Wednesday, February 13, 2019
নারীরা বিবাহিত পুরুষদের প্রতি দুর্বল হয় কেন?
February 13, 2019
![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
জেনে শুনে অন্যের সংসার ভাঙতে চাননা কেউই। তবে কখনো কখনো পুরো ব্যাপারটা সবার হাতে থাকেনা। কারণ মোহ অতি বিষম বস্তু। একবার কারোর প্রতি চলে গেলে চাইলেও তাকে বাগে আনা যায়না। ফলে শুরু হয় মানসিক অশান্তি এবং জীবনে নেমে আসে নানা অসুবিধা। তাই আগে থেকেই সাবধান হোন এইভাবে:-
আকর্ষণ বা মোহ সহজাত প্রবৃত্তি থেকে আসে। অপরিচিত বা অল্প পরিচিত বা পরিচিত বিবাহিত পুরুষের প্রতি আপনার ভালোলাগা জন্মাতেই পারে। কিন্তু মনের এ আবেগকে মোটেও বেশি পাত্তা দেবেন না। আপনার জন্য কেউ না কেউ আছেন যার দেখা এখনো মেলেনি। তার দেখা পেলেই বর্তমানের ভালোলাগা চলে যাবে।
হতে পারে পুরুষটি একদমই আপনার মনের মতন। কিন্তু ওই মানুষটি আপনার জন্য নন, তিনি অন্য কারোর। কাজেই আপনার একচেটিয়া ভালোবাসায় তার কাছ থেকে আপনি কিছুই পাবেন না। কাজেই যে একা মানুষটি আপনার জন্য অপেক্ষা করছেন তার কাছ থেকে অন্তত ভালোবাসার প্রতিদান পাবেন আপনি।
বহু মানুষ আছেন যারা বিয়ের পরও আগের জীবনের প্রেম-ভালোবাসা বরাবরের মতোই চালিয়ে যান। এসব ক্ষেত্রে তারা স্ত্রীর কাছে আদর্শ স্বামী সেজে থাকেন, ওদিকে অন্য নারীর কাছে অসুখী বিবাহিত জীবনের নানা গল্প ফেঁদে আপনার দুর্বল মানসিকতার সুযোগ নেবে। কিন্তু দেখবেন, তার প্রতি আপনার ভালোবাসা তাকে বিবাহিত জীবন থেকে ফিরিয়ে আনবে না।
কাজেই এ পরিস্থিতিতে মাথা ঠাণ্ডা রেখে তার কাজ-কারবার খেয়াল করুন। বরং ভেবে দেখুন, যে নারী এই পুরষটিকে বিয়ে করেছেন, তিনি কতোটা ঠকছেন এবং সৌভাগ্যের বিষয় সেই নারীটি আপনি নন।
আপনাকে মানসিকভাবে দুর্বল করতে তার নানা প্রেমময় মেসেজ, খুনসুটি, বেড়াতে নিয়ে যাওয়া বা গিফট করা ইত্যাদি কাজে দুর্বল হবেন না। এসবে গুরুত্ব দিয়ে তার সুযোগ আরো বেড়ে যাবে। ভেবে দেখুন, আপনার পছন্দের বিবাহিত পুরুষটি এমন এক মানুষ যে কিনা তার স্ত্রীর সঙ্গে অনবরত প্রতারণা করে যাচ্ছে। ওই পুরুষ যদি ব্যক্তিত্ববান হন, তবে দেখবেন তিনি আপনার এই আচরণের প্রতিবাদ করছেন না এবং তিনি সরে যাবেন। কিন্তু যদি না করেন, তবে বুঝবেন আপনাকে তার শিকার বানানোর প্রক্রিয়া চলছে।
মনে রাখবেন যে মানুষ একজনের হতে পারেনা সে কারোরই হতে পারেনা। সুতরাং যে নিজের বউএর সাথে প্রতারণা করছে সে যে আপনার সাথে একই কাজ করবেনা এর গ্যারান্টি কেউ দিতে পারেনা।
বিবাহিত কোনো পুরুষের প্রতি প্রেম জন্মানোটা অপরাধ নয়। তার ওষুধ আপনাকে ওপরের টিপসগুলোতে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু যদি এমন হয় যে, একের পর এক বিবাহিত পুরুষের প্রতি আকর্ষণ বোধ করেন আপনি, তবে নিজেকে নিয়ে চিন্তার বিষয় রয়েছে। এ ক্ষেত্রে নির্জনে নিজের বিবেকের সঙ্গে কথা বলুন।
এমন কেনো হয় আপনার? দুই একাকী নর-নারী পরস্পরের প্রতি ভালোবাসা, দায়িত্বশীলতা এবং সততা নিয়ে জুটি গড়ে। আপনি কী এই দায়িত্বশীলতা এবং সততার ঝামেলা থেকে দূরে থাকতে চান? তাই বিবাহিত পুরুষকেই নিরাপদ মনে হয়? যদি এমনই হয়, তবে নিজেকে নিজের কাছে পরিষ্কার করে নেওয়াটা জরুরি।
সত্, দায়িত্বশীল এবং অঙ্গীকারবদ্ধ সম্পর্ক আপনাকে সেই আবেগ-অনুভূতি দিবে যার জন্য আপনি সম্পর্কে জড়ান।
শারীরিক মিলনে উত্তেজনার চারটি ধারা
February 13, 2019
![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
স্বামী ও স্ত্রী যখন দৈহিক মিলনে উপনিত হয়, তখন উভয়ের শরীরে দৈহিক উত্তেজনা চলে আসে । নারী এবং পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রেই এই উত্তেজনার চারটি ধারা হলো-
১. উত্তেজনার ধারা।
২. শারীরিক মিলনের ধারা।
৩. চরমপুলকের ধারা।
৪. শিথিলতার ধারা।
উত্তেজনার স্তরে পুরুষ এবং নারী একে অন্যের স্পর্শে বা আদরে উত্তেজিত হতে পারে। উত্তেজনার ধারাটি ধারা সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ শারীরিক মিলন আনন্দ পাবার ক্ষেত্রে। যদি কেউ শারীরিক মিলনের আগে পূর্ণাঙ্গ উত্তেজিত না হয় তবে শারীরিক মিলনে চরমপুলক সে পুরোপুরি পায় না। এজন্য উত্তেজিত হবার দরকার আছে। নারীর সাধারণত পিরিয়ড চলাকালীন সময়ে শারীরিক মিলন পছন্দ করে। কেননা এই সময়ে শরীর অবসন্ন থাকে এবং নারীর স্তন শারীরিক মিলনকাতর হয়ে উঠতে পারে। স্বাভাবিক ভাবে শারীরিক মিলনের ক্ষেত্রে পুরুষ এবং নারী উভয়ের শারীরিক মিলনের উত্তেজনার মাত্রা বাড়তে থাকলে এক সময় উভয়েই চূড়ান্ত মিলন আশা করে।
নারীর নিতম্ব, স্তন, স্তনবৃন্ত এবং যৌনাঙ্গ মিলনের আনন্দে উত্তেজিত হয়ে উঠে। এই পর্যায়ে পুরুষের লিঙ্গ দৃঢ় হয় এবং লিঙ্গ শারীরিক মিলনের জন্য উন্মুখ হয়ে উঠে। জেনে রাখা ভালো যে কোনো কোনো নারী শারীরিক মিলনের আগে উত্তেজনার স্তরেই তার শারীরিক মিলনি থেকে তরলের ক্ষরণ হতে পারে। এটা নারী যে উত্তেজিত তার প্রমাণ এবং এটি শারীরিক মিলনিকে পিচ্ছিল করে তোলে, যাতে করে লিঙ্গ চালনা সহজ হয়।
পুরুষের লিঙ্গের মাথাতেও এই সময় সাদাটে পানির মতো পদার্থ বের হতে দেখা যায়। এ থেকে বোঝা যায় যে পুরুষ শারীরিক মিলনের উত্তেজনার চরমে উঠেছে এবং এ পর্যায়ে পুরুষও নারী চূড়ন্ত শারীরিক মিলনের জন্য প্রস্তুত পুরুষের লিঙ্গ নারীর যৌনাঙ্গের ভেতর চালনার ফলে নারীর শারীরিক মিলন আনন্দ ঘনিভূত হয় এবং এই পর্যায়ে পুরুষের র্বীযপাত হবার সম্ভাবনা দেখা দেয়। পুরুষ মোটামুটি ভাবে নারীর যৌনাঙ্গে অর্থাৎ প্রবেশের পর থেকেই শারীরিক মিলন আনন্দ পায়।
