Friday, February 8, 2019

লিঙ্গে কালজিরার তেল ব্যবহার করলে কি উপকার হয় জেনেনিন

February 08, 2019
ছবি : সংগৃহীত

সর্বরোগের মহাওষুধ হলো কালিজিরা। একমাত্র মৃত্যু ব্যতিত সকল রোগ থেকে মুক্তি পেতে কালিজিরার কথা ইসলামেও রয়েছে। কালিজিরার তেলে ১০০টিরও বেশি উপযোগী উপাদান আছে। এতে আছে প্রায় ২১ শতাংশ আমিষ, ৩৮ শতাংশ শর্করা এবং ৩৫ শতাংশ ভেষজ তেল ও চর্বি।

কালিজিরার অন্যতম উপাদানের মধ্যে আছে নাইজেলোন, থাইমোকিনোন ও স্থায়ী তেল। এতে আরও আছে আমিষ, শর্করা ও প্রয়োজনীয় ফ্যাটি এসিডসহ নানা উপাদান। পাশাপাশি কালিজিরার তেলে আছে লিনোলিক এসিড, অলিক এসিড, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, আয়রন, জিংক, ম্যাগনেশিয়াম, সেলেনিয়াম, ভিটামিন-এ, ভিটামিন-বি, ভিটামিন-বি২, নিয়াসিন ও ভিটামিন-সি।

এর মধ্যে রয়েছে ফসফেট, লৌহ, ফসফরাস, কার্বো-হাইড্রেট ছাড়াও জীবাণু নাশক বিভিন্ন উপাদান সমূহ। এতে রয়েছে ক্যন্সার প্রতিরোধক কেরোটিন ও শক্তিশালী হর্মোন, প্রস্রাব সংক্রান্ত বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধকারী উপাদান, পাচক এনজাইম ও অম্লনাশক উপাদান এবং অম্লরোগের প্রতিষেধক কালিজিরার তেল এ প্রাকিতিক শক্তি আছে তাই এটির জন্য কালিজিরার তেল লিঙ্গে মাখলে সহজে বীর্যপাত হয় না এবং লিঙ্গ অনেক বেশি শক্ত হয়।

পুরুষাঙ্গ প্রতিদিন কালিজিরার তেল দিয়ে মালিশ করলে, পুরুষাঙ্গ শক্ত ও মোটা হতে পারে। সবসময় পুষ্টিকর খাবার খান কারন প্রতিদিনের স্বাভাবিক খাবারেই যৌনক্ষমতা ধরে রাখা সম্ভব। আর কিছু সেক্সফুড আছে যা সত্যিই যৌনক্ষমতা বাড়ায় ওগুলো খাবেন।

আসলে লিঙ্গ মোটা করা কিংবা লম্বা করার মত কোনো ব্যাবস্থা এখনো পর্যন্ত তৈরি হয়নি। আপনি যদি লিঙ্গ মোটা করার জন্যে কোনো কিছু করতে চান তাহলে সেটা আপনার জন্যে বিপদও ডেকে আনতে পারে। সবসময় পুষ্টিকর খাবার খান কারন প্রতিদিনের স্বাভাবিক খাবারেই যৌনক্ষমতা ধরে রাখা সম্ভব। আর কিছু সেক্সফুড আছে যা সত্যিই যৌনক্ষমতা বাড়ায় ওগুলো খাবেন।কালিজিরার তেলে ১০০টিরও বেশি উপযোগী উপাদান আছে। এতে আছে প্রায় ২১ শতাংশ আমিষ, ৩৮ শতাংশ শর্করা এবং ৩৫ শতাংশ ভেষজ তেল ও চর্বি।

কালিজিরার অন্যতম উপাদানের মধ্যে আছে নাইজেলোন, থাইমোকিনোন ও স্থায়ী তেল। এতে আরও আছে আমিষ, শর্করা ও প্রয়োজনীয় ফ্যাটি এসিডসহ নানা উপাদান।পাশাপাশি কালিজিরার তেলে আছে লিনোলিক এসিড, অলিক এসিড, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, আয়রন, জিংক, ম্যাগনেশিয়াম, সেলেনিয়াম, ভিটামিন-এ, ভিটামিন-বি, ভিটামিন-বি২, নিয়াসিন ও ভিটামিন-সি।এর মধ্যে রয়েছে ফসফেট, লৌহ, ফসফরাস, কার্বো- হাইড্রেট ছাড়াও জীবাণু নাশক বিভিন্ন উপাদান সমূহ।

এতে রয়েছে ক্যন্সার প্রতিরোধক কেরোটিন ও শক্তিশালী হর্মোন, প্রস্রাব সংক্রান্ত বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধকারী উপাদান, পাচক এনজাইম ও অম্লনাশক উপাদান এবং অম্লরোগের প্রতিষেধক।

কালি জিরার স্বাস্থ্যগুন: তিলের তেলের সাথে কালিজিরা বাঁটা বা কালিজিরার তেল মিশিয়ে ফোড়াতে লাগালে ফোড়ার উপশম হয়। অরুচি, উদরাময়, শরীর ব্যথা, গলা ও দাঁতের ব্যথা, মাইগ্রেন, চুলপড়া, সর্দি, কাশি, হাঁপানি নিরাময়ে কালিজিরা সহায়তা করে। ক্যান্সার প্রতিরোধক হিসাবে কালিজিরা সহায়ক ভূমিকা পালন করে। চুলপড়া, মাথাব্যথা, অনিদ্রা, মাথা ঝিমঝিম করা, মুখশ্রী ও সৌন্দর্য রক্ষা, অবসন্নতা-দুর্বলতা, নিষ্কিয়তা ও অলসতা, আহারে অরুচি, মস্তিষ্কশক্তি তথা স্মরণশক্তি বাড়াতেও কালোজিরা উপযোগী।

মাথা ব্যথায় কপালে উভয় চিবুকে ও কানের পার্শ্ববর্তি স্থানে দৈনিক ৩/৪ বার কালোজিরা তেল মালিশ করলে উপকার পাওয়া যায়। কালোজিরা চূর্ণ ও ডালিমের খোসাচূর্ণ মিশ্রন, কালোজিরা তেল ডায়াবেটিসে উপকারী। চায়ের সাথে নিয়মিত কালোজিরা মিশিয়ে অথবা এর তেল বা আরক মিশিয়ে পান করলে হৃদরোগে যেমন উপকার হয়, তেমনি মেদ ও বিগলিত হয়।

মধুসহ প্রতিদিন সকালে কালোজিরা সেবনে স্বাস্থ্য ভালো থাকে ও সকল রোগ মহামারী হতে রক্ষা পাওয়া যায়। জ্বর, কফ, গায়ের ব্যথা দূর করার জন্য কালিজিরা যথেষ্ট উপকারী বন্ধু। এতে রয়েছে ক্ষুধা বাড়ানোর উপাদান। পেটের যাবতীয় রোগ-জীবাণু ও গ্যাস দূর করে ক্ষুধা বাড়ায়। সন্তান প্রসবের পর কাঁচা কালিজিরা পিষে খেলে শিশু দুধ খেতে পাবে বেশি পরিমাণে। কালিজিরায় রয়েছে অ্যান্টিমাইক্রোরিয়াল এজেন্ট, অর্থাৎ শরীরের রোগ-জীবাণু ধ্বংসকারী উপাদান।

এই উপাদানের জন্য শরীরে সহজে ঘা, ফোড়া, সংক্রামক রোগ (ছোঁয়াচে রোগ) হয় না। কালিজিরা মেধার বিকাশের জন্য কাজ করে দ্বিগুণ হারে। কালিজিরা নিজেই একটি অ্যান্টিবায়োটিক বা অ্যান্টিসেপটিক।দাঁতে ব্যথা হলে কুসুম গরম পানিতে কালিজিরা দিয়ে কুলি করলে ব্যথা কমে; জিহ্বা, তালু, দাঁতের মাড়ির জীবাণু মরে। কালিজিরা কৃমি দূর করার জন্য কাজ করে।

দেহের কাটা-ছেঁড়া শুকানোর জন্য কাজ করে। কালোজিরার যথাযথ ব্যবহারে দৈনন্দিন জীবনে বাড়তি শক্তি অজির্ত হয়। এর তেল ব্যবহারে রাতভর প্রশান্তিপর্ন নিদ্রা হয়। প্রস্রাব বৃদ্ধির জন্য কালিজিরা খাওয়া হয়। বহুমুত্র রোগীদের রক্তের শর্করার মাত্রা কমিয়ে দেয় এবং নিম্ন রক্তচাপকে বৃদ্ধি করে ও উচ্চ রক্তচাপকে হ্রাস করে। মস্তিস্কের রক্ত সঞ্চলন বৃদ্ধির মাধ্যমে স্মরণ শক্তি বাড়িয়ে তুলতে সাহায্য করে।

Thursday, February 7, 2019

মোবাইল ফোনের কারণে কি ক্যান্সার হতে পারে?

