Thursday, January 31, 2019

আবারও ঝড় তুললেন পর্ন তারকা সানি লিওন

January 31, 2019
ছবি : সংগৃহীত

বলিউডে পা রাখার পর থেকে এক এক সময় এক এক রকম ভাবে দেখা গিয়েছে তাকে। কখনও ‘রইস’-এ শাহরুখ খানের সঙ্গে আইটেম মডেল হিসেবে স্ক্রিন শেয়ার করেছেন তিনি, আবার কখনও তাকে দেখা গিয়েছে ‘বেবি ডল’-এর মতো জনপ্রিয় গানে । আবার কখনও স্বামী, সন্তানদের নিয়ে চুটিয়ে সংসার করতেও দেখা গিয়েছে তাকে। বুঝতেই পারছেন সানি লিওনের কথাই বলা হচ্ছে। আর এবার সানিকে দেখা গেল এক্কেবারে অন্যরকম লুকে।

সবে সামনে আসছে ফ্যাশন ফটোগ্রাফার ডাবু রত্নানির এ বছরের ক্যালেন্ডার। যেখানে বলিউডের একের পর এক সেলেব্রিটিদের চোখ ঝলসানো রূপকে নিয়ে নয়া আঙ্গিকে আবার তুলে ধরা হয়েছে।

ডাবুর সেই ক্যালেন্ডারে যেমন রয়েছেন ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন, তেমনি কার্তিক আরিয়ান কিংবা সানি লিওন। আর এবার ডাবু রত্নানির ক্যালেন্ডার নিয়ে কার্তিক আরিয়ান এবং সানি লিওন কি করলেন জানেন?

সানি লিওন এবং কার্তিক আরিয়ান যখন ডাবুর ক্যালেন্ডারে নিজেদের ছবি প্রকাশ করতে যান, তখন সব ওলটপালট হয়ে যায়। অর্থাত, কার্তিক আরিয়ানের হাতে চলে যায় সানি লিওনের ছবি। এবং সানির হাতে চলে আসে কার্তিক আরিয়ানের ছবি।

যা দেখে দু’জনেই হেসে ফেলেন। ছবিতে বিছানার উপর কার্তিক আরিয়ানকে শুয়ে থাকতে দেখা যায়। আর তার পাশে দেখা যায় দুটো বিড়ালকে। প্রসঙ্গত, এবারই প্রথম ডাবু রত্নানির ক্যালেন্ডারে ডেবিউ করলেন কার্তিক আরিয়ান।অন্যদিকে লাল লেদারের জ্যাকেট এবং কালো শর্টসে সানি লিওনকে লাগছিল আরও মোহময়ী।

Wednesday, January 30, 2019

কিডনি সুস্থ রাখতে আট বিষয় আজই জেনে রাখুন

January 30, 2019
ছবি : সংগৃহীত

দূষিত ও শরীরের জন্য খারাপ পদার্থ ছেঁকে বের করে দিয়ে শরীরকে সুস্থ রাখে কিডনি। শরীরের পানি ও রক্তের অন্যান্য রাসায়নিক পদার্থ যেমন সোডিয়াম, পটাশিয়াম, ফসফরাস ও ক্যালসিয়ামের ভারসাম্যও বজায় রাখে। নিয়ম মাপিক  কিছু স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গড়ে তোলার মাধ্যমে কিডনি সুস্থ রাখা সম্ভব।

কিডনি সুস্থ রাখার আটটি উপায়---

১. ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখুন।

২. বিনা কারণে ব্যথানাশক ওষুধ না খাওয়া। বিভিন্ন ধরনের ব্যথানাশক ওষুধ চিকিৎসকের পরামর্শ ব্যতীত গ্রহণ করলে কিডনি রোগ হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।

৩. পরিমিত পরিমাণে (ছয়-আট গ্লাস) পানি পান করুন। কিছুতেই শরীরে পানি কম পড়তে দেওয়া ঠিক নয়। আবার বেশি বেশি পানি খেলে কিডনি ভালো থাকবে, এমন কথা ঠিক নয়। শীতকালে পানির প্রয়োজন কম হলেও গ্রীষ্মে অধিক পরিমাণে পানি গ্রহণ করতে হবে।

৪. শিশুদের গলাব্যথা, খোস-পাঁচড়া বা স্ক্যাবিস হলে দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করুন। এসব রোগের জটিলতা হিসেবে কিডনি রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

৫. ডায়রিয়া হলে দ্রুত চিকিৎসা নিন। কেননা সঠিকভাবে ডায়রিয়ার চিকিৎসা না হলে হঠাৎ কিডনি বিকল হয়ে যেতে পারে।

৬. পরিবারে কিডনি রোগের ইতিহাস থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পরীক্ষা করা উচিত।

৭. হাত-পা ফুলে গেলে, প্রস্রাবের পরিমাণ কমে গেলে, প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত গেলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। কেননা এসব সমস্যা কিডনি রোগের লক্ষণ প্রকাশ করে।

৮. ধূমপান পরিহার করুন। ধূমপানের কারণে দেহের অন্যান্য অঙ্গের মতো কিডনিও আক্রান্ত হতে পারে।

মেসির সমালোচনায় মেসির ছেলে

January 30, 2019
ছবি : সংগৃহীত

কয়েকটা বছর আগেও মেসির সমালোচকের সংখ্যা খুব বেশি ছিল না। তবে ইদানীং সময়টা তাঁর খুব ভালো গেছে তা বলার সুযোগ নেই। শেষ চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতেছেন ২০১৫ইং সালে। শেষ ব্যালন ডি’অর জয়? সেটাও তিন বছর আগের কথা। তবে জয় আর সফলতার জন্য মেসির একাগ্রতা নিয়ে সংশয় নেই কারও। ব্যর্থ হওয়ায় নিজে কষ্ট পান কিন্তু সে বিষয়ে কারও সঙ্গে কথা বলা খুব একটা পছন্দ নয় তাঁর। তবে তাঁর আছে এমন একজন সমালোচক, যার সঙ্গে কথা না বলে থাকার কোনো সুযোগ নেই।