প্রথম প্রথম শারীরিক মিলনের সময় নারীর গোপনাঙ্গে ব্যথার সৃষ্টি হলেও পরে অবশ্য তা এমনিতেই কেটে যেতে পারে। শারীরিক মিলন যখন চলতে থাকে তখন উভয়েরই শারীরিক এবং মানসিক অবস্থা চূড়ান্ত উত্তেজিত পর্যায়ে পোঁছে যায়। এই সময়ে নারীর এবং পুরুষের শ্বাস-প্রশ্বাস দ্রুত এবং রক্ত চলাচলের গতি বেড়ে যায়। এরপর চরমপুলকের ধারায় পুরুষ এবং নারী শারীরিক মিলন আনন্দ পায়। পুরুষের মতো নারীর বীর্যপাত না হলেও তার জননাঙ্গর ভেতরে তরলের ক্ষরণ হয়। পুরুষের বীর্যপাত ঘটলে তার চরমপুলক এসে যায়। কোনো কোনো নারী একবার শারীরিক মিলনেই কয়েকবার শারীরিক মিলন আনন্দ লাভ করে। একে মাল্টিপোল অর্গাজম বলে।
কিন্তু পুরুষের ক্ষেত্রে এ রকম ঘটতে দেখা যায় কম। পুরুষের বীর্যপাত হলে তার লিঙ্গ শিথিল হয়ে পড়ে এবং নারীর জননাঙ্গ ধীরে ধীরে শুষ্ক হয়ে উঠতে থাকে। এই পর্যায়ে শিথিল ধারায় আবির্ভাব ঘটে। অর্থাৎ পুরুষ এবং নারী উভয়ের দেহই শিখিল হয়ে পড়ে। কেননা শারীরিক মিলনের সময় যে শারীরিক এবং মানসিক গতির সঞ্জার হয় তা ধীরে ধীরে কমে আসে এবং সেই সাথে হৃদপিন্ডের ক্রিয়া ও শ্বাস-প্রশ্বাসের গতি স্বাভাবিক হয়।
চরমপুলকের পরে পুরুষ এবং নারীর দৈহিক শিখিলতা অবস্থা শারীরবৃত্তীয় স্বাভাবিক কারণেই সংঘটিত হয়। পুরুষ এবং নারী শিথিল অবস্থার পরবর্তী সময়ে আবার শারীরিক মিলনের জন্য উত্তেজিত হয়ে উঠতে পারে । নারীর ক্ষেত্রে শারীরিক মিলনের আনন্দ কোনো কোনো সময় খুব বেশি কাঙিত আবার কোনো কোনো সময় ততোটা কাঙিত হয় না। পুরুষের ক্ষেত্রে অবশ্য কোনো শারীরিক এবং মানসিক চাপ না থাকলে পুরুষের শারীরিক মিলন উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়।
Tuesday, February 12, 2019
কুমিরের সঙ্গে যৌনমিলন? মুহূর্তেই তা ভাইরাল
February 12, 2019
![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
কুমিরের সঙ্গে যৌনমিলন?এমনও হয়?হ্যাঁ ঠিক এমনটাই করে বসলেন এক অস্ট্রেলিয় যুবক।পরিণাম ?যা হবার ছিল তাই ,কুমিরটি যুবকের দেহ কামড়ে দেয়।এই খবর প্রকাশিত হয় অস্ট্রেলিয়ার নিউজ পোর্টাল Cairns Times-এ ও মুহূর্তেই তা ভাইরাল হয়ে যায় ।
প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, অস্ট্রেলিয়ার ক্লিফ্টন সৈকতে বসে কয়েকজন যুবক নিষিদ্ধ মাদক ‘ICE’ সেবন করছিলেন ।হটাৎই তাদের মধ্যে এক ২৬ বছর বয়সী যুবক মাদকের প্রভাবে নেশাগ্রস্হ হয়ে পোশাক খুলে জলের দিকে এগিয়ে যান ।
সে সময় সৈকতে শুয়ে ছিল একটি কুমির । তখনই নাকি কুমিরের সঙ্গে যৌন সঙ্গমে লিপ্ত হতে যান ঐ যুবক ।কুমিরটিও যুবকের দেহে কামড় দিয়ে সমুদ্রে নেমে যায় ,তারপর থেকেই নিরুদ্দেশ ঐ যুবক। সঙ্গীদের বক্তব্য অনুযায়ী ওই যুবক এর আগেও নাকি মাদকের প্রভাবে অসংলগ্ন আচরণ করেছে ।ব্যাপারটি ভাইরাল হলেও এখনো সত্যতা পাওয়া যায়নি ।
নারী’র বা পুরুষের সহবাসে অনীহা: দাম্পত্য জীবনের এক নিঃশব্দ ঘাতক সমাধান জেনে নিন।
February 12, 2019
![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
দাম্পত্য জীবনে নারী’র সহবাসে অনীহা, মিলনে অনাকাঙ্খা বা পুরুষের যৌনদূর্বলতা এমন বিষয়গুলোকে আমরা অনেকেই খুব একটা পাত্তা না দিলেও, নিজেদের অজান্তেই এক সময়ের ছোট্ট এমন একটি সমস্যা অনেক ক্ষেত্রেই দাম্পত্য জীবনের ঝলমলে জোস্নাস্নাত আকাশ’টিকে অমাবস্যার ঘোর অমানিশায় ছেয়ে ফেলে।
অথচ গতিময় জীবনে এধরণের ছন্দ পতন খুব যে অস্বাভাবিক একটি ব্যাপার, মোটেও তা কিন্তু নয় । এটি লজ্জারও কোন বিষয় নয়। এ নিয়ে ভাবনার’ও কিচ্ছু নেই। শুধু মনে রাখতে হবে, এটাও একটা সমস্যা, অনেকাংশেই যার অতি সহজ সমাধানও রয়েছে।
নারী’র তুলনায় পুরুষের ক্ষেত্রে মিলনে অনাকাঙ্খা বিরলই বলা চলে। তবে পুরুষের মূল সমস্যা নানা ধরণের ‘যৌনদূর্বলতা’ যা দাম্পত্য জীবনের সমস্ত সুখকে নিমিষেই ছিনিয়ে নিতে পারে – স্বামী-স্ত্রী উভয়ের ক্ষেত্রেই দাম্পত্য জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলতে পারে।
পুরুষের মূল সেক্সচুয়াল সমস্যাগুলোর মধ্যে রয়েছে- প্রিম্যাচিউরড্ ইজাকুলেশন (সঙ্গম পূর্ণতা প্রাপ্তির আগেই বীর্যোস্খলন), ইরেক্টাইল ডিসফাংশন বা ED(পুরুষাঙ্গের উত্থান বা সম্ভোগযোগ্য সবল না হওয়া) এগুলো কিন্তু পুরুষের ক্ষেত্রে একধরণের সেক্সচুয়াল অক্ষমতা, যা তার সঙ্গিনী কে ধীরে ধীরে তার থেকে অনেক দূরে ঠেলে দিতে পারে।
প্রতিটি সফল যৌন মিলন দাম্পত্য জীবনে এক অপার মানসিক সুখ বা তৃপ্তি এনে দিয়ে পরস্পরকে আরো মধুর দৃঢ় এক আত্মিক বন্ধনে আবদ্ধ করে। আর তাই নারী বা পুরুষ এধরনের সমস্যা উপলব্ধি করা মাত্রই তা হেলাফেলা না করে অতি দ্রুত এবিষয়ে অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
চেহারায় বয়সের ভাঁজ মুছে ফেলার জন্য করলার ৪ ব্যবহার
February 12, 2019
![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
বয়স কেবল মাত্র সংখ্যা! এমন দাবি কি জোরের সঙ্গে করতে পারেন আপনি? না কি চামড়ার ভাঁজে, চেহারার গড়নে নানা ভাবে চোখে পড়ে বয়সের ছাপ? বয়সকে তোয়াক্কা না করে কেবল শারীরিকভাবে সক্ষম থাকার চেষ্টা তো করতেই হবে সবাইকে, সঙ্গে চেহারাতেও যাতে বয়স থাবা বসাতে না পারে, নজর রাখা উচিত সে দিকেও সকলকে।