February 07, 2019
ছবি : সংগৃহীত

মোবাইল ফোন বা এই ধরনের তারবিহীন যোগাযোগ যন্ত্র থেকে যে তরঙ্গ বিকিরণ হয় সেটা সবারই জানা। তাই বর্তমান বিশ্বে মোবাইল ফোনের সহজলভ্যতার সাথে পাল্লা দিয়ে এর রেডিয়েশন নিয়ে দুশ্চিন্তাও বাড়ছে। অনেকেই বলছেন “বেশি সময় ফোন কানে নিয়ে কথা বললে মস্তিষ্কে ক্যান্সার হতে পারে… পকেটে মোবাইল ফোন রাখলে রেডিয়েশন থেকে শারীরিক ক্ষতিসাধন হতে পারে” ইত্যাদি। কিন্তু এ ব্যাপারে বিজ্ঞানীরা কী বলছে? এমন কোনো গবেষণা কি আছে যা দ্বারা প্রমাণ হয় মোবাইল ফোনের রেডিয়েশন থেকে মানুষের ক্যান্সার হতে পারে? সেই প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যাবে এই পোস্টে।

রেডিয়েশন! রেডিয়েশন!!
আমরা কেনই বা মোবাইল ফোনের রেডিয়েশন নিয়ে এতটা দুশ্চিন্তায় আছি? এর কারণ হচ্ছে, রেডিয়েশন শব্দটার মাঝেই আমরা একধরনের ভয় পাই, যে এই অদৃশ্য শক্তির নিশ্চয়ই অনেক ক্ষমতা! বিশেষ করে জাপানের হিরোশিমা আর নাগাসাকিতে যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক পারমাণবিক হামলায় রেডিয়েশনে মানুষের ক্ষতির কথা জানার পর থেকে রেডিয়েশন শব্দটাই আমাদের কাছে একটা নেতিবাচক অর্থ দাঁড়া করাচ্ছে।

তাহলে মোবাইল ফোনের তরঙ্গ থেকে মানুষের কি ক্যান্সার হতে পারে? সত্যি কথা বলতে গত কয়েক বছর ধরেই বিজ্ঞানীরা এই প্রশ্নের উত্তর পেতে চেষ্টা করছেন। তবে এখন পর্যন্ত এ সংক্রান্ত সকল প্রশ্নের স্পষ্ট উত্তর পাওয়া এখনো যায়নি।

গবেষণা কী বলছে?
গত বছর প্রকাশিত আমেরিকান সরকারের একটি গবেষণায় কতগুলো ইঁদুরের উপর খুবই উচ্চমাত্রার সেলফোন রেডিয়েশন প্রয়োগ করা হলে দেখা যায় কিছু পুরুষ ইঁদুরের হৃদপিণ্ডে এক ধরনের টিউমার সৃষ্টি হয়েছে। কিছু পুরুষ ইঁদুরের ব্রেইনেও টিউমার ধরা পড়ে। অবশ্য, স্ত্রী জাতীয় ইঁদুরে এই সমস্যা দেখা যায়নি। এর সাাথে যোগসূত্র থাকার ব্যাপারে একটি প্রেস রিলিজও প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি সংস্থা ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব এনভায়রোমেন্টাল হেলথ সায়েন্সেস।

তবে যুক্তরাষ্ট্রের আরেকটি সরকারি সংস্থা এফডিএ এ ব্যাপারে বলছে, বর্তমানের সেফটি লিমিট অনুযায়ী সেলফোন থেকে বিকিরিত রেডিওফ্রিকোয়েন্সি এনার্জি  মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য নিরাপদ বলে এফডিএ বিশ্বাস করে। যদিও এসব ব্যাপারে এখনও গবেষণা চলছে।

সেলফোনগুলো থেকে অবশ্যই পরিবেশে রেডিয়েশন হচ্ছে। কিন্তু তার মানে এই না যে এটা একটা পারমাণবিক বোমা থেকে বা এক্সরে মেশিন থেকে প্রাপ্ত রেডিয়েশনের মতো শক্তিশালী!

মোবাইল ফোনের রেডিয়েশন কি ক্ষতিকর?
রেডিয়েশন বিভিন্ন রকম হতে পারে। অ্যামেরিকান ক্যান্সার সোসাইটির ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, সেলফোনের রেডিয়েশন হচ্ছে রেডিওফ্রিকোয়েন্সি রেডিয়েশন যা মানুষের দেহকোষকে ক্ষতিগ্রস্ত করে টিউমার সৃষ্টি করার মতো যথেষ্ট শক্তিশালী নয়। এগুলোকে বলে ‘নন-আয়োনাইজিং’ রেডিয়েশন বলে, যা কোষে ডিএনএ এর রাসায়নিক বন্ধন ভেঙে ক্যান্সার তৈরি করতে সক্ষম নয়। এ ধরণের আরও কিছু ‘নন-আয়োনাইজিং’ রেডিয়েশন হচ্ছে এফএম রেডিওর তরঙ্গ, মাইক্রোওয়েভ এবং দৃশ্যমান আলো।

অ্যামেরিকান ক্যান্সার সোসাইটি আরও বলছে, অনেক বেশি মাত্রায় মোবাইল ফোনের তরঙ্গ যদি মানবদেহের সংস্পর্শে আসে, তাহলে এটি শরীরের কোষের উষ্ণতা বাড়িয়ে দিতে পারে। সেইসাথে সাইটটি এটাও বলছে, মোবাইল ফোন থেকে বিকিরিত তরঙ্গের শক্তি এতটাই কম, যে তা মানুষের কোষের উষ্ণতা বৃদ্ধি করার জন্য যথেষ্ট না।

সবকিছুর পরেও সেলফোন রেডিয়েশনকে ক্ষতিকর মনে করার জন্য অনেক তথ্য উপাত্ত হয়ত আপনি পাবেন, যেহেতু বিজ্ঞানীরাও এখনো সম্পুর্ন পরিষ্কার নন বিষয়টি নিয়ে। শত শত গবেষণা হয়েছে, কিন্তু সরাসরি সেলফোন রেডিয়েশনকে মানুষের জন্য ক্যান্সারের কারণ বলে কেউ ১০০% প্রমাণ করতে পারেনি। তবে বিজ্ঞানীরা বরাবরই এর ঝুঁকির ব্যাপারে ইঙ্গিত দিয়েছেন।

দিনে দিনে নেটওয়ার্কে পরিবর্তন আসছে। ইঁদুরের ওপর পরিচালিত উপরোক্ত গবেষণা ২জি, ৩জি নেটওয়ার্কের ফ্রিকোয়েন্সি দিয়ে করা হয়েছে। এখন ৪জি ও ৫জি এর যুগ। তাই সময়ের সাথে মোবাইল ফোনের বিকিরণ মানবদেহে কেমন প্রভাব ফেলে সে ব্যাপারে উপসংহার টানার সময় এখনও হয়নি।

তবে যেহেতু বিজ্ঞানীরা আগাম সতর্কতা হিসেবে মোবাইল ফোনের তরঙ্গ থেকে যতটা সম্ভব দূরে থাকতে পরামর্শ দিয়েছেন, তাই আমাদের অবশ্যই যতটা সম্ভব মোবাইল ব্যবহার কমানো উচিত। সেই সাথে মোবাইল ফোন এর অতিরিক্ত ব্যবহার যেন আমাদের যান্ত্রিক না করে দেয় সেদিকে খেয়াল রাখাটাও অনেক দরকার।

‘কমে যাচ্ছে পুরুষের শুক্রাণু বিলুপ্ত হতে পারে মানুষ’

February 07, 2019
ছবি: সংগৃহীত

প্রায় দুই শত টি গবেষণা প্রতিবেদনের তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে গবেষকেরা সারা বিশ্বে পুরুষদের শরীরে যে হারে শুক্রাণুর সংখ্যা বা স্পার্ম রেট কমে যাচ্ছে, শুক্রাণু কমে যাবার সেই হার বজায় থাকলে মানুষ বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে বলে হুঁশিয়ার করে দিয়েছেন চিকিৎসকরা। প্রায় দুই শতটি  গবেষণা প্রতিবেদনের তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণ করে গবেষকেরা দেখেছেন, ৪০ বছরেরও কম সময়ের মধ্যে প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে পুরুষদের শুক্রাণুর কাউন্ট।

উত্তর আমেরিকা, ইউরোপ, অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ডের পুরুষদের ওপর করা হয়েছিল এসব গবেষণা। মানব প্রজন্মের সাম্প্রতিক এই তথ্য নিয়ে অবশ্য কিছু গবেষক সন্দেহও প্রকাশ করেছেন। তবে তথ্য সংগ্রহের এই গবেষণা দলের প্রধান ড: হ্যাগাই লেভিন জানাচ্ছেন, ভবিষ্যতে কী ঘটবে তা নিয়ে তিনি ‘খুবই উদ্বিগ্ন’।

এই তুলনামূলক গবেষণাটি করা হয় ১৯৭৩ইং  থেকে ২০১১ইং  সাল পর্যন্ত। এই সময়কালে করা ১৮৫টি গবেষণার তথ্যের ভিত্তিতে এই গবেষণা কাজটি করে ড: লেভিনের দল। ডঃ লেভিন একজন ‘এপিডেমিওলজিস্ট’। রোগ বিস্তার সংক্রান্ত বিদ্যা ও এর সাথে সম্পর্কিত ওষুধের শাখা, রোগের সম্ভাব্য নিয়ন্ত্রণ এসব বিষয়ে তিনি বিশেষজ্ঞ গবেষক। বিবিসিকে ডঃ লেভিন জানান, “এভাবে স্পার্ম কাউন্ট কমতে থাকলে এক সময় মানুষ বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে”। শুক্রাণু কমে যাবার সংখ্যা ‘দিনে দিনে বাড়ছে’ “আমরা যদি নিজেদের জীবনযাপনের ধরন, পরিবেশ এবং রাসায়নিক ব্যবহারে পরিবর্তন না হয়, তাহলে ভবিষ্যতে কী হবে তা ভেবে আমি উদ্বিগ্ন” ।

“একটা সময়ে এটা বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়াবে, আর তাতে মানব প্রজাতির বিলুপ্তিও হয়ে যেতে পারে” -বিবিসিকে বলেন ড: লেভিন। যেসব বিজ্ঞানীরা এই গবেষণার সঙ্গে ছিলেন না তারাও এই গবেষণার মানের প্রশংসা করে বলেন, তাদের কাজ খুবই ভালো, তাদের তথ্যও ঠিক আছে। কিন্তু এখনই এই সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায় না যে ‘মানব প্রজাতি বিলুপ্ত হয়ে যাবে’। জেরুজালেমের হিব্রু ইউনিভার্সিটির গবেষক ড: লেভিন তাঁর অনুসন্ধানে দেখেছেন, শুক্রাণুর ঘনত্ব কমে এসেছে ৫২.৪ শতাংশ এবং শুক্রাণুর কাউন্ট কমে এসেছে ৫৯.৩ শতাংশ।

 উত্তর আমেরিকা, ইউরোপ, অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ডে বসবাসরত পুরুষদের মধ্যে  শুক্রাণুর হার কমে যাবার এই ধারা অব্যাহত রয়েছে এবং এটি দিনে দিনে আরো বাড়ছে। পূ্র্ববর্তী গবেষণা নিয়ে ‘দ্বন্দ্ব’ তবে দক্ষিণ আমেরিকা, এশিয়া এবং আফ্রিকার পুরুষদের মধ্যে শুক্রাণু কাউন্ট বা শুক্রাণুর হার কমতে দেখা যায়নি। তবে গবেষকেরা বলছেন, এসব দেশে যথেষ্ট গবেষণা হয়নি এবং একটা সময়ে এখানেও শুক্রাণু কাউন্ট কমে আসতে পারে বলে ধারণা করেছেন ড: লেভিন।