সেই বিশিষ্ট সমালোচকটি হলেন মেসির বড় ছেলে থিয়াগো মেসি। আর লিওনেল মেসি জানিয়েছেন এখন নিজের খেলার খুঁটিনাটি সব বিষয় নিয়ে বাবা-ছেলের নিয়মিত আলোচনা হয়,‘আমার বড় ছেলে খুব ভালো ফুটবল বোঝে আর ফুটবল বিষয়ক সবকিছু নিয়ে কথা বলে। আমি ইতিমধ্যে তার কাছ থেকে কিছু সমালোচনা শুনেছি। বার্সেলোনা, লা লিগা, চ্যাম্পিয়নস লিগ—সবকিছু দেখে সে। যখন সব ঠিকঠাক যায় না, সে আমাকে প্রশ্ন করে, তার মতামত জানায়, এবং এই কাজটা সে বেশ পছন্দ করে।’

মেসির ক্যারিয়ারে আছে এমন সব সাফল্য, সেগুলো বলে শেষ করার মতো নয়। পাঁচবার জিতেছেন ব্যালন ডি অর। লা লিগার সর্বোচ্চ গোলদাতা, চ্যাম্পিয়নস লিগে গোল সংখ্যায় দুইয়ে, আরও কত সফলতা। কিন্তু এত সবকিছুর পরেও মেসির সবকিছু নিয়ে সন্তুষ্ট নন সমালোচক ছেলে থিয়াগো মেসি। মেসি আগে নিজের সমালোচনা নিয়ে কথা বলতে বিরক্ত হতেন অথচ এখন সেই সুযোগ নেই। কথা যে বলতেই হবে ছেলের সঙ্গে।

এ নিয়ে বিপদে থাকা মেসি বলেন, ‘এটা আগের মতো নেই। হারা ও বাজে খেলার অভিজ্ঞতার সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নেওয়া খুব কঠিন কাজ। কিন্তু থিয়াগো আমাকে জোর করে এবং জানতে চায় কী হয়েছে না হয়েছে এবং কেন আমরা জিততে পারেনি। এখন, আমরা আগের চেয়েও বেশি কথা বলি।’

Tuesday, January 29, 2019

চলে এসেছে 'স্মার্ট কনডম'

January 29, 2019
ছবি : সংগৃহীত

প্রথম স্মার্ট কনডমের প্রকাশ করেছে!

স্মার্ট কনডম  যৌন সংক্রামিত সংক্রমণ সনাক্ত করতে পারে এবং এমনকি বিছানায় আপনার পারফরম্যান্সের মূল্যায়ন করতে পারে. এটা যৌনতা যখন আপনি পোড়ানো ক্যালোরির পরিমান প্রকাশ করবে. এটা আমি কন স্মার্ট কনডম হিসাবে নামকরণ করা হয়েছে. এটি ৮০$ খরচ করে এবং আপনার লিঙ্গ বেস এ স্থাপন করা হয়. আমি অন্যান্য যৌন খেলনা এবং এটা একটি রিং-আকৃতির পরিধেয় ডিভাইস.

স্মার্টফোন-সংযুক্ত ডিভাইসটি একজন ব্যক্তির যৌন জীবনের জন্য প্রচুর সুফল প্রদান করে, এটি সন্দেহ করা হচ্ছে যে এই এক আপনার ঘনিষ্ঠ মুহুর্তে গুপ্তচরবৃত্তি করতে পারে.

ডিভাইসটি সমস্ত ডেটা রেকর্ড করবে এবং এটি বেনামী রাখবে. আপনি বিশ্বের সাথে আপনার পরিসংখ্যান ভাগ করতে ইচ্ছুক হলে, আপনি যে খুব করতে পারেন.

আই কনজার্ভেটারের দাবি অনুযায়ী ৯০০ হাজার লোক ইতোমধ্যে ডিভাইসটি চালু করেছে যা এই বছরের শেষের দিকে বাজারে ছেড়ে দেওয়া হবে এবং $৮০.৯৯ এ মূল্য নির্ধারণ করা হবে.

কানাডার প্রধানমন্ত্রীর চেয়ারে কে এই মেয়েটি?

January 29, 2019
ছবি : সংগৃহীত

তিনি কানাডার প্রধানমন্ত্রী। চেয়ারটাতে বসার কথা তাঁর। কিন্তু জাস্টিন ট্রুডো দাঁড়িয়ে আছেন। প্রধানমন্ত্রীর চেয়ারে বসে আছে ৯ বছর বয়সি একটি কন্যাশিশু! যেনতেন বসা না, দুই পা টেবিলে তুলে দিয়ে আয়েশি ভঙ্গিতে বসা। যেন প্রধানমন্ত্রীর এই চেয়ারটি কোনো ব্যাপারই না তার কাছে!

শিশুটির নাম এলা গ্রেস মার্গারেট ট্রুডো। এলা প্রধানমন্ত্রী ট্রুডোর সন্তান। ছবিটি কানাডার প্রধানমন্ত্রী আজ বৃহস্পতিবার নিজের ফেসবুক পেজে প্রকাশ করেছেন। শুধু প্রকাশ না, তিনি তা নিজের ফেসবুকের ‘কভার ফটো’ হিসেবেও দিয়েছেন।

 ১১ অক্টোবর আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস। দিবসটি মনে করিয়ে দিতেই ছবিটি প্রকাশ করেছেন জাস্টিন ট্রুডো। ছবিতে ক্যাপশনে  ট্রুডো লিখেছেন, ‘শুভ আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস।’ 

ছবির মন্তব্যে জাস্টিন ট্রুডো বলেন, ‘দিনটি আমাদের কন্যা, নাতনি, বোন, ভাতিজিদের। নিশ্চিত করতে হবে এমন একটা পৃথিবী যেখানে তাদের কথাটা শোনা হয়, যেন স্বপ্নপূরণের জন্য সব ধরণের সহযোগিতা তারা পায়।’

শুধু তাই না দিবসটি উপলক্ষে বিবৃতিও দিয়েছেন ট্রুডো। তিনি বলেছেন, ‘কানাডাসহ পুরো বিশ্বে এগিয়ে যাবার জন্য নারীরা নিজেদের পরিবর্তন করার পাশাপাশি সমাজকে বদলে দিচ্ছে। তাঁরা দেখিয়েছে পর্যাপ্ত সুযোগ ও সমর্থন পেলে তাঁরা সর্বোচ্চটুকু অর্জন করতে পারবে, আমাদের পৃথিবীকে বদলে দিতে পারবে।’

বাহুবলির হিরো প্রভাসের গ্যারেজে যা আছে তা নেই অমিতাভ–শাহরুখের!

