Friday, February 15, 2019

অনুত্তেজক নারী সাথে করনীয়

February 15, 2019
ছবি: সংগৃহীত

অনুত্তেজক নারী -১

অনেক নারীই অনেক সময় চরম উত্তেজনায় পৌছাঁতে ব্যর্থ হয়। মানসিক নানা কারণে হয়তো নারী অনুত্তেজক হতে পারে, কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রে শারীরিক কিছু কিছু কারণও বিদ্যমান থাকে। গোপনাঙ্গের নানা সমস্যার জন্যও হয়তো নারী উত্তেজনা হারায়। অনেক সময় দেখা যায় যে পুরুষের শারীরিক অনাকর্ষণ, অর্থের অসচ্ছলতা ইত্যাদি নানা কারণে নারী পুরুষের সাথে শারীরিক মিলন সম্পর্কে স্থাপন সত্ত্বেও উত্তেজনাবোধ করে না। এটি সমীক্ষায় দেখা হয়েছে কেন নারী উত্তেজনা হারায় কোন কোন কারণ

ক. শারীরিক মিলনের বেদনাদায়ক ২০.৩% নারী মনে করে
খ. শারীরিক মিলন জঘন্য ১৭.৭% নারী মনে করে
গ. স্বামী অক্ষম ১১.৭% নারী মনে করে
ঘ. গর্ভবতী হবার ভয় ১০.২% নারী মনে করে
ঙ. অজ্ঞতা, শারীরিক মিলনির সমস্যা কিংবা সমকামিতা ৪০% নারী মনে করে।

অনুত্তেজক নারী-২

১। উত্তেজনা বাড়ানোর কৌশল
ক. পুরুষের উচিত নারীকে নানা কৌশলে উত্তেজিত করা। যেমন পুরুষ নারীর স্তন এবং স্তনবৃন্ত স্পর্শ করতে পারে, মর্দন করতে পারে। এতে করে নারী উত্তেজিত হতে থাকবে।
খ. শারীরিক মিলনুয়াল ফ্যান্টাসির দ্বারা নারীকে উত্তেজিত করা যেতে পারে। যেমন শারীরিক মিলন সাহিত্য পাঠ, শারীরিক মিলনের দৃশ্য সমৃদ্ধ ছবি এবং বই পড়া ইত্যাদি।
গ. হস্তমৈথুন হাতের সাহায্যে বা ভাইব্রেটরের সাহায্যে। এছাড়াও পুরুষ মুখের সাহায্যে নারীর ভগাংকুর এবং শারীরিক মিলনি স্পর্শ করলে নারী উত্তেজিত হতে পারে ।

থেরাপি
ক. দম্পতি নগ্ন হয়ে বিছানায় বসবে । পুরুষ দু’পা ফাঁক করে নারীকে কোলে নিয়ে বসবে। পুরুষ নারীর জননাঙ্গতে আলতো ছুঁয়ে যাবে।
খ. নারী পুরুষের উপরে বসবে এবং যৌনাঙ্গতে লিঙ্গ প্রবেশের পর মৃদু নাড়াচাড়া করবে। লক্ষ্য রাখতে হবে নাড়াচাড়া যেন জোড়ে না হয়।
গ. নারীর উপরে এই আসনটি সঠিক প্রয়োগে নারীর উত্তেজনা অপেক্ষাকৃত বাড়াতে পারে।

Thursday, February 14, 2019

জেনে নিন শারীরিক মিলনের আসন

February 14, 2019
ছবি: সংগৃহীত

পৃথিবীব্যাপী বিভিন্ন প্রকার শারীরিক মিলনাসন আছে। এগুলোর ব্যাখ্যা আমরা বিভিন্ন সময়ে জেনেছি এটা বলা দরকার যে শারীরিক মিলনের জন্য শারীরিক মিলনাসন সবচেয়ে বেশি প্রয়োজনীয়। পুরুষ কিংবা নারীর শারীরিক মিলন আনন্দ এবং চরমপুলক নির্ভর করে পছন্দ সই শারীরিক মিলন আসনের উপর। শারীরিক মিলন আসনের বেশ কিছু আসন জনপ্রিয় নয়। তবে অনেক দম্পতি এই আসনগুলোতে শারীরিক মিলন করে থাকে, আসনের একঘেয়েমি কাটাতে। নারী পুরুষের দৈহিক মিলনের আসনগুলো হলোঃ

পুরুষ উপরে নারী নিচে।
নারী উপরে পুরুষ নিচে।
পাশাপাশি আসন।
বিরল আসন।
বসা আসন।
উল্টো আসন ইত্যাদি।

এই আসনগুলোর মধ্যে পুরুষ উপরে নারী নিচে এবং পাশপাশি আসন দুটো পৃথিবীব্যাপী জনপ্রিয়। পুরুষ উপরের আসনকে মিশনারী আসন বলা হয়। পুরুষ এই আসনে সবচেয়ে বেশি শারীরিক মিলন আনন্দ পেয়ে থাকে। নারীও এই মিশানারী আসনে সবচেয়ে বেশি শারীরিক মিলন আনন্দ লাভ করে।

বিয়ের পর মেয়েদের যে সব শারীরিক পরিবর্তন হয়

February 14, 2019
ছবি: সংগৃহীত

বিয়ের কিছুদিন পরেই দেখা যায়, অনেক মেয়ের স্তন ও কোমড় মোটা হয়ে গেছে। এ নিয়ে নানা ধরণের কথা বিভিন্ন সমাজে প্রচলিত আছে। অবিবাহিতদের তুলনায় দম্পতিরা সাধারণত স্বাস্থ্যকর খাবার বেশি খেয়ে থাকেন। তার কারণে স্তন ও কোমড় মোটা হয়ে যায়।

“দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্কে জড়িত মেয়েরা অনেক সচেতনতার সঙ্গে আরও স্বাস্থ্যকরভাবে খাওয়া-দাওয়া করে থাকেন।” তবে তার মানে এই নয় যে তারা সুস্বাস্থ্যের অধিকারী নয়।