রূপ বিশেষজ্ঞদের মতে, চেহারা থেকে বয়সকে সরিয়ে রাখার জন্য যে সব সবজির উপর ভরসা করা যায়, তাদের মধ্যে অন্যতম করলা। কিন্তু জানেন কি, ঠিক কী উপায়ে করলা ব্যবহার করলে ত্বকের জন্য তা বিশেষ উপকারী হয়ে উঠবে? তাহলে জেনি নিন সেই নিয়ম গুলো।
১. করলায় রয়েছে প্রচুর ভিটামিন সি। তাই চামড়ায় লালিত্য ধরে রাখতে সাহায্য করে এই সবজি। ত্বককে টানটান রাখতেও এর কোনো জুড়ি নেই। তাই প্রতি দিন করলা সেদ্ধ করে তাতে লেবু ও নুন যোগ করে খান। এতে ত্বকের জৌলুস বজায় থাকবে দীর্ঘ দিন ধরে।
২. করলার রসের সঙ্গে কমলালেবুর রস মিশিয়ে তা মুখে মাখলেও উপকার পাবেন। এই মিশ্রণ মুখে লাগিয়ে অপেক্ষা করুন কিছু ক্ষণ। শুকিয়ে গেলে ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে নিন মুখ। মৃতকোষ ঝরিয়ে ত্বকে আলাদা উজ্জ্বলতা আনে এই মিশ্রণ।
৩. করলা রক্তের মধ্যেকার ক্ষতিকর পদার্থকে বিনষ্ট করে রক্তকে পরিশুদ্ধ করে। যার প্রভাব এসে পড়ে ত্বকেও। তাই ত্বক থেকে বয়সের ছাপ সরাতে ও ত্বককে সুন্দর রাখতে প্রতিদিন সকালে করলার রসও খেতে পারেন।
৪. করলার বীজ সরিয়ে, তা বেটে মুখে লাগান। সপ্তাহে তিন দিন এই ফেসপ্যাক ব্যবহার করলেই ত্বকের যৌবন ফিরবে রাতারাতি।
Monday, February 11, 2019
স্ত’নের প্রতি কেন আকৃষ্ট হন পুরুষরা, জানুন ১০ টি রহস্যময় কারন…
February 11, 2019
![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
নারী শরীর হল রহস্যময়। সব পুরুষই নারী শরীর স্পর্শ করার জন্য সঠিক সময়ের অপেক্ষা করে থাকে। নারী শরীরের উপর পুরুষদের এক আলাদাই আকর্ষন। নারীদের শরীরের মধ্যে সুডৌল স্ত’নের প্রতি আকৃষ্ট হয় না এমন পুরুষ খুঁজলেও পাওয়া যাবে না। শুধু পুরুষ নয় মহিলারাও নিজেদের স্ত’ন নিয়ে খুব গর্ব করে। স্ত’নের আকৃতি ও গঠন নিয়ে মহিলারা খুব চিন্তায় থাকে।
স্তন আকারে ছোট হলে বা আকার ঠিক না থাকলে, ঝুলে গেলে মহিলারা অতিরিক্ত চিন্তায় পড়ে যায়। কিন্তু কেন ? কেন স্ত’নের প্রতি এত আকর্ষন ? বিশেষজ্ঞদের মতে এর পিছনে কিছু কারন রয়েছে, সেগুলি জেনে নেওয়া যাক।
১। প্রথম কারন হল মেয়েদের স্ত’ন সুগঠিত হলে দেখতে অত্যন্ত সুন্দর হয়। সে যেমন আকৃতিরি হোক না কেন। পুরুষেরা তা দেখে আকৃষ্ট হবেই। সুন্দর স্ত’ন মহিলাদের এক আলাদাই ব্যক্তিত্ব এনে দেয়। একটা মেয়ের দিকে তাকিয়ে তার স্ত’নের দিকে চোখ আটকে যায় প্রতিটা পুরুষের। একথা শুনতে খারাপ লাগলেও কথটা ১০০% সত্যি।
২। স্ত’ন হল নারীত্বের প্রতীক। স্ত’ন পুরুষ ও নারীর শরীরের মধ্যে পার্থক্য তৈরি করে। নাহলে বাইরে থেকে নারি পুরুষের পার্থক্য করা সম্ভব নয়। নারীর বক্ষযুগলের বিভাজিকা তাদের কাছে গর্ব। অনেক মহিলা সেইজন্য ক্লিভেজ দেখা যায় এমন পোশাক পরেন।
৩। নারীদের স্ত’নের প্রতি আকর্ষন আজ থেকে নয়। আদি কাল থেকেই নারীর সুগঠিত স্ত’ন দেখে পুরুষদের মনে ও শরীরে কামনার প্রবল ইচ্ছা জেগে ওঠে। এর পিছনে একটি মানসিক কারনও আছে। সেটি হল সন্তান জন্ম দানে সক্ষম ও উর্বর মহিলাদের স্ত’ন সুন্দর হয়। তাই পুরুষেরা জীবনসঙ্গী হিসাবে সুন্দর ও সুডৌল স্ত’নের মহিলাদেরই বেছে নেন।
৪। নারীদের শরীরের কিছু অংশ পোশাকের বাইরে থেকেও বোঝা যায়। বিশেষ করে স্ত’নের আকার তো বোঝাই যায়। তেমন গঠন হলে পুরুষদের চোখ সেদিকে আটকে যায়। চোখে দেখে মনে বা শরীরে যে কামনার আগুন জ্বলে তাকে বলা হয় ‘ভিসুয়াল স্টিমুলেশন’।
৫। নারীর অন্দরমহলে প্রবেশের রাস্তা হল তার স্ত’ন। সঙ্গমের আগে স্ত’ন ছুঁয়ে নারী ও পুরুষ উভয়ের মনেই কাম উত্তেজনা জাগে। ধীরে ধীরে কামের আগুন ছরিয়ে পড়ে সারা শরীরে। মিলনের আগে ফোর-প্লে তে স্ত’নের ভূমিকা অস্বীকার করা যায়না।
৬। সম্পর্ক যতই পুরনো হোক না কেন, নিজের সঙ্গিনীর স্ত’নের প্রতি আকর্ষন কখনোই যায়না পুরুষের। পুরুষেরা সারাদিন কর্মব্যাস্ততার পর স্ত্রীর স্ত’নে নিজের শান্তি খুজে পায়। স্ত’নে মাথা রেখে শুয়ে শান্তির খোজ করতে ভালোবাসে পুরুষেরা। গবেষণা বলে যে সব পুরুষ স্ত’নে মাথা রেখে ঘুমান তাড়া সুস্থ থাকেন, বেশিদিন বাঁচেন।
৭। স্ত’নের গঠন ইলাস্টিসিটির জন্য নারীদের স্ত’ন ছুঁয়ে দেখতে চায় পুরুষ। এখানে বিশেষজ্ঞরা একটি মনস্তাত্ত্বিক যুক্তির কথা বলেন। তারা বলেন যে সব পুরুষ নিজের স্ত্রী বা প্রেমিকার স্ত’ন খুব যত্নের সঙ্গে ছুঁয়ে দেখেন তারা স্ত্রীর প্রতি খুব দায়ীত্বশীল হন।
৮। স্ত’নযুগল নারী শরীরের অন্যতম রহস্যময় স্থান। যখনই পুরুষের চোখ স্ত’নের দিকে যায় তখনই মহিলারা পোশাকের নীচে স্ত’নের আসল আকৃতি নিয়ে ভাবতে শুরু করে দেয়। সেই স্ত’নের রহস্যভেদ না হওয়া পর্যন্ত সেই চিন্তা তাড়া করে।
৯। ক্লিভেজ ছাড়া স্ত’নের আসল মজা নেই। যে মহিলাদের পোশাকের বাইরে ক্লিভেজ দেখা যায় তাদের প্রতি বেশি আকর্ষিত হয় পুরুষেরা।
১০। নারীরাও নিজেদের স্ত’ন নিয়ে যথেষ্ট সচেতন। অন্তর্বাস পড়ার সময় মহিলারা খুব খুঁতখুঁতে হয়। তারা পোশাক পড়ার সময় বার বার আয়নায় নিজেদের মুখ দেখে। শুধু মুখ নয়, তারা স্ত’নও দেখে। দেখে যে স্ত’নের সাইজ কেমন লাগছে বা আগের থেকে কত বৃদ্ধি হয়েছে। সব মহিলাই চায় সুগঠিত সুন্দর স্ত’ন।
শারীরিক মিলনের স্বাভাবিক সময় কত মিনিটের হওয়া উচিৎ! সময় বাড়ানোর পদ্ধতি জেনে নিন
February 11, 2019
| ছবি: সংগৃহীত |
মিলনের ঠিক কত সময় পর বীর্যপাত হওয়া স্বাভাবিক এবং কত দ্রুত বীর্যপাত হলে তা অস্বাভাবিক, সেটা কি জানেন ? যদি না জানেন তাহলে জেনে নিন আজকের এই প্রতিবেদনে। সেক্স হল একটা আর্ট, এখানে নির্দিষ্ট বলে কিছু নেই, ধরা বাধার কোন নিয়ম নেই। এরকম অনেক কিছুই আছে যা কেউ করতে পারেনা, আবার এমন কিছু মিলনের পদ্ধতি আছে যা খুব সাধারণ।