January 29, 2019
ছবি: সংগৃহীত

ভারতীয় চলচ্চিত্রের শতাব্দীর সবচেয়ে বড় ব্লকবাস্টার ‘বাহুবলী’। ব্যবসায়িক দিক থেকে ইতিহাস তৈরি করা এস এস রাজমৌলির ‘বাহুবলী’র কল্যাণে দক্ষিণ ভারতের নায়ক প্রভাস এখন ভারতের অন্যতম জনপ্রিয় বড় তারকা। অনেক সিনেমাপ্রেমীর মুখে এখন শুধু একটিই নাম ‘বাহুবলী’র প্রভাস। ভারতে প্রথম হাজার কোটি রুপির আয় ছাড়িয়ে যাওয়া ছবির পরই ফুলে ফেঁপে উঠেছে প্রভাসের অ্যাকাউন্টও। এই সুযোগে বাড়িয়ে দিয়েছেন পারিশ্রমিক। আর এই মুহূর্তে তাঁর গ্যারেজে থাকা রোলস রয়েসের দাম বলিউডের যেকোনো তারকার গাড়ির চেয়ে বেশি। এ ক্ষেত্রে বলিউড় বাদশাহ শাহরুখ খান আর ভারতের কিংবদন্তি অভিনেতা অমিতাভ বচ্চনকে ছাড়িয়েছে গেছেন ৩৯ বছর বয়সী তারকা।

টাইমস নাউয়ের খবরে বলা হয়েছে, বাহুবলী তারকা প্রভাসের সম্পদের পরিমাণ ১৯৭ কোটির রুপি। আর বছরে এই তারকা পকেটে পোরেন ৪৫ কোটি রুপি। গাড়ি আর মোটরবাইক নিয়মিতই কেনেন প্রভাস। তাঁর গ্যারেজে থাকা রোলস রয়েসের দাম বলিউড বাদশাহ শাহরুখ খান আর ভারতের কিংবদন্তি অভিনেতা অমিতাভ বচ্চনের গাড়ির চেয়ে বেশি। প্রভাসের রোলস রয়েস কিনেছেন আট কোটি রুপিতে।

২০০২ সালে অভিনয় জগতে পা রাখেন প্রভাস। অমিতাভ বচ্চনের ‘ডন’–এর তেলেগু রিমেক ‘বিল্লাহ’য় অভিনয় করে নজর কাড়েন। এরপরে ‘রেবেল’, ‘রেবেল ২’ করে আসেন আলোচনায়। আর ২০১৫ সালে তো ভারতীয় সিনেমার ইতিহাস বদলে দেয় তাঁর ‘বাহবলী: দ্য বিগিনিং’। কোটি কোটি রুপি ঘরে তোলেন পরিচালক। এরপরে ‘বাহুবলী: দ্য কনক্লুশন তো পুরো ভারতের সিনেমার ইতিহাস ওলটপালট করে দেয়। প্রথম ছবি হিসেবে আয় করে এক হাজার কোটি রুপি। দুই হাজার কোটি রুপি আয়ও যায় ছাড়িয়ে। দর্শকপ্রিয়তা কিংবা ব্যবসার দিক দিয়ে ভারতীয় সিনেমার বক্স অফিসের ইতিহাস ওলটপালট করে দেওয়া প্রভাস-আনুশকার ছবিটি। ভারতের পাশাপাশি বিশ্বের অনেক দেশেই মুক্তি পায় প্রভাস–আনুশকার ‘বাহুবলী ছবির দুটি পার্টই। ছবিটি মুক্তি পায় চীনেও। এরপর থেকে তারকা খ্যাতির চূড়ান্ত পর্যায়ে আছেন প্রভাস। তাঁর গ্যারেজে গাড়ির ভান্ডারও অনেক। আছে ৬৮ লাখ রুপির বিএমডব্লিউ এক্স থ্রি, ২ কোটি আট লাখের জাগুয়ার জে আর, ৮ কোটির রোলস রয়েস। শখ আছে দামি দামি মোটর সাইকেলও। তেলেঙ্গানার রাজধানী হায়দরাবাদে আছে তাঁর একটি খামারবাড়ি। দামও আকাশছোঁয়া ৬০ কোটি রুপি। আর পরিচালকের কাছ থেকে উপহার পাওয়া ব্যায়ামাগার ও এর যন্ত্রপাতির দাম দেড় কোটি রুপি।

প্রভাস ‘বাহুবলী’ করার সময় ব্যায়ামাগারের যন্ত্রপাতি উপহার হিসেবে দিয়েছেন ওই ছবির পরিচালক এস এম রাজামৌলি। আর দেড় কোটি রুপির ওই ব্যায়ামাগারে ঘাম ঝরিয়েই অমরেন্দ্র বাহুবলী আর মহেন্দ্র বাহুবলী হয়েছেন প্রভাস।

‘বাহুবলী’র পরে ৩০০ কোটি বাজেটের ছবি ‘সাহো’ নিয়ে আসছেন প্রভাস। এই ছবির শুটিং হয়েছে দুবাই ও হায়দরাবাদে। সাহোর ছবিতে অভিনয়ের জন্য প্রভাস পকেটে পুরেছেন ৩০ কোটি রুপি। শ্রদ্ধা কাপুর, নিল নিতীন মুকেশও আছেন এই ছবিতে। এ বছরের আগস্টে মুক্তি পেতে যাচ্ছে ‘সাহো’।