এসব গবেষণার তথ্য নিয়ে বিতর্ক আছে অনেক কারণে। এর আগে কয়েকটি গবেষণা কাজে বলা হয়েছিল উন্নত অর্থনীতির দেশে শুক্রাণু কাউন্ট কমে আসছে। তবে বিশেষজ্ঞদের অনেকের ধারণা এর মধ্যেও ‘বিভ্রান্তিমূলক তথ্য’ রয়েছে। এছাড়া আরো কিছু গবেষণা করা হয় কমসংখ্যক পুরুষ নিয়ে। আবার ফার্টিলিটি ক্লিনিক থেকে তথ্য নিয়ে যেসব গবেষণা করা হয় সেখানে শুক্রাণু কাউন্ট কম আসা স্বাভাবিক, কারণ মানুষ সমস্যা নিয়েই সেখানে যায়। আরেকটি বড় চিন্তার বিষয় হলো, শুক্রাণু কাউন্ট কমে আসছে এমন ফলাফল দেখতে পেলে তা জার্নালে প্রকাশিত হবার সম্ভাবনা থাকে বেশি।

এই কারণে হয়তো  শুক্রাণু হার কমে আসছে এমন একটা ভুল ধারণা তৈরি হতে পারে। কিন্তু এই গবেষকেরা দাবি করছেন এরকম সব ধরনের সমস্যার বিষয়েই তারা চিন্তা করেছেন এবং গবেষণা করে যে তারা যে ফলাফল পেয়েছেন তা সত্য বলে মানছেন অনেকে। যেমন শেফিল্ড ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক অ্যালান পেসি বলছেন “এর আগে শুক্রাণু কাউন্টের বিষয়ে যেসব গবেষণা হয়েছে তাতে আমি খুব একটা আশ্বস্ত হয়নি।

কিন্তু ড: লেভিন ও তার দল যে গবেষণা করেছেন এবং তারা যে প্রতিবেদন দিয়েছেন তা পূর্ববর্তী অনেক গবেষণা নিয়ে ভ্রান্তি দূর করে দেয়”। ধুমপান এবং স্থূলতা তবে অধ্যাপক পেসি বলছেন, নতুন এই গবেষণাটি অনেক ভ্রান্তি দূর করলেও ফলাফলের বিষয়টি নিয়ে সতর্কতার সাথে এগুতে হবে। “এ বিষয়টা নিয়ে তর্কের অবসান কিন্তু এখনই হচ্ছে না। এ বিষয়ে আরো অনেক কাজ করতে হবে” -বলেন অধ্যাপক পেসি।

কেন শুক্রাণু হার কমে যাচ্ছে তার সঠিক কারণ এখনো জানা যায়নি। তবে কীটনাশক এবং প্লাস্টিকে থাকা রাসায়নিকের সংস্পর্শে আসা, ওবেসিটি বা স্থূলতা, ধুমপান, মানসিক চাপ, খাদ্যভ্যাস, এমনকি অতিরিক্ত টিভি দেখা এক্ষেত্রে ক্ষতিকর বলে গবেষণা প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।। ড: লেভিন বলছেন, কেন শুক্রাণুর হার কমে যাচ্ছে সে বিষয়টি জানা খুব জরুরি হয়ে পড়েছে। একইসাথে এমনটা যেন না ঘটে সেই উপায়ও খুঁজে বের করতে হবে বলে উল্লেখ করেন এই চিকিৎসক বিশেষজ্ঞ।

Wednesday, February 6, 2019

নিম্নাঙ্গে নয়, ঊর্ধ্বাঙ্গেই চরম শরীরী সুখের হদিশ দিতে ৬টি উপায় এখন শিরোনামে

February 06, 2019
ছবি : সংগৃহীত

মানব শরীরে কি সুখস্থান কেবল নিম্নাঙ্গেই? বাৎস্যায়ন জানিয়েছেন, শরীরী সুখের হদিশ লুকিয়ে রয়েছে দেহের সর্বত্র। কিন্তু সেই সন্ধান জানে খুব কম মানুষই। পশ্চিমি বিশ্বে এই সুখ-সন্ধান নিয়ে চলছে নিরন্তর গবেষণা। প্রথাগত যৌনতা থেকে বেরিয়ে সুখের নতুন দিগন্ত উন্মোচন নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন বিজ্ঞানী থেকে শুরু করে সেক্স টয়ের কোম্পানিগুলির কর্তারা পর্যন্ত।

এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে জানা গিয়েছে, ইউরোপ ও মার্কিন মুলুকের বাজার ছেয়ে গিয়েছে এমন কিছু সেক্স টয়-এ, যার সঙ্গে তেমন পরিচিতি ছিল না গ্রাহকদের। সেক্স টয় প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলি জানাচ্ছে, নিম্নাঙ্গে নয়, মানব-ঊর্ধ্বাঙ্গেই চরমতম শরীরী অনুভূতি জাগাতে তারা বের করেছে বিবিধ ‘খেলনা’। এই শরীরী সুখ স্তনবৃন্ত-কেন্দ্রিক। তাই একে ‘অরগ্যাজম’ না বলে ‘নিপলগ্যাজম’ বলাই শ্রেয়, এমনটাই মত প্রস্তুতকর্তাদের।

এই জাতীয় সেক্স টয়ের ব্যবহার যে আগে ছিল না, এমন নয়। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ‘রিফাইনারিটোয়েন্টি ডট কম’ থেকে জানা যাচ্ছে, ২০১১ সালেই এক সমীক্ষায় বিজ্ঞানীরা দেখেছিলেন, স্ত্রী-পুরুষ উভয়েরই স্তনবৃন্ত এক বিশেষ সুখস্থান। সেখান থেকেও চরম রতিসুখ লাভ হতে পারে। এই সমীক্ষা মার্কিন ন্যাশনাল লাইব্রেরি অফ মেডিসিন-এর জার্নালেও প্রকাশিত হয়। বিজ্ঞানীরা দেখান যে, স্তনবৃ্ন্তের বিশেষ শৃঙ্গার মস্তিষ্কের এমন কিছু অংশকে সক্রিয় করে তোলে, যা অন্য উপায়ে ততটা সম্ভব নয়। এই ক্রিয়াই ‘নিপলগ্যাজম’। 

‘নিপলগ্যাজম’-কে গ্রাহকদের ‘হাতের মুঠোয়’ তুলে দিতে ৬ রকমের সেক্স টয় বাজারে লভ্য হয়েছে সম্প্রতি। এগুলি যথাক্রমে— নিপল সাকার, ক্ল্যাম্প, পেন্ড্যান্ট, নিপল বাম, নিপল ম্যাগনেট ও ফিঙ্গার টিজার। এদের বিশদ ব্যবহার নিয়েও প্রচার চালাচ্ছে উৎপাদনকারী সংস্থাগুলি। 

পান পাতার ১০টি গুনা গুন জেনেনিন

February 06, 2019
ছবি : সংগৃহীত

পান পাতায় উপস্থিত একাধিক উপাদান নানাবিধ রোগের প্রকোপ হ্রাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। কিন্তু পান পাতার উপকারিতা সম্পর্কে আমরা তেমন অবগত নই। আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে নানা রোগের চিকিৎসায় এই পাতাটির ব্যবহার করা হয়। আসুন জেনে নেয়া যাক কী কী রোগের চিকিৎসায় এই প্রাকৃতিক উপাদানটি কাজে আসে:

১. নিমেষে মাথা যন্ত্রণা কমিয়ে ফেলে: শুনতে আজব লাগলেও এ কথার মধ্যে কোনও ভুল নেই যে নিয়মিত পান পাতা খাওয়া শুরু করলে শরীরের ভেতরে “কুলিং প্রপাটির” মাত্রা বাড়তে শুরু করে, যার প্রভাবে মাথা যন্ত্রণা কমে যেতে শুরু করে। প্রসঙ্গত, মাথা যন্ত্রণা কমাতে আরেক ভাবেও পান পাতাকে কাজে লাগানো যেতে পারে। কীভাবে? এবার থেকে যখনই মাথা যন্ত্রণা করবে তখনই ১-২ টা পান পাতা নিয়ে কপালে লাগিয়ে ফেলবেন। দেখবেন কষ্ট কমতে সময় লাগবে না।

২. কনস্টিপেশনের মতো রোগ দূরে পালায়: বেশ কিছু গবেষনায় দেখা গেছে পান পাতায় উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরে প্রবেশ করার পর এমন খেল দেখায় যে “পি এইচ লেভেল” স্বাভাবিত হতে সময় লাগে না। ফলে কোষ্টকাঠিন্যের মতো রোগের প্রকোপ কমতে শুরু করে।

৩. ব্রণের প্রকোপ কমায়: পান পাতার অন্দরে উপস্থিত অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল প্রপাটিজ একদিকে যেমন ব্রণের প্রকোপ কমায় অন্যদিকে স্কিন অ্যালার্জি এবং চুলকানির মতো সমস্যা দূর করতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। এখন প্রশ্ন হল, ত্বকের পরিচর্যায় কীভাবে কাজে লাগাতে হবে পান পাতাকে? এক্ষেত্রে কয়েকটি পান পাতা নিয়ে প্রথমে ভাল করে বেটে নিতে হবে। তারপর অল্প পরিমাণ হলুদ, পান পাতার সঙ্গে মিশিয়ে সারা মুখে ভাল করে লাগিয়ে কম করে ১৫-২০ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে। সময় হয়ে গেলে ধুয়ে ফেলতে হবে মুখটা।

৪. ওজন হ্রাসে সাহায্য করে: যে কোনও অনুষ্টান বাড়িতে মহাভোজের পর পান পরিবেশন করার রেওয়াজ রয়েছে কেন জানেন? কারণ পান পাতায় এমন কিছু উপাদান রয়েছে যা আমাদের বিপাক প্রক্রিয়াকে জোরদার করে। সেই সঙ্গে হজমে সহায়ক রসের !ক্ষরণ বাড়িয়ে দিয়ে হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটায়। এখানেই শেষ নয়, পান পাতায় উপস্থিত ফাইবার, কনস্টিপেশন দূর করে এবং শরীরে জমে থাকা অতিরিক্ত চর্বিকে গলিয়ে দেয়। ফলে একাধারে যেমন ওজন হ্রাস পায়, তেমনি নানাবিধ শারীরিক সমস্যাও কমতে শুরু করে।