মিলনের জন্য সময় কতটা যাবে সেই বিষয়টি নির্ভর করছে সম্পুর্ন আপনার নিজের উপর। আপনি যদি শুধুমাত্র নিজের যৌন পিপাসা মেটানোর জন্য মিলিত হতে চান তাহলে দুই এক মিনিটের বেশি সময় লাগবেনা।
আর যদি দুজনের ভালোবাসার প্রতিফলন হিসাবে পূর্ব প্রস্তুতি নিয়ে মিলিত হন তাহলে ১৫ মিনিটের বেশি সময় লাগতে পারে। সব কিছুই নির্ভর করছে আপনার নিজের ওপর। শারীরিক মিলনের স্বাভাবিক সময় হল সাত থেকে তেরো মিনিট।
এক গবেষণায় গবেষকরা প্রমাণ করেছেন যে একটি ভালোবাসাপূর্ন মিলনের জন্য তিন মিনিট যথেষ্ট। গবেষণায় যৌন অভিজ্ঞদের থেকে তাদের “পেনিট্রেটিভ সেক্সের” অর্থাৎ লি’ঙ্গ যৌ’নাঙ্গে প্রতিস্থাপন করে যে মিলন তার সময়কাল নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল।
তাদের মধ্যে এক কানাডিয়ান দম্পতি এবং এক আমেরিকান দম্পতিকে প্রশ্ন করা হলে তারা জানান যে মিলনের জন্য সাত থেকে তেরো মিনিট কাম্য। কিন্তু তারা এও বলেন যে তাদের কাছে দু থেকে তিন মিনিট খুবই কম সময় এবং তেরো মিনিটের বেশি সময় খুব লম্বা সময়।
কিছু নারীর যৌ-ন মিলন সম্পর্কে ভুল ধারনা আছে। কেউ কেউ মনে করেন যে পুরুষের লি’ঙ্গ যত মোটা হবে, যত দৃঢ় হবে, মিলন কালে লি’ঙ্গ রডের মতো শক্ত হবে এবং সারা রাত ধরে যে পুরুষ মিলন করবে সেই সামর্থ্যবান।
পুরুষেরও কিছু ভুল ধারনা আছে যৌন মিলন সম্পর্কে। তারা মনে করেন নারী হবে বিছানায় কর্মঠ, সুন্দর শরীরের অধিকারিণী, সব অবস্থায় সহযোগী হবে। এই প্রতিবেদনের মূল উদ্দেশ্য হল সকল নারী পুরুষকে যৌন মিলন সম্পর্কে অলীক কল্পনা নিয়ে না থেকে বাস্তববাদী হওয়া।
যৌন মিলন বিষয়ে সঠিক শিক্ষা জায়গা, অঞ্চল, গায়ের রঙ ও শরীরের আকারের উপর নির্ভর করে। এই বিষয়গুলির উপর মিলনের সময়ও নির্ভর করে। ভারত, বাংলাদেশ, মায়ানমার এসব জায়গায় বাদামি চামড়ার লোকেদের যৌন মিলনের সময় লাগে গড়ে চার মিনিট।
Sunday, February 10, 2019
তরুণীকে চার নারী মিলে গণধর্ষণ, গ্রেফতার এক!
February 10, 2019
![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
এবার ২৫ বছর বয়সী এক মহিলার বিরুদ্ধে উঠল ধর্ষণের অভিযোগ। কোনও পুরুষ এই অভিযোগ আনেননি। এনেছেন ১৯ বছরের এক তরুণী। অবিশ্বাস্য ঘটনাটি ঘটেছে চিত্র-বিচিত্রের দেশ ভারতের দিল্লিতে। পুলিশ এই ঘটনায় চারজনকে গ্রেফতার করেছে। দেশটিতে সমলিঙ্গে ধর্ষণের এটাই প্রথম ঘটনা বলে জানাচ্ছে পুলিশ।
দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, নির্যাতিতা ওই তরুণী উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বাসিন্দা। কাজের সন্ধানে দিল্লি আসে সে। ওই মহিলা তাঁকে দিল্লির দিলশাদ কলোনিতে নিয়ে যায়। এবং সেখানে তাঁকে ধর্ষণ করে। সে একা নয়। আরও তিন জনের হাতে গণধর্ষিতা হতে হয় তাঁকে। শুধু তাই নয়, অভিযুক্তরা দিনের পর দিন ব্ল্যাকমেইল করে তাঁর উপর যৌন অত্যাচার চালাত। শেষ পর্যন্ত আর অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে পুলিশের কাছে অভিযোগ জানান ওই তরুণী। যার ভিত্তিতে ওই মহিলা সহ চারজনকে গ্রেফতার করা হয়।
আটকদের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির নানা ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। পাশাপাশি অভিযুক্ত ওই মহিলার বিরুদ্ধে ৩৭৭ ধারায় মামলা রুজু করেছে পুলিশ। ভারতের সুপ্রিম কোর্ট সমকামী যৌনতাকে অপরাধমুক্ত করার পর এই প্রথম সেদেশে ৩৭৭ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আটকদের জেরার পর কারকারডোমা আদালতে তোলা হয়। সেখানে আদালত অভিযুক্তদের জেল পাঠানোর নির্দেশ দেন।
গতবছর সেপ্টেম্বর মাসে এক ঐতিহাসিক রায়ে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট সংবিধানের ৩৭৭ ধারায় বর্ণিত সমকামী যৌনতাকে অপরাধমুক্ত করে। তার আগে ২০১৮ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত এই ধারায় ২৮টি অভিযোগ দায়ের হয়। ২০১৫ সাল থেকে ২০১৮ মার্চ মাস পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন পুলিশ থানায় ৫৪৩টি অভিযোগ জমা পড়ে।
পুলিশকে ডেকে এনে নিজেই উলঙ্গ হলেন তরুণী, পরের ঘটনা মারাত্মক
February 10, 2019
![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঘটনার সূত্রপাত বৃহস্পতিবার রাতে। মুম্বইয়ের বাসিন্দা ওই তরুণীর সঙ্গে তাঁর ফ্ল্যাটের নিরাপত্তারক্ষীর বচসা বাধে। তরুণীর অভিযোগ, বচসার সময়ে তাঁর গায়ে হাত দেন নিরাপক্ষারক্ষীরা। অন্য দিকে নিরাপক্ষারক্ষীদের অভিযোগ, তাঁদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেছেন ওই যুবতী।
এর পরেই পুলিশ আসে ওই ফ্ল্যাটে। কিন্তু তখনই বাধে বিপত্তি। পুলিশকর্মীদের সঙ্গে কোনও মহিলা পুলিশ ছিল না। এর পরেই পুলিশের সঙ্গে থানায় যেতে বেঁকে বসেন ওই যুবতী। তিনি জানান, মহিলা পুলিশকর্মী না এলে তিনি থানায় যাবেন না। কিন্তু ঘটনাস্থলে মোতায়েন পুলিশকর্মীরা সেই কথা না শুনলে তার পরে নিজের জামাকাপড় খুলে ফেলেন তিনি তার পরেই শুরু করেন চিৎকার।
পরে ওই যুবতী গোটা ঘটনার ভিডিও আপলোড করেন টুইটারে। প্রধানমন্ত্রী, মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী ও পুলিশ কমিশনারকে ভিডিওটি ট্যাগও করে দেন তিনি। এর পরেই ভিডিওটি ভাইরাল হয়ে যায় সোশ্যাল মিডিয়ায়। এখনও পর্যন্ত এই ঘটনা কোনও এফআইআর দায়ের করা হয়নি।
