অল্প করে মধু খেলে গলার সংক্রমণও দূর হয়। তাই আবহাওয়া বদলের সময় যারা খুব রোগে ভুগে থাকেন, তারা এমন সময় সঙ্গে পান পাতা রাখতে ভুলবেন না।

১০. বদ হজমের সমস্যা দূর করে: যারা প্রায়শই বদ হজমে ভুগে থাকেন তারা আজ থেকেই পান পাতা খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন দারুন উপকার পাবেন। কারণ এতে রয়েছে গ্যাস্ট্রো প্রটেকটিভ এজেন্ট। সেই সঙ্গে রয়েছে অ্যান্টি-ফ্লটুলেন্ট এবং কার্মিনেটিভ এজেন্ট যা স্যালিভারি জুসের উৎপাদন বাড়িয়ে দেয়। ফলে হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটে।

শুধু পুরুষ না নারীরাও যৌন নির্যাতনকারী হয়ে থাকে

February 06, 2019
ছবি : সংগৃহীত

বৃটেনে শিশু ও টিনেজ বালক- বালিকাদের ওপর যৌন নির্যাতনকারী নারীর সংখ্যা বাড়ছেক্রমাগতভাবে। তাদেরকে অভিযুক্ত করে সাজা দেয়া হলেও এ প্রবণতা থামছে না। মঙ্গলবার সোফি এলমস নামের ১৮ বছর বয়সী এক নারীকে এমন অভিযোগে ৭ বছর ১০ মাসের জেল দিয়েছে আদালত। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ দুটি শিশুর ওপর ভয়াবহ যৌন নির্যাতন করেছেন তিনি। ওই দুটি শিশুর একটির বয়স দুই বছর। অন্যজনের তিন।

এভাবে শিশুদের ওপর যৌন নির্যাতনকারীদের ইংরেজিতে বলা হয় পায়েডোফাইল। সোফি এলমস এমন নির্যাতনকারী একাই নন, বৃটিশ আইন মন্ত্রণালয়ের নতুন এক রিপোর্টে বলা হয়েছে, ২০১৬ সালে রেকর্ড সংখ্যক নারী যৌন নির্যাতনের দায়ে অভিযুক্ত হয়েছেন।

ওই বছরে ১৪২ জন নারী ও যুবতীর বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ গঠন করা হয়। অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে শিশুদের ধর্ষণ, যৌন নির্যাতন, তাদের সঙ্গে বিভিন্ন রকম যৌনতা সংশ্লিষ্ট আচরণ। এর দুই বছর আগে যে পরিমাণ নারী ও যুবতী এসব অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছিলেন ২০১৬ সালের সংখ্যা তার দ্বিগুণ। লন্ডনের একটি ট্যাবলয়েড পত্রিকার অনলাইন সংস্করণে এ খবর দেয়া হয়েছে। এ প্রবণতা বা পরিসংখ্যানকে অস্বস্তিকর বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে এতে। তাতে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, নারী যৌন নির্যাতনকারীর সংখ্যা কি বাস্তবেই বেড়ে চলেছে?

সাম্প্রতিক সময়ে ভয়াবহ এমন সব ঘটনা ঘটেছে, যাতে যৌন নির্যাতনকারী নারী। তারা শিশুদের ওপর যৌন নির্যাতনে সরাসরি জড়িত অথবা সম্পৃক্ত। এর মধ্যে সবচেয়ে হাই প্রোফাইল যৌন নির্যাতনকারী হলেন ভ্যানেসা জর্জ। তিনি সোফি এলমসের মতো একজন নার্সারি নার্স। তবে সোফি এলমসের মতো এই নির্যাতনের ঘটনা তিনি শিশুদের যত্ন নেয়ার কেন্দ্রে ঘটান নি। তাকে শিশুদের পিতামাতা নিরপরাধী হিসেবে দেখতেন। বর্তমানে তার বয়স ৪৮ বছর। তাকে বলা হয় লন্ডনে শিশুদের ওপর যৌন নির্যাতনকারী সবচেয়ে নিকৃষ্ট অপরাধী।