৫. ক্ষত সারাতে কাজে দেয়: পান পাতায় রয়েছে প্রচুর মাত্রায় অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। এই উপাদানটি যে কোনও ক্ষত সারিয়ে তুলতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। এক্ষেত্রে ক্ষতস্থানে প্রথমে অল্প করে পান পাতার রস দিয়ে দিন। তারপর তার উপর কয়েকটি পান পাতা রেখে বেঁধে দিন। এমনভাবে ১-২ দিন থাকলেই দেখবেন ক্ষত একেবারে সেরে গেছে।

৬. অবসাদ কমাতে এবং মন ভাল করতে সাহায্য করে: যারা মারাত্মক মানসিক চাপে ভুগছেন তারা আজ থেকেই পান পাতা খাওয়া অভ্যাস করতে পারেন। কারণ এতে উপস্থিত বেশ কিছু প্রাকৃতিক উপাদান নিমেষে মন ভাল করে দেয়। সেই সঙ্গে-ডিপ্রেশন কমাতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে পান। এক্ষেত্রে রাতের খাবার শেষ করে ১-২ টা পান পাতা চিবোলেই দারুন উপকার পাওয়া যায়।

৭. জয়েন্ট পেইন কমায়: পলিফেনাল নামে এক ধরনের অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান রয়েছে পান পাতায়, যা প্রদাহ বা যন্ত্রণা কমাতে দারুন কাজে আসে। সেই কারণেই তো আর্থ্রাইটিস রোগীদের পান পাতার রস লাগানোর পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা।

৮. মুখের গন্ধ দূর করে: মুখ গহ্বরে উপস্থিত ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াদের মেরে ফেলে মুখের বদ গন্ধ দূর করতে পান পাতার কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। আসলে পান পাতা চিবানোর সময় প্রচুর মাত্রায় স্যালাইভা তৈরি হয়, যা গন্ধ সৃষ্টিকারি ব্যাকটেরিয়াদের মেরে ফেলে। সেই সঙ্গে পি এইচ লেভেলকে স্বাভাবিক মাত্রায় নিয়ে আসে। ফলে গন্ধ একেবারে গায়েব হয়ে যায়।

৯. গলা ব্যথা কমায়: অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান থাকার কারণে গলা ব্যথা এবং ঠান্ডা লাগার মতো সমস্যা কমাতে পান পাতা বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। শুধু তাই নয়, প্রতিদিন পান পাতার সঙ্গে অল্প করে মধু খেলে গলার সংক্রমণও দূর হয়। তাই আবহাওয়া বদলের সময় যারা খুব রোগে ভুগে থাকেন, তারা এমন সময় সঙ্গে পান পাতা রাখতে ভুলবেন না।

১০. বদ হজমের সমস্যা দূর করে: যারা প্রায়শই বদ হজমে ভুগে থাকেন তারা আজ থেকেই পান পাতা খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন দারুন উপকার পাবেন। কারণ এতে রয়েছে গ্যাস্ট্রো প্রটেকটিভ এজেন্ট। সেই সঙ্গে রয়েছে অ্যান্টি-ফ্লটুলেন্ট এবং কার্মিনেটিভ এজেন্ট যা স্যালিভারি জুসের উৎপাদন বাড়িয়ে দেয়। ফলে হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটে।

শুধু পুরুষ না নারীরাও যৌন নির্যাতনকারী হয়ে থাকে

February 06, 2019
ছবি : সংগৃহীত

বৃটেনে শিশু ও টিনেজ বালক- বালিকাদের ওপর যৌন নির্যাতনকারী নারীর সংখ্যা বাড়ছেক্রমাগতভাবে। তাদেরকে অভিযুক্ত করে সাজা দেয়া হলেও এ প্রবণতা থামছে না। মঙ্গলবার সোফি এলমস নামের ১৮ বছর বয়সী এক নারীকে এমন অভিযোগে ৭ বছর ১০ মাসের জেল দিয়েছে আদালত। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ দুটি শিশুর ওপর ভয়াবহ যৌন নির্যাতন করেছেন তিনি। ওই দুটি শিশুর একটির বয়স দুই বছর। অন্যজনের তিন।

এভাবে শিশুদের ওপর যৌন নির্যাতনকারীদের ইংরেজিতে বলা হয় পায়েডোফাইল। সোফি এলমস এমন নির্যাতনকারী একাই নন, বৃটিশ আইন মন্ত্রণালয়ের নতুন এক রিপোর্টে বলা হয়েছে, ২০১৬ সালে রেকর্ড সংখ্যক নারী যৌন নির্যাতনের দায়ে অভিযুক্ত হয়েছেন।

ওই বছরে ১৪২ জন নারী ও যুবতীর বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ গঠন করা হয়। অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে শিশুদের ধর্ষণ, যৌন নির্যাতন, তাদের সঙ্গে বিভিন্ন রকম যৌনতা সংশ্লিষ্ট আচরণ। এর দুই বছর আগে যে পরিমাণ নারী ও যুবতী এসব অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছিলেন ২০১৬ সালের সংখ্যা তার দ্বিগুণ। লন্ডনের একটি ট্যাবলয়েড পত্রিকার অনলাইন সংস্করণে এ খবর দেয়া হয়েছে। এ প্রবণতা বা পরিসংখ্যানকে অস্বস্তিকর বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে এতে। তাতে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, নারী যৌন নির্যাতনকারীর সংখ্যা কি বাস্তবেই বেড়ে চলেছে?

সাম্প্রতিক সময়ে ভয়াবহ এমন সব ঘটনা ঘটেছে, যাতে যৌন নির্যাতনকারী নারী। তারা শিশুদের ওপর যৌন নির্যাতনে সরাসরি জড়িত অথবা সম্পৃক্ত। এর মধ্যে সবচেয়ে হাই প্রোফাইল যৌন নির্যাতনকারী হলেন ভ্যানেসা জর্জ। তিনি সোফি এলমসের মতো একজন নার্সারি নার্স। তবে সোফি এলমসের মতো এই নির্যাতনের ঘটনা তিনি শিশুদের যত্ন নেয়ার কেন্দ্রে ঘটান নি। তাকে শিশুদের পিতামাতা নিরপরাধী হিসেবে দেখতেন। বর্তমানে তার বয়স ৪৮ বছর। তাকে বলা হয় লন্ডনে শিশুদের ওপর যৌন নির্যাতনকারী সবচেয়ে নিকৃষ্ট অপরাধী।

২০০৯ সালে তিনি স্বীকার করেন যে, তার তত্ত্বাবধানে থাকা শিশুদের ওপর নির্যাতন করেছেন। এর পরই তাকে অনির্দিষ্টকালের জেল দেয়া হয়েছিল। একটি গ্যাং, যারা শিশুদের ওপর যৌন নির্যাতন করে তাদের ‘মিস্ট্রেস’ বা রক্ষিতা হওয়ার ফলে নরউইচের একটি আদালত ২০১৫ সালে যাবজ্জীবন জেল দেয় ৩৪ বছর বয়সী যুবতী মেরি ব্ল্যাককে। ওই রায় দিয়ে বিচারক বলেছিলেন, তিনি ওই সময় পর্যন্ত যত মামলার রায় দিয়েছেন এটি ছিল তার মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ।

ওদিকে মঙ্গলবার একজন শিক্ষিকাকে দুই বছরের বেশি জেল দেয়া হয়েছে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি ১৫ বছর বয়সী একটি স্কুলছাত্রীর সঙ্গে ৯ মাস ধরে যৌন সম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন। ২০১৫ সালে ৩২ বছর বয়সী টিচিং এসিস্ট্যান্ট চার্লোটি পারকারকে শিক্ষকতা থেকে নিষিদ্ধ করা হয়। তিনি স্বীকার করেন, এসেক্সে তার স্কুলের ১৪ বছর বয়সী এক ছাত্রীকে তিনি হাজার হাজার যৌন উত্তেজক মেসেজ পাঠিয়েছেন। তারপর ওই ছাত্রীর বয়স ১৫ বছর হলে তার সঙ্গে গড়ে তোলেন যৌন সম্পর্ক। এরপরই তার বিরুদ্ধে ওই শাস্তি ঘোষণা করা হয়।

এর এক বছর পরে লরেন কক্স নামে ২৭ বছর বয়সী ভূগোলের শিক্ষিকাকে এক বছরের জেল দেয়া হয়। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, ১৩ বছর বয়সী এক ছাত্রের সঙ্গে তার সাক্ষাৎ হয়। তার পর তাদের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তবে ওই ছাত্রের বয়স যখন ১৬ বছর, তখন তাদের মধ্যে গড়ে ওঠে শারীরিক সম্পর্ক। একজন শিক্ষার্থীকে আপত্তিকর শব্দ সংবলিত কার্ড পাঠানোর জন্য ৪৯ বছর বয়সী শিক্ষিকা ইয়েঅনি প্রেসটনকে পেশা থেকে বহিষ্কার করা হয়।

ব্রিস্টলে ইউনিভার্সিটি অব দ্য ওয়েস্ট অব ইংল্যান্ডের অপরাধ বিজ্ঞানের সহযোগী প্রফেসর ও যৌন অপরাধ বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ড. কিয়েরান ম্যাকারটান। তিনি যৌন নির্যাতনকারী নারীর সংখ্যা নিয়ে বলেছেন, এই সংখ্যা মহামারি নয়। তবে এটা সংস্কৃতি পরিবর্তনের ফল। আমার মনে হয় সমাজে একটি পরিবর্তন ঘটেছে। আর সেজন্যই নির্যাতিতরা আস্থার সঙ্গে সামনে এগিয়ে আসছে এবং কথা বলছে। পুলিশের মধ্যে যৌন অপরাধের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নেয়ার প্রবণতা বেড়েছে। তারা এর তদন্ত করছে। বেশির ভাগ মামলার তদন্ত শেষে আদালতে পাঠিয়ে দেয়া হচ্ছে।