অবিবাহিতদের তুলনায় বিবাহিতা মেয়েরা শারীরিক পরিশ্রম কম করে থাকেন। দম্পতিদের বিএমআই’য়ের মাত্রা অবিবাহিতদের তুলনায় বেশি, নারী-পুরুষ উভয়েরই।

“সামাজিক ও শারীরিক বিষয়গুলো স্তনের উপর উপর প্রভাব ফেলতে পারে। আর বিয়ে এবং আনুষঙ্গিক পরিবর্তনগুলো শারীরিক পুষ্টি এবং ওজনের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কযুক্ত।”

বিবাহিত দম্পতিদের পাশাপাশি অবিবাহিত দম্পতিদের নিয়েও বাড়তি গবেষণা করেছেন গবেষকরা।“বাস্তবে দম্পতিরা সবক্ষেত্রে ততটা স্বাস্থ্যকর মিলন করেন না, যতটা মনে করা হয়।

Wednesday, February 13, 2019

নারীরা বিবাহিত পুরুষদের প্রতি দুর্বল হয় কেন?

February 13, 2019
ছবি: সংগৃহীত

জেনে শুনে অন্যের সংসার ভাঙতে চাননা কেউই। তবে কখনো কখনো পুরো ব্যাপারটা সবার হাতে থাকেনা। কারণ মোহ অতি বিষম বস্তু। একবার কারোর প্রতি চলে গেলে চাইলেও তাকে বাগে আনা যায়না। ফলে শুরু হয় মানসিক অশান্তি এবং জীবনে নেমে আসে নানা অসুবিধা। তাই আগে থেকেই সাবধান হোন এইভাবে:-

আকর্ষণ বা মোহ সহজাত প্রবৃত্তি থেকে আসে। অপরিচিত বা অল্প পরিচিত বা পরিচিত বিবাহিত পুরুষের প্রতি আপনার ভালোলাগা জন্মাতেই পারে। কিন্তু মনের এ আবেগকে মোটেও বেশি পাত্তা দেবেন না। আপনার জন্য কেউ না কেউ আছেন যার দেখা এখনো মেলেনি। তার দেখা পেলেই বর্তমানের ভালোলাগা চলে যাবে।

হতে পারে পুরুষটি একদমই আপনার মনের মতন। কিন্তু ওই মানুষটি আপনার জন্য নন, তিনি অন্য কারোর। কাজেই আপনার একচেটিয়া ভালোবাসায় তার কাছ থেকে আপনি কিছুই পাবেন না। কাজেই যে একা মানুষটি আপনার জন্য অপেক্ষা করছেন তার কাছ থেকে অন্তত ভালোবাসার প্রতিদান পাবেন আপনি।

বহু মানুষ আছেন যারা বিয়ের পরও আগের জীবনের প্রেম-ভালোবাসা বরাবরের মতোই চালিয়ে যান। এসব ক্ষেত্রে তারা স্ত্রীর কাছে আদর্শ স্বামী সেজে থাকেন, ওদিকে অন্য নারীর কাছে অসুখী বিবাহিত জীবনের নানা গল্প ফেঁদে আপনার দুর্বল মানসিকতার সুযোগ নেবে। কিন্তু দেখবেন, তার প্রতি আপনার ভালোবাসা তাকে বিবাহিত জীবন থেকে ফিরিয়ে আনবে না।

কাজেই এ পরিস্থিতিতে মাথা ঠাণ্ডা রেখে তার কাজ-কারবার খেয়াল করুন। বরং ভেবে দেখুন, যে নারী এই পুরষটিকে বিয়ে করেছেন, তিনি কতোটা ঠকছেন এবং সৌভাগ্যের বিষয় সেই নারীটি আপনি নন।

আপনাকে মানসিকভাবে দুর্বল করতে তার নানা প্রেমময় মেসেজ, খুনসুটি, বেড়াতে নিয়ে যাওয়া বা গিফট করা ইত্যাদি কাজে দুর্বল হবেন না। এসবে গুরুত্ব দিয়ে তার সুযোগ আরো বেড়ে যাবে। ভেবে দেখুন, আপনার পছন্দের বিবাহিত পুরুষটি এমন এক মানুষ যে কিনা তার স্ত্রীর সঙ্গে অনবরত প্রতারণা করে যাচ্ছে। ওই পুরুষ যদি ব্যক্তিত্ববান হন, তবে দেখবেন তিনি আপনার এই আচরণের প্রতিবাদ করছেন না এবং তিনি সরে যাবেন। কিন্তু যদি না করেন, তবে বুঝবেন আপনাকে তার শিকার বানানোর প্রক্রিয়া চলছে।

মনে রাখবেন যে মানুষ একজনের হতে পারেনা সে কারোরই হতে পারেনা। সুতরাং যে নিজের বউএর সাথে প্রতারণা করছে সে যে আপনার সাথে একই কাজ করবেনা এর গ্যারান্টি কেউ দিতে পারেনা।

বিবাহিত কোনো পুরুষের প্রতি প্রেম জন্মানোটা অপরাধ নয়। তার ওষুধ আপনাকে ওপরের টিপসগুলোতে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু যদি এমন হয় যে, একের পর এক বিবাহিত পুরুষের প্রতি আকর্ষণ বোধ করেন আপনি, তবে নিজেকে নিয়ে চিন্তার বিষয় রয়েছে। এ ক্ষেত্রে নির্জনে নিজের বিবেকের সঙ্গে কথা বলুন।

এমন কেনো হয় আপনার? দুই একাকী নর-নারী পরস্পরের প্রতি ভালোবাসা, দায়িত্বশীলতা এবং সততা নিয়ে জুটি গড়ে। আপনি কী এই দায়িত্বশীলতা এবং সততার ঝামেলা থেকে দূরে থাকতে চান? তাই বিবাহিত পুরুষকেই নিরাপদ মনে হয়? যদি এমনই হয়, তবে নিজেকে নিজের কাছে পরিষ্কার করে নেওয়াটা জরুরি।

