Tuesday, February 5, 2019

আনুশকা শর্মা ও বিরাট কোহলি ধরা পড়লেন নিউজিল্যান্ড এ

February 05, 2019
ছবি : সংগৃহীত

বলিউড অভিনেত্রী আনুশকা শর্মা ও তাঁর স্বামী ভারতের ক্রিকেট অধিনায়ক বিরাট কোহলি একসঙ্গে ছুটি উপভোগ করছেন। নিউজিল্যান্ডে টেস্ট সিরিজ জয়ের পর স্ত্রী আনুশকার সঙ্গে এক অজানা স্থানে ঘনিষ্ঠ সময় কাটালেন কোহলি।

এই তারকাযুগল তাঁদের ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের বেশ কয়েকটি মিষ্টি ছবি সামাজিক মাধ্যমে ভক্তদের সঙ্গে ভাগাভাগি করেছেন। কোহলি তাঁর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট থেকে আনুশকার সঙ্গে বেড়ানোর ছবি পোস্ট করেছেন। ছবিতে দেখা যাচ্ছে, এই যুগল জঙ্গলের ভেতর দিয়ে হাঁটছেন। বেশ হাস্যোজ্জ্বল আনুশকা।

আনুশকা শর্মাও তাঁর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট থেকে ছবি শেয়ার দিয়েছেন। এ ছবিতে দেখা যাচ্ছে, দীর্ঘ ভ্রমণের পর একটু বিশ্রাম নিচ্ছেন এই মিষ্টি যুগল। ক্যাপশনে ‘জিরো’ অভিনেত্রী লিখেছেন, ‘চিরদিনের সেরা বন্ধু।’

এ তারকাযুগলের মিষ্টি ছবি দেখে যখন অনেক ভক্ত ও অনুরাগী উচ্ছ্বসিত, তখন আরেক দল সামাজিক মাধ্যমে তাঁদের নিয়ে বিদ্রূপ শুরু করেন। নেটিজেনদের অনেকে তাঁদের ছবির নিচে মন্তব্য-ঘরে জিজ্ঞেস করেছেন, সব সময়ই কি তাঁরা ফটোগ্রাফার সঙ্গে করে চলেন?

একজন লিখেছেন, ‘সব জায়গায় কি তোমরা সঙ্গে ফটোগ্রাফার রাখ?’

সম্প্রতি স্বামী নিক জোনাসের সঙ্গে শয়নকক্ষের একটি ছবি ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া এবং তারপর একই ধরনের বিদ্রুপের শিকার হন তাঁরা। সামাজিক মাধ্যমে ব্যক্তিগত ছবি পোস্ট দেওয়ার জন্য এ তারকাযুগলকে যথেষ্ট ব্যঙ্গ করেন।

যদিও দুই তারকা দম্পতি এসব বিদ্রূপের পরোয়া না করেই তাঁদের দিনযাপনের ছবি পোস্ট করেই চলেছেন।

২০১৭ সালের ডিসেম্বরে সাতপাকে বাঁধা পড়েন আনুশকা ও বিরাট। তাঁদের রাজকীয় বিয়ে হয় ইতালির তাসক্যানিতে। এর আগে এ যুগল কয়েক বছর চুটিয়ে প্রেম করেন। এক সাক্ষাৎকারে আনুশকা শর্মা বলেছিলেন, কোহলির সততায় মুগ্ধ তিনি।

আনুশকা শর্মাকে সর্বশেষ আনন্দ এল রাই পরিচালিত ‘জিরো’ ছবিতে দেখা যায়। এ ছবিতে আরো ছিলেন শাহরুখ খান ও ক্যাটরিনা কাইফ। তবে বক্স অফিসে ছবিটি সাড়া ফেলতে ব্যর্থ হয়েছে। আনুশকা জানিয়েছেন, নেটফ্লিক্সে ‘বুলবুল’ নামে একটি ছবি মুক্তি দেবেন। এর প্রযোজক তিনি।

সূত্র : ইন্ডিয়া টুডে

সারাজীবন যৌবন ধরে রাখবে যে ১২টি খাবার

February 05, 2019
ছবি : সংগৃহীত

যৌবন ধরে রাখতে আমরা কত কিছুই না করে থাকি। সকলেই চায় সারাজীবন যৌবন ধরে রাখতে। সুস্থ থাকতে এবং তারুণ্য ও যৌবন ধরে রাখতে পুষ্টিকর খাবারের কোনো বিকল্প নেই। নিজেকে সুস্থ-সবল রাখতে পুষ্টিকর খাবারের দিকে নজর দেয়া দরকার। এমন কিছু খাবার আছে যা নিয়ম করে খেলে আপনার যৌবন থাকবে অটুট।

জেনে নিন সারাজীবন যৌবন ধরে রাখবে যে ১২ টি খাবার সম্পর্কে-

দই: দই আমাদের অনেকের কাছে খুব প্রিয় একটি খাবার। দই মেদ ও কোলেস্টেরল কমাতে সহায়তা করে থাকে। যারা যৌবন ধরে রাখতে চান তাদের জন্য আশার কথা হচ্ছে নিয়মিত দই খান। দইয়ে প্রচুর প্রোটিন ও ক্যালসিয়াম আছে যা শরীরের গঠন ভালো রাখে এবং হাড়ের ক্ষয় রোধ করে। দই বয়সজনিত কারণে হওয়া রোগগুলো প্রতিরোধ করে। এছাড়াও দই ত্বককে রাখে বলিরেখা মুক্ত। তাই যৌবন ধরে রাখতে চাইলে প্রতিদিন দই খান নিয়ম করে।

সামুদ্রিক মাছ: সামুদ্রিক মাছ যৌবন ধরে রাখতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ । দীর্ঘ দিন যৌবন ধরে রাখতে চাইলে নিয়মিত খাবার তালিকায় লাল মাংস বাদ দিয়ে সামুদ্রিক মাছ রাখুন। এটাতে শরীরে প্রয়োজনীয় প্রোটিনের চাহিদা পূরণ হয়ে যাবে এবং যৌবন ধরে রাখা যাবে অনেকদিন।

মিষ্টিকুমড়ার বিচি: এতে আছ প্রচুর সাইটোস্টেরোল। এটি পুরুষের দেহে টেসটোস্টেরন হরমোনের ভারসাম্য রক্ষা করে। এর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং ফ্যাটি এসিড পুরুষের শক্তি বাড়ায়। পুরুষের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক।

কলা: কলার রয়েছে ভিটামিন এ, বি, সি ও পটাশিয়াম। পটাশিয়ামের অভাবে ত্বক রুক্ষ হয়, কলা সেই পটাশিয়ামের অভাব পূরণ করে দেয়। ভিটামিন বি ও পটাশিয়াম মানবদেহের যৌনরস উৎপাদন বাড়ায়। আর কলায় রয়েছে ব্রোমেলিয়ানও যা শরীরের টেস্টোস্টেরনের মাত্রা বাড়াতে সহায়ক এবং যৌবন ধরে রাখতে সহায়ক।

আমলা: আয়ুর্বেদ চিকিৎসায় আমলাকে পুরুষের শারীরিক সক্ষমতা মন্ত্র বলে গণ্য করা হয়। পুরুষের শরীরের সঠিক তাপমাত্রা বজায় রাখতেও দারুণ সহায়ক এটি।

ফলমূল: ফলে আছে প্রচুর ফাইবার, ভিটামিন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা শরীরে পুষ্টি যোগায় ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। তাই যৌবন ধরে রাখতে চাইলে নিয়মিত ফল খান।

রঙিন শাক-সবজি: রঙিন শাক-সবজিতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন যা শরীরের চাহিদা মেটায় এবং শরীরকে সুস্থ্ রাখতে সহায়তা করে। নিয়মিত রঙিন শাকসবজি খেলে আপনার যৌবন থাকবে অটুট।

কমলালেবু: কমলালেবু খাওয়া শরীরের জন্য খুবই ভাল। কারণ এতে অনেক ভিটামিন-সি থাকে। ত্বক টানটান রাখতে কমলালেবু সাহায্য করে।