বিয়ে পিঁড়িতে বসছেন ভারতের বাংলা চলচিত্রের জনপ্রিয় অভিনেত্রী নুসরাত জাহান
February 10, 2019
![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
টলিপাড়ায় অনেক আগে থেকেই গুঞ্জন আছে নুসরাত জাহানের বিবাহিত জীবন নিয়ে, তবে কখনও নুসরাত স্বীকার করেনি। সম্প্রতি আবারও বিয়ে করতে যাচ্ছেন কলকাতার জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী। এজন্য পর্দার আড়ালে থাকা স্বামীকে ডিভোর্স দিচ্ছেন।
ব্যক্তিগত সম্পর্কের টানাপড়েনের জন্য সব সময়েই শিরোনামে নুসরাত। শোনা যাচ্ছে, নতুন সম্পর্কে রয়েছেন তিনি। সেই সম্পর্ক বিয়ের পথে এগোচ্ছে। একটি বিখ্যাত শাড়ির ব্র্যান্ডের মালিকের সঙ্গে নাকি গাঁটছড়া বাঁধতে চলেছেন নুসরাত। তবে এ বিয়ের জন্য আগের বিয়ে থেকে ডিভোর্স পেতে হবে। বিবাহ-বিচ্ছেদের আইনি প্রক্রিয়া চলছে বলে খবর।
বছর চারেক আগে রেজিস্ট্রি করে ভিক্টর ঘোষের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল তার। ভিক্টর পেশায় এভিয়েশন ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে যুক্ত। তবে জনসমক্ষে পরস্পর লিভ-ইন সম্পর্কে আছেন এমনটাই বলতেন। সংবাদমাধ্যমের সামনে অবশ্য বিয়ের কথাও স্বীকার করেননি নুসরাত।
তবে বরাবরই নুসরাত এই বিয়ের খবর অস্বীকার করে আসছে। নুসরাতের দাবি, ‘যারা বলছে আমি বিবাহিত, তারা প্রমাণ দিক। যার সঙ্গে অনেক দিন ধরে সম্পর্কে আছি, তাকেই বিয়ে করব।
Saturday, February 9, 2019
মুসলিম হওয়ায় বিদ্বেষের শিকার মিশরীয় তারকা ফুটবলার সালাহ
February 09, 2019
![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
এবার ফুটবল মাঠে ধর্মীয় বিদ্বেষের শিকার হলেন ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব লিভারপুলের মিশরীয় তারকা মোহাম্মদ সালাহ। ওয়েস্টহ্যামের বিপক্ষে সর্বশেষ লিগ ম্যাচে ১-১ গোলে ড্র করেছে লিভারপুল। সেই ম্যাচেই একটা কর্নার নিতে গিয়ে এক ওয়েস্ট হ্যাম সমর্থক সালাহকে তার ধর্ম নিয়ে গালাগাল করেন। সেই ঘটনার ভিডিও এখন সোশ্যাল সাইটে ভাইরাল। সেই ভিডিওর ওপর ভিত্তি করে তদন্ত শুরু করেছে যুক্তরাজ্য পুলিশ।
সালাহকে উদ্দেশ্য করে যা কিছু বলা হলো, তা শুনে অনেক কষ্ট পেয়েছি। এসব লোক আমাদের সমাজে থাকার অনুপযুক্ত। এর চেয়ে খালি গ্যালারিতে ম্যাচ হওয়া ভালো।’ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর নড়েচড়ে বসে ওয়েস্ট হ্যাম ক্লাব ও লন্ডন মেট্রোপলিটন পুলিশ। ক্লাবটি জানিয়েছে, তারা দ্রুত এই ঘটনায় দায়ী ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গকে খুঁজে বের করতে চেষ্টা করবে। এক বিবৃতিতে ক্লাব কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বর্ণবাদ ও ধর্মীয় বিদ্বেষের এই ঘটনায় তারা জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করবে।
অভিযুক্তদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। ওয়েস্টহ্যাম একটি ঐতিহ্যবাহী ও অনন্য ফুটবল ক্লাব। এ নিন্দনীয় ঘটনার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের বিস্তারিত তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহায়তা করা হবে এবং ওয়েস্ট হ্যামের মাঠ লন্ডন স্টেডিয়ামে তাদের আজীবন নিষিদ্ধ করা হবে।
ছেলেদের জন্য ডিমের কুসুম বিশেষ উপকারী
February 09, 2019
![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
ডিমের কুসুমে অনেক পরিমান পুষ্টিগুণ রয়েছে, যা ছেলেদের জন্য বিশেষ উপকারী হিসেবে কাজ করে। দিল্লির একটি বেসরকারি হাসপাতালের চিফ ডায়েটিশিয়ান এমনই দাবি করেছেন। অনেক পুরুষই ডিমের কুসুম না খেয়ে ডিমের সাদা অংশটি খান। কিন্তু অনেক পুরুষই ডিমের কুসুমের উপকারিতা জানে না। ডিমের কুসুম খাব কি খাব না এ নিয়ে অনেকে দ্বিধা দণ্ডের মধ্যে থাকেন। ওজন বাড়িয়ে দেয়, হৃদরোগ তৈরি করে-এমন অনেক অভিযোগ রয়েছে ডিমের কুসুমের বিরুদ্ধে।
তবে সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের পুষ্টিবিদরা দাবি করেছেন, ডিমের কোলেস্টেরলকে যতটা ক্ষতিকর মনে করা হয়, আসলে অতটা ক্ষতিকর নয়। এর সঙ্গে হৃদরোগের কোনো সম্পর্কও খুঁজে পায়নি পুষ্টিবিদরা। তাই কুসুমসহ ডিম খাওয়ায় তেমন বাধা নেই। ডিম উচ্চ পুষ্টিসম্পন্ন। গবেষকরা বলছেন, সপ্তাহে একদিন ডিমের কুসুম খাওয়া জরুরি। জেনে নিন উপকারগুলো:-
ডিমের কুসুমে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিডস থাকে, যা ছেলেদের স্পার্ম কাউন্ট বাড়াতে সাহায্য করে থাকে। কুসুমে অতিরিক্ত পরিমাণে কপার থাকে, যা ছেলেদের টাক পড়া রোধ করে থাকে। কুসুমে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন থাকায় ছেলের মাংসপেশি এবং অ্যাবস শক্তিশালী করে। প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ডি থাকায় ডিমের কুসুম খেলে হাড় শক্ত হয়। ডিমের কুসুমে কোলিন থাকে, যা স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে থাকে।
কুসুমে প্রচুর মাত্রায় আয়রন থাকায় তা অ্যানিমিয়া রোধে সাহায্য করে থাকে। ডিমের কুসুমে ভিটামিন-ই থাকে, যা ছেলেদের ত্বক ফর্সা করতে সাহায্য করে। কুসুমে প্রচুর পরিমাণে ফসফরাস থাকে, যা খেলে দাঁত এবং মাড়ি মজবুত হয়ে থাকে। ক্যানসার প্রতিরোধের ক্ষেত্রেও ডিমের কুসুম উপকারী। কারণ এতে ভিটামিন কে থাকে।
Friday, February 8, 2019