Tuesday, February 5, 2019

আনুশকা শর্মা ও বিরাট কোহলি ধরা পড়লেন নিউজিল্যান্ড এ

February 05, 2019
ছবি : সংগৃহীত

বলিউড অভিনেত্রী আনুশকা শর্মা ও তাঁর স্বামী ভারতের ক্রিকেট অধিনায়ক বিরাট কোহলি একসঙ্গে ছুটি উপভোগ করছেন। নিউজিল্যান্ডে টেস্ট সিরিজ জয়ের পর স্ত্রী আনুশকার সঙ্গে এক অজানা স্থানে ঘনিষ্ঠ সময় কাটালেন কোহলি।

এই তারকাযুগল তাঁদের ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের বেশ কয়েকটি মিষ্টি ছবি সামাজিক মাধ্যমে ভক্তদের সঙ্গে ভাগাভাগি করেছেন। কোহলি তাঁর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট থেকে আনুশকার সঙ্গে বেড়ানোর ছবি পোস্ট করেছেন। ছবিতে দেখা যাচ্ছে, এই যুগল জঙ্গলের ভেতর দিয়ে হাঁটছেন। বেশ হাস্যোজ্জ্বল আনুশকা।

আনুশকা শর্মাও তাঁর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট থেকে ছবি শেয়ার দিয়েছেন। এ ছবিতে দেখা যাচ্ছে, দীর্ঘ ভ্রমণের পর একটু বিশ্রাম নিচ্ছেন এই মিষ্টি যুগল। ক্যাপশনে ‘জিরো’ অভিনেত্রী লিখেছেন, ‘চিরদিনের সেরা বন্ধু।’

এ তারকাযুগলের মিষ্টি ছবি দেখে যখন অনেক ভক্ত ও অনুরাগী উচ্ছ্বসিত, তখন আরেক দল সামাজিক মাধ্যমে তাঁদের নিয়ে বিদ্রূপ শুরু করেন। নেটিজেনদের অনেকে তাঁদের ছবির নিচে মন্তব্য-ঘরে জিজ্ঞেস করেছেন, সব সময়ই কি তাঁরা ফটোগ্রাফার সঙ্গে করে চলেন?

একজন লিখেছেন, ‘সব জায়গায় কি তোমরা সঙ্গে ফটোগ্রাফার রাখ?’

সম্প্রতি স্বামী নিক জোনাসের সঙ্গে শয়নকক্ষের একটি ছবি ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া এবং তারপর একই ধরনের বিদ্রুপের শিকার হন তাঁরা। সামাজিক মাধ্যমে ব্যক্তিগত ছবি পোস্ট দেওয়ার জন্য এ তারকাযুগলকে যথেষ্ট ব্যঙ্গ করেন।

যদিও দুই তারকা দম্পতি এসব বিদ্রূপের পরোয়া না করেই তাঁদের দিনযাপনের ছবি পোস্ট করেই চলেছেন।

২০১৭ সালের ডিসেম্বরে সাতপাকে বাঁধা পড়েন আনুশকা ও বিরাট। তাঁদের রাজকীয় বিয়ে হয় ইতালির তাসক্যানিতে। এর আগে এ যুগল কয়েক বছর চুটিয়ে প্রেম করেন। এক সাক্ষাৎকারে আনুশকা শর্মা বলেছিলেন, কোহলির সততায় মুগ্ধ তিনি।

আনুশকা শর্মাকে সর্বশেষ আনন্দ এল রাই পরিচালিত ‘জিরো’ ছবিতে দেখা যায়। এ ছবিতে আরো ছিলেন শাহরুখ খান ও ক্যাটরিনা কাইফ। তবে বক্স অফিসে ছবিটি সাড়া ফেলতে ব্যর্থ হয়েছে। আনুশকা জানিয়েছেন, নেটফ্লিক্সে ‘বুলবুল’ নামে একটি ছবি মুক্তি দেবেন। এর প্রযোজক তিনি।

সূত্র : ইন্ডিয়া টুডে

সারাজীবন যৌবন ধরে রাখবে যে ১২টি খাবার

February 05, 2019
ছবি : সংগৃহীত

যৌবন ধরে রাখতে আমরা কত কিছুই না করে থাকি। সকলেই চায় সারাজীবন যৌবন ধরে রাখতে। সুস্থ থাকতে এবং তারুণ্য ও যৌবন ধরে রাখতে পুষ্টিকর খাবারের কোনো বিকল্প নেই। নিজেকে সুস্থ-সবল রাখতে পুষ্টিকর খাবারের দিকে নজর দেয়া দরকার। এমন কিছু খাবার আছে যা নিয়ম করে খেলে আপনার যৌবন থাকবে অটুট।

জেনে নিন সারাজীবন যৌবন ধরে রাখবে যে ১২ টি খাবার সম্পর্কে-

দই: দই আমাদের অনেকের কাছে খুব প্রিয় একটি খাবার। দই মেদ ও কোলেস্টেরল কমাতে সহায়তা করে থাকে। যারা যৌবন ধরে রাখতে চান তাদের জন্য আশার কথা হচ্ছে নিয়মিত দই খান। দইয়ে প্রচুর প্রোটিন ও ক্যালসিয়াম আছে যা শরীরের গঠন ভালো রাখে এবং হাড়ের ক্ষয় রোধ করে। দই বয়সজনিত কারণে হওয়া রোগগুলো প্রতিরোধ করে। এছাড়াও দই ত্বককে রাখে বলিরেখা মুক্ত। তাই যৌবন ধরে রাখতে চাইলে প্রতিদিন দই খান নিয়ম করে।

সামুদ্রিক মাছ: সামুদ্রিক মাছ যৌবন ধরে রাখতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ । দীর্ঘ দিন যৌবন ধরে রাখতে চাইলে নিয়মিত খাবার তালিকায় লাল মাংস বাদ দিয়ে সামুদ্রিক মাছ রাখুন। এটাতে শরীরে প্রয়োজনীয় প্রোটিনের চাহিদা পূরণ হয়ে যাবে এবং যৌবন ধরে রাখা যাবে অনেকদিন।

মিষ্টিকুমড়ার বিচি: এতে আছ প্রচুর সাইটোস্টেরোল। এটি পুরুষের দেহে টেসটোস্টেরন হরমোনের ভারসাম্য রক্ষা করে। এর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং ফ্যাটি এসিড পুরুষের শক্তি বাড়ায়। পুরুষের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক।

কলা: কলার রয়েছে ভিটামিন এ, বি, সি ও পটাশিয়াম। পটাশিয়ামের অভাবে ত্বক রুক্ষ হয়, কলা সেই পটাশিয়ামের অভাব পূরণ করে দেয়। ভিটামিন বি ও পটাশিয়াম মানবদেহের যৌনরস উৎপাদন বাড়ায়। আর কলায় রয়েছে ব্রোমেলিয়ানও যা শরীরের টেস্টোস্টেরনের মাত্রা বাড়াতে সহায়ক এবং যৌবন ধরে রাখতে সহায়ক।

আমলা: আয়ুর্বেদ চিকিৎসায় আমলাকে পুরুষের শারীরিক সক্ষমতা মন্ত্র বলে গণ্য করা হয়। পুরুষের শরীরের সঠিক তাপমাত্রা বজায় রাখতেও দারুণ সহায়ক এটি।

ফলমূল: ফলে আছে প্রচুর ফাইবার, ভিটামিন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা শরীরে পুষ্টি যোগায় ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। তাই যৌবন ধরে রাখতে চাইলে নিয়মিত ফল খান।

রঙিন শাক-সবজি: রঙিন শাক-সবজিতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন যা শরীরের চাহিদা মেটায় এবং শরীরকে সুস্থ্ রাখতে সহায়তা করে। নিয়মিত রঙিন শাকসবজি খেলে আপনার যৌবন থাকবে অটুট।

কমলালেবু: কমলালেবু খাওয়া শরীরের জন্য খুবই ভাল। কারণ এতে অনেক ভিটামিন-সি থাকে। ত্বক টানটান রাখতে কমলালেবু সাহায্য করে।

অলিভ অয়েল: অলিভ তেল আপনার যৌবনকে ধরে রাখতে সাহায্য করবে। রান্নায় অলিভ অয়েল ব্যবহার করলে শরীরে ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমে যায় এবং সহজে মেদ জমে না। এছাড়াও প্রতিদিন ঘুমাতে যাওয়ার আগে ত্বকে অলিভ অয়েল ম্যাসাজ করে ঘুমালে ত্বকে বলিরেখা পরে না সহজে। ফলে দীর্ঘ দিন যৌবন ধরে রাখা যায়।

ডার্ক চকলেট: যারা চকলেট ভালোবাসেন তাদের জন্য ভালো খবর হলো ডার্ক চকলেট বয়স ধরে রাখতে সহায়তা করে। ডার্ক চকলেটে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আছে। তাই যারা নিয়মিত প্রতিদিন ছোট এক টুকরা ডার্ক চকলেট খান তারা দীর্ঘদিন যৌবন ধরে রাখতে পারেন।

স্ট্রবেরি: স্ট্রবেরি হোক কিংবা ব্ল্যাকবেরি, সবকটিই আপনার শরীরের জন্য খুবই ভালো। এতে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি থাকে। আপনার ত্বককে করে রাখবে সতেজ।

রসুন: রসুনে রয়েছে এলিসিন নামের উপাদান যা দৈহিক ইন্দ্রিয়গুলোতে রক্তের প্রবাহ বাড়িয়ে দেয়। দৈহিক সমস্যা থাকলে এখনই নিয়মিত রসুন খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন।

নিজের যৌবন ধরে রাখতে পুষ্টিকর খাবারের প্রতি জোর দেয়া দরকার। উপরিউক্ত খাবার গুলি আপনার জীবন ও যৌবনকে ধরে রাখবে আজীবন। তাই নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার খান আর সর্বদা নিজেকে হাসি-খুশি রাখুন, বিষণ্ণতা কোনোভাবেই ধারে-কাছে ভিড়তে দেবেন না।

Monday, February 4, 2019

মুখে দুর্গন্ধের পিছনে কারণ গুলো জেনে নিন

February 04, 2019
ছবি : সংগৃহীত 

সকালে বা বিকালে ঘুম থেকে ওঠার পর সাধারণত দাঁত ব্রাশ করার পরেই মুখের বাজে স্বাদ বা দুর্গন্ধ কেটে যায়। কিন্তু তার পরেও যদি এই সমস্যা থেকে যায় তাহলে বুঝতে হবে অন্য কোনও কারণেই মুখের দুর্গন্ধের সমস্যা হচ্ছে। তবে এক এক জনের ক্ষেত্রে এক এক রকম কারণ হতে পারে এই দুর্গন্ধের। কিছু বিশেষ খাবারে মুখে দুর্গন্ধ দেখা যেতে পারে। তামাক জাতীয় পণ্য ব্যবহারে মুখে দুর্গন্ধ হয়। দাঁতের সমস্যা থাকলে দুর্গন্ধ খুব স্বাভাবিকভাবেই ঘটে থাকে।