‘বাহুবলী’ ছবির মধ্য দিয়ে শুরু হয় গুঞ্জন যে ছবির নায়ক-নায়িকা প্রভাস ও আনুশকা শেঠি প্রেম করছেন। ছবির শুটিংয়ের সময়ই কাছে আসেন দুজন। সেই থেকে তাঁদের প্রেমের গুঞ্জন শুরু। ছবি পাড়ায় ভেসে বেড়াচ্ছিল বিয়ের গুঞ্জনও। তবে প্রেম ও বিয়ের গুঞ্জন নিয়ে আনুশকা ও প্রভাস বরাবরই নাকচ করেছেন। ‘বাহুবলী ২’ ছবির পর বলিউডের ‘সাহো’ ছবির কাজ নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েন প্রভাস। দুবাইয়ে সিনেমার শুটিং করতে গিয়ে প্রভাসের চোট পাওয়ার পর সব কাজ ফেলে আনুশকা শেঠির দুবাইয়ে উড়ে যাওয়া নিয়েও খবরের পর খবর রটেছে। সমালোচকেরা বলতেন, প্রেম না থাকলে কেউ কারও জন্য এতটা পথ কেন পাড়ি দেবেন? তবে গুজবে পানি ঢেলে প্রভাস–আনুশকা জানান, তাঁরা খুব ভালো বন্ধু। তাঁরা বিয়ে যে করছেন না, তা–ও পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন।

ভোরবেলা স্ত্রী সহ’বাসে রয়েছে অবিশ্বাস্য স্বাস্থ্যকর উপকারিতা

January 29, 2019
ছবি: সংগৃহীত

ভোর বেলার যৌ’ন মিলন মন এবং শরীর দুই ভাল রাখে৷ খবর শুনে ভ্রুঁ কোঁচকাচ্ছেন নিশ্চয়ই? তবে গবেষণার মাধ্যমেই উঠে এসেছে এমন তথ্য৷ লন্ডনের বেলফাস্টের টুইন্স ইউনির্ভাসিটির এক গবেষণায় এই তথ্য প্রমাণিত হয়েছে৷

গবেষণায় জানা গেছে, সপ্তাহে অন্তত তিনদিন যদি ভোরবেলা সহ’বাস করা যায় তবে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভবনা অর্ধেক করে দেয়৷ আর যদি এটি ঠিকমতো করা যায় তবে উচ্চ রক্তচাপের মতো সমস্যাও দূর হতে পারে৷

বৈজ্ঞানিক পরীক্ষায় জানা গেছে সপ্তাহে দুইদিন যদি ভোরবেলা সহ ‘বাস করা যায় তবে শরীর অ্যান্টিবডি গঠিত হয়৷ সকালের যৌ’নমিলন আর্থারাইটিস ও মাইগ্রেনের মত রোগ সাড়িয়ে তুলতে পারে৷ আরও জানা গেছে যারা ডায়াবেটিসের রোগী তাদের পক্ষে সকালে সহবাস অত্যন্ত উপযোগী৷ সকালে আধঘন্টা স ‘বাস করলে ৩০০ ক্যালোরি এনার্জী খরচ হয় যা ডায়াবেটিস কমাতে সাহায্য করে৷

এই পরীক্ষাটি করার জন্য ৩০০ জন মহিলাকের নিযুক্ত করা হয় যাদের সঙ্গীরা সহ’বাসের সময় কনডম ব্যবহার করেন না৷ তারা জানিয়েছেন এর ফলে তাদের মনে কোন মানসিক অবসাদ নেই৷ এছাড়াও হাড়ের গঠন মজবুত করতেও সকালের যৌন মিলন বিশেষ ভূমিকা পালন করে৷

সকালের এই মানসিক সুখের কারণে চুল ও ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ে কারণ এই সময় ইস্ট্রোজেন ও অন্যান্য হরমোনের ক্ষরণ এইসময় বেশি পরিমাণে হয়৷ তবে গবেষকেরা জানিয়েছেন, প্রতিদিনের যৌ’নমিলন শরীরের কার্যক্ষমতা হ্রাস করতে পারে৷

Monday, January 28, 2019

স্ত্রীকে উপহার দিলেন ৫৫ হাজার ড্রেস, জানুন এই দম্পতির ভালবাসার এক অনন্য কাহিনি

January 28, 2019
ছবি: সংগৃহীত

মার্গট ও পল ব্রকম্যানের দাম্পত্য জীবনের ৫৬ বছর অতিবাহিত এবং এই সুদীর্ঘ সময়ে স্ত্রীকে তিনি উপহার দিয়েছেন ৫৫ হাজার ড্রেস।
সেই কোন তরুণ বয়সে দেখা হয়েছিল মার্গটের সঙ্গে পলের। তখন দু’জনেই জার্মানির বাসিন্দা। এক নাচের আসরে মার্গটকে প্রথম দেখেন পল। দেখেই ভাল লেগে গিয়েছিল তাঁকে। তার পরে সবই যেন স্বপ্নের মতো।

মার্গট ও পল ব্রকম্যানের দাম্পত্য জীবনের ৫৬ বছর অতিবাহিত। এবং এই সুদীর্ঘ সময়ে স্ত্রীকে তিনি উপহার দিয়েছেন ৫৫ হাজার ড্রেস। সব যে একেবারে নতুন, তা নয়। এই বিশাল সম্ভারের মধ্যে বেশিরভাগ পোশাকই সেকেন্ড-হ্যন্ড এবং তাদের রয়েছে কোনও না কোনও ‘ভিন্টেজ ভ্যালু’।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ‘ডেলি মেল’-এর এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, মাত্র ১৩ বছর বয়স থেকেই নাচের প্রতি এক অমোঘ আকর্ষণ ছিল পল ব্রকম্যানের। এবং সেই সব ডান্স-হলে মহিলাদের পরনের সুন্দর সুন্দর পোশাক তাঁকে মোহিত করত। মার্গটের সঙ্গে আলাপের পরে তাঁর জীবন অনেকটাই পালটে যায় বলে জানান পল। ’৫০-এর দশকে মার্গটের পরিবার চলে আসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। নিজের দেশ ছেড়ে পলও চলে আসেন মার্গটের পিছু পিছু। বর্তমানে ব্রকম্যান দম্পতি থাকেন লস এঞ্জেলেসে।