অলিভ অয়েল: অলিভ তেল আপনার যৌবনকে ধরে রাখতে সাহায্য করবে। রান্নায় অলিভ অয়েল ব্যবহার করলে শরীরে ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমে যায় এবং সহজে মেদ জমে না। এছাড়াও প্রতিদিন ঘুমাতে যাওয়ার আগে ত্বকে অলিভ অয়েল ম্যাসাজ করে ঘুমালে ত্বকে বলিরেখা পরে না সহজে। ফলে দীর্ঘ দিন যৌবন ধরে রাখা যায়।

ডার্ক চকলেট: যারা চকলেট ভালোবাসেন তাদের জন্য ভালো খবর হলো ডার্ক চকলেট বয়স ধরে রাখতে সহায়তা করে। ডার্ক চকলেটে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আছে। তাই যারা নিয়মিত প্রতিদিন ছোট এক টুকরা ডার্ক চকলেট খান তারা দীর্ঘদিন যৌবন ধরে রাখতে পারেন।

স্ট্রবেরি: স্ট্রবেরি হোক কিংবা ব্ল্যাকবেরি, সবকটিই আপনার শরীরের জন্য খুবই ভালো। এতে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি থাকে। আপনার ত্বককে করে রাখবে সতেজ।

রসুন: রসুনে রয়েছে এলিসিন নামের উপাদান যা দৈহিক ইন্দ্রিয়গুলোতে রক্তের প্রবাহ বাড়িয়ে দেয়। দৈহিক সমস্যা থাকলে এখনই নিয়মিত রসুন খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন।

নিজের যৌবন ধরে রাখতে পুষ্টিকর খাবারের প্রতি জোর দেয়া দরকার। উপরিউক্ত খাবার গুলি আপনার জীবন ও যৌবনকে ধরে রাখবে আজীবন। তাই নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার খান আর সর্বদা নিজেকে হাসি-খুশি রাখুন, বিষণ্ণতা কোনোভাবেই ধারে-কাছে ভিড়তে দেবেন না।

Monday, February 4, 2019

মুখে দুর্গন্ধের পিছনে কারণ গুলো জেনে নিন

February 04, 2019
ছবি : সংগৃহীত 

সকালে বা বিকালে ঘুম থেকে ওঠার পর সাধারণত দাঁত ব্রাশ করার পরেই মুখের বাজে স্বাদ বা দুর্গন্ধ কেটে যায়। কিন্তু তার পরেও যদি এই সমস্যা থেকে যায় তাহলে বুঝতে হবে অন্য কোনও কারণেই মুখের দুর্গন্ধের সমস্যা হচ্ছে। তবে এক এক জনের ক্ষেত্রে এক এক রকম কারণ হতে পারে এই দুর্গন্ধের। কিছু বিশেষ খাবারে মুখে দুর্গন্ধ দেখা যেতে পারে। তামাক জাতীয় পণ্য ব্যবহারে মুখে দুর্গন্ধ হয়। দাঁতের সমস্যা থাকলে দুর্গন্ধ খুব স্বাভাবিকভাবেই ঘটে থাকে।

নিম্নলিখিত কয়েকটি কারণে মুখে দুর্গন্ধ হতে পারে:

1. পুষ্টির ঘাটতি:
আপনার পুষ্টি পদার্থের মধ্যে দস্তা এবং ভিটামিন বি 12 এর অভাব খারাপ শ্বাসের কারণ হতে পারে যার ফলে মুখের স্বাদ পরিবর্তিত হয়। অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস এর অন্যতম কারণ হতে পারে। শরীরে আয়রন এর ঘাটতি হলেও মুখে দুর্গন্ধ হয়। এটি নিরাময় করার সহজ উপায় হল আপনার ডায়েট কিছু পরিবর্তন করতে হবে। শরীরের সঠিক আয়রন সরবরাহ প্রয়োজন যা বাদাম, মটরশুটি, দানা শস্য আপনাকে জোগান দিবে।

2. মৌখিক সমস্যা এবং ঠাণ্ডা লাগা:
চিকিৎসার পরিভাষায় মুখের দুর্গন্ধকে হ্যালাইটোসিস বলেই ডাকা হয়। দাঁত, মস্তিষ্ক এবং মুখ সংক্রান্ত যে কোনও সমস্যায় ভুগলে স্বাদ কোষ গুলি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। মুখের আর্দ্র ও গরম জায়গা গুলিতে থ্রাশ জন্মায়, যে কোনও মানুষেরই এটা হতে পারে। তবে শিশু ও বয়স্ক, অর্থাৎ যাঁদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম তাঁদের এই সমস্যা বেশি হয়। চিনি খেলে এই সমস্যা কমে যায়।

3. ওষুধ
ডায়াবেটিস, ক্যান্সার, থাইরয়েড, হৃদরোগ, গ্লুকোমা, রক্তচাপ এবং আরও বেশ কিছু রোগ নিরাময়ে ব্যবহৃত ওষুধগুলি আপনার মুখের অপ্রীতিকর স্বাদের জন্য দায়ী।

4. সংক্রমণ:
আপনার শরীরের সংক্রমণ আপনার স্বাদ কোষে ও প্রভাব ফেলতে পারে। ভাইরাল ইনফেকশন, ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ এবং ফুসফুসের সংক্রমণে প্রায়ই মুখে দুর্গন্ধ হতে পারে। ঠান্ডা, টনসিলাইটিস, সাইনাসাইটিস এবং কানের মধ্যেকার অংশে সংক্রমণ হলেও এমনটা হয়।  হেপাটাইটিস বি একটি লিভার সংক্রমণ যার প্রধান উপসর্গই হল মুখের তিক্ত স্বাদ।

5. গর্ভাবস্থা:
গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাস মহিলার মুখের মধ্যে একটি তিক্ত স্বাদ অনুভব করেন। এটি খুবই সাধারণ। এই সময় শরীরের এস্ট্রোজেন হরমোন উচ্চ মাত্রায় থাকে বলেই এমনটা হয়। গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাস মহিলাদের জন্য মুখের গন্ধ সাধারণ বিষয়।

6. মেনোপজ
যে মহিলারা মেনোপজের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন বা মেনোপজ যাঁদের কাছাকাছি প্রায়ই তাঁদের মুখের মধ্যে তিক্ত স্বাদ থাকে। এটি সাধারণত শুষ্ক মুখের কারণে হয় যা মেনোপজের একটি উপসর্গ। তিক্ত স্বাদের আরেকটি সম্ভাব্য কারণ মুখের মধ্যে প্রদাহ যা ইস্ট্রোজেন কমে যাওয়ার কারণে হয়। যে মহিলারা মেনোপজের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন প্রায়শই তাঁদের মুখের মধ্যে তিক্ত স্বাদ থাকে।

7. অস্ত্রোপচার:
দাঁতের অস্ত্রোপচার, কানের অস্ত্রোপচার, উচ্চ এয়ারওয়ে এন্ডোসকপি ও মৌখিক অস্ত্রোপচারে  স্বাদ কমে যাওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকেই। অনেক কেমোথেরাপির ফলে মুখের মধ্যে ধাতব বা টক স্বাদ পাওয়া যায়। মাথা এবং ঘাড়ের ক্যান্সার চিকিত্সার জন্য ব্যবহৃত রেডিয়েশন থেরাপির কারণেও ধাতব স্বাদ আসতে পারে।

 8. অ্যাসিড রিফ্লাক্স:
অ্যাসিড রিফ্লাক্সের ফলে আপনার পেটের অ্যাসিড খাদ্যনালী অব্দি উঠে আসে। যার ফলেও মুখে দুর্গন্ধ হতে পারে। অনেক সময় মশালাদার খাবার খাওয়ার ফলে বা অ্যাসিড কমানোর ওষুধ খাওয়ার ফলেও এই দুর্গন্ধ দেখা দিতে পারে।