সত্‍, দায়িত্বশীল এবং অঙ্গীকারবদ্ধ সম্পর্ক আপনাকে সেই আবেগ-অনুভূতি দিবে যার জন্য আপনি সম্পর্কে জড়ান।

শারীরিক মিলনে উত্তেজনার চারটি ধারা

February 13, 2019
ছবি: সংগৃহীত

স্বামী  ও  স্ত্রী  যখন দৈহিক মিলনে উপনিত হয়, তখন উভয়ের শরীরে দৈহিক উত্তেজনা চলে আসে । নারী এবং পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রেই এই উত্তেজনার চারটি ধারা হলো-

১. উত্তেজনার ধারা।
২. শারীরিক মিলনের ধারা।
৩. চরমপুলকের ধারা।
৪. শিথিলতার ধারা।

উত্তেজনার স্তরে পুরুষ এবং নারী একে অন্যের স্পর্শে বা আদরে উত্তেজিত হতে পারে। উত্তেজনার ধারাটি ধারা সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ শারীরিক মিলন আনন্দ পাবার ক্ষেত্রে। যদি কেউ শারীরিক মিলনের আগে পূর্ণাঙ্গ উত্তেজিত না হয় তবে শারীরিক মিলনে  চরমপুলক সে পুরোপুরি পায় না। এজন্য উত্তেজিত হবার দরকার আছে। নারীর সাধারণত পিরিয়ড চলাকালীন সময়ে শারীরিক মিলন পছন্দ করে। কেননা এই সময়ে শরীর অবসন্ন থাকে এবং নারীর স্তন শারীরিক মিলনকাতর হয়ে উঠতে পারে। স্বাভাবিক ভাবে শারীরিক মিলনের ক্ষেত্রে পুরুষ এবং নারী উভয়ের শারীরিক মিলনের উত্তেজনার মাত্রা বাড়তে থাকলে এক সময় উভয়েই চূড়ান্ত মিলন আশা করে।

নারীর নিতম্ব, স্তন, স্তনবৃন্ত এবং যৌনাঙ্গ  মিলনের আনন্দে উত্তেজিত হয়ে উঠে। এই পর্যায়ে পুরুষের লিঙ্গ দৃঢ় হয় এবং লিঙ্গ শারীরিক মিলনের জন্য উন্মুখ হয়ে উঠে। জেনে রাখা ভালো যে কোনো কোনো নারী শারীরিক মিলনের আগে উত্তেজনার স্তরেই তার শারীরিক মিলনি থেকে তরলের ক্ষরণ হতে পারে। এটা নারী যে উত্তেজিত তার প্রমাণ এবং এটি শারীরিক মিলনিকে পিচ্ছিল করে তোলে, যাতে করে লিঙ্গ চালনা সহজ হয়।

পুরুষের লিঙ্গের মাথাতেও এই সময় সাদাটে পানির মতো পদার্থ বের হতে দেখা যায়। এ থেকে বোঝা যায় যে পুরুষ শারীরিক মিলনের উত্তেজনার চরমে উঠেছে এবং এ পর্যায়ে পুরুষও নারী চূড়ন্ত শারীরিক মিলনের জন্য প্রস্তুত পুরুষের লিঙ্গ নারীর যৌনাঙ্গের  ভেতর চালনার ফলে নারীর শারীরিক মিলন আনন্দ ঘনিভূত হয় এবং এই পর্যায়ে পুরুষের র্বীযপাত হবার সম্ভাবনা দেখা দেয়। পুরুষ মোটামুটি ভাবে নারীর যৌনাঙ্গে  অর্থাৎ প্রবেশের পর থেকেই শারীরিক মিলন আনন্দ পায়।

প্রথম প্রথম শারীরিক মিলনের সময় নারীর গোপনাঙ্গে ব্যথার সৃষ্টি হলেও পরে অবশ্য তা এমনিতেই কেটে যেতে পারে। শারীরিক মিলন যখন চলতে থাকে তখন উভয়েরই শারীরিক এবং মানসিক অবস্থা চূড়ান্ত উত্তেজিত পর্যায়ে পোঁছে যায়। এই সময়ে নারীর এবং পুরুষের শ্বাস-প্রশ্বাস দ্রুত এবং রক্ত চলাচলের গতি বেড়ে যায়। এরপর চরমপুলকের ধারায় পুরুষ এবং নারী শারীরিক মিলন আনন্দ পায়। পুরুষের মতো নারীর বীর্যপাত না হলেও তার জননাঙ্গর ভেতরে তরলের ক্ষরণ হয়। পুরুষের বীর্যপাত ঘটলে তার চরমপুলক এসে যায়। কোনো কোনো নারী একবার শারীরিক মিলনেই কয়েকবার শারীরিক মিলন আনন্দ লাভ করে। একে মাল্টিপোল অর্গাজম বলে।

কিন্তু পুরুষের ক্ষেত্রে এ রকম ঘটতে দেখা যায়  কম। পুরুষের বীর্যপাত হলে তার লিঙ্গ শিথিল হয়ে পড়ে এবং নারীর জননাঙ্গ ধীরে ধীরে শুষ্ক হয়ে উঠতে থাকে। এই পর্যায়ে শিথিল ধারায় আবির্ভাব ঘটে। অর্থাৎ পুরুষ এবং নারী উভয়ের দেহই শিখিল হয়ে পড়ে। কেননা শারীরিক মিলনের সময় যে শারীরিক এবং মানসিক গতির সঞ্জার হয় তা ধীরে ধীরে কমে আসে এবং সেই সাথে হৃদপিন্ডের ক্রিয়া ও শ্বাস-প্রশ্বাসের গতি স্বাভাবিক হয়।

চরমপুলকের পরে পুরুষ এবং নারীর দৈহিক শিখিলতা অবস্থা শারীরবৃত্তীয় স্বাভাবিক কারণেই সংঘটিত হয়। পুরুষ এবং নারী শিথিল অবস্থার পরবর্তী সময়ে আবার শারীরিক মিলনের জন্য উত্তেজিত হয়ে উঠতে পারে । নারীর ক্ষেত্রে শারীরিক মিলনের আনন্দ কোনো কোনো সময় খুব বেশি কাঙিত আবার কোনো কোনো সময় ততোটা কাঙিত হয় না। পুরুষের ক্ষেত্রে অবশ্য কোনো শারীরিক এবং মানসিক চাপ না থাকলে পুরুষের শারীরিক মিলন উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়।