নিম্নলিখিত কয়েকটি কারণে মুখে দুর্গন্ধ হতে পারে:

1. পুষ্টির ঘাটতি:
আপনার পুষ্টি পদার্থের মধ্যে দস্তা এবং ভিটামিন বি 12 এর অভাব খারাপ শ্বাসের কারণ হতে পারে যার ফলে মুখের স্বাদ পরিবর্তিত হয়। অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস এর অন্যতম কারণ হতে পারে। শরীরে আয়রন এর ঘাটতি হলেও মুখে দুর্গন্ধ হয়। এটি নিরাময় করার সহজ উপায় হল আপনার ডায়েট কিছু পরিবর্তন করতে হবে। শরীরের সঠিক আয়রন সরবরাহ প্রয়োজন যা বাদাম, মটরশুটি, দানা শস্য আপনাকে জোগান দিবে।

2. মৌখিক সমস্যা এবং ঠাণ্ডা লাগা:
চিকিৎসার পরিভাষায় মুখের দুর্গন্ধকে হ্যালাইটোসিস বলেই ডাকা হয়। দাঁত, মস্তিষ্ক এবং মুখ সংক্রান্ত যে কোনও সমস্যায় ভুগলে স্বাদ কোষ গুলি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। মুখের আর্দ্র ও গরম জায়গা গুলিতে থ্রাশ জন্মায়, যে কোনও মানুষেরই এটা হতে পারে। তবে শিশু ও বয়স্ক, অর্থাৎ যাঁদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম তাঁদের এই সমস্যা বেশি হয়। চিনি খেলে এই সমস্যা কমে যায়।

3. ওষুধ
ডায়াবেটিস, ক্যান্সার, থাইরয়েড, হৃদরোগ, গ্লুকোমা, রক্তচাপ এবং আরও বেশ কিছু রোগ নিরাময়ে ব্যবহৃত ওষুধগুলি আপনার মুখের অপ্রীতিকর স্বাদের জন্য দায়ী।

4. সংক্রমণ:
আপনার শরীরের সংক্রমণ আপনার স্বাদ কোষে ও প্রভাব ফেলতে পারে। ভাইরাল ইনফেকশন, ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ এবং ফুসফুসের সংক্রমণে প্রায়ই মুখে দুর্গন্ধ হতে পারে। ঠান্ডা, টনসিলাইটিস, সাইনাসাইটিস এবং কানের মধ্যেকার অংশে সংক্রমণ হলেও এমনটা হয়।  হেপাটাইটিস বি একটি লিভার সংক্রমণ যার প্রধান উপসর্গই হল মুখের তিক্ত স্বাদ।

5. গর্ভাবস্থা:
গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাস মহিলার মুখের মধ্যে একটি তিক্ত স্বাদ অনুভব করেন। এটি খুবই সাধারণ। এই সময় শরীরের এস্ট্রোজেন হরমোন উচ্চ মাত্রায় থাকে বলেই এমনটা হয়। গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাস মহিলাদের জন্য মুখের গন্ধ সাধারণ বিষয়।

6. মেনোপজ
যে মহিলারা মেনোপজের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন বা মেনোপজ যাঁদের কাছাকাছি প্রায়ই তাঁদের মুখের মধ্যে তিক্ত স্বাদ থাকে। এটি সাধারণত শুষ্ক মুখের কারণে হয় যা মেনোপজের একটি উপসর্গ। তিক্ত স্বাদের আরেকটি সম্ভাব্য কারণ মুখের মধ্যে প্রদাহ যা ইস্ট্রোজেন কমে যাওয়ার কারণে হয়। যে মহিলারা মেনোপজের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন প্রায়শই তাঁদের মুখের মধ্যে তিক্ত স্বাদ থাকে।

7. অস্ত্রোপচার:
দাঁতের অস্ত্রোপচার, কানের অস্ত্রোপচার, উচ্চ এয়ারওয়ে এন্ডোসকপি ও মৌখিক অস্ত্রোপচারে  স্বাদ কমে যাওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকেই। অনেক কেমোথেরাপির ফলে মুখের মধ্যে ধাতব বা টক স্বাদ পাওয়া যায়। মাথা এবং ঘাড়ের ক্যান্সার চিকিত্সার জন্য ব্যবহৃত রেডিয়েশন থেরাপির কারণেও ধাতব স্বাদ আসতে পারে।

 8. অ্যাসিড রিফ্লাক্স:
অ্যাসিড রিফ্লাক্সের ফলে আপনার পেটের অ্যাসিড খাদ্যনালী অব্দি উঠে আসে। যার ফলেও মুখে দুর্গন্ধ হতে পারে। অনেক সময় মশালাদার খাবার খাওয়ার ফলে বা অ্যাসিড কমানোর ওষুধ খাওয়ার ফলেও এই দুর্গন্ধ দেখা দিতে পারে।

9. রোগ:
উপরের শ্বাসযন্ত্রে প্রদাহ, ফ্লু বা সাধারণ ঠান্ডা লাগা ইথাদি সাধারণ অসুখ বিসুখেও মুখের দুর্গন্ধ দেখা দিতে পারে। ক্যান্সার, হাইপারথাইরয়েডিজম, ডায়াবেটিস এবং অ্যামিলোডোসিস রোগের ফলেও মুখের স্বাদ ও গন্ধ নষ্ট হয়ে যেতে পারে। গ্যাস্ট্রোইনটেস্টিনাল ডিসঅর্ডারস এবং লালা গ্রন্থির সমস্যাতেও মুখে দুর্গন্ধ হয়।



বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড এর চুক্তিতে খেলোয়াড়রা কে কোন ক্যাটাগরিতে, কার কত বেতন

February 04, 2019
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড কেন্দ্রীয় চুক্তি ঘোষণা করল। চার শ্রেণিতে মোট ১৮ জনকে এক বছরের জন্য চুক্তিবদ্ধ করছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড।

গত বছর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) কেন্দ্রীয় চুক্তি করেছিল ১০ জন ক্রিকেটারকে নিয়ে। পরে সেখানে ‘রুকি’ শ্রেণিতে যোগ করা হয় তিন ক্রিকেটারকে। এ বছর সেই কেন্দ্রীয় চুক্তিতে রুকি শ্রেণিতে ২ জনসহ মোট ৪ জন ক্রিকেটার বাড়িয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। রুকি শ্রেণিতে জায়গা পেয়েছেন চার নতুন ক্রিকেটার—মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, আবু জায়েদ, নাঈম হাসান ও খালেদ আহমেদ।

ফিরেছেন ইমরুল কায়েস আর রুকি শ্রেণি থেকে ‘বি’ শ্রেণিতে উঠেছেন লিটন দাস। এঁদের সঙ্গে গত বছর কেন্দ্রীয় চুক্তিতে থাকা দশ ক্রিকেটার মাশরাফি বিন মুর্তজা, সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবাল, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ, মেহেদী হাসান মিরাজ, মোস্তাফিজুর রহমান, মুমিনুল হক, রুবেল হোসেন ও তাইজুল ইসলামের নামও ঘোষণা করা হয়েছে বিসিবির বোর্ড সভায়।

কেন্দ্রীয় চুক্তিতে ক্রিকেটার সংখ্যা বাড়লেও বেতনকাঠামোয় পরিবর্তন হয়নি। আগের বছরের মতো এবারও ‘এ প্লাস’ শ্রেণির ক্রিকেটাররা পাবেন মাসিক ৪ লাখ টাকা করে, ‘এ’ শ্রেণিতে ৩ লাখ, ‘বি’ শ্রেণির ক্রিকেটাররা ২ লাখ টাকা করে পাবেন। ‘রুকি’ শ্রেণির ক্রিকেটারদের সম্মানী ১ লাখ টাকা করে। ক্রিকেটারদের বেতন বাড়ানোর বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়নি বোর্ড সভায়। সুতরাং আগের কাঠামোতেই বেতন পাবেন খেলোয়াড়রা।

এই বেতনই অবশ্য ক্রিকেটারদের প্রাপ্তির শেষ নয়। এর পাশাপাশি ক্রিকেটাররা ম্যাচ ফি পেয়ে থাকেন। প্রতি টেস্টের ম্যাচ ফি সাড়ে ৩ লাখ। প্রতি ওয়ানডের ম্যাচ ফি ২ লাখ এবং টি-টোয়েন্টির ম্যাচ ফি ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা। এ ছাড়া প্রথম শ্রেণির ম্যাচ খেলার জন্য ক্রিকেটাররা পান পঁয়ত্রিশ হাজার টাকার মতো।

এর বাইরে ক্রিকেটারদের আয়ের মধ্যে আছে বিপিএল বা ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের মতো টুর্নামেন্টে বিভিন্ন দলের হয়ে খেলা থেকে পাওয়া আয়। কেউ কেউ বিদেশি ফ্রাঞ্চাইজি লিগগুলোতেও খেলে আয় করেন। বিভিন্ন পণ্যের দূত হিসেবে কাজ করেও বড় অঙ্কের আয় আসে ক্রিকেটারদের।

ক্যাটাগরি এ+
মাশরাফি বিন মুর্তজা কৌশিক, সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবাল, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ।

ক্যাটাগরি এ
ইমরুল কায়েস, মোস্তাফিজুর রহমান, রুবেল হোসেন।

ক্যাটাগরি বি
মুমিনুল হক, লিটন দাস, মেহেদী হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলাম।

ক্যাটাগরি রুকি 
আবু হায়দার, আবু জায়েদ, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, নাঈম হাসান, খালেদ আহমেদ।