9. রোগ:
উপরের শ্বাসযন্ত্রে প্রদাহ, ফ্লু বা সাধারণ ঠান্ডা লাগা ইথাদি সাধারণ অসুখ বিসুখেও মুখের দুর্গন্ধ দেখা দিতে পারে। ক্যান্সার, হাইপারথাইরয়েডিজম, ডায়াবেটিস এবং অ্যামিলোডোসিস রোগের ফলেও মুখের স্বাদ ও গন্ধ নষ্ট হয়ে যেতে পারে। গ্যাস্ট্রোইনটেস্টিনাল ডিসঅর্ডারস এবং লালা গ্রন্থির সমস্যাতেও মুখে দুর্গন্ধ হয়।



বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড এর চুক্তিতে খেলোয়াড়রা কে কোন ক্যাটাগরিতে, কার কত বেতন

February 04, 2019
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড কেন্দ্রীয় চুক্তি ঘোষণা করল। চার শ্রেণিতে মোট ১৮ জনকে এক বছরের জন্য চুক্তিবদ্ধ করছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড।

গত বছর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) কেন্দ্রীয় চুক্তি করেছিল ১০ জন ক্রিকেটারকে নিয়ে। পরে সেখানে ‘রুকি’ শ্রেণিতে যোগ করা হয় তিন ক্রিকেটারকে। এ বছর সেই কেন্দ্রীয় চুক্তিতে রুকি শ্রেণিতে ২ জনসহ মোট ৪ জন ক্রিকেটার বাড়িয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। রুকি শ্রেণিতে জায়গা পেয়েছেন চার নতুন ক্রিকেটার—মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, আবু জায়েদ, নাঈম হাসান ও খালেদ আহমেদ।

ফিরেছেন ইমরুল কায়েস আর রুকি শ্রেণি থেকে ‘বি’ শ্রেণিতে উঠেছেন লিটন দাস। এঁদের সঙ্গে গত বছর কেন্দ্রীয় চুক্তিতে থাকা দশ ক্রিকেটার মাশরাফি বিন মুর্তজা, সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবাল, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ, মেহেদী হাসান মিরাজ, মোস্তাফিজুর রহমান, মুমিনুল হক, রুবেল হোসেন ও তাইজুল ইসলামের নামও ঘোষণা করা হয়েছে বিসিবির বোর্ড সভায়।

কেন্দ্রীয় চুক্তিতে ক্রিকেটার সংখ্যা বাড়লেও বেতনকাঠামোয় পরিবর্তন হয়নি। আগের বছরের মতো এবারও ‘এ প্লাস’ শ্রেণির ক্রিকেটাররা পাবেন মাসিক ৪ লাখ টাকা করে, ‘এ’ শ্রেণিতে ৩ লাখ, ‘বি’ শ্রেণির ক্রিকেটাররা ২ লাখ টাকা করে পাবেন। ‘রুকি’ শ্রেণির ক্রিকেটারদের সম্মানী ১ লাখ টাকা করে। ক্রিকেটারদের বেতন বাড়ানোর বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়নি বোর্ড সভায়। সুতরাং আগের কাঠামোতেই বেতন পাবেন খেলোয়াড়রা।

এই বেতনই অবশ্য ক্রিকেটারদের প্রাপ্তির শেষ নয়। এর পাশাপাশি ক্রিকেটাররা ম্যাচ ফি পেয়ে থাকেন। প্রতি টেস্টের ম্যাচ ফি সাড়ে ৩ লাখ। প্রতি ওয়ানডের ম্যাচ ফি ২ লাখ এবং টি-টোয়েন্টির ম্যাচ ফি ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা। এ ছাড়া প্রথম শ্রেণির ম্যাচ খেলার জন্য ক্রিকেটাররা পান পঁয়ত্রিশ হাজার টাকার মতো।

এর বাইরে ক্রিকেটারদের আয়ের মধ্যে আছে বিপিএল বা ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের মতো টুর্নামেন্টে বিভিন্ন দলের হয়ে খেলা থেকে পাওয়া আয়। কেউ কেউ বিদেশি ফ্রাঞ্চাইজি লিগগুলোতেও খেলে আয় করেন। বিভিন্ন পণ্যের দূত হিসেবে কাজ করেও বড় অঙ্কের আয় আসে ক্রিকেটারদের।

ক্যাটাগরি এ+
মাশরাফি বিন মুর্তজা কৌশিক, সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবাল, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ।

ক্যাটাগরি এ
ইমরুল কায়েস, মোস্তাফিজুর রহমান, রুবেল হোসেন।

ক্যাটাগরি বি
মুমিনুল হক, লিটন দাস, মেহেদী হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলাম।

ক্যাটাগরি রুকি 
আবু হায়দার, আবু জায়েদ, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, নাঈম হাসান, খালেদ আহমেদ।

নতুন সংযোজন
ইমরুল কায়েস।

বাদ পড়েছেন
নাজমুল হোসেন।

Sunday, February 3, 2019

বিপিএল ষষ্ঠ আসরের নারী উপস্থাপক পিয়া জানালেন ,মডেলিংয়ে পোশাক খোলার গোপন তথ্য

February 03, 2019
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগের সবচেয়ে বড়ো প্ল্যাটফর্ম বিপিএল ষষ্ঠ আসরের উপস্থাপনায় ব্যাপক পরিচিতি পেলো মডেল, আইনজীবী ও ব্যবসায়ী  পিয়া। ২০০৭ সালে ‘মিস বাংলাদেশ’ নির্বাচিত হওয়ার পর তার আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বেশ ভালো সাড়া পেয়েছেন তিনি। সম্প্রতি গণমাধ্যমে এক ব্যক্তিগত সাক্ষাৎকারে মডেলিংয়ে পোশাক খোলার গোপন বিষয়ে কথা জানিয়েছেন পিয়া।

তিনি বলেন, ফেইসবুকে আমাক নিয়ে নানা রকম ট্রল করা হয়েছে। ‘যখন ট্রলগুলো ভাইরাল হয়েছে, আমি তখন ও ব্যাখ্যা দিয়েছি। আবার বলছি, সবাইকে নিয়ে কিন্তু কথা হয় না। ভালো কিছু করলে তাকে নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা হয়। বিশেষ করে মেয়েরা ক্যারিয়ারে উন্নতি করলে তাঁদের নিয়ে চারপাশে নেতিবাচক কথা শুরু হয়ে যায়।’

২০১১ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার ওয়ার্ল্ড মিস ইউনিভার্সিটি প্রতিযোগিতায় অংশ নেন পিয়া। সেখানে গিয়ে তিনি ইতালির একটি নামকরা মডেল এজেন্সি জে এজেন্সির মডেল হওয়ার প্রস্তাব পান। কিন্তু সেখানে বেশ বিব্রত হতে হয়েছিল তাকে পরে অবশ্য মানিয়ে নেন তিনি।

পিয়া বলেন, ‘সেখানে আমাকে প্রথম দিন বলা হলো, আমার শরীরের মাপ দিতে হবে। আমি মাপ দিতে দাঁড়িয়ে পড়লাম। ওরা বলল, পোশাক খুলে মাপ দিতে ভড়কে গেলাম। ধাতস্থ হতে সময় লেগেছিল। তবে এই প্রতিযোগিতায় বিকিনি পরা আবশ্যিক ছিল না। কেউ চাইলে পরতে পারবে। আমার অস্বস্তি লেগেছিল, তাই আমি পরিনি।’

তিনি বলেন, ভেবেছিলাম হয়তো এমন কোনো পরিস্থিতিতে পড়তে হবে না। কিন্তু যখন ওপরের অন্তর্বাসও খুলতে বলল, আমি বলেছিলাম, এটা না করলে কি কোনো সমস্যা হবে? বাংলাদেশে তো এসব পরেই মাপ দিই। ওরা বিরক্ত হয়েছিল। পোশাকের মাপ যেন ঠিকঠাক থাকে, সে কারণে তাদের কথামতো মাপ দিতে হলো। অদ্ভুত ব্যাপার, এই বিষয়টি ওদের কাছে এতই সহজ আর স্বাভাবিক যে মনে হলো কোনো যন্ত্রের মাপ নিচ্ছে যেন। আমার শরীরের দিকে অন্য কোনো দৃষ্টিতে একবারও তাকায়নি। পেশাদারি দৃষ্টিভঙ্গি হয়তো একেই বলে।’