বিয়ের এতগুলো বছর কেটে গেলেও, পল কখনই ভুলতে পারেননি তাঁদের প্রথম দেখা। মার্গটের মনে না থাকলেও, পলের এখনও মনে আছে সেই সন্ধ্যায় কী পরেছিলেন মার্গট।

বিয়ের পরেও প্রতি সপ্তাহে ব্রকম্যান দম্পতি ‘বলরুম ডান্স’-এ অংশ নিতেন বলে জানান পল। এবং প্রতি সপ্তাহে মার্গটের জন্য তিনি কিনে আনতেন একটি করে নতুন ড্রেস। এমনও হয়েছে যে, একই দিনে মোট ৩০টি ড্রেস কিনে বাড়ি ফিরেছেন পল, জানিয়েছেন মার্গট। এ ভাবেই মার্গটের কালেকশানে জমে যায় ৫৫ হাজার ড্রেস। জানা গিয়েছে, এমন অনেক ড্রেসই রয়েছে যা এখনও পরেননি মার্গট।

বর্তমানে পলের বয়স ৮৩ বছর, মার্গটের ৬১। শারীরিক অসুস্থতা ও জায়গার অভাবে ব্রকম্যান দম্পতি এখন তাঁদের ড্রেসের কালেকশান বিক্রি করছেন। তবে সব নয়। নিজেদের পছন্দের ২০০টি ড্রেস রাখবেন পল।

অনেকটা সময় ধরে পার্টনারের সাথে বিশেষ মুহূর্ত উপভোগ করতে চাইলে, পাঁচটা বিষয় মাথায় রাখুন

January 28, 2019
ছবি: সংগৃহীত

এই সময় এ  প্রতিটা মানুষই খুবই ব্যস্ত, আর এই ব্যস্ত জীবন প্রভাব ফেলে  আমাদের শরীরের ওপর।  কাজের ডেড লাইন, দৈনন্দিন জীবনের দৌড় -ভাগ এবং তার সাথে মানসিক চাপ প্রতিটা মানুষের শরীরে খুবই বড় প্রভাব ফেলে। এর ফলে শুধু  যে আপনার শরীর প্রভাবিত হয় তাই নয় , সেই সাথে প্রভাবিত হয় আপনার আবেগ ও মন। যার ফলে অনেক সময় তা আপনার শারীরিক সম্পর্কের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। অনেক সময় দেখা যায় স্বামী-স্ত্রী একে অপরের কাছাকাছি এলেও ক্লান্তির ফলে তারা ততটা আগ্রহ দেখায় না, যতটা দেখানো উচিত। এর পিছনে অনেক কারণ  থাকতে পারে।  যদি আপনার সাথেও এমন ঘটনা ঘটে, তাহলে বিশেষ কিছু দিকে আপনাকে নজর রাখা উচিত। 

অনেক সময় বিশেষ মুহূর্তে আপনি যদি পারফর্মেন্স নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েন তাহলে তা আপনার শারীরিক সম্পর্ক তৈরির ক্ষেত্রে বিশেষ প্রভাব ফেলতে পারে। আপনি নিজের ব্যক্তিগত সম্পর্ককে উপভোগ করতে পারেন না,  উপভোগ করার আগেই সমস্ত উৎসাহ নষ্ট হয়ে যায়।  তাই ঘনিষ্ট মুহূর্তে মাথায় কোনো রকম চিন্তা না রেখে শুধু মাত্র বিশেষ মুহূর্তকে আরও কিভাবে উপভোগ করা যায় সেই দিকে মনোযোগ দিন। 

অনেকে মনে করে মদ্যপান করার পরে সাথির কাছে আসাটা অনেক বেশি সহজ হয়। আসলে প্রচলিত আছে যে, নেশার ঘরে শারীরিক সম্পর্ক আরও সুগম করে তোলা যায়, কিন্তু বাস্তবে উল্টোটাই দেখা যায়। নেশাগ্রস্ত অবস্থায় শরীর বা মস্তিস্ক কোনোটিকেই আয়ত্তে রাখা যায় না, যার ফলে সম্পর্কের ক্ষেত্রে সমস্যার সৃষ্ট হয়। 

অনেক সময় মহিলাদেরও সমস্যা হতে পারে, মহিলারা লূইব্রিকেন্ট-এর সমস্যায় ভুগতে পারে। এই রকম অবস্থায় বাজারে উপস্থিত লূইব্রিকেন্ট-এর ব্যবহার করতে পারেন। 

যদি দীর্ঘ সময় ধরে আপনি কোনো রকম শারীরিক সমস্যার শিকার হয়ে থাকেন, যদি তার জন্য আপনাকে ঔষধ নিতে হয়, তবে আপনাকে এই বিষয়ে সরাসরি ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত। 

খাওয়া-দাওয়া আপনার জীবনের  সমস্ত ক্ষেত্রকেই প্রভাবিত করে থাকে। তাই এই রকম অবস্থায় খাওয়া -দাওয়ার দিকে বিশেষ নজর দেওয়াটা খুবই জরুরি। 