২০০৯ সালে তিনি স্বীকার করেন যে, তার তত্ত্বাবধানে থাকা শিশুদের ওপর নির্যাতন করেছেন। এর পরই তাকে অনির্দিষ্টকালের জেল দেয়া হয়েছিল। একটি গ্যাং, যারা শিশুদের ওপর যৌন নির্যাতন করে তাদের ‘মিস্ট্রেস’ বা রক্ষিতা হওয়ার ফলে নরউইচের একটি আদালত ২০১৫ সালে যাবজ্জীবন জেল দেয় ৩৪ বছর বয়সী যুবতী মেরি ব্ল্যাককে। ওই রায় দিয়ে বিচারক বলেছিলেন, তিনি ওই সময় পর্যন্ত যত মামলার রায় দিয়েছেন এটি ছিল তার মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ।

ওদিকে মঙ্গলবার একজন শিক্ষিকাকে দুই বছরের বেশি জেল দেয়া হয়েছে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি ১৫ বছর বয়সী একটি স্কুলছাত্রীর সঙ্গে ৯ মাস ধরে যৌন সম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন। ২০১৫ সালে ৩২ বছর বয়সী টিচিং এসিস্ট্যান্ট চার্লোটি পারকারকে শিক্ষকতা থেকে নিষিদ্ধ করা হয়। তিনি স্বীকার করেন, এসেক্সে তার স্কুলের ১৪ বছর বয়সী এক ছাত্রীকে তিনি হাজার হাজার যৌন উত্তেজক মেসেজ পাঠিয়েছেন। তারপর ওই ছাত্রীর বয়স ১৫ বছর হলে তার সঙ্গে গড়ে তোলেন যৌন সম্পর্ক। এরপরই তার বিরুদ্ধে ওই শাস্তি ঘোষণা করা হয়।

এর এক বছর পরে লরেন কক্স নামে ২৭ বছর বয়সী ভূগোলের শিক্ষিকাকে এক বছরের জেল দেয়া হয়। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, ১৩ বছর বয়সী এক ছাত্রের সঙ্গে তার সাক্ষাৎ হয়। তার পর তাদের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তবে ওই ছাত্রের বয়স যখন ১৬ বছর, তখন তাদের মধ্যে গড়ে ওঠে শারীরিক সম্পর্ক। একজন শিক্ষার্থীকে আপত্তিকর শব্দ সংবলিত কার্ড পাঠানোর জন্য ৪৯ বছর বয়সী শিক্ষিকা ইয়েঅনি প্রেসটনকে পেশা থেকে বহিষ্কার করা হয়।

ব্রিস্টলে ইউনিভার্সিটি অব দ্য ওয়েস্ট অব ইংল্যান্ডের অপরাধ বিজ্ঞানের সহযোগী প্রফেসর ও যৌন অপরাধ বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ড. কিয়েরান ম্যাকারটান। তিনি যৌন নির্যাতনকারী নারীর সংখ্যা নিয়ে বলেছেন, এই সংখ্যা মহামারি নয়। তবে এটা সংস্কৃতি পরিবর্তনের ফল। আমার মনে হয় সমাজে একটি পরিবর্তন ঘটেছে। আর সেজন্যই নির্যাতিতরা আস্থার সঙ্গে সামনে এগিয়ে আসছে এবং কথা বলছে। পুলিশের মধ্যে যৌন অপরাধের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নেয়ার প্রবণতা বেড়েছে। তারা এর তদন্ত করছে। বেশির ভাগ মামলার তদন্ত শেষে আদালতে পাঠিয়ে দেয়া হচ্ছে।

Tuesday, February 5, 2019

আনুশকা শর্মা ও বিরাট কোহলি ধরা পড়লেন নিউজিল্যান্ড এ

February 05, 2019
ছবি : সংগৃহীত

বলিউড অভিনেত্রী আনুশকা শর্মা ও তাঁর স্বামী ভারতের ক্রিকেট অধিনায়ক বিরাট কোহলি একসঙ্গে ছুটি উপভোগ করছেন। নিউজিল্যান্ডে টেস্ট সিরিজ জয়ের পর স্ত্রী আনুশকার সঙ্গে এক অজানা স্থানে ঘনিষ্ঠ সময় কাটালেন কোহলি।

এই তারকাযুগল তাঁদের ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের বেশ কয়েকটি মিষ্টি ছবি সামাজিক মাধ্যমে ভক্তদের সঙ্গে ভাগাভাগি করেছেন। কোহলি তাঁর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট থেকে আনুশকার সঙ্গে বেড়ানোর ছবি পোস্ট করেছেন। ছবিতে দেখা যাচ্ছে, এই যুগল জঙ্গলের ভেতর দিয়ে হাঁটছেন। বেশ হাস্যোজ্জ্বল আনুশকা।