‘বিশ্ব বাংলা গেট’ এর উদ্বোধন

February 03, 2019
ছবি : সংগৃহীত

কলকাতায় নির্মিত ঐতিহ্যবাহী গেটটি খুলে দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আনুষ্ঠানিকভাবে এটি খোলার ঘোষণা দিয়েছিলেন। ‘কলকাতা গেট’ নামে পরিচিত এই ফটকের বর্তমান নামকরণ করা হয়েছে ‘বিশ্ব বাংলা গেট’।

কলকাতা মহানগরীর নতুন উপশহর রাজারহাটের নারকেলবাগান মোড়ে এই গেটের অবস্থান। এটির কাছেই কবিগুরুর স্মরণে তৈরি রবীন্দ্র তীর্থ। একটু দূরেই আবার কবি নজরুলের স্মরণে তৈরি নজরুল তীর্থ। কাছেই মোমের জাদুঘর, ইকোপার্ক। নেতাজি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরও অনেকটা কাছে।

২৫ মিটার উঁচু আর ২০০ মিটার বৃত্তাকারে ইস্পাত দিয়ে তৈরি এই গেটের নির্মাণকাজ ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে। এটি নির্মাণ করেছে ওয়েস্ট বেঙ্গল হাউজিং ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট করপোরেশন (হিডকো)। বৃত্তাকার এই গেটে রয়েছে ত্রিস্তরীয় ৩৮ মিলিমিটারের ল্যামিনেটেড গ্লাস। এই ফটকে উঠে দেখা যাবে রাজারহাটে তৈরি নতুন কলকাতা উপশহরের অপরূপ শোভা।

সম্পূর্ণ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত এই গেটের বৃত্তাকারের মাঝ বরাবরে থাকছে ক্যাফেটেরিয়া, রেস্তোরাঁ, কিউরিও শপ, ফটো গ্যালারি ও ভিআইপি লাউঞ্জ। উপড়ে উঠতে রয়েছে দুটি লিফট। একটিতে ৮ জন একসঙ্গে উঠতে পারবেন। ওপরে একসঙ্গে ৮০-৯০ জন বসতে পারবেন। খেতে পারবেন। ভেতরের ৪ মিটার চওড়া বৃত্তের দেওয়ালে আঁকা হয়েছে বাংলার বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান এবং মনীষীদের ছবি। রয়েছে অভ্যর্থনা ডেস্ক। গেটের বাইরে লাগানো হয়েছে ১৬টি সিসি টিভি ক্যামেরা আর ভেতরে লাগানো হয়েছে ২৪টি। আছে আধুনিক অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা। পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য রাখা রয়েছে সিঁড়িও। বলা হচ্ছে, ভূমিকম্পের দাপট সইতে পারবে এই গেট। গেটের নিরাপত্তার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বিধাননগর পুলিশকে।

এই গেটে উঠতে হলে টিকিট কাটতে হবে। তবে দর্শনার্থী লাগেজ, প্লাস্টিক ব্যাগ, পানির বোতল, সিগারেট, দেশলাই, লাইটার নিয়ে উঠতে পারবেন না। তবে মোবাইলে সেলফি তোলার সুযোগ পাবেন। বাণিজ্যিক ছবি তুলতে গেলে অনুমতি নিতে হবে। গেটের ওপরে একবারে ৮০-৯০ জন ওঠার পর তাঁদের একসঙ্গে এক ঘণ্টা করে সময় কাটানোর সুযোগ দেওয়া হবে। এই দলটি নিচে নেমে এলে পরবর্তী দলকে গেটে তোলা হবে। অপেক্ষমাণ দর্শনার্থীদের জন্য টিকিট কাউন্টারের সামনে আছে ওয়েটিং লাউঞ্জ।

Saturday, February 2, 2019

বাবা হলেন জনপ্রিয় ক্রিকেটার ভারতীয় ওপেনার রোহিত শর্মা, নতুন বছরে তাদের সংসারে এলো কন্যা সন্তান…

February 02, 2019
ছবি : সংগৃহীত

বছরের শুরুতে বাবা হলেন ভারতীয় ক্রিকেটার রোহিত শর্মা। মেলবোর্নে ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ের দিনেই এই সুখবর আসল তার জীবনে। রোহিত শর্মার স্ত্রী রীতিকা যে প্রেগনেন্ট তা নিয়ে কিছুদিন আগেই সংবাদ মাধ্যমের কাছে মুখ খুলেছিলেন রোহিত শর্মা নিজেই। আর নতুন বছরের প্রথমেই এই সুখবর যেন ক্রিকেট মহলে আলাদাই এক এনার্জি এনেছে। রীতিকা কন্যা সন্তানের জন্ম দিয়েছেন।

বাবা হওয়ার খবরে স্বভাবত তার টেস্ট জয়ের আনন্দ দ্বিগুণ হয়ে গেছে। আর এই খবর ইতিমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়াতে ছড়িয়ে পরেছে। মেলবোর্নে টেস্ট জয়ের দিন রীতিকার তুতো বোন তার সোশ্যাল হ্যান্ডেলে রীতিকার কন্যা সন্তান জন্ম দেওয়ার খবরটি জানান।

এই খবর ছড়িয়ে পরতেই সোশ্যাল মিডিয়াতে ঝড় উঠে যায়। ইন্ডিয়া টিমে কোহলি এবং তার সব টিমমেটরা এই খবর পেয়ে খুবই আনন্দিত। সোশ্যাল মিডিয়াতে পার্সনাল জীবন সম্বন্ধে বেশী কিছু বলতে কোনদিনই পছন্দ করেন না রোহিত শর্মা। তার পারিবারিক জীবনের টানাপরনকে তিনি কখনই সামনে আসতে দেননি।

তবে তার বউ যে প্রেগনেন্ট সেই কথাটি তিনি প্রথম মাইকেল ক্লার্ক কে এক সাক্ষাৎকারে জানান। হিটম্যান আরও বলেন, “বাবা হওয়ার মুহুর্তের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি। আমার জীবন বদলে দেবে ঐ মুহুর্তটা”।

রোহিত শর্মা একজন প্লেয়ার হিসেবে আসাধারন। তার অবদান ভারতীয় দলে অনবদ্য। সতীর্থরা মজা করে তাকে ভুলোমনা বলে ডাকেন। কিন্তু তার এই ভুলোমনা থাকার দিন যে শেষ হতে চলেছে তা সে নিজেই স্বীকার করেছেন।

ওপেনিং প্লেয়ার হিসেবে তিনি ম্যাচের ভবিষ্যত কিছুটা হলেও তৈরি করেন। তার ঝুলিতে টেস্ট ম্যাচে দ্বি-শত রানের রেকর্ড আছে। তিনি তার ফ্যামিলি লাইফ নিয়ে সচরাচর আলোচনা করেন না। তার টুইটার, ফেসবুক অথবা ইন্সটাগ্রাম কোথাও তাকে অতিরিক্ত ছবি আপলোড করতে দেখা যায়না।

তার সন্তান যে আসতে চলেছে সেই খবর প্রথমে সংবাদ মাধ্যমের সামনে আসতে দেননি হিটম্যান। তার  ক্রিকেটের প্রতি ভালোবাসা এতটাই বেশি যে তিনি এই সময়েও তার ১০০ শতাংশ দিয়েছেন। চলতি মাসের শুরুতে তাদের তৃতীয় বিবাহবার্ষিকী ছীল।

মেলবোর্ন টেস্টের প্রথম ইনিংসে তার ব্যাট থেকে এসেছে মূল্যবান অর্ধশত রান। এরপর টেস্ট জয়ের দিন বাবা হওয়ার খবরে আপ্লুত হয়ে দেশে ফিরেছেন রোহিত। নতুন বছরে স্ত্রী ও সন্তানের সাথে সময় কাটাতে তিনি বেশী আগ্রহি। আর থাকবেনাই বা কেন, তাদের ঘরে যে এক ক্ষুদে সদ্যসের আবির্ভাব ঘটেছে।