মোবাইলে ৩ দিনের নিচে কোন প্যাকেজ নয়--বিটিআরসি

January 28, 2019
ছবি: সংগৃহীত

মোবাইল ফোনের ভয়েস-ইন্টারনেট সেবায় যেকোনো প্যাকেজ বা অফার বা বান্ডেলের মেয়াদ নূন্যতম তিন দিন করতে অপারেটরগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি। আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে এ নিয়ম কার্যকর হবে বলে বিটিআরসির এক নির্দেশনায় জানানো হয়েছে।
সম্প্রতি জারি করা এ নির্দেশনায় বলা হয়, সকল প্রকার প্যাকেজ-অফার-বান্ডেলের মেয়াদ হবে নূন্যতম তিন দিন। আগামী ৩০ দিন পর নির্দেশনাটি পর্যালোচনা করা হবে। যদিও কয়েকদিন আগে টেলিকম রিপোর্টার্স নেটওয়ার্ক বাংলাদেশ- টিআরএনবির সঙ্গে এক আলোচনায় বিটিআরসি চেয়ারম্যান জহুরুল হক বলেছিলেন, প্যাকেজের নূন্যতম মেয়াদ হবে ৭ দিন। এ ব্যাপারে বিটিআরসি সব ধরনের প্রস্তুতি ইতিমধ্যে সম্পন্ন করেছে।

বিটিআরসির নির্দেশনায় বলা হয়েছে, একজন গ্রাহক সর্বোচ্চ ৫ টাকা ‘পে পার ইউজ’ প্রক্রিয়ায় ইন্টারনেট ব্যবহার করার সুযোগ পাবেন। নির্ধারিত সীমা (৫ টাকা) পার হলে গ্রাহকের মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য ইন্টারনেট প্যাকেজ-বান্ডেল-অফার সাবস্ক্রাইব করতে হবে। রবিবার থেকেই এই নিয়ম কার্যকর করতে অপারেটরগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে বিটিআরসি।

‘অটো-রিনিউ ফিচার’ চালুকৃত ইন্টারনেট প্যাকেজ-বান্ডেল-অফারের আওতায় কেনা ইন্টারনেট ভলিউম অথবা মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়া মাত্রই প্যাকেজ-বান্ডেল-অফারটি পুনরায় চালু হয়ে যাবে। যদি গ্রাহক ‘অটো-রিনিউ ফিচার’ না করেন তাহলে সর্বোচ্চ ৫ টাকা ‘পে পার ইউজ’ প্রযোজ্য হবে।

বিটিআরসি বলছে, মোবাইল অপারেটরগুলো কী পরিমাণ প্যাকেজ-বান্ডেল-অফার দিতে পারবে তার সর্বোচ্চ সংখ্যা পরবর্তীতে নির্ধারণ করে নির্দেশনা জারি করা হবে। ছোট ছোট প্যাকেজ বা অফারে অপারেটররা বেশি টাকা কেটে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে গ্রাহকদের। আবার নির্ধারিত মেয়াদে ডেটা শেষ না করতে পারলে গ্রাহক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

Sunday, January 27, 2019

নর-নারীর শারীরিক মিলনের চারটি গোপণ সূত্র

January 27, 2019
ছবি: সংগৃহীত

আপনার স্ত্রী সঙ্গে যৌন  মিলনকে মধুর করতে হলে আপনাকে চারটি নিয়ম মেনে চলা উচিত৷ আপনি যদি এই চারটি  নিয়মকে পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে মেনে স্ত্রী সঙ্গে শারীরিক ভাবে মিলিত হবেন তাহলে আপনি প্রকৃত অর্থে সহবাসের সুখ লাভ করবেন৷

‘দি ফোর সিক্রেটস অফ আমাজিং সেক্স’ এই গ্রন্থে লেখক জর্জিয়া ফস্টার এবং বেভারলি এনি ফস্টার চারটি  নিয়মের কথা বলেছেন৷ তাদের মতে যৌন মিলনের আগে শরীরের তুলনায় মানসিক ভাবে প্রস্তুতি নেওয়াটা আগে জরুরি৷ মানসিক ভাবে আপনি যদি যৌন মিলনের জন্য তৈরি থাকেন তাহলেই আপনি যৌন মিলনে চরম সুখ লাভ করতে পারবেন৷ যৌন মিলনের জন্য চারটে গোপণ তথ্যে হলো :

সিডাকশান: বেশীরভাগ মানুষই মনে করে যৌন মিলনের আগে নিজেদের যৌন উত্তেজনা বাড়াতে হবে৷ না সেটা একেবারেই সবার ভুল ধারনা৷ আগে মনে প্রাণে যৌন চেতনা জাগান উচিত৷ যৌন মিলনের আগে মানসিক ভাবে প্রস্তুতি নিতে হবে৷ আপনি কখনই ভাববেন না আপনার স্ত্রী যৌন উত্তেজনা নিমেষেই বেড়ে যাবে৷ মানসিক ভাবে অনুভব করার পরেই এটা বাড়ানো সম্ভব৷

সেনসেশান: যৌন মিলনের জন্য ষষ্ঠ ইন্দ্রিয়কে একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়৷ সেক্ষেত্রে আপনি এবং আপনার স্ত্রী উভয়েরই ষষ্ঠ ইন্দ্রিয়কে জাগ্রত করতে হবে৷ কারণ যৌন মিলনের সময়ে প্রচুর শক্তির প্রয়োজন হয়৷ শক্তির লাভের জন্য ষষ্ট ইন্দ্রিয়কে জাগানো জরুরি৷

সারেন্ডার: তৃতীয় চাবি কাঠিটা হলো নিরাপত্তা৷ যৌন মিলনের সময় আপনি যদি নিশ্চিন্তে আপনার স্ত্রী কাছে নিজেকে সপে দিতে পারেন তাহলেই আপনার যৌন মিলন সফল হবেন৷ এর জন্য স্ত্রী কাছে আপনি যে নিরাপদ রয়েছে সেই মানসিক ভাবনাটা থাকা জরুরি৷

রিফ্লেকশান: আপনি যদি প্রথম তিনটে নিয়ম ঘূনাক্ষরে পালন করেন তাহলে আপনি আপনার অভিজ্ঞতাতেই এর প্রতিবিম্বটা খুঁজে পাবেন৷ পুণরায় যৌন মিলনের আগ্রহ আপনার মনে জাগবে৷