আনুশকা শর্মাও তাঁর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট থেকে ছবি শেয়ার দিয়েছেন। এ ছবিতে দেখা যাচ্ছে, দীর্ঘ ভ্রমণের পর একটু বিশ্রাম নিচ্ছেন এই মিষ্টি যুগল। ক্যাপশনে ‘জিরো’ অভিনেত্রী লিখেছেন, ‘চিরদিনের সেরা বন্ধু।’

এ তারকাযুগলের মিষ্টি ছবি দেখে যখন অনেক ভক্ত ও অনুরাগী উচ্ছ্বসিত, তখন আরেক দল সামাজিক মাধ্যমে তাঁদের নিয়ে বিদ্রূপ শুরু করেন। নেটিজেনদের অনেকে তাঁদের ছবির নিচে মন্তব্য-ঘরে জিজ্ঞেস করেছেন, সব সময়ই কি তাঁরা ফটোগ্রাফার সঙ্গে করে চলেন?

একজন লিখেছেন, ‘সব জায়গায় কি তোমরা সঙ্গে ফটোগ্রাফার রাখ?’

সম্প্রতি স্বামী নিক জোনাসের সঙ্গে শয়নকক্ষের একটি ছবি ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া এবং তারপর একই ধরনের বিদ্রুপের শিকার হন তাঁরা। সামাজিক মাধ্যমে ব্যক্তিগত ছবি পোস্ট দেওয়ার জন্য এ তারকাযুগলকে যথেষ্ট ব্যঙ্গ করেন।

যদিও দুই তারকা দম্পতি এসব বিদ্রূপের পরোয়া না করেই তাঁদের দিনযাপনের ছবি পোস্ট করেই চলেছেন।

২০১৭ সালের ডিসেম্বরে সাতপাকে বাঁধা পড়েন আনুশকা ও বিরাট। তাঁদের রাজকীয় বিয়ে হয় ইতালির তাসক্যানিতে। এর আগে এ যুগল কয়েক বছর চুটিয়ে প্রেম করেন। এক সাক্ষাৎকারে আনুশকা শর্মা বলেছিলেন, কোহলির সততায় মুগ্ধ তিনি।

আনুশকা শর্মাকে সর্বশেষ আনন্দ এল রাই পরিচালিত ‘জিরো’ ছবিতে দেখা যায়। এ ছবিতে আরো ছিলেন শাহরুখ খান ও ক্যাটরিনা কাইফ। তবে বক্স অফিসে ছবিটি সাড়া ফেলতে ব্যর্থ হয়েছে। আনুশকা জানিয়েছেন, নেটফ্লিক্সে ‘বুলবুল’ নামে একটি ছবি মুক্তি দেবেন। এর প্রযোজক তিনি।

সূত্র : ইন্ডিয়া টুডে

সারাজীবন যৌবন ধরে রাখবে যে ১২টি খাবার

February 05, 2019
ছবি : সংগৃহীত

যৌবন ধরে রাখতে আমরা কত কিছুই না করে থাকি। সকলেই চায় সারাজীবন যৌবন ধরে রাখতে। সুস্থ থাকতে এবং তারুণ্য ও যৌবন ধরে রাখতে পুষ্টিকর খাবারের কোনো বিকল্প নেই। নিজেকে সুস্থ-সবল রাখতে পুষ্টিকর খাবারের দিকে নজর দেয়া দরকার। এমন কিছু খাবার আছে যা নিয়ম করে খেলে আপনার যৌবন থাকবে অটুট।

জেনে নিন সারাজীবন যৌবন ধরে রাখবে যে ১২ টি খাবার সম্পর্কে-

দই: দই আমাদের অনেকের কাছে খুব প্রিয় একটি খাবার। দই মেদ ও কোলেস্টেরল কমাতে সহায়তা করে থাকে। যারা যৌবন ধরে রাখতে চান তাদের জন্য আশার কথা হচ্ছে নিয়মিত দই খান। দইয়ে প্রচুর প্রোটিন ও ক্যালসিয়াম আছে যা শরীরের গঠন ভালো রাখে এবং হাড়ের ক্ষয় রোধ করে। দই বয়সজনিত কারণে হওয়া রোগগুলো প্রতিরোধ করে। এছাড়াও দই ত্বককে রাখে বলিরেখা মুক্ত। তাই যৌবন ধরে রাখতে চাইলে প্রতিদিন দই খান নিয়ম করে।