টয়লেটে আমরা যেসব ভুল কাজ করে থাকি ! সতর্ক হউন নাহলে হতে পারে মারাত্বক বিপদ…

February 02, 2019
ছবি : সংগৃহীত

মানব দেহের কার্যকারীতা অনুযায়ী আমাদের শরীরের সব বর্জ্য নির্গত হয় প্রস্রাব ও মলের দ্বারা। অপ্রয়োজনীয় বর্জ্য পদার্থ ভিতরে থাকলে শরীরের ক্ষতি হয়। যেহেতু সেগুলি বর্জ্য সেহেতু সেগুলি ক্ষতিকারক ও দূষণ ছড়ায়। তাই আমরা যেখানে সেখানে মল মূত্র ত্যাগ না করে কোন নির্দিস্ট স্থানে সেটি করি। কারন এগুলি থেকে বাহিত জীবাণু সকলের নানা রকম ক্ষতিসাধন করে থাকে।

আমরা জীবাণু থেকে নিজেদের বাঁচানোর জন্য টয়লেট ও বাথরুম ব্যবহার করি ঠিকই, কিন্তু আমরা সেখানেও কিছু ভুল করে থাকি যার পরিণতি হয় ভয়ঙ্কর। আসুন তাহলে জেনে নেই কি সেই ভুল গুলো, আর সাবধান হয়ে যাই সেই সেই ভুলগুলো থেকে।

১। আমাদের দিনের প্রথম শুরু হয় দাঁত ব্রাশ করে, অনেকে টুথব্রাশ ব্যবহারের পর বাথরুমেই রেখে দেয়। ভিজে ব্রাশ বাথরুমে রেখে দিলে তা সহজে শুকনো হতে চায় না। আর সেখানে জন্ম নেয় জীবাণু। আর সেই ব্রাশ পরের দিন মুখে প্রবেশ করালে জীবাণুও মুখে প্রবেশ করে। তাই ব্রাশ কোন শুকনো যায়গায় রাখাই ভালো।

২। নিজের মেকাপের জিনিস বাথরুমে নিয়ে যাওয়া বা রাখা একদম উচিৎ নয়। কারন বাথরুমে থাকা জীবাণু মেকাপ সামগ্রীতে খুব সহজেই প্রবেশ করে। আর সেই মেকাপ যখন ত্বকে ব্যবহার করা হয় জীবাণু লোমকুপের দ্বারা শরীরের ভিতরে প্রবেশ করে।

৩। যারা যারা গোসলের সময় শরীর পরিষ্কার এর জন্য ছোট জাল জাতীয় জিনিস ব্যবহার করেন তাদের উদ্দেশ্যে বলছি, তাদের ব্যবহৃত ভিজে জাল জাতীয় জিনিস বাথরুমে রেখে দেওয়া একদম ঠিক নয়। কারন ভিজে জিনিসে ব্যাকটেরিয়া বেশি জন্ম নেয়। তাই গোসলের পর জাল জাতীয় জিনিস ভালো করে রোদে শুকিয়ে তবে পুনরায় ব্যবহার করা উচিৎ।

৪। এই একই পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে তোয়ালের ক্ষেত্রে। তোয়ালে কখনো বাথরুমে টাঙ্গিয়ে রাখা উচিৎ নয়। বাথরুমের সমস্ত জীবাণু ও ব্যাকটেরিয়া এসে জমা হয় তোয়ালেতে। আর আপনি যখন সেই তোয়ালে ব্যবহার করবেন সেই জীবাণু প্রবেশ করবে আপনার শরীরে।

৫। অনেকে মোবাইল নিয়ে বাথরুমে অনেক সময় কাটান। এই কাজটি খুব ভুল কাজ। মোবাইল বাথরুমে অনেকক্ষণ থাকায় তাতে অনেক জীবাণু প্রবেশ করে। আর তারপর সেই মোবাইল নিয়ে কানে দিয়ে কথা বলার সময় জীবাণু প্রবেশ করে কানে ভিতরে।

৬। অনেকে কমোডে ফ্ল্যাশ করার পর কমোডের ঢাকনা না দিয়েই বেড়িয়ে আসেন। এর ফলে জীবাণু ছড়িয়ে পরে। কমোড থেকে জীবাণু প্রায় ৬ফুট পর্যন্ত উঠতে পারে। তাই সকলের উচিৎ কমোডের ঢাকনা বন্ধ করে দেওয়া। তাহলে আর জীবাণু চারিদিকে ছড়াবে না।

৭। গোসলের জন্য সাবান সকলের বাথরুমেই থাকে। আমরা গোসলের সময় ঐ সাবান ব্যবহার করি। কিন্তু কেউ সাবানের উপরের ভাগ পরিস্কার করিনা। সাবানের উপরে জমা হতে থাকে অনেক জীবাণু। তাই ব্যবহারের আগে সাবান ধুয়ে নেওয়াই ভালো।

জেনেনিন রসুন খাওয়ার উপকারিতা

February 02, 2019
ছবি : সংগৃহীত

সকল মানুষের কাছেই সকালে খালি পেটে কাঁচা রসুন খাওয়াটা ভীষণ অস্বাস্থ্যকর মনে হতে পারে। কিন্তু খালি পেটে রসুন খাওয়া শরীরের জন্য ভীষণ স্বাস্থ্যকর একটি ব্যাপার। সকালে খালি পেটে রসুন খেলে এমন কিছু উপকার হয়, যেটা অন্য খাবারের সাথে রান্না করা অবস্থায় খেলে এত উপকার হয় না। এটি শুধু বিভিন্ন ধরণের রোগ দূরই করে না, পাশাপাশি বিভিন্ন রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতাও বৃদ্ধি করে। চলুন জেনে নেই খালি পেটে রসুন খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে।

উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে : অসংখ্য মানুষ যারা উচ্চ রক্তচাপের শিকার তারা দেখেছেন, রসুন খাওয়ার ফলে তাদের উচ্চ রক্তচাপের কিছু উপসর্গ উপশম হয়। রসুন খাওয়ার ফলে তারা শরীরে ভাল পরিবর্তন দেখতে পান। শরীরকে ডি-টক্সিফাই করে : অন্যান্য ঔষধের তুলনায় শরীরকে ডি-টক্সিফাই করতে রসুন কার্যকরী ভূমিকা পালন করে থাকে। বিশেষজ্ঞদের মতে, রসুন প্যারাসাইট, কৃমি পরিত্রাণ, জিদ, সাঙ্ঘাতিক জ্বর, ডায়াবেটিস, বিষণ্ণতা এবং ক্যান্সার এর মত বড় বড় রোগ প্রতিরোধ করতে সক্ষম।

প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক : গবেষণায় দেখা গেছে, খালি পেটে রসুন খাওয়া হলে এটি একটি শক্তিশালী অ্যান্টিবায়োটিক এর মতো কাজ করে থাকে। সকালে নাস্তার পূর্বে রসুন খেলে এটি আরও কার্যকরীভাবে কাজ করে থাকে। তখন রসুন খাওয়ার ফলে ব্যাকটেরিয়াগুলো উন্মুক্ত হয় এবং রসুনের ক্ষমতার কাছে তারা নতিস্বীকার করে থাকেন। তখন শরীরের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াসমূহ আর রক্ষা পায় না।

যক্ষ্মা প্রতিরোধক করতে সক্ষম: আপনার যদি যক্ষ্মা বা টিবি জাতীয় কোন সমস্যা ধরা পড়ে থাকে, তাহলে সারাদিনে একটি সম্পূর্ণ রসুনকে  কয়েক অংশে বিভক্ত করে বার বার খেতে পারেন। এতে আপনার যক্ষ্মা রোগ নির্মূলে সহায়তা করবে।