নতুন সংযোজন
ইমরুল কায়েস।

বাদ পড়েছেন
নাজমুল হোসেন।

Sunday, February 3, 2019

বিপিএল ষষ্ঠ আসরের নারী উপস্থাপক পিয়া জানালেন ,মডেলিংয়ে পোশাক খোলার গোপন তথ্য

February 03, 2019
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগের সবচেয়ে বড়ো প্ল্যাটফর্ম বিপিএল ষষ্ঠ আসরের উপস্থাপনায় ব্যাপক পরিচিতি পেলো মডেল, আইনজীবী ও ব্যবসায়ী  পিয়া। ২০০৭ সালে ‘মিস বাংলাদেশ’ নির্বাচিত হওয়ার পর তার আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বেশ ভালো সাড়া পেয়েছেন তিনি। সম্প্রতি গণমাধ্যমে এক ব্যক্তিগত সাক্ষাৎকারে মডেলিংয়ে পোশাক খোলার গোপন বিষয়ে কথা জানিয়েছেন পিয়া।

তিনি বলেন, ফেইসবুকে আমাক নিয়ে নানা রকম ট্রল করা হয়েছে। ‘যখন ট্রলগুলো ভাইরাল হয়েছে, আমি তখন ও ব্যাখ্যা দিয়েছি। আবার বলছি, সবাইকে নিয়ে কিন্তু কথা হয় না। ভালো কিছু করলে তাকে নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা হয়। বিশেষ করে মেয়েরা ক্যারিয়ারে উন্নতি করলে তাঁদের নিয়ে চারপাশে নেতিবাচক কথা শুরু হয়ে যায়।’

২০১১ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার ওয়ার্ল্ড মিস ইউনিভার্সিটি প্রতিযোগিতায় অংশ নেন পিয়া। সেখানে গিয়ে তিনি ইতালির একটি নামকরা মডেল এজেন্সি জে এজেন্সির মডেল হওয়ার প্রস্তাব পান। কিন্তু সেখানে বেশ বিব্রত হতে হয়েছিল তাকে পরে অবশ্য মানিয়ে নেন তিনি।

পিয়া বলেন, ‘সেখানে আমাকে প্রথম দিন বলা হলো, আমার শরীরের মাপ দিতে হবে। আমি মাপ দিতে দাঁড়িয়ে পড়লাম। ওরা বলল, পোশাক খুলে মাপ দিতে ভড়কে গেলাম। ধাতস্থ হতে সময় লেগেছিল। তবে এই প্রতিযোগিতায় বিকিনি পরা আবশ্যিক ছিল না। কেউ চাইলে পরতে পারবে। আমার অস্বস্তি লেগেছিল, তাই আমি পরিনি।’

তিনি বলেন, ভেবেছিলাম হয়তো এমন কোনো পরিস্থিতিতে পড়তে হবে না। কিন্তু যখন ওপরের অন্তর্বাসও খুলতে বলল, আমি বলেছিলাম, এটা না করলে কি কোনো সমস্যা হবে? বাংলাদেশে তো এসব পরেই মাপ দিই। ওরা বিরক্ত হয়েছিল। পোশাকের মাপ যেন ঠিকঠাক থাকে, সে কারণে তাদের কথামতো মাপ দিতে হলো। অদ্ভুত ব্যাপার, এই বিষয়টি ওদের কাছে এতই সহজ আর স্বাভাবিক যে মনে হলো কোনো যন্ত্রের মাপ নিচ্ছে যেন। আমার শরীরের দিকে অন্য কোনো দৃষ্টিতে একবারও তাকায়নি। পেশাদারি দৃষ্টিভঙ্গি হয়তো একেই বলে।’

‘বিশ্ব বাংলা গেট’ এর উদ্বোধন

February 03, 2019
ছবি : সংগৃহীত

কলকাতায় নির্মিত ঐতিহ্যবাহী গেটটি খুলে দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আনুষ্ঠানিকভাবে এটি খোলার ঘোষণা দিয়েছিলেন। ‘কলকাতা গেট’ নামে পরিচিত এই ফটকের বর্তমান নামকরণ করা হয়েছে ‘বিশ্ব বাংলা গেট’।

কলকাতা মহানগরীর নতুন উপশহর রাজারহাটের নারকেলবাগান মোড়ে এই গেটের অবস্থান। এটির কাছেই কবিগুরুর স্মরণে তৈরি রবীন্দ্র তীর্থ। একটু দূরেই আবার কবি নজরুলের স্মরণে তৈরি নজরুল তীর্থ। কাছেই মোমের জাদুঘর, ইকোপার্ক। নেতাজি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরও অনেকটা কাছে।

২৫ মিটার উঁচু আর ২০০ মিটার বৃত্তাকারে ইস্পাত দিয়ে তৈরি এই গেটের নির্মাণকাজ ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে। এটি নির্মাণ করেছে ওয়েস্ট বেঙ্গল হাউজিং ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট করপোরেশন (হিডকো)। বৃত্তাকার এই গেটে রয়েছে ত্রিস্তরীয় ৩৮ মিলিমিটারের ল্যামিনেটেড গ্লাস। এই ফটকে উঠে দেখা যাবে রাজারহাটে তৈরি নতুন কলকাতা উপশহরের অপরূপ শোভা।

সম্পূর্ণ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত এই গেটের বৃত্তাকারের মাঝ বরাবরে থাকছে ক্যাফেটেরিয়া, রেস্তোরাঁ, কিউরিও শপ, ফটো গ্যালারি ও ভিআইপি লাউঞ্জ। উপড়ে উঠতে রয়েছে দুটি লিফট। একটিতে ৮ জন একসঙ্গে উঠতে পারবেন। ওপরে একসঙ্গে ৮০-৯০ জন বসতে পারবেন। খেতে পারবেন। ভেতরের ৪ মিটার চওড়া বৃত্তের দেওয়ালে আঁকা হয়েছে বাংলার বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান এবং মনীষীদের ছবি। রয়েছে অভ্যর্থনা ডেস্ক। গেটের বাইরে লাগানো হয়েছে ১৬টি সিসি টিভি ক্যামেরা আর ভেতরে লাগানো হয়েছে ২৪টি। আছে আধুনিক অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা। পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য রাখা রয়েছে সিঁড়িও। বলা হচ্ছে, ভূমিকম্পের দাপট সইতে পারবে এই গেট। গেটের নিরাপত্তার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বিধাননগর পুলিশকে।

এই গেটে উঠতে হলে টিকিট কাটতে হবে। তবে দর্শনার্থী লাগেজ, প্লাস্টিক ব্যাগ, পানির বোতল, সিগারেট, দেশলাই, লাইটার নিয়ে উঠতে পারবেন না। তবে মোবাইলে সেলফি তোলার সুযোগ পাবেন। বাণিজ্যিক ছবি তুলতে গেলে অনুমতি নিতে হবে। গেটের ওপরে একবারে ৮০-৯০ জন ওঠার পর তাঁদের একসঙ্গে এক ঘণ্টা করে সময় কাটানোর সুযোগ দেওয়া হবে। এই দলটি নিচে নেমে এলে পরবর্তী দলকে গেটে তোলা হবে। অপেক্ষমাণ দর্শনার্থীদের জন্য টিকিট কাউন্টারের সামনে আছে ওয়েটিং লাউঞ্জ।

Saturday, February 2, 2019

বাবা হলেন জনপ্রিয় ক্রিকেটার ভারতীয় ওপেনার রোহিত শর্মা, নতুন বছরে তাদের সংসারে এলো কন্যা সন্তান…

February 02, 2019
ছবি : সংগৃহীত

বছরের শুরুতে বাবা হলেন ভারতীয় ক্রিকেটার রোহিত শর্মা। মেলবোর্নে ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ের দিনেই এই সুখবর আসল তার জীবনে। রোহিত শর্মার স্ত্রী রীতিকা যে প্রেগনেন্ট তা নিয়ে কিছুদিন আগেই সংবাদ মাধ্যমের কাছে মুখ খুলেছিলেন রোহিত শর্মা নিজেই। আর নতুন বছরের প্রথমেই এই সুখবর যেন ক্রিকেট মহলে আলাদাই এক এনার্জি এনেছে। রীতিকা কন্যা সন্তানের জন্ম দিয়েছেন।

বাবা হওয়ার খবরে স্বভাবত তার টেস্ট জয়ের আনন্দ দ্বিগুণ হয়ে গেছে। আর এই খবর ইতিমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়াতে ছড়িয়ে পরেছে। মেলবোর্নে টেস্ট জয়ের দিন রীতিকার তুতো বোন তার সোশ্যাল হ্যান্ডেলে রীতিকার কন্যা সন্তান জন্ম দেওয়ার খবরটি জানান।

এই খবর ছড়িয়ে পরতেই সোশ্যাল মিডিয়াতে ঝড় উঠে যায়। ইন্ডিয়া টিমে কোহলি এবং তার সব টিমমেটরা এই খবর পেয়ে খুবই আনন্দিত। সোশ্যাল মিডিয়াতে পার্সনাল জীবন সম্বন্ধে বেশী কিছু বলতে কোনদিনই পছন্দ করেন না রোহিত শর্মা। তার পারিবারিক জীবনের টানাপরনকে তিনি কখনই সামনে আসতে দেননি।

তবে তার বউ যে প্রেগনেন্ট সেই কথাটি তিনি প্রথম মাইকেল ক্লার্ক কে এক সাক্ষাৎকারে জানান। হিটম্যান আরও বলেন, “বাবা হওয়ার মুহুর্তের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি। আমার জীবন বদলে দেবে ঐ মুহুর্তটা”।

রোহিত শর্মা একজন প্লেয়ার হিসেবে আসাধারন। তার অবদান ভারতীয় দলে অনবদ্য। সতীর্থরা মজা করে তাকে ভুলোমনা বলে ডাকেন। কিন্তু তার এই ভুলোমনা থাকার দিন যে শেষ হতে চলেছে তা সে নিজেই স্বীকার করেছেন।

ওপেনিং প্লেয়ার হিসেবে তিনি ম্যাচের ভবিষ্যত কিছুটা হলেও তৈরি করেন। তার ঝুলিতে টেস্ট ম্যাচে দ্বি-শত রানের রেকর্ড আছে। তিনি তার ফ্যামিলি লাইফ নিয়ে সচরাচর আলোচনা করেন না। তার টুইটার, ফেসবুক অথবা ইন্সটাগ্রাম কোথাও তাকে অতিরিক্ত ছবি আপলোড করতে দেখা যায়না।