লিঙ্গে কালজিরার তেল ব্যবহার করলে কি উপকার হয় জেনেনিন
February 08, 2019
| ছবি : সংগৃহীত |
সর্বরোগের মহাওষুধ হলো কালিজিরা। একমাত্র মৃত্যু ব্যতিত সকল রোগ থেকে মুক্তি পেতে কালিজিরার কথা ইসলামেও রয়েছে। কালিজিরার তেলে ১০০টিরও বেশি উপযোগী উপাদান আছে। এতে আছে প্রায় ২১ শতাংশ আমিষ, ৩৮ শতাংশ শর্করা এবং ৩৫ শতাংশ ভেষজ তেল ও চর্বি।
কালিজিরার অন্যতম উপাদানের মধ্যে আছে নাইজেলোন, থাইমোকিনোন ও স্থায়ী তেল। এতে আরও আছে আমিষ, শর্করা ও প্রয়োজনীয় ফ্যাটি এসিডসহ নানা উপাদান। পাশাপাশি কালিজিরার তেলে আছে লিনোলিক এসিড, অলিক এসিড, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, আয়রন, জিংক, ম্যাগনেশিয়াম, সেলেনিয়াম, ভিটামিন-এ, ভিটামিন-বি, ভিটামিন-বি২, নিয়াসিন ও ভিটামিন-সি।
এর মধ্যে রয়েছে ফসফেট, লৌহ, ফসফরাস, কার্বো-হাইড্রেট ছাড়াও জীবাণু নাশক বিভিন্ন উপাদান সমূহ। এতে রয়েছে ক্যন্সার প্রতিরোধক কেরোটিন ও শক্তিশালী হর্মোন, প্রস্রাব সংক্রান্ত বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধকারী উপাদান, পাচক এনজাইম ও অম্লনাশক উপাদান এবং অম্লরোগের প্রতিষেধক কালিজিরার তেল এ প্রাকিতিক শক্তি আছে তাই এটির জন্য কালিজিরার তেল লিঙ্গে মাখলে সহজে বীর্যপাত হয় না এবং লিঙ্গ অনেক বেশি শক্ত হয়।
পুরুষাঙ্গ প্রতিদিন কালিজিরার তেল দিয়ে মালিশ করলে, পুরুষাঙ্গ শক্ত ও মোটা হতে পারে। সবসময় পুষ্টিকর খাবার খান কারন প্রতিদিনের স্বাভাবিক খাবারেই যৌনক্ষমতা ধরে রাখা সম্ভব। আর কিছু সেক্সফুড আছে যা সত্যিই যৌনক্ষমতা বাড়ায় ওগুলো খাবেন।
আসলে লিঙ্গ মোটা করা কিংবা লম্বা করার মত কোনো ব্যাবস্থা এখনো পর্যন্ত তৈরি হয়নি। আপনি যদি লিঙ্গ মোটা করার জন্যে কোনো কিছু করতে চান তাহলে সেটা আপনার জন্যে বিপদও ডেকে আনতে পারে। সবসময় পুষ্টিকর খাবার খান কারন প্রতিদিনের স্বাভাবিক খাবারেই যৌনক্ষমতা ধরে রাখা সম্ভব। আর কিছু সেক্সফুড আছে যা সত্যিই যৌনক্ষমতা বাড়ায় ওগুলো খাবেন।কালিজিরার তেলে ১০০টিরও বেশি উপযোগী উপাদান আছে। এতে আছে প্রায় ২১ শতাংশ আমিষ, ৩৮ শতাংশ শর্করা এবং ৩৫ শতাংশ ভেষজ তেল ও চর্বি।
কালিজিরার অন্যতম উপাদানের মধ্যে আছে নাইজেলোন, থাইমোকিনোন ও স্থায়ী তেল। এতে আরও আছে আমিষ, শর্করা ও প্রয়োজনীয় ফ্যাটি এসিডসহ নানা উপাদান।পাশাপাশি কালিজিরার তেলে আছে লিনোলিক এসিড, অলিক এসিড, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, আয়রন, জিংক, ম্যাগনেশিয়াম, সেলেনিয়াম, ভিটামিন-এ, ভিটামিন-বি, ভিটামিন-বি২, নিয়াসিন ও ভিটামিন-সি।এর মধ্যে রয়েছে ফসফেট, লৌহ, ফসফরাস, কার্বো- হাইড্রেট ছাড়াও জীবাণু নাশক বিভিন্ন উপাদান সমূহ।
এতে রয়েছে ক্যন্সার প্রতিরোধক কেরোটিন ও শক্তিশালী হর্মোন, প্রস্রাব সংক্রান্ত বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধকারী উপাদান, পাচক এনজাইম ও অম্লনাশক উপাদান এবং অম্লরোগের প্রতিষেধক।
কালি জিরার স্বাস্থ্যগুন: তিলের তেলের সাথে কালিজিরা বাঁটা বা কালিজিরার তেল মিশিয়ে ফোড়াতে লাগালে ফোড়ার উপশম হয়। অরুচি, উদরাময়, শরীর ব্যথা, গলা ও দাঁতের ব্যথা, মাইগ্রেন, চুলপড়া, সর্দি, কাশি, হাঁপানি নিরাময়ে কালিজিরা সহায়তা করে। ক্যান্সার প্রতিরোধক হিসাবে কালিজিরা সহায়ক ভূমিকা পালন করে। চুলপড়া, মাথাব্যথা, অনিদ্রা, মাথা ঝিমঝিম করা, মুখশ্রী ও সৌন্দর্য রক্ষা, অবসন্নতা-দুর্বলতা, নিষ্কিয়তা ও অলসতা, আহারে অরুচি, মস্তিষ্কশক্তি তথা স্মরণশক্তি বাড়াতেও কালোজিরা উপযোগী।
মাথা ব্যথায় কপালে উভয় চিবুকে ও কানের পার্শ্ববর্তি স্থানে দৈনিক ৩/৪ বার কালোজিরা তেল মালিশ করলে উপকার পাওয়া যায়। কালোজিরা চূর্ণ ও ডালিমের খোসাচূর্ণ মিশ্রন, কালোজিরা তেল ডায়াবেটিসে উপকারী। চায়ের সাথে নিয়মিত কালোজিরা মিশিয়ে অথবা এর তেল বা আরক মিশিয়ে পান করলে হৃদরোগে যেমন উপকার হয়, তেমনি মেদ ও বিগলিত হয়।
মধুসহ প্রতিদিন সকালে কালোজিরা সেবনে স্বাস্থ্য ভালো থাকে ও সকল রোগ মহামারী হতে রক্ষা পাওয়া যায়। জ্বর, কফ, গায়ের ব্যথা দূর করার জন্য কালিজিরা যথেষ্ট উপকারী বন্ধু। এতে রয়েছে ক্ষুধা বাড়ানোর উপাদান। পেটের যাবতীয় রোগ-জীবাণু ও গ্যাস দূর করে ক্ষুধা বাড়ায়। সন্তান প্রসবের পর কাঁচা কালিজিরা পিষে খেলে শিশু দুধ খেতে পাবে বেশি পরিমাণে। কালিজিরায় রয়েছে অ্যান্টিমাইক্রোরিয়াল এজেন্ট, অর্থাৎ শরীরের রোগ-জীবাণু ধ্বংসকারী উপাদান।
এই উপাদানের জন্য শরীরে সহজে ঘা, ফোড়া, সংক্রামক রোগ (ছোঁয়াচে রোগ) হয় না। কালিজিরা মেধার বিকাশের জন্য কাজ করে দ্বিগুণ হারে। কালিজিরা নিজেই একটি অ্যান্টিবায়োটিক বা অ্যান্টিসেপটিক।দাঁতে ব্যথা হলে কুসুম গরম পানিতে কালিজিরা দিয়ে কুলি করলে ব্যথা কমে; জিহ্বা, তালু, দাঁতের মাড়ির জীবাণু মরে। কালিজিরা কৃমি দূর করার জন্য কাজ করে।
দেহের কাটা-ছেঁড়া শুকানোর জন্য কাজ করে। কালোজিরার যথাযথ ব্যবহারে দৈনন্দিন জীবনে বাড়তি শক্তি অজির্ত হয়। এর তেল ব্যবহারে রাতভর প্রশান্তিপর্ন নিদ্রা হয়। প্রস্রাব বৃদ্ধির জন্য কালিজিরা খাওয়া হয়। বহুমুত্র রোগীদের রক্তের শর্করার মাত্রা কমিয়ে দেয় এবং নিম্ন রক্তচাপকে বৃদ্ধি করে ও উচ্চ রক্তচাপকে হ্রাস করে। মস্তিস্কের রক্ত সঞ্চলন বৃদ্ধির মাধ্যমে স্মরণ শক্তি বাড়িয়ে তুলতে সাহায্য করে।
Thursday, February 7, 2019
মোবাইল ফোনের কারণে কি ক্যান্সার হতে পারে?