গর্ভকালীন সময়ে শারীরিক মিলন জেনে নিন এই সম্পর্কিত কয়েকটি বিষয়

January 27, 2019
ছবি: সংগৃহীত

বেশির ভাগ লোক মনে করে গর্ভকালীন সময় নাকি শারীরিক মিলন করা উচিত না, কিন্তু সেটা একেবারেই ঠিক নয়। প্রথম তিনমাসে শরীরের মধ্যে একটা ক্লান্তির ভাব থাকে, সব সময় মাথা গুড়ায়, সেই সময় সঙ্গীর কাছাকাছি আসতে ভালো নাই লাগতে পারে। কিন্তু সাধারণত তিন মাস পর থেকে অর্থাৎ ৩-৬ মাসের মধ্যে এই মাথা গুড়ানো ভাবটা বন্ধ হয়ে যায়। শরীরে অক্সিটনিক (প্রেমজ হর্মোন) বৃদ্ধি পেতে শুরু করে।

আসলে গর্ভকালীন সময়ের দ্বিতীয় ধাপে এসে রক্ত প্রবাহ এবং স্রাব দুটিই বৃদ্ধি পায়। এই কারণে প্রেমজ হর্মোন নিঃসরণ বৃদ্ধি পায়। এই সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটিকে চ্যাডউইক -ও বলা হয়। এই সময় সাথির সাথে ঘনিষ্ট হওয়ার বাসনা বৃদ্ধি পায়। গর্ভকালীন সময়ে সেক্স নিয়ে এমন অনেক কথা বলা হয়, যে গুলি একেবারেই ভিত্তি হীন। এখানে প্রচলিত ধারণা গুলি সম্পর্কে বিশেষজ্ঞ ডাক্তাররা বলেছেন, যা পড়ার পরে আপনার মধ্যে থাকা ভুল ধারণা গুলি অনেকটাই দূর হয়ে যাবে।

গর্ভকালীন সময় সেক্স করলে ভ্রূণ (বাচ্চার) ক্ষতি হয়।
সত্যি :- গর্ভকালীন সময় ওয়েজাইনা স্ট্রেসের ফলে একটু বৃদ্ধি পায়, এরফলে গর্ভাশয়ের বাইরের দিকে মিউকাসের একটা ভারী স্তর জমে যায়।  যার ফলে সেক্সের সময়তেও গর্ভাশয়ের মধ্যে বাচ্চা সুরক্ষিত থাকে।

অনেক সময় পেটের ভেতরে বেদনার অনুভূতি হয়, কিন্তু এর ফলে যে আপনার প্রসব যন্ত্রণা শুরু হয়ে যেতে পারে তার কোনো মানে নেই।

সেক্সের পরে রক্ত ক্ষরণের মানে হল মিসক্যারেজ হওয়া বা কোনো রকম ক্ষরণ হওয়া। এই সময় গর্ভাশয় খুবই স্পর্শকাতর থাকে, সেই কারণে মিলনের পরে সামান্য রক্ত আসতে পারে, এটা খুবই সাধারণ বিষয়।  কিন্তু যদি ব্লিডিং বেশি হয়, তাহলে অবশ্যই ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করতে হবে। 

অনেকে মনে করে গর্ভকালীন সময় সেক্স করলে ইনফেকশন হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

আসলে যদি আপনার সঙ্গীর কোনো রকম যৌনতা সম্পর্কিত রোগ না থাকে তাহলে আপনার চিন্তা করার কোনো প্রয়োজন নেই।  এই রকম অবস্থায় নিজেকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখাটা খুব জরুরি।

একটা কথা মাথায় রাখবেন,  গর্ভকালীন সময় সেক্স করলে ক্ষতি তো কিছু হয়ই না, বরং আপনি লাভবান হবেন।  এতে করে আপনার ঘুম ভালো হবে এবং আপনাদের মধ্যে প্রেম আরও গভীর হবে।

এই বছর বর্ষসেরা ব্যক্তিত্ব’ ঘোড়া

January 27, 2019
ছবি: সংগৃহীত

প্রতিবছরের মতো এবারও অস্ট্রেলিয়ায় বর্ষসেরা ব্যক্তিত্বের নাম ঘোষণার প্রস্তুতি চলছে। আগামীকাল শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে বিজয়ী ব্যক্তির হাতে পুরস্কার হস্তান্তরের কথা রয়েছে। এবার মনোনয়নের তালিকায় রয়েছেন নয়জন। তবে আনুষ্ঠানিক এই ঘোষণার আগেই গতকাল বৃহস্পতিবার অস্ট্রেলিয়ার একটি সংবাদপত্র একটি ঘোড়াকে বর্ষসেরা ব্যক্তিত্ব ঘোষণা করেছে। সংবাদপত্রটির ভাষ্য, যে ঘোড়াকে তারা মনোনীত করেছে, সেটি প্রকৃত অর্থেই বর্ষসেরা হওয়ার সব গুণের অধিকারী।

কঠোর পরিশ্রম, সহিষ্ণুতা আর সততায় আগের বছরের পুরোটা সময় অনন্য দৃষ্টান্ত রাখার স্বীকৃতি হিসেবে অস্ট্রেলিয়ায় প্রতিবছর বর্ষসেরা ব্যক্তিত্ব ঘোষণা করা হয়। রাজনীতি, ক্রীড়া, সংস্কৃতি কিংবা শিক্ষা—যেকোনো অঙ্গন থেকেই বর্ষসেরা ব্যক্তিত্ব হওয়ার সুযোগ রয়েছে। দেশটির জাতীয় দিবস, ২৬ জানুয়ারি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সরকার পুরস্কারটি হস্তান্তর করবে।