Tuesday, February 12, 2019

কুমিরের সঙ্গে যৌনমিলন? মুহূর্তেই তা ভাইরাল

February 12, 2019
ছবি: সংগৃহীত

কুমিরের সঙ্গে যৌনমিলন?এমনও হয়?হ্যাঁ ঠিক এমনটাই করে বসলেন এক অস্ট্রেলিয় যুবক।পরিণাম ?যা হবার ছিল তাই ,কুমিরটি যুবকের দেহ কামড়ে দেয়।এই খবর প্রকাশিত হয় অস্ট্রেলিয়ার নিউজ পোর্টাল Cairns Times-এ ও মুহূর্তেই তা ভাইরাল হয়ে যায় ।

প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, অস্ট্রেলিয়ার ক্লিফ্টন সৈকতে বসে কয়েকজন যুবক নিষিদ্ধ মাদক ‘ICE’ সেবন করছিলেন ।হটাৎই তাদের মধ্যে এক ২৬ বছর বয়সী যুবক মাদকের প্রভাবে নেশাগ্রস্হ হয়ে পোশাক খুলে জলের দিকে এগিয়ে যান ।

সে সময় সৈকতে শুয়ে ছিল একটি কুমির । তখনই নাকি কুমিরের সঙ্গে যৌন সঙ্গমে লিপ্ত হতে যান ঐ যুবক ।কুমিরটিও যুবকের দেহে কামড় দিয়ে সমুদ্রে নেমে যায় ,তারপর থেকেই নিরুদ্দেশ ঐ যুবক। সঙ্গীদের বক্তব্য অনুযায়ী ওই যুবক এর আগেও নাকি মাদকের প্রভাবে অসংলগ্ন আচরণ করেছে ।ব্যাপারটি ভাইরাল হলেও এখনো সত্যতা পাওয়া যায়নি ।

নারী’র বা পুরুষের সহবাসে অনীহা: দাম্পত্য জীবনের এক নিঃশব্দ ঘাতক সমাধান জেনে নিন।

February 12, 2019
ছবি: সংগৃহীত

দাম্পত্য জীবনে নারী’র সহবাসে অনীহা, মিলনে অনাকাঙ্খা বা পুরুষের যৌনদূর্বলতা এমন বিষয়গুলোকে আমরা অনেকেই খুব একটা পাত্তা না দিলেও, নিজেদের অজান্তেই এক সময়ের ছোট্ট এমন একটি সমস্যা অনেক ক্ষেত্রেই দাম্পত্য জীবনের ঝলমলে জোস্নাস্নাত আকাশ’টিকে অমাবস্যার ঘোর অমানিশায় ছেয়ে ফেলে।

অথচ গতিময় জীবনে এধরণের ছন্দ পতন খুব যে অস্বাভাবিক একটি ব্যাপার, মোটেও তা কিন্তু নয় । এটি লজ্জারও কোন বিষয় নয়। এ নিয়ে ভাবনার’ও কিচ্ছু নেই। শুধু মনে রাখতে হবে, এটাও একটা সমস্যা, অনেকাংশেই যার অতি সহজ সমাধানও রয়েছে।

নারী’র তুলনায় পুরুষের ক্ষেত্রে মিলনে অনাকাঙ্খা বিরলই বলা চলে। তবে পুরুষের মূল সমস্যা নানা ধরণের ‘যৌনদূর্বলতা’ যা দাম্পত্য জীবনের সমস্ত সুখকে নিমিষেই ছিনিয়ে নিতে পারে – স্বামী-স্ত্রী উভয়ের ক্ষেত্রেই দাম্পত্য জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলতে পারে।

পুরুষের মূল সেক্সচুয়াল সমস্যাগুলোর মধ্যে রয়েছে- প্রিম্যাচিউরড্ ইজাকুলেশন (সঙ্গম পূর্ণতা প্রাপ্তির আগেই বীর্যোস্খলন), ইরেক্টাইল ডিসফাংশন বা ED(পুরুষাঙ্গের উত্থান বা সম্ভোগযোগ্য সবল না হওয়া) এগুলো কিন্তু পুরুষের ক্ষেত্রে একধরণের সেক্সচুয়াল অক্ষমতা, যা তার সঙ্গিনী কে ধীরে ধীরে তার থেকে অনেক দূরে ঠেলে দিতে পারে।

প্রতিটি সফল যৌন মিলন দাম্পত্য জীবনে এক অপার মানসিক সুখ বা তৃপ্তি এনে দিয়ে পরস্পরকে আরো মধুর দৃঢ় এক আত্মিক বন্ধনে আবদ্ধ করে। আর তাই নারী বা পুরুষ এধরনের সমস্যা উপলব্ধি করা মাত্রই তা হেলাফেলা না করে অতি দ্রুত এবিষয়ে অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

চেহারায় বয়সের ভাঁজ মুছে ফেলার জন্য করলার ৪ ব্যবহার

February 12, 2019
ছবি: সংগৃহীত

বয়স কেবল মাত্র সংখ্যা! এমন দাবি কি জোরের সঙ্গে করতে পারেন আপনি? না কি চামড়ার ভাঁজে, চেহারার গড়নে নানা ভাবে চোখে পড়ে বয়সের ছাপ? বয়সকে তোয়াক্কা না করে কেবল শারীরিকভাবে সক্ষম থাকার চেষ্টা তো করতেই হবে সবাইকে, সঙ্গে চেহারাতেও যাতে বয়স থাবা বসাতে না পারে, নজর রাখা উচিত সে দিকেও সকলকে।