February 07, 2019
![]() |
| ছবি : সংগৃহীত |
মোবাইল ফোন বা এই ধরনের তারবিহীন যোগাযোগ যন্ত্র থেকে যে তরঙ্গ বিকিরণ হয় সেটা সবারই জানা। তাই বর্তমান বিশ্বে মোবাইল ফোনের সহজলভ্যতার সাথে পাল্লা দিয়ে এর রেডিয়েশন নিয়ে দুশ্চিন্তাও বাড়ছে। অনেকেই বলছেন “বেশি সময় ফোন কানে নিয়ে কথা বললে মস্তিষ্কে ক্যান্সার হতে পারে… পকেটে মোবাইল ফোন রাখলে রেডিয়েশন থেকে শারীরিক ক্ষতিসাধন হতে পারে” ইত্যাদি। কিন্তু এ ব্যাপারে বিজ্ঞানীরা কী বলছে? এমন কোনো গবেষণা কি আছে যা দ্বারা প্রমাণ হয় মোবাইল ফোনের রেডিয়েশন থেকে মানুষের ক্যান্সার হতে পারে? সেই প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যাবে এই পোস্টে।
রেডিয়েশন! রেডিয়েশন!!
আমরা কেনই বা মোবাইল ফোনের রেডিয়েশন নিয়ে এতটা দুশ্চিন্তায় আছি? এর কারণ হচ্ছে, রেডিয়েশন শব্দটার মাঝেই আমরা একধরনের ভয় পাই, যে এই অদৃশ্য শক্তির নিশ্চয়ই অনেক ক্ষমতা! বিশেষ করে জাপানের হিরোশিমা আর নাগাসাকিতে যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক পারমাণবিক হামলায় রেডিয়েশনে মানুষের ক্ষতির কথা জানার পর থেকে রেডিয়েশন শব্দটাই আমাদের কাছে একটা নেতিবাচক অর্থ দাঁড়া করাচ্ছে।
তাহলে মোবাইল ফোনের তরঙ্গ থেকে মানুষের কি ক্যান্সার হতে পারে? সত্যি কথা বলতে গত কয়েক বছর ধরেই বিজ্ঞানীরা এই প্রশ্নের উত্তর পেতে চেষ্টা করছেন। তবে এখন পর্যন্ত এ সংক্রান্ত সকল প্রশ্নের স্পষ্ট উত্তর পাওয়া এখনো যায়নি।
গবেষণা কী বলছে?
গত বছর প্রকাশিত আমেরিকান সরকারের একটি গবেষণায় কতগুলো ইঁদুরের উপর খুবই উচ্চমাত্রার সেলফোন রেডিয়েশন প্রয়োগ করা হলে দেখা যায় কিছু পুরুষ ইঁদুরের হৃদপিণ্ডে এক ধরনের টিউমার সৃষ্টি হয়েছে। কিছু পুরুষ ইঁদুরের ব্রেইনেও টিউমার ধরা পড়ে। অবশ্য, স্ত্রী জাতীয় ইঁদুরে এই সমস্যা দেখা যায়নি। এর সাাথে যোগসূত্র থাকার ব্যাপারে একটি প্রেস রিলিজও প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি সংস্থা ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব এনভায়রোমেন্টাল হেলথ সায়েন্সেস।
তবে যুক্তরাষ্ট্রের আরেকটি সরকারি সংস্থা এফডিএ এ ব্যাপারে বলছে, বর্তমানের সেফটি লিমিট অনুযায়ী সেলফোন থেকে বিকিরিত রেডিওফ্রিকোয়েন্সি এনার্জি মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য নিরাপদ বলে এফডিএ বিশ্বাস করে। যদিও এসব ব্যাপারে এখনও গবেষণা চলছে।
সেলফোনগুলো থেকে অবশ্যই পরিবেশে রেডিয়েশন হচ্ছে। কিন্তু তার মানে এই না যে এটা একটা পারমাণবিক বোমা থেকে বা এক্সরে মেশিন থেকে প্রাপ্ত রেডিয়েশনের মতো শক্তিশালী!
মোবাইল ফোনের রেডিয়েশন কি ক্ষতিকর?
রেডিয়েশন বিভিন্ন রকম হতে পারে। অ্যামেরিকান ক্যান্সার সোসাইটির ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, সেলফোনের রেডিয়েশন হচ্ছে রেডিওফ্রিকোয়েন্সি রেডিয়েশন যা মানুষের দেহকোষকে ক্ষতিগ্রস্ত করে টিউমার সৃষ্টি করার মতো যথেষ্ট শক্তিশালী নয়। এগুলোকে বলে ‘নন-আয়োনাইজিং’ রেডিয়েশন বলে, যা কোষে ডিএনএ এর রাসায়নিক বন্ধন ভেঙে ক্যান্সার তৈরি করতে সক্ষম নয়। এ ধরণের আরও কিছু ‘নন-আয়োনাইজিং’ রেডিয়েশন হচ্ছে এফএম রেডিওর তরঙ্গ, মাইক্রোওয়েভ এবং দৃশ্যমান আলো।
অ্যামেরিকান ক্যান্সার সোসাইটি আরও বলছে, অনেক বেশি মাত্রায় মোবাইল ফোনের তরঙ্গ যদি মানবদেহের সংস্পর্শে আসে, তাহলে এটি শরীরের কোষের উষ্ণতা বাড়িয়ে দিতে পারে। সেইসাথে সাইটটি এটাও বলছে, মোবাইল ফোন থেকে বিকিরিত তরঙ্গের শক্তি এতটাই কম, যে তা মানুষের কোষের উষ্ণতা বৃদ্ধি করার জন্য যথেষ্ট না।
সবকিছুর পরেও সেলফোন রেডিয়েশনকে ক্ষতিকর মনে করার জন্য অনেক তথ্য উপাত্ত হয়ত আপনি পাবেন, যেহেতু বিজ্ঞানীরাও এখনো সম্পুর্ন পরিষ্কার নন বিষয়টি নিয়ে। শত শত গবেষণা হয়েছে, কিন্তু সরাসরি সেলফোন রেডিয়েশনকে মানুষের জন্য ক্যান্সারের কারণ বলে কেউ ১০০% প্রমাণ করতে পারেনি। তবে বিজ্ঞানীরা বরাবরই এর ঝুঁকির ব্যাপারে ইঙ্গিত দিয়েছেন।
দিনে দিনে নেটওয়ার্কে পরিবর্তন আসছে। ইঁদুরের ওপর পরিচালিত উপরোক্ত গবেষণা ২জি, ৩জি নেটওয়ার্কের ফ্রিকোয়েন্সি দিয়ে করা হয়েছে। এখন ৪জি ও ৫জি এর যুগ। তাই সময়ের সাথে মোবাইল ফোনের বিকিরণ মানবদেহে কেমন প্রভাব ফেলে সে ব্যাপারে উপসংহার টানার সময় এখনও হয়নি।
তবে যেহেতু বিজ্ঞানীরা আগাম সতর্কতা হিসেবে মোবাইল ফোনের তরঙ্গ থেকে যতটা সম্ভব দূরে থাকতে পরামর্শ দিয়েছেন, তাই আমাদের অবশ্যই যতটা সম্ভব মোবাইল ব্যবহার কমানো উচিত। সেই সাথে মোবাইল ফোন এর অতিরিক্ত ব্যবহার যেন আমাদের যান্ত্রিক না করে দেয় সেদিকে খেয়াল রাখাটাও অনেক দরকার।
‘কমে যাচ্ছে পুরুষের শুক্রাণু বিলুপ্ত হতে পারে মানুষ’
February 07, 2019
| ছবি: সংগৃহীত |