অন্ত্রের জন্য রসুন ভাল ফল দেয়: খালি পেটে রসুন খাওয়ার ফলে যকৃত এবং মূত্রাশয় সঠিকভাবে নিজ নিজ কার্য সম্পাদন করে থাকে।

এছাড়াও, এর ফলে পেটের বিভিন্ন সমস্যা দূর হয় থাকে যেমন- ডায়রিয়া। এটা হজম ও ক্ষুধার উদ্দীপক হিসেবে কাজ করে থাকে। এটি স্ট্রেস দূর করতেও সক্ষম হয়। অনেক সময় স্ট্রেস বা চাপের কারনে আমাদের গ্যাস্ট্রিক এর সমস্যায় পরতে হয়। তাই, খালি পেটে রসুন খেলে এটি আমাদের স্নায়বিক চাপ কমিয়ে এ সকল সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে থাকে।

শ্বসন : রসুন যক্ষ্মা, নিউমোনিয়া, ব্রংকাইটিস, ফুসফুসের কনজেশন, হাপানি, হুপিং কাশি ইত্যাদি প্রতিরোধ করতে সক্ষম। রসুন এ সকল রোগ আরোগ্যের মাধ্যমে বিস্ময়ের সৃষ্টি করেছে।

রসুনে সতর্কবার্তা : যাদের রসুন খাওয়ার ফলে এলার্জি হবার আশঙ্কা রয়েছে বা হয় তারা অবশ্যই কাঁচা রসুন খাওয়া থেকে বিরত থাকা ভালো। এছাড়া যাদের রসুন খাওয়ার ফলে মাথা ব্যথার সমস্যা হয়, বমির প্রাদুর্ভাব হয় বা অন্য কোন সমস্যা দেখা যায় তাদের জন্য কাঁচা রসুন না খাওয়াই ভাল হবে।



Friday, February 1, 2019

সালমান খানের প্রথম প্রেমিকার মেয়ে এখন তারই নায়িকা!

February 01, 2019
ছবি : সংগৃহীত

শায়েষা সায়গল বলিউডের এই সময়ের অন্যতম সুন্দরী অভিনেত্রী বলা হচ্ছে তাকে। তার সাথে বলিউডের একাধিক অভিনেতা-অভিনেত্রীর আত্মীয়তার সম্পর্ক রয়েছে। একটি গয়না বিপণীর বিজ্ঞাপনের কারণে ইতিমধ্যেই ঘরে ঘরে পরিচিত মুখ তিনি। বলিউডে আবারো নতুন ছবিতে অভিনয় করতে পারেন এই সুন্দরী।

অজয় দেবগণের ‘শিবায়ে’ ছবিতে অভিনয় করেছেন শায়েষা সায়গল। মুম্বাইয়ের ইকোলে মণ্ডলে স্কুল থেকে পড়াশোনা করেছেন তিনি। কোনোদিন ৯০ শতাংশের কম নম্বর পাননি এই মেধাবী ছাত্রী। এক সাক্ষাত্কারে নিজেই এ কথা জানিয়েছিলেন শায়েষা সায়গল।

প্রথম অভিনয় তামিল ছবি অখিল। সেটি বেশ জনপ্রিয় হয়েছিল। তবে শায়েষা সায়গল এর সাথে বলিউডের নিবিড় যোগ রয়েছে। কিন্তু কী ভাবে? শায়েষার সায়গল মা শাহিন বানুও ছিলেন একজন অভিনেত্রী। শাহিন বানু অভিনেত্রী শায়রা বানুর ভাই সুলতান আহমেদের মেয়ে, অর্থাৎ শায়রা ও দিলীপ কুমারের নাতনি শায়েষা সায়গল।

অন্যদিকে শায়েষা সায়গল বাবা সুমিত সায়গলও একজন বলিউড অভিনেতা। তার বাবা-মায়ের বিচ্ছেদের পর সুমিত বিয়ে করেন অভিনেত্রী ফারহাকে। সে দিক থেকে ফারহা হলেন শায়েষা সায়গল এর সৎ মা।

তবে শায়েষা সায়গল সাথে সালমান খানেরও এক অন্য রকম সম্পর্ক রয়েছে। সেটা তার মায়ের দিক থেকে।

সালমান খানের কলেজ জীবনের প্রথম প্রেমিকা ছিলেন শাহিন। শায়রা ও দিলীপ কুমারের সাথে সালমানের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠতা ছিল সেই সময়। সেই শাহিনেরই মেয়ে শায়েষা সায়গল। সালমান তাই এই অভিনেত্রীকে নাকি চলচ্চিত্রে অভিষেক করাতেও চেয়েছিলেন।

১৯ বছর বয়সেই শাহিনের সাথে নাকি সালমানের ব্রেক আপ হয়ে যায়। তার পর শাহিন বিয়ে করেন সুমিতকে। সেই সুমিত আর শাহিনেরই মেয়ে শায়েষা সায়গল। বলিউড সূত্রে খবর, সালমান অত্যন্ত খেয়াল রাখেন ‘শিবায়ে’ অভিনেত্রীর, স্নেহও করেন। এক পার্টিতে দেখাও গেছে তাদের।

সালমান নাকি ঘনিষ্ঠ মহলে এও বলেছেন, শায়েষাকে দেখলেই অল্পবয়সের শাহিনের কথাই তার মনে পড়ে যায়।

সার্চ ইঞ্জিনে ঢাকার মানুষের কাছে পছন্দ মিয়া খলিফা, খুলনায় সানি লিওন!

February 01, 2019
ছবি : সংগৃহীত

ইন্টারনেটের বিশাল জগত কিন্তু শুধু মাল্টিমিডিয়া কনটেন্ট দিয়েই পরিপুর্ন নয়, বরং আপনি প্রায় যে কোন ধরণের তথ্য এখান থেকে খুঁজে নিতে পারবেন খুব সহজে। ইন্টারনেটের কিছু বিশেষ সাইট থাকে, যা মানুষকে তত্ত্ব-তালাশ করতে সাহায্য করে। সেগুলোর পোশাকি নাম ‘সার্চ ইঞ্জিন’। বিভিন্ন রকমের সার্চ ইঞ্জিন আছে, কিন্তু কাজের পদ্ধতি প্রায় একইরকম। এর মধ্যে গুগল হলো অন্যতম।

বাংলাদেশ থেকে ২০১৮ সালে সবচেয়ে বেশিবার গুগলে খোঁজা হয়েছে এমন ব্যক্তিদের তালিকায় শীর্ষ দশে রয়েছেন তিন মহিলা পর্নস্টার। তারা লেবানিজ বংশোদ্ভূত মিয়া খলিফা, ভারতীয় সানি লিওন এবং মার্কিন মিয়া মালকোভা। এই তারকাদের বেশি খুঁজেছেন ঢাকা ও খুলনার ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা। বাংলাদেশের কোন বিভাগ থেকে কোন বিষয়ে বেশি খোঁজা হয়েছে সেটিও প্রকাশ করেছে গুগল। এতে দেখা যায়, সবচেয়ে বেশি খোঁজা হয়েছে এমন তিন ব্যক্তি বা বিষয়ের তালিকায় পর্নস্টারের নাম রয়েছে কেবল ঢাকা ও খুলনার সার্চ-ট্রেন্ডে।

পর্নস্টারদের মধ্যে ঢাকাবাসী বেশি খুঁজেছেন মিয়া খলিফাকে। আর খুলনার মানুষ বেশি খুঁজেছেন সানি লিওন ও মিয়া মালকোভার কনটেন্ট গুলো।  ট্রেন্ডে দেখা যায়, ২০১৮ সালে ঢাকা বিভাগ থেকে খোঁজা শীর্ষ তিন ব্যক্তি বা বিষয় হলো, মেগান মের্কলে, মিয়া খলিফা ও এমবাপ্পে। চট্টগ্রামে বিভাগে ক্রিকবাজ, এক্সএক্সএক্স ও ব্রিসবেন।