রূপ বিশেষজ্ঞদের মতে, চেহারা থেকে বয়সকে সরিয়ে রাখার জন্য যে সব সবজির উপর ভরসা করা যায়, তাদের মধ্যে অন্যতম করলা। কিন্তু জানেন কি, ঠিক কী উপায়ে করলা ব্যবহার করলে ত্বকের জন্য তা বিশেষ উপকারী হয়ে উঠবে? তাহলে জেনি নিন সেই নিয়ম গুলো।

১. করলায় রয়েছে প্রচুর ভিটামিন সি। তাই চামড়ায় লালিত্য ধরে রাখতে সাহায্য করে এই সবজি। ত্বককে টানটান রাখতেও এর কোনো জুড়ি নেই। তাই প্রতি দিন করলা সেদ্ধ করে তাতে লেবু ও নুন যোগ করে খান। এতে ত্বকের জৌলুস বজায় থাকবে দীর্ঘ দিন ধরে।

২. করলার রসের সঙ্গে কমলালেবুর রস মিশিয়ে তা মুখে মাখলেও উপকার পাবেন। এই মিশ্রণ মুখে লাগিয়ে অপেক্ষা করুন কিছু ক্ষণ। শুকিয়ে গেলে ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে নিন মুখ। মৃতকোষ ঝরিয়ে ত্বকে আলাদা উজ্জ্বলতা আনে এই মিশ্রণ।

৩. করলা রক্তের মধ্যেকার ক্ষতিকর পদার্থকে বিনষ্ট করে রক্তকে পরিশুদ্ধ করে। যার প্রভাব এসে পড়ে ত্বকেও। তাই ত্বক থেকে বয়সের ছাপ সরাতে ও ত্বককে সুন্দর রাখতে প্রতিদিন সকালে করলার রসও খেতে পারেন।

৪. করলার বীজ সরিয়ে, তা বেটে মুখে লাগান। সপ্তাহে তিন দিন এই ফেসপ্যাক ব্যবহার করলেই ত্বকের যৌবন ফিরবে রাতারাতি।

Monday, February 11, 2019

স্ত’নের প্রতি কেন আকৃষ্ট হন পুরুষরা, জানুন ১০ টি রহস্যময় কারন…

February 11, 2019
ছবি: সংগৃহীত

নারী শরীর হল রহস্যময়। সব পুরুষই নারী শরীর স্পর্শ করার জন্য সঠিক সময়ের অপেক্ষা করে থাকে। নারী শরীরের উপর পুরুষদের এক আলাদাই আকর্ষন। নারীদের শরীরের মধ্যে সুডৌল স্ত’নের প্রতি আকৃষ্ট হয় না এমন পুরুষ খুঁজলেও পাওয়া যাবে না। শুধু পুরুষ নয় মহিলারাও নিজেদের স্ত’ন নিয়ে খুব গর্ব করে। স্ত’নের আকৃতি ও গঠন নিয়ে মহিলারা খুব চিন্তায় থাকে।

স্তন আকারে ছোট হলে বা আকার ঠিক না থাকলে, ঝুলে গেলে মহিলারা অতিরিক্ত চিন্তায় পড়ে যায়। কিন্তু কেন ? কেন স্ত’নের প্রতি এত আকর্ষন ? বিশেষজ্ঞদের মতে এর পিছনে কিছু কারন রয়েছে, সেগুলি জেনে নেওয়া যাক।

১। প্রথম কারন হল মেয়েদের স্ত’ন সুগঠিত হলে দেখতে অত্যন্ত সুন্দর হয়। সে যেমন আকৃতিরি হোক না কেন। পুরুষেরা তা দেখে আকৃষ্ট হবেই। সুন্দর স্ত’ন মহিলাদের এক আলাদাই ব্যক্তিত্ব এনে দেয়। একটা মেয়ের দিকে তাকিয়ে তার স্ত’নের দিকে চোখ আটকে যায় প্রতিটা পুরুষের। একথা শুনতে খারাপ লাগলেও কথটা ১০০% সত্যি।

২। স্ত’ন হল নারীত্বের প্রতীক। স্ত’ন পুরুষ ও নারীর শরীরের মধ্যে পার্থক্য তৈরি করে। নাহলে বাইরে থেকে নারি পুরুষের পার্থক্য করা সম্ভব নয়। নারীর বক্ষযুগলের বিভাজিকা তাদের কাছে গর্ব। অনেক মহিলা সেইজন্য ক্লিভেজ দেখা যায় এমন পোশাক পরেন।

৩। নারীদের স্ত’নের প্রতি আকর্ষন আজ থেকে নয়। আদি কাল থেকেই নারীর সুগঠিত স্ত’ন দেখে পুরুষদের মনে ও শরীরে কামনার প্রবল ইচ্ছা জেগে ওঠে। এর পিছনে একটি মানসিক কারনও আছে। সেটি হল সন্তান জন্ম দানে সক্ষম ও উর্বর মহিলাদের স্ত’ন সুন্দর হয়। তাই পুরুষেরা জীবনসঙ্গী হিসাবে সুন্দর ও সুডৌল স্ত’নের মহিলাদেরই বেছে নেন।

৪। নারীদের শরীরের কিছু অংশ পোশাকের বাইরে থেকেও বোঝা যায়। বিশেষ করে স্ত’নের আকার তো বোঝাই যায়। তেমন গঠন হলে পুরুষদের চোখ সেদিকে আটকে যায়। চোখে দেখে মনে বা শরীরে যে কামনার আগুন জ্বলে তাকে বলা হয় ‘ভিসুয়াল স্টিমুলেশন’।

৫। নারীর অন্দরমহলে প্রবেশের রাস্তা হল তার স্ত’ন। সঙ্গমের আগে স্ত’ন ছুঁয়ে নারী ও পুরুষ উভয়ের মনেই কাম উত্তেজনা জাগে। ধীরে ধীরে কামের আগুন ছরিয়ে পড়ে সারা শরীরে। মিলনের আগে ফোর-প্লে তে স্ত’নের ভূমিকা অস্বীকার করা যায়না।

৬। সম্পর্ক যতই পুরনো হোক না কেন, নিজের সঙ্গিনীর স্ত’নের প্রতি আকর্ষন কখনোই যায়না পুরুষের। পুরুষেরা সারাদিন কর্মব্যাস্ততার পর স্ত্রীর স্ত’নে নিজের শান্তি খুজে পায়। স্ত’নে মাথা রেখে শুয়ে শান্তির খোজ করতে ভালোবাসে পুরুষেরা। গবেষণা বলে যে সব পুরুষ স্ত’নে মাথা রেখে ঘুমান তাড়া সুস্থ থাকেন, বেশিদিন বাঁচেন।

৭। স্ত’নের গঠন ইলাস্টিসিটির জন্য নারীদের স্ত’ন ছুঁয়ে দেখতে চায় পুরুষ। এখানে বিশেষজ্ঞরা একটি মনস্তাত্ত্বিক যুক্তির কথা বলেন। তারা বলেন যে সব পুরুষ নিজের স্ত্রী বা প্রেমিকার স্ত’ন খুব যত্নের সঙ্গে ছুঁয়ে দেখেন তারা স্ত্রীর প্রতি খুব দায়ীত্বশীল হন।

৮। স্ত’নযুগল নারী শরীরের অন্যতম রহস্যময় স্থান। যখনই পুরুষের চোখ স্ত’নের দিকে যায় তখনই মহিলারা পোশাকের নীচে স্ত’নের আসল আকৃতি নিয়ে ভাবতে শুরু করে দেয়। সেই স্ত’নের রহস্যভেদ না হওয়া পর্যন্ত সেই চিন্তা তাড়া করে।

৯। ক্লিভেজ ছাড়া স্ত’নের আসল মজা নেই। যে মহিলাদের পোশাকের বাইরে ক্লিভেজ দেখা যায় তাদের প্রতি বেশি আকর্ষিত হয় পুরুষেরা।

১০। নারীরাও নিজেদের স্ত’ন নিয়ে যথেষ্ট সচেতন। অন্তর্বাস পড়ার সময় মহিলারা খুব খুঁতখুঁতে হয়। তারা পোশাক পড়ার সময় বার বার আয়নায় নিজেদের মুখ দেখে। শুধু মুখ নয়, তারা স্ত’নও দেখে। দেখে যে স্ত’নের সাইজ কেমন লাগছে বা আগের থেকে কত বৃদ্ধি হয়েছে। সব মহিলাই চায় সুগঠিত সুন্দর স্ত’ন।

শারীরিক মিলনের স্বাভাবিক সময় কত মিনিটের হওয়া উচিৎ! সময় বাড়ানোর পদ্ধতি জেনে নিন

February 11, 2019
ছবি: সংগৃহীত

মিলনের ঠিক কত সময় পর বীর্যপাত হওয়া স্বাভাবিক এবং কত দ্রুত বীর্যপাত হলে তা অস্বাভাবিক, সেটা কি জানেন ? যদি না জানেন তাহলে জেনে নিন আজকের এই প্রতিবেদনে। সেক্স হল একটা আর্ট, এখানে নির্দিষ্ট বলে কিছু নেই, ধরা বাধার কোন নিয়ম নেই। এরকম অনেক কিছুই আছে যা কেউ করতে পারেনা, আবার এমন কিছু মিলনের পদ্ধতি আছে যা খুব সাধারণ।

মিলনের জন্য সময় কতটা যাবে সেই বিষয়টি নির্ভর করছে সম্পুর্ন আপনার নিজের উপর। আপনি যদি শুধুমাত্র নিজের যৌন পিপাসা মেটানোর জন্য মিলিত হতে চান তাহলে দুই এক মিনিটের বেশি সময় লাগবেনা।

আর যদি দুজনের ভালোবাসার প্রতিফলন হিসাবে পূর্ব প্রস্তুতি নিয়ে মিলিত হন তাহলে ১৫ মিনিটের বেশি সময় লাগতে পারে। সব কিছুই নির্ভর করছে আপনার নিজের ওপর। শারীরিক মিলনের স্বাভাবিক সময় হল সাত থেকে তেরো মিনিট।

এক গবেষণায় গবেষকরা প্রমাণ করেছেন যে একটি ভালোবাসাপূর্ন মিলনের জন্য তিন মিনিট যথেষ্ট। গবেষণায় যৌন অভিজ্ঞদের থেকে তাদের “পেনিট্রেটিভ সেক্সের” অর্থাৎ লি’ঙ্গ যৌ’নাঙ্গে প্রতিস্থাপন করে যে মিলন তার সময়কাল নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল।

তাদের মধ্যে এক কানাডিয়ান দম্পতি এবং এক আমেরিকান দম্পতিকে প্রশ্ন করা হলে তারা জানান যে মিলনের জন্য সাত থেকে তেরো মিনিট কাম্য। কিন্তু তারা এও বলেন যে তাদের কাছে দু থেকে তিন মিনিট খুবই কম সময় এবং তেরো মিনিটের বেশি সময় খুব লম্বা সময়।

কিছু নারীর যৌ-ন মিলন সম্পর্কে ভুল ধারনা আছে। কেউ কেউ মনে করেন যে পুরুষের লি’ঙ্গ যত মোটা হবে, যত দৃঢ় হবে, মিলন কালে লি’ঙ্গ রডের মতো শক্ত হবে এবং সারা রাত ধরে যে পুরুষ মিলন করবে সেই সামর্থ্যবান।

পুরুষেরও কিছু ভুল ধারনা আছে যৌন মিলন সম্পর্কে। তারা মনে করেন নারী হবে বিছানায় কর্মঠ, সুন্দর শরীরের অধিকারিণী, সব অবস্থায় সহযোগী হবে। এই প্রতিবেদনের মূল উদ্দেশ্য হল সকল নারী পুরুষকে যৌন মিলন সম্পর্কে অলীক কল্পনা নিয়ে না থেকে বাস্তববাদী হওয়া।

যৌন মিলন বিষয়ে সঠিক শিক্ষা জায়গা, অঞ্চল, গায়ের রঙ ও শরীরের আকারের উপর নির্ভর করে। এই বিষয়গুলির উপর মিলনের সময়ও নির্ভর করে। ভারত, বাংলাদেশ, মায়ানমার এসব জায়গায় বাদামি চামড়ার লোকেদের যৌন মিলনের সময় লাগে গড়ে চার মিনিট।

Sunday, February 10, 2019

তরুণীকে চার নারী মিলে গণধর্ষণ, গ্রেফতার এক!