এবার যে নয়জন বর্ষসেরার মনোনয়নের তালিকায় রয়েছেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম হলেন রিচার্ড হ্যারিস। পেশায় চিকিৎসক এই ডুবুরি থাইল্যান্ডের থাম লুয়াং গুহায় আটকা পড়া খুদে ফুটবলার ও তাদের সহকারী কোচকে উদ্ধারে কাজ করেছেন। তালিকায় আরও রয়েছেন প্যারা অলিম্পিকে একাধিক পুরস্কার বিজয়ী কার্ট ফির্নলি ও সমাজকর্মী বার্নাডেট ব্ল্যাক।

তবে বর্ষসেরা ব্যক্তি অনুসন্ধানে অস্ট্রেলিয়ার ডেইলি টেলিগ্রাফ কোনো মানুষকেই স্বীকৃতির উপযুক্ত মনে করেনি এবার। তারা উইংক্স নামের একটি ঘোড়াকে বর্ষসেরা ব্যক্তিত্ব ঘোষণা করেছে। সংবাদপত্রটি মনোনয়নের তালিকা যাচাই-বাছাইয়ের সময় একটি প্রশ্নের উত্তর অনুসন্ধান করেছে। তা হলো, ‘মনোনীত ব্যক্তি কি অস্ট্রেলিয়ার নিরপেক্ষ মূল্যবোধ ও ভদ্রতা বজায় রেখে কাজ করেছে?’একমাত্র উইংক্স নামের ওই ঘোড়ার ক্ষেত্রে এই প্রশ্নের যথাযথ উত্তর পাওয়া গেছে। ঘোড়াটি কয়েক ডজন ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হয়েছে। এটির অবসরে যাওয়ার সময় ঘনিয়ে আসছে।

Saturday, January 26, 2019

নাক ডাকা বন্ধ করার কিছু সহজ ও ঘরোয়া উপায়

January 26, 2019
ছবি: সংগৃহীত

নাক ডাকা অন্যের অশান্তির কারণ হয়ে উঠতে পারে। অন্যের শান্তির ঘুমে যথেষ্ট ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। আপার রেসপিরেটারি ট্র্যাকে এয়ার ভাইব্রেশনের ফলে নাক ডাকে মানুষ। জীবন যাপন পদ্ধতিতে কিছু বদল এনে এই অভ্যেসের পরিবর্তন সম্ভব। বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের মতে, যাঁরা নাক ডাকেন বেশিরভাগই স্লিপ অ্যাপনিয়া কন্ডিশনে আক্রান্ত।

 ‘‘আপনার সঙ্গীকে খেয়াল করতে বলুন যদি এমন হয় আপনি খানিকটা নাক ডাকার পরে পজ নেন তা হলে এটা স্লিপ অ্যাপনিয়ার লক্ষণ। সকালে উঠে যদি মাথা ধরে, মুখ শুক‌নো লাগে, রাতে বেশি প্রস্রাব পায় এগুলো সব স্লিপ অ্যাপনিয়ার লক্ষণ।''

কি কি উপায় অবলম্বন করে এটা কমাবেন

1. ঘুমনোর দিক পরিবর্তন করুন
চিৎ হয়ে শোবেন না, তাহলে জিভের পিছন দিক টাগরায় লেগে বেশি নাক ডাকে। যে কোনও পাশে কাত হয়ে ঘুমোন।

2. খোলা নাসারন্ধ্র
নাক বন্ধ থাকলে বেশি নাক ডাকে মানুষ। তাই ঘুমনোর আগে গরম জলে স্নান করুন। নাক ভাল করে ঝেড়ে পরিষ্কার করে শুইতে যান। প্রয়োজনে নাসাল স্ট্রিপ নিন।

3. অ্যালকোহল বন্ধ করুন
গলার পিছনের দিকের মাংসের স্থিতিস্থাপকতা কমিয়ে দেয়। ঘুমনোর ঘন্টা চার পাঁচ আগে একেবারই অ্যালকোহল খাবেন না।

4. পানির ভারসাম্য বজায় রাখুন
সারা দিনে শরীরে জল ঠিকমতো পৌঁছলে নাকও হাইড্রেটেড থাকে। ফলে নাক কম ডাকে মানুষ।

5. মাথা একটু তুলে শোবেন
একটি অতিরিক্ত বালিশ নিয়ে মাথা একটু তুলে শোবেন। এতে নাক ডাকার থেকে রেহাই মিলবে।

6. ওজন কমান
মোটাদের নাক ডাকার প্রবণতা বেশি থাকে। স্বাস্থ্যকর খাবার ও ব্যায়ামের মাধ্যমে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন।

7. ভাল ঘুমের অভ্যেস করুন
যাঁদের ঘুম ভাল করে হয় না তারা বেশি নাক ডাকেন। তা ছাড়া কম ঘুম থেকে শরীরে আরও নানা রোগ বাসা বাঁধে। দিনে ৮ ঘণ্টা ঘুম তাই জরুরি।

ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণ করবে কলা

January 26, 2019
ছবি: সংগৃহীত

গত বেশ কয়েক বছর যাবৎ আমাদের দেশে হাই ব্লাড প্রেসারের রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। আর সব থেকে ভয়ের বিষয় হলো উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে বেশিরভাগরই বয়স ৪৫-এর নিচে। এমন পরিস্থিতিতে প্রত্যেকের প্রতিদিন একটি করে কলা খাওয়া উচিত, সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। কারণ ফলটিতে উপস্থিত প্রচুর মাত্রায় পটাশিয়াম শরীরে প্রবেশের পর সোডিয়ামের প্রভাবকে কমাতে শুরু করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে আসতে সময় লাগে না। সেই সঙ্গে আরও একাধিক শারীরিক সমস্যার ও উপকার আছে এই কলাতে।

প্রতিদিন একটা করে কলা খেলে ব্লাড প্রেসার ছাড়াও যেসব রোগ নিয়ন্ত্রণে থাকবে সে সম্পর্কে জেনে নিন...

১. হাড় শক্তপোক্ত হয়
একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত একটা করে কলা খাওয়া শুরু করলে শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি দূর হতে সময