সিলেটে ওয়াল্ড কাপ, প্রিয়া প্রকাশ ও টাইগার জিন্দা হ্যায়। বরিশালে এসএসসি রেজাল্ট, নিক জোনস ও ব্ল্যাক প্যান্থার। খুলনায় বাংলাদেশ বনাম জিম্বাবুয়ে, সানি লিওন ও মিয়া মালকোভা। রাজশাহীতে থাগস অব হিন্দুস্তান, রেস-৩, দ্য নান এবং রংপুরে এইচএসসি রেজাল্ট, লাইভ ফুটবল ও বাঘি-২।

এছাড়া পুরো বাংলাদেশ থেকে ২০১৮ সালে সবচেয়ে বেশি খোঁজা হয়েছে ক্রোয়েশিয়ার প্রেসিডেন্ট কোলিন্দা গ্রাবার কিতারোভিচকে। ভারতীয় অভিনেত্রী প্রিয়া প্রকাশ ছিলো বাংলাদেশিদের দুই নম্বর পছন্দ। তৃতীয় অবস্থানে আছেন ব্রিটিশ রাজপরিবারের বধূ মেগান মার্কেল। চতুর্থ ও পঞ্চম অবস্থানে পর্নো তারকা মিয়া খলিফা ও সানি লিওন। ছয় নম্বরে ফ্রান্স ফুটবল তারকা এমবাপ্পে।

সাত নম্বরে আরেক পর্নো তারকা মিয়া মালকোভা। ৮ম সর্বোচ্চ খোজাঁ হয়েছে প্রিয়াঙ্কার চোপড়ার বর নিক জোনাসকে। সেরা দশে বাংলাদেশি ছিলেন মাত্র ২ জন। এরা হলেন ৯ নম্বর অবস্থানে থাকা বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও ১০ নম্বরের হিরো আলম।

Thursday, January 31, 2019

এই খাবার গুলি আপনার যৌন ক্ষমতা দশগুণ পর্যন্ত বাড়িয়ে দিতে সক্ষম…

January 31, 2019
ছবি : সংগৃহীত

বিবাহিত জীবনে সকলেই চায় সুখি হতে। আর সুখি হতে গেলে চাই মানসিক শান্তি ও ভালোবাসা। আর শারীরিক মিলন ভালোবাসার একটি অঙ্গ। দাম্পত্য জীবনে মিলনে পরিতৃপ্তি না পেলে নষ্ট হতে থাকে সম্পর্ক। সামান্য শারীরিক কমতির জন্য শুনতে হয় বহু কথা, যেতে হয় ডাক্তারের কাছে। আজ আপনাদের জানাবো কোন ওষুধ ছাড়াই কীভাবে আপনি নিজের ক্ষমতা বাড়াবেন।

১। পিঁয়াজঃ পিঁয়াজ যৌন ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য খুব উপকারী। অনেক গবেষণায় দেখা গেছে যে, কাঁচা পিঁয়াজ পুরুষ হরমোন টেস্টোস্টেরনের ক্ষরণ বাড়িয়ে দেয়। আর পুরুষ হরমোনের ক্ষরণ বাড়লে যৌন ক্ষমতাও স্বাভাবিক ভাবেই বৃদ্ধি পায়।
অল্প অল্প পিঁয়াজের রস রোজ খেলে প্রজননতন্ত্র ধীরে ধীরে সক্রিয় হয়ে ওঠে। আপনি যদি দ্রুত ফল পেতে চান তাহলে পিঁয়াজের রসের সাথে সামান্য রসুনের রসও মিশিয়ে নিতে পারেন। এটি আপনার ওষুধ হিসাবে কাজ করবে। আপনার পুরুষাঙ্গের স্বাস্থ্যের উন্নতি করবে।

২। ডিমঃ যৌন উত্তেজনা বাড়াতে খুব উপকারী হল ডিম। প্রতিদিন সকালে ১ টা করে ডিম খাওয়া উচিৎ। যদি প্রতিদিন না পারেন তাহলে অন্তত সপ্তাহে ৫ দিন ডিম খান। এতে আপনার যৌন দূর্বলতা থাকলে তা সমাধান হয়ে যাবে।

৩। দুধঃ ছোট বাচ্ছা থেকে বুড়ো পর্যন্ত সকলের খাওয়া উচিৎ দুধ। দুধ এমন এক খাদ্য যা আপনার শরীরে সমস্ত রকম প্রোটিন, ভিটামিনের যোগান দেয়। এতে আছে প্রানীজ ফ্যাট। আর শরীরে সেক্স হরমোন বৃদ্ধি করতে চাইলে অবশ্যই আপনার শরীরের দরকার ফ্যাট।

৪। মধুঃ মধু যৌন ক্ষমতা বাড়াতে সক্ষম। রোজ গরম জলে মধু মিশিয়ে খেলে যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

৫। কফিঃ কফিও বাড়াতে পারে আপনার দেহের চাহিদা। কফিতে যে ক্যাফেইন থাকে তা ক্ষমতা বাড়ায় আপনার শরীরের।

৬। জায়ফলঃ জায়ফল থেকে নিঃসৃত হয় একধরনের কামো’দ্দীপক যৌগ। এটি স্নায়ুর কোষকে উজ্জীবিত করে রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়, এর ফলে যৌন ইচ্ছা বৃদ্ধি পায়। কফির সাথে এটি মিশিয়ে খেলে দুটির কাজ একত্রে  হওয়া সম্ভব।

৭। কলাঃ ভিটামিন এ, বি, সি ও পটাশিয়াম থাকে কলার মধ্যে। ভিটামিন বি ও পটাশিয়াম মানবদেহের যৌন রস উৎপাদন বাড়ায়। কলায় রয়েছে ব্রমেলীয়াণ যা টেস্টোস্টেরনের মাত্রা বাড়ায়। শর্করা থাকে কলায়, যা দেহের শক্তি বৃদ্ধি করে। দীর্ঘ সময় মিলিত হলেও আপনার শরীরের ক্লান্তি আসেনা।

৮। চকলেটঃ ভালোবাসা ও যৌনতার সঙ্গে চকলেটের সম্পর্ক অনেক দিনের। ফেনিলেথিলামিন ও সেরোটোনিন থাকে চকলেটে। আমাদের মস্তিস্কেও আছে এই দুটি পদার্থ। এগুলি যৌন উত্তেজনা ও দেহের শক্তির মাত্রা বাড়াতে সহায়ক।

প্রিয়াঙ্কা চোপড়া বিয়ে হতে না হতেই গর্ভবতী

January 31, 2019
ছবি : সংগৃহীত

রাজস্থানে মহা ধুম ধাম করে গত বছরের ১ ও ২ ডিসেম্বর বিয়ে হয় নিক জোনাস ও প্রিয়াঙ্কার চোপড়ার। ২০শে ডিসেম্বর ২০১৮ ইং মুম্বাইতে পার্টিও দিয়েছেন তারা। সেখানে উপস্থিত ছিলেন সমস্ত বলিউডের তারকারা। তারা হানিমুনের জন্য গিয়েছিলেন ওমানে। তাদের বিয়ে ছিল দেখার মতো। যেমন ছিল নিমন্ত্রিতরা তেমন ছিল তার আয়োজন। খাওয়া দাওয়ার এলাহি ব্যবস্থা। অতিথিদের জন্য ছিল বিশেষ ব্যবস্থা।

আগে থেকেই বিয়ে, হানিমুন, এমনকি বাচ্চার প্ল্যানও হয়ে যায়। তো সেক্ষেত্রে এটা এমন কিছু নতুন ঘটনা নয়। হতেই পারে তারাও বিয়ের আগে থেকেই সব প্ল্যান করে রেখেছিল। তাই মিডিয়ার সামনে ঐ কথা বলেছেণ মার্কিন গায়ক নিক।

কিছু মানুষ হয়তো এই নিয়ে অনেক ধরনের কথা বলছে কিন্তু এতোটাও সমালোচনার কিছু নেই। মার্কিন গায়কের এরকম কথা শুনে রীতিমত সমালোচনা শুরু হয়ে গেছে মিডিয়া জগতে। আর সেই খবর ছড়িয়ে পড়েছে সবার কাছে। কেউ বলছে প্রিয়াঙ্কা বিয়ের আগে থেকেই গর্ভবতী ছিল।