সামুদ্রিক মাছ: সামুদ্রিক মাছ যৌবন ধরে রাখতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ । দীর্ঘ দিন যৌবন ধরে রাখতে চাইলে নিয়মিত খাবার তালিকায় লাল মাংস বাদ দিয়ে সামুদ্রিক মাছ রাখুন। এটাতে শরীরে প্রয়োজনীয় প্রোটিনের চাহিদা পূরণ হয়ে যাবে এবং যৌবন ধরে রাখা যাবে অনেকদিন।

মিষ্টিকুমড়ার বিচি: এতে আছ প্রচুর সাইটোস্টেরোল। এটি পুরুষের দেহে টেসটোস্টেরন হরমোনের ভারসাম্য রক্ষা করে। এর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং ফ্যাটি এসিড পুরুষের শক্তি বাড়ায়। পুরুষের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক।

কলা: কলার রয়েছে ভিটামিন এ, বি, সি ও পটাশিয়াম। পটাশিয়ামের অভাবে ত্বক রুক্ষ হয়, কলা সেই পটাশিয়ামের অভাব পূরণ করে দেয়। ভিটামিন বি ও পটাশিয়াম মানবদেহের যৌনরস উৎপাদন বাড়ায়। আর কলায় রয়েছে ব্রোমেলিয়ানও যা শরীরের টেস্টোস্টেরনের মাত্রা বাড়াতে সহায়ক এবং যৌবন ধরে রাখতে সহায়ক।

আমলা: আয়ুর্বেদ চিকিৎসায় আমলাকে পুরুষের শারীরিক সক্ষমতা মন্ত্র বলে গণ্য করা হয়। পুরুষের শরীরের সঠিক তাপমাত্রা বজায় রাখতেও দারুণ সহায়ক এটি।

ফলমূল: ফলে আছে প্রচুর ফাইবার, ভিটামিন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা শরীরে পুষ্টি যোগায় ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। তাই যৌবন ধরে রাখতে চাইলে নিয়মিত ফল খান।

রঙিন শাক-সবজি: রঙিন শাক-সবজিতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন যা শরীরের চাহিদা মেটায় এবং শরীরকে সুস্থ্ রাখতে সহায়তা করে। নিয়মিত রঙিন শাকসবজি খেলে আপনার যৌবন থাকবে অটুট।

কমলালেবু: কমলালেবু খাওয়া শরীরের জন্য খুবই ভাল। কারণ এতে অনেক ভিটামিন-সি থাকে। ত্বক টানটান রাখতে কমলালেবু সাহায্য করে।

অলিভ অয়েল: অলিভ তেল আপনার যৌবনকে ধরে রাখতে সাহায্য করবে। রান্নায় অলিভ অয়েল ব্যবহার করলে শরীরে ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমে যায় এবং সহজে মেদ জমে না। এছাড়াও প্রতিদিন ঘুমাতে যাওয়ার আগে ত্বকে অলিভ অয়েল ম্যাসাজ করে ঘুমালে ত্বকে বলিরেখা পরে না সহজে। ফলে দীর্ঘ দিন যৌবন ধরে রাখা যায়।

ডার্ক চকলেট: যারা চকলেট ভালোবাসেন তাদের জন্য ভালো খবর হলো ডার্ক চকলেট বয়স ধরে রাখতে সহায়তা করে। ডার্ক চকলেটে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আছে। তাই যারা নিয়মিত প্রতিদিন ছোট এক টুকরা ডার্ক চকলেট খান তারা দীর্ঘদিন যৌবন ধরে রাখতে পারেন।

স্ট্রবেরি: স্ট্রবেরি হোক কিংবা ব্ল্যাকবেরি, সবকটিই আপনার শরীরের জন্য খুবই ভালো। এতে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি থাকে। আপনার ত্বককে করে রাখবে সতেজ।

রসুন: রসুনে রয়েছে এলিসিন নামের উপাদান যা দৈহিক ইন্দ্রিয়গুলোতে রক্তের প্রবাহ বাড়িয়ে দেয়। দৈহিক সমস্যা থাকলে এখনই নিয়মিত রসুন খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন।

নিজের যৌবন ধরে রাখতে পুষ্টিকর খাবারের প্রতি জোর দেয়া দরকার। উপরিউক্ত খাবার গুলি আপনার জীবন ও যৌবনকে ধরে রাখবে আজীবন। তাই নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার খান আর সর্বদা নিজেকে হাসি-খুশি রাখুন, বিষণ্ণতা কোনোভাবেই ধারে-কাছে ভিড়তে দেবেন না।