তার সন্তান যে আসতে চলেছে সেই খবর প্রথমে সংবাদ মাধ্যমের সামনে আসতে দেননি হিটম্যান। তার  ক্রিকেটের প্রতি ভালোবাসা এতটাই বেশি যে তিনি এই সময়েও তার ১০০ শতাংশ দিয়েছেন। চলতি মাসের শুরুতে তাদের তৃতীয় বিবাহবার্ষিকী ছীল।

মেলবোর্ন টেস্টের প্রথম ইনিংসে তার ব্যাট থেকে এসেছে মূল্যবান অর্ধশত রান। এরপর টেস্ট জয়ের দিন বাবা হওয়ার খবরে আপ্লুত হয়ে দেশে ফিরেছেন রোহিত। নতুন বছরে স্ত্রী ও সন্তানের সাথে সময় কাটাতে তিনি বেশী আগ্রহি। আর থাকবেনাই বা কেন, তাদের ঘরে যে এক ক্ষুদে সদ্যসের আবির্ভাব ঘটেছে।

টয়লেটে আমরা যেসব ভুল কাজ করে থাকি ! সতর্ক হউন নাহলে হতে পারে মারাত্বক বিপদ…

February 02, 2019
ছবি : সংগৃহীত

মানব দেহের কার্যকারীতা অনুযায়ী আমাদের শরীরের সব বর্জ্য নির্গত হয় প্রস্রাব ও মলের দ্বারা। অপ্রয়োজনীয় বর্জ্য পদার্থ ভিতরে থাকলে শরীরের ক্ষতি হয়। যেহেতু সেগুলি বর্জ্য সেহেতু সেগুলি ক্ষতিকারক ও দূষণ ছড়ায়। তাই আমরা যেখানে সেখানে মল মূত্র ত্যাগ না করে কোন নির্দিস্ট স্থানে সেটি করি। কারন এগুলি থেকে বাহিত জীবাণু সকলের নানা রকম ক্ষতিসাধন করে থাকে।

আমরা জীবাণু থেকে নিজেদের বাঁচানোর জন্য টয়লেট ও বাথরুম ব্যবহার করি ঠিকই, কিন্তু আমরা সেখানেও কিছু ভুল করে থাকি যার পরিণতি হয় ভয়ঙ্কর। আসুন তাহলে জেনে নেই কি সেই ভুল গুলো, আর সাবধান হয়ে যাই সেই সেই ভুলগুলো থেকে।

১। আমাদের দিনের প্রথম শুরু হয় দাঁত ব্রাশ করে, অনেকে টুথব্রাশ ব্যবহারের পর বাথরুমেই রেখে দেয়। ভিজে ব্রাশ বাথরুমে রেখে দিলে তা সহজে শুকনো হতে চায় না। আর সেখানে জন্ম নেয় জীবাণু। আর সেই ব্রাশ পরের দিন মুখে প্রবেশ করালে জীবাণুও মুখে প্রবেশ করে। তাই ব্রাশ কোন শুকনো যায়গায় রাখাই ভালো।

২। নিজের মেকাপের জিনিস বাথরুমে নিয়ে যাওয়া বা রাখা একদম উচিৎ নয়। কারন বাথরুমে থাকা জীবাণু মেকাপ সামগ্রীতে খুব সহজেই প্রবেশ করে। আর সেই মেকাপ যখন ত্বকে ব্যবহার করা হয় জীবাণু লোমকুপের দ্বারা শরীরের ভিতরে প্রবেশ করে।

৩। যারা যারা গোসলের সময় শরীর পরিষ্কার এর জন্য ছোট জাল জাতীয় জিনিস ব্যবহার করেন তাদের উদ্দেশ্যে বলছি, তাদের ব্যবহৃত ভিজে জাল জাতীয় জিনিস বাথরুমে রেখে দেওয়া একদম ঠিক নয়। কারন ভিজে জিনিসে ব্যাকটেরিয়া বেশি জন্ম নেয়। তাই গোসলের পর জাল জাতীয় জিনিস ভালো করে রোদে শুকিয়ে তবে পুনরায় ব্যবহার করা উচিৎ।

৪। এই একই পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে তোয়ালের ক্ষেত্রে। তোয়ালে কখনো বাথরুমে টাঙ্গিয়ে রাখা উচিৎ নয়। বাথরুমের সমস্ত জীবাণু ও ব্যাকটেরিয়া এসে জমা হয় তোয়ালেতে। আর আপনি যখন সেই তোয়ালে ব্যবহার করবেন সেই জীবাণু প্রবেশ করবে আপনার শরীরে।

৫। অনেকে মোবাইল নিয়ে বাথরুমে অনেক সময় কাটান। এই কাজটি খুব ভুল কাজ। মোবাইল বাথরুমে অনেকক্ষণ থাকায় তাতে অনেক জীবাণু প্রবেশ করে। আর তারপর সেই মোবাইল নিয়ে কানে দিয়ে কথা বলার সময় জীবাণু প্রবেশ করে কানে ভিতরে।

৬। অনেকে কমোডে ফ্ল্যাশ করার পর কমোডের ঢাকনা না দিয়েই বেড়িয়ে আসেন। এর ফলে জীবাণু ছড়িয়ে পরে। কমোড থেকে জীবাণু প্রায় ৬ফুট পর্যন্ত উঠতে পারে। তাই সকলের উচিৎ কমোডের ঢাকনা বন্ধ করে দেওয়া। তাহলে আর জীবাণু চারিদিকে ছড়াবে না।

৭। গোসলের জন্য সাবান সকলের বাথরুমেই থাকে। আমরা গোসলের সময় ঐ সাবান ব্যবহার করি। কিন্তু কেউ সাবানের উপরের ভাগ পরিস্কার করিনা। সাবানের উপরে জমা হতে থাকে অনেক জীবাণু। তাই ব্যবহারের আগে সাবান ধুয়ে নেওয়াই ভালো।

জেনেনিন রসুন খাওয়ার উপকারিতা

February 02, 2019
ছবি : সংগৃহীত

সকল মানুষের কাছেই সকালে খালি পেটে কাঁচা রসুন খাওয়াটা ভীষণ অস্বাস্থ্যকর মনে হতে পারে। কিন্তু খালি পেটে রসুন খাওয়া শরীরের জন্য ভীষণ স্বাস্থ্যকর একটি ব্যাপার। সকালে খালি পেটে রসুন খেলে এমন কিছু উপকার হয়, যেটা অন্য খাবারের সাথে রান্না করা অবস্থায় খেলে এত উপকার হয় না। এটি শুধু বিভিন্ন ধরণের রোগ দূরই করে না, পাশাপাশি বিভিন্ন রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতাও বৃদ্ধি করে। চলুন জেনে নেই খালি পেটে রসুন খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে।

উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে : অসংখ্য মানুষ যারা উচ্চ রক্তচাপের শিকার তারা দেখেছেন, রসুন খাওয়ার ফলে তাদের উচ্চ রক্তচাপের কিছু উপসর্গ উপশম হয়। রসুন খাওয়ার ফলে তারা শরীরে ভাল পরিবর্তন দেখতে পান। শরীরকে ডি-টক্সিফাই করে : অন্যান্য ঔষধের তুলনায় শরীরকে ডি-টক্সিফাই করতে রসুন কার্যকরী ভূমিকা পালন করে থাকে। বিশেষজ্ঞদের মতে, রসুন প্যারাসাইট, কৃমি পরিত্রাণ, জিদ, সাঙ্ঘাতিক জ্বর, ডায়াবেটিস, বিষণ্ণতা এবং ক্যান্সার এর মত বড় বড় রোগ প্রতিরোধ করতে সক্ষম।

প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক : গবেষণায় দেখা গেছে, খালি পেটে রসুন খাওয়া হলে এটি একটি শক্তিশালী অ্যান্টিবায়োটিক এর মতো কাজ করে থাকে। সকালে নাস্তার পূর্বে রসুন খেলে এটি আরও কার্যকরীভাবে কাজ করে থাকে। তখন রসুন খাওয়ার ফলে ব্যাকটেরিয়াগুলো উন্মুক্ত হয় এবং রসুনের ক্ষমতার কাছে তারা নতিস্বীকার করে থাকেন। তখন শরীরের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াসমূহ আর রক্ষা পায় না।

যক্ষ্মা প্রতিরোধক করতে সক্ষম: আপনার যদি যক্ষ্মা বা টিবি জাতীয় কোন সমস্যা ধরা পড়ে থাকে, তাহলে সারাদিনে একটি সম্পূর্ণ রসুনকে  কয়েক অংশে বিভক্ত করে বার বার খেতে পারেন। এতে আপনার যক্ষ্মা রোগ নির্মূলে সহায়তা করবে।

অন্ত্রের জন্য রসুন ভাল ফল দেয়: খালি পেটে রসুন খাওয়ার ফলে যকৃত এবং মূত্রাশয় সঠিকভাবে নিজ নিজ কার্য সম্পাদন করে থাকে।

এছাড়াও, এর ফলে পেটের বিভিন্ন সমস্যা দূর হয় থাকে যেমন- ডায়রিয়া। এটা হজম ও ক্ষুধার উদ্দীপক হিসেবে কাজ করে থাকে। এটি স্ট্রেস দূর করতেও সক্ষম হয়। অনেক সময় স্ট্রেস বা চাপের কারনে আমাদের গ্যাস্ট্রিক এর সমস্যায় পরতে হয়। তাই, খালি পেটে রসুন খেলে এটি আমাদের স্নায়বিক চাপ কমিয়ে এ সকল সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে থাকে।

শ্বসন : রসুন যক্ষ্মা, নিউমোনিয়া, ব্রংকাইটিস, ফুসফুসের কনজেশন, হাপানি, হুপিং কাশি ইত্যাদি প্রতিরোধ করতে সক্ষম। রসুন এ সকল রোগ আরোগ্যের মাধ্যমে বিস্ময়ের সৃষ্টি করেছে।

রসুনে সতর্কবার্তা : যাদের রসুন খাওয়ার ফলে এলার্জি হবার আশঙ্কা রয়েছে বা হয় তারা অবশ্যই কাঁচা রসুন খাওয়া থেকে বিরত থাকা ভালো। এছাড়া যাদের রসুন খাওয়ার ফলে মাথা ব্যথার সমস্যা হয়, বমির প্রাদুর্ভাব হয় বা অন্য কোন সমস্যা দেখা যায় তাদের জন্য কাঁচা রসুন না খাওয়াই ভাল হবে।