আবার অনেকে বলছে বিয়ের পর সন্তানের ইচ্ছা সকলের থাকে তাই হয়তো নিক এরকম কথা বলেছে। মানুষের সমালোচনার শেষ নেই। নানা রকম লোকের মনে নানা রকম কথা আসছে এই ঘটনার পর।

তাছাড়া জানা গেছে নিক নাকি তার নব বিবাহিত স্ত্রীকেও জানিয়েছে তার এই ইচ্ছার কথা। নিক বলেছে তার ভাইপো আর ভাইঝিকে আর একজন খেলার সঙ্গী দিতে চায়। সেই শুনে প্রিয়াঙ্কা প্রথমে লজ্জা পেলেও সেও রাজি নিকের প্রস্তাবে।

বিয়ের পর সবার ইচ্ছা হতেই পারে একটা সন্তানের। সেই কথাই জানিয়েছেন মিডিয়ার কাছে। কিন্তু মিডিয়া থেকে সেই খবর ভাইরাল হতে বেশি সময় লাগেনা। নিক যৌথ পরিবারের সদস্য। সে তার ভাইপো ভাইঝিদের সারা বাড়ি ঘুরে ঘুরে খেলতে দেখে।

তাদের দেখে নিকের ইচ্ছা হয় তার সন্তানও এভাবে সারা বাড়ি ঘুরে খেলা করে। তাই তার ইচ্ছা প্রকাশ করে প্রিয়াঙ্কার কাছে। সব মেয়েরাই সাধারণত এই ধরনের কথা শুনে লজ্জা পায়। প্রিয়াঙ্কা লজ্জায় নিজে মুখে এই কথা কারোর সামনে না বলতে পারলেও নিক বলেন সবার সামনে।

প্রথম সন্তান ছেলে না মেয়ে হওয়া ভালো ইসলাম কি বলে?

January 31, 2019
ছবি : সংগৃহীত

ইসলামিক দৃষ্টিকোন থেকে প্রথম সন্তান ছেলে না মেয়ে হওয়া ভালো?

প্রথম সন্তান ছেলে বা মেয়ে যাই হোক না কেন ইসলামের দৃষ্টিতে এর মাঝে কোনো পার্থক্য বা মর্যাদাগত ভাবে কোনো কম-বেশি নেই ইসলাম এর দিক থেকে। কারণ ইসলাম কন্যা শিশু ও ছেলে শিশু উভয়কেই সমান দৃষ্টিতে দেখতে নির্দেশ দিয়েছেন। তবে কারো প্রথম সন্তান কন্যা হলে তার জন্য হাদিস শরিফে বিশেষ ফজিলতের কথা উল্লেখ করেছে।

ছেলে না মেয়ে: ছেলে বা মেয়ে সন্তান চাইলে কি করা উচিত ? (১) হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বলনে, রাসূল (সা.) ইরশাদ করনে, যার গৃহে কন্যা সন্তান জন্মগ্রহন করল, অতঃপর সে ঐ কন্যা সন্তান কে কষ্ট দিলো না,তার উপর অসন্তুষ্ট হইল না এবং পুত্র সন্তানকে তার উপর কর্তিথ করতে দিলো না, তাহলে ঐ কন্যার কারনে আল্লাহ তায়ালা তাকে জান্নাতে প্রবশে করাবেন।(মুসনাদে আহমদ ১;২২৩)

কীভাবে বুঝবেন কোন মেয়ে আপনার প্রেমে পড়েছে কিনা (২) রাসুল (সা.) ইরশাদ করেন,যে ব্যাক্তি একটি মেয়েকে বয়ঃপ্রাপ্ত হওয়া পর্যন্ত লালন পালন করল সে কিয়ামতের দিন এরূপ অবস্থায় উঠবে যে আমি আর সে এরকম মিলিত অবস্থায় থাকব, এই বলে তিনি স্বীয় আঙ্গুলসমূহ মিলিয়ে দেখালেন।(মুসলিম শরীফ ৩) রাসুল (সা.) ইরশাদ করেন,”কন্যা সন্তান হল উত্তম সন্তান। কেননা,তারা হচ্চে অধিক গুনের অধিকারিনী বিনম্র ও মিষ্টভাষী।

সত্যিকারের ভদ্র মেয়ে চেনার কিছু বৈশিষ্ট্য: এছাড়া তারা পিতা-মাতার সেবা -শুশ্রষার জন্য সদাসর্বদা প্রস্তুত থাকে এবং তারা মায়া মমতাকারীনী,স্নেহময়ী,বিনয়ী ও বরকতময়ী।”(ফিরদাউস ৪;২৫৫) আর প্রথম সন্তান মেয়ে হ্ওয়ার ফযীলত সম্পর্কে হাদীস নিম্নে উল্লেখ করা হল, হযরত আব্দুল্লাহ উমর (রা.) বর্ণনা করেন,রাসুল (সা.) ইরশাদ করেন,ঐ মহিলা বরকতময়ী ও সৌবাগ্যশালী,যার প্রথম সন্তান মেয়ে হয়।কেননা,(সন্তানদানের নিয়ামত বর্ণনা করার ক্ষেত্রে )আল্লাহ তায়ালা মেয়েকে আগে উল্লেখ করে বলেন,তিনি যাকে ইচ্ছা কন্যা সন্তান দান করেন আর যাকে ইচ্ছা পুত্র সন্তান দান করেন।

আবারও ঝড় তুললেন পর্ন তারকা সানি লিওন

January 31, 2019
ছবি : সংগৃহীত

বলিউডে পা রাখার পর থেকে এক এক সময় এক এক রকম ভাবে দেখা গিয়েছে তাকে। কখনও ‘রইস’-এ শাহরুখ খানের সঙ্গে আইটেম মডেল হিসেবে স্ক্রিন শেয়ার করেছেন তিনি, আবার কখনও তাকে দেখা গিয়েছে ‘বেবি ডল’-এর মতো জনপ্রিয় গানে । আবার কখনও স্বামী, সন্তানদের নিয়ে চুটিয়ে সংসার করতেও দেখা গিয়েছে তাকে। বুঝতেই পারছেন সানি লিওনের কথাই বলা হচ্ছে। আর এবার সানিকে দেখা গেল এক্কেবারে অন্যরকম লুকে।

সবে সামনে আসছে ফ্যাশন ফটোগ্রাফার ডাবু রত্নানির এ বছরের ক্যালেন্ডার। যেখানে বলিউডের একের পর এক সেলেব্রিটিদের চোখ ঝলসানো রূপকে নিয়ে নয়া আঙ্গিকে আবার তুলে ধরা হয়েছে।

ডাবুর সেই ক্যালেন্ডারে যেমন রয়েছেন ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন, তেমনি কার্তিক আরিয়ান কিংবা সানি লিওন। আর এবার ডাবু রত্নানির ক্যালেন্ডার নিয়ে কার্তিক আরিয়ান এবং সানি লিওন কি করলেন জানেন?

সানি লিওন এবং কার্তিক আরিয়ান যখন ডাবুর ক্যালেন্ডারে নিজেদের ছবি প্রকাশ করতে যান, তখন সব ওলটপালট হয়ে যায়। অর্থাত, কার্তিক আরিয়ানের হাতে চলে যায় সানি লিওনের ছবি। এবং সানির হাতে চলে আসে কার্তিক আরিয়ানের ছবি।

যা দেখে দু’জনেই হেসে ফেলেন। ছবিতে বিছানার উপর কার্তিক আরিয়ানকে শুয়ে থাকতে দেখা যায়। আর তার পাশে দেখা যায় দুটো বিড়ালকে। প্রসঙ্গত, এবারই প্রথম ডাবু রত্নানির ক্যালেন্ডারে ডেবিউ করলেন কার্তিক আরিয়ান।অন্যদিকে লাল লেদারের জ্যাকেট এবং কালো শর্টসে সানি লিওনকে লাগছিল আরও মোহময়ী।