February 10, 2019
ছবি: সংগৃহীত

এবার ২৫ বছর বয়সী এক মহিলার বিরুদ্ধে উঠল ধর্ষণের অভিযোগ। কোনও পুরুষ এই অভিযোগ আনেননি। এনেছেন ১৯ বছরের এক তরুণী। অবিশ্বাস্য ঘটনাটি ঘটেছে চিত্র-বিচিত্রের দেশ ভারতের দিল্লিতে। পুলিশ এই ঘটনায় চারজনকে গ্রেফতার করেছে। দেশটিতে সমলিঙ্গে ধর্ষণের এটাই প্রথম ঘটনা বলে জানাচ্ছে পুলিশ।

দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, নির্যাতিতা ওই তরুণী উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বাসিন্দা। কাজের সন্ধানে দিল্লি আসে সে। ওই মহিলা তাঁকে দিল্লির দিলশাদ কলোনিতে নিয়ে যায়। এবং সেখানে তাঁকে ধর্ষণ করে। সে একা নয়। আরও তিন জনের হাতে গণধর্ষিতা হতে হয় তাঁকে। শুধু তাই নয়, অভিযুক্তরা দিনের পর দিন ব্ল্যাকমেইল করে তাঁর উপর যৌন অত্যাচার চালাত। শেষ পর্যন্ত আর অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে পুলিশের কাছে অভিযোগ জানান ওই তরুণী। যার ভিত্তিতে ওই মহিলা সহ চারজনকে গ্রেফতার করা হয়।

আটকদের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির নানা ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। পাশাপাশি অভিযুক্ত ওই মহিলার বিরুদ্ধে ৩৭৭ ধারায় মামলা রুজু করেছে পুলিশ। ভারতের সুপ্রিম কোর্ট সমকামী যৌনতাকে অপরাধমুক্ত করার পর এই প্রথম সেদেশে ৩৭৭ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আটকদের জেরার পর কারকারডোমা আদালতে তোলা হয়। সেখানে আদালত অভিযুক্তদের জেল পাঠানোর নির্দেশ দেন।
গতবছর সেপ্টেম্বর মাসে এক ঐতিহাসিক রায়ে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট সংবিধানের ৩৭৭ ধারায় বর্ণিত সমকামী যৌনতাকে অপরাধমুক্ত করে। তার আগে ২০১৮ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত এই ধারায় ২৮টি অভিযোগ দায়ের হয়। ২০১৫ সাল থেকে ২০১৮ মার্চ মাস পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন পুলিশ থানায় ৫৪৩টি অভিযোগ জমা পড়ে।

পুলিশকে ডেকে এনে নিজেই উলঙ্গ হলেন তরুণী, পরের ঘটনা মারাত্মক

February 10, 2019
ছবি: সংগৃহীত

এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঘটনার সূত্রপাত বৃহস্পতিবার রাতে। মুম্বইয়ের বাসিন্দা ওই তরুণীর সঙ্গে তাঁর ফ্ল্যাটের নিরাপত্তারক্ষীর বচসা বাধে। তরুণীর অভিযোগ, বচসার সময়ে তাঁর গায়ে হাত দেন নিরাপক্ষারক্ষীরা। অন্য দিকে নিরাপক্ষারক্ষীদের অভিযোগ, তাঁদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেছেন ওই যুবতী।

এর পরেই পুলিশ আসে ওই ফ্ল্যাটে। কিন্তু তখনই বাধে বিপত্তি। পুলিশকর্মীদের সঙ্গে কোনও মহিলা পুলিশ ছিল না। এর পরেই পুলিশের সঙ্গে থানায় যেতে বেঁকে বসেন ওই যুবতী। তিনি জানান, মহিলা পুলিশকর্মী না এলে তিনি থানায় যাবেন না। কিন্তু ঘটনাস্থলে মোতায়েন পুলিশকর্মীরা সেই কথা না শুনলে তার পরে নিজের জামাকাপড় খুলে ফেলেন  তিনি তার পরেই শুরু করেন চিৎকার।

পরে ওই যুবতী গোটা ঘটনার ভিডিও আপলোড করেন টুইটারে। প্রধানমন্ত্রী, মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী ও পুলিশ কমিশনারকে ভিডিওটি ট্যাগও করে দেন তিনি। এর পরেই ভিডিওটি ভাইরাল হয়ে যায় সোশ্যাল মিডিয়ায়। এখনও পর্যন্ত এই ঘটনা কোনও এফআইআর দায়ের করা হয়নি।

বিয়ে পিঁড়িতে বসছেন ভারতের বাংলা চলচিত্রের জনপ্রিয় অভিনেত্রী নুসরাত জাহান

February 10, 2019
ছবি: সংগৃহীত

টলিপাড়ায় অনেক আগে থেকেই গুঞ্জন আছে নুসরাত জাহানের বিবাহিত জীবন নিয়ে, তবে কখনও নুসরাত স্বীকার করেনি। সম্প্রতি আবারও বিয়ে করতে যাচ্ছেন কলকাতার জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী। এজন্য পর্দার আড়ালে থাকা স্বামীকে ডিভোর্স দিচ্ছেন।

ব্যক্তিগত সম্পর্কের টানাপড়েনের জন্য সব সময়েই শিরোনামে নুসরাত। শোনা যাচ্ছে, নতুন সম্পর্কে রয়েছেন তিনি। সেই সম্পর্ক বিয়ের পথে এগোচ্ছে। একটি বিখ্যাত শাড়ির ব্র্যান্ডের মালিকের সঙ্গে নাকি গাঁটছড়া বাঁধতে চলেছেন নুসরাত। তবে এ বিয়ের জন্য আগের বিয়ে থেকে ডিভোর্স পেতে হবে। বিবাহ-বিচ্ছেদের আইনি প্রক্রিয়া চলছে বলে খবর।

বছর চারেক আগে রেজিস্ট্রি করে ভিক্টর ঘোষের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল তার। ভিক্টর পেশায় এভিয়েশন ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে যুক্ত। তবে জনসমক্ষে পরস্পর লিভ-ইন সম্পর্কে আছেন এমনটাই বলতেন। সংবাদমাধ্যমের সামনে অবশ্য বিয়ের কথাও স্বীকার করেননি নুসরাত।

তবে বরাবরই নুসরাত এই বিয়ের খবর অস্বীকার করে আসছে। নুসরাতের দাবি, ‘যারা বলছে আমি বিবাহিত, তারা প্রমাণ দিক। যার সঙ্গে অনেক দিন ধরে সম্পর্কে আছি, তাকেই বিয়ে করব।

Saturday, February 9, 2019

মুসলিম হওয়ায় বিদ্বেষের শিকার মিশরীয় তারকা ফুটবলার সালাহ

February 09, 2019
ছবি: সংগৃহীত

এবার ফুটবল মাঠে ধর্মীয় বিদ্বেষের শিকার হলেন ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব লিভারপুলের মিশরীয় তারকা মোহাম্মদ সালাহ। ওয়েস্টহ্যামের বিপক্ষে সর্বশেষ লিগ ম্যাচে ১-১ গোলে ড্র করেছে লিভারপুল। সেই ম্যাচেই একটা কর্নার নিতে গিয়ে এক ওয়েস্ট হ্যাম সমর্থক সালাহকে তার ধর্ম নিয়ে গালাগাল করেন। সেই ঘটনার ভিডিও এখন সোশ্যাল সাইটে ভাইরাল। সেই ভিডিওর ওপর ভিত্তি করে তদন্ত শুরু করেছে যুক্তরাজ্য পুলিশ।

সালাহকে উদ্দেশ্য করে যা কিছু বলা হলো, তা শুনে অনেক কষ্ট পেয়েছি। এসব লোক আমাদের সমাজে থাকার অনুপযুক্ত। এর চেয়ে খালি গ্যালারিতে ম্যাচ হওয়া ভালো।’ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর নড়েচড়ে বসে ওয়েস্ট হ্যাম ক্লাব ও লন্ডন মেট্রোপলিটন পুলিশ। ক্লাবটি জানিয়েছে, তারা দ্রুত এই ঘটনায় দায়ী ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গকে খুঁজে বের করতে চেষ্টা করবে। এক বিবৃতিতে ক্লাব কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বর্ণবাদ ও ধর্মীয় বিদ্বেষের এই ঘটনায় তারা জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করবে।

অভিযুক্তদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। ওয়েস্টহ্যাম একটি ঐতিহ্যবাহী ও অনন্য ফুটবল ক্লাব। এ নিন্দনীয় ঘটনার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের বিস্তারিত তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহায়তা করা হবে এবং ওয়েস্ট হ্যামের মাঠ লন্ডন স্টেডিয়ামে তাদের আজীবন নিষিদ্ধ করা হবে।

ছেলেদের জন্য ডিমের কুসুম বিশেষ উপকারী

February 09, 2019
ছবি: সংগৃহীত

ডিমের কুসুমে অনেক পরিমান পুষ্টিগুণ রয়েছে, যা ছেলেদের জন্য বিশেষ উপকারী হিসেবে কাজ করে। দিল্লির একটি বেসরকারি হাসপাতালের চিফ ডায়েটিশিয়ান এমনই দাবি করেছেন। অনেক পুরুষই ডিমের কুসুম না খেয়ে ডিমের সাদা অংশটি খান। কিন্তু অনেক পুরুষই ডিমের কুসুমের উপকারিতা  জানে না। ডিমের কুসুম খাব কি খাব না এ নিয়ে অনেকে দ্বিধা দণ্ডের মধ্যে থাকেন। ওজন বাড়িয়ে দেয়, হৃদরোগ তৈরি করে-এমন অনেক অভিযোগ রয়েছে ডিমের কুসুমের বিরুদ্ধে।

তবে সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের পুষ্টিবিদরা দাবি করেছেন, ডিমের কোলেস্টেরলকে যতটা ক্ষতিকর মনে করা হয়, আসলে অতটা ক্ষতিকর নয়। এর সঙ্গে হৃদরোগের কোনো সম্পর্কও খুঁজে পায়নি পুষ্টিবিদরা। তাই কুসুমসহ ডিম খাওয়ায় তেমন বাধা নেই। ডিম উচ্চ পুষ্টিসম্পন্ন। গবেষকরা বলছেন, সপ্তাহে একদিন ডিমের কুসুম খাওয়া জরুরি। জেনে নিন উপকারগুলো:-

ডিমের কুসুমে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিডস থাকে, যা ছেলেদের স্পার্ম কাউন্ট বাড়াতে সাহায্য করে থাকে। কুসুমে অতিরিক্ত পরিমাণে কপার থাকে, যা ছেলেদের টাক পড়া রোধ করে থাকে। কুসুমে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন থাকায় ছেলের মাংসপেশি এবং অ্যাবস শক্তিশালী করে। প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ডি থাকায় ডিমের কুসুম খেলে হাড় শক্ত হয়। ডিমের কুসুমে কোলিন থাকে, যা স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে থাকে।

কুসুমে প্রচুর মাত্রায় আয়রন থাকায় তা অ্যানিমিয়া রোধে সাহায্য করে থাকে। ডিমের কুসুমে ভিটামিন-ই থাকে, যা ছেলেদের ত্বক ফর্সা করতে সাহায্য করে। কুসুমে প্রচুর পরিমাণে ফসফরাস থাকে, যা খেলে দাঁত এবং মাড়ি মজবুত হয়ে থাকে। ক্যানসার প্রতিরোধের ক্ষেত্রেও ডিমের কুসুম উপকারী। কারণ এতে ভিটামিন কে থাকে।