প্রায় দুই শত টি গবেষণা প্রতিবেদনের তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে গবেষকেরা সারা বিশ্বে পুরুষদের শরীরে যে হারে শুক্রাণুর সংখ্যা বা স্পার্ম রেট কমে যাচ্ছে, শুক্রাণু কমে যাবার সেই হার বজায় থাকলে মানুষ বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে বলে হুঁশিয়ার করে দিয়েছেন চিকিৎসকরা। প্রায় দুই শতটি গবেষণা প্রতিবেদনের তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণ করে গবেষকেরা দেখেছেন, ৪০ বছরেরও কম সময়ের মধ্যে প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে পুরুষদের শুক্রাণুর কাউন্ট।
উত্তর আমেরিকা, ইউরোপ, অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ডের পুরুষদের ওপর করা হয়েছিল এসব গবেষণা। মানব প্রজন্মের সাম্প্রতিক এই তথ্য নিয়ে অবশ্য কিছু গবেষক সন্দেহও প্রকাশ করেছেন। তবে তথ্য সংগ্রহের এই গবেষণা দলের প্রধান ড: হ্যাগাই লেভিন জানাচ্ছেন, ভবিষ্যতে কী ঘটবে তা নিয়ে তিনি ‘খুবই উদ্বিগ্ন’।
এই তুলনামূলক গবেষণাটি করা হয় ১৯৭৩ইং থেকে ২০১১ইং সাল পর্যন্ত। এই সময়কালে করা ১৮৫টি গবেষণার তথ্যের ভিত্তিতে এই গবেষণা কাজটি করে ড: লেভিনের দল। ডঃ লেভিন একজন ‘এপিডেমিওলজিস্ট’। রোগ বিস্তার সংক্রান্ত বিদ্যা ও এর সাথে সম্পর্কিত ওষুধের শাখা, রোগের সম্ভাব্য নিয়ন্ত্রণ এসব বিষয়ে তিনি বিশেষজ্ঞ গবেষক। বিবিসিকে ডঃ লেভিন জানান, “এভাবে স্পার্ম কাউন্ট কমতে থাকলে এক সময় মানুষ বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে”। শুক্রাণু কমে যাবার সংখ্যা ‘দিনে দিনে বাড়ছে’ “আমরা যদি নিজেদের জীবনযাপনের ধরন, পরিবেশ এবং রাসায়নিক ব্যবহারে পরিবর্তন না হয়, তাহলে ভবিষ্যতে কী হবে তা ভেবে আমি উদ্বিগ্ন” ।
“একটা সময়ে এটা বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়াবে, আর তাতে মানব প্রজাতির বিলুপ্তিও হয়ে যেতে পারে” -বিবিসিকে বলেন ড: লেভিন। যেসব বিজ্ঞানীরা এই গবেষণার সঙ্গে ছিলেন না তারাও এই গবেষণার মানের প্রশংসা করে বলেন, তাদের কাজ খুবই ভালো, তাদের তথ্যও ঠিক আছে। কিন্তু এখনই এই সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায় না যে ‘মানব প্রজাতি বিলুপ্ত হয়ে যাবে’। জেরুজালেমের হিব্রু ইউনিভার্সিটির গবেষক ড: লেভিন তাঁর অনুসন্ধানে দেখেছেন, শুক্রাণুর ঘনত্ব কমে এসেছে ৫২.৪ শতাংশ এবং শুক্রাণুর কাউন্ট কমে এসেছে ৫৯.৩ শতাংশ।
উত্তর আমেরিকা, ইউরোপ, অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ডে বসবাসরত পুরুষদের মধ্যে শুক্রাণুর হার কমে যাবার এই ধারা অব্যাহত রয়েছে এবং এটি দিনে দিনে আরো বাড়ছে। পূ্র্ববর্তী গবেষণা নিয়ে ‘দ্বন্দ্ব’ তবে দক্ষিণ আমেরিকা, এশিয়া এবং আফ্রিকার পুরুষদের মধ্যে শুক্রাণু কাউন্ট বা শুক্রাণুর হার কমতে দেখা যায়নি। তবে গবেষকেরা বলছেন, এসব দেশে যথেষ্ট গবেষণা হয়নি এবং একটা সময়ে এখানেও শুক্রাণু কাউন্ট কমে আসতে পারে বলে ধারণা করেছেন ড: লেভিন।
এসব গবেষণার তথ্য নিয়ে বিতর্ক আছে অনেক কারণে। এর আগে কয়েকটি গবেষণা কাজে বলা হয়েছিল উন্নত অর্থনীতির দেশে শুক্রাণু কাউন্ট কমে আসছে। তবে বিশেষজ্ঞদের অনেকের ধারণা এর মধ্যেও ‘বিভ্রান্তিমূলক তথ্য’ রয়েছে। এছাড়া আরো কিছু গবেষণা করা হয় কমসংখ্যক পুরুষ নিয়ে। আবার ফার্টিলিটি ক্লিনিক থেকে তথ্য নিয়ে যেসব গবেষণা করা হয় সেখানে শুক্রাণু কাউন্ট কম আসা স্বাভাবিক, কারণ মানুষ সমস্যা নিয়েই সেখানে যায়। আরেকটি বড় চিন্তার বিষয় হলো, শুক্রাণু কাউন্ট কমে আসছে এমন ফলাফল দেখতে পেলে তা জার্নালে প্রকাশিত হবার সম্ভাবনা থাকে বেশি।
এই কারণে হয়তো শুক্রাণু হার কমে আসছে এমন একটা ভুল ধারণা তৈরি হতে পারে। কিন্তু এই গবেষকেরা দাবি করছেন এরকম সব ধরনের সমস্যার বিষয়েই তারা চিন্তা করেছেন এবং গবেষণা করে যে তারা যে ফলাফল পেয়েছেন তা সত্য বলে মানছেন অনেকে। যেমন শেফিল্ড ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক অ্যালান পেসি বলছেন “এর আগে শুক্রাণু কাউন্টের বিষয়ে যেসব গবেষণা হয়েছে তাতে আমি খুব একটা আশ্বস্ত হয়নি।
কিন্তু ড: লেভিন ও তার দল যে গবেষণা করেছেন এবং তারা যে প্রতিবেদন দিয়েছেন তা পূর্ববর্তী অনেক গবেষণা নিয়ে ভ্রান্তি দূর করে দেয়”। ধুমপান এবং স্থূলতা তবে অধ্যাপক পেসি বলছেন, নতুন এই গবেষণাটি অনেক ভ্রান্তি দূর করলেও ফলাফলের বিষয়টি নিয়ে সতর্কতার সাথে এগুতে হবে। “এ বিষয়টা নিয়ে তর্কের অবসান কিন্তু এখনই হচ্ছে না। এ বিষয়ে আরো অনেক কাজ করতে হবে” -বলেন অধ্যাপক পেসি।
কেন শুক্রাণু হার কমে যাচ্ছে তার সঠিক কারণ এখনো জানা যায়নি। তবে কীটনাশক এবং প্লাস্টিকে থাকা রাসায়নিকের সংস্পর্শে আসা, ওবেসিটি বা স্থূলতা, ধুমপান, মানসিক চাপ, খাদ্যভ্যাস, এমনকি অতিরিক্ত টিভি দেখা এক্ষেত্রে ক্ষতিকর বলে গবেষণা প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।। ড: লেভিন বলছেন, কেন শুক্রাণুর হার কমে যাচ্ছে সে বিষয়টি জানা খুব জরুরি হয়ে পড়েছে। একইসাথে এমনটা যেন না ঘটে সেই উপায়ও খুঁজে বের করতে হবে বলে উল্লেখ করেন এই চিকিৎসক বিশেষজ্ঞ।
Subscribe to:
Posts (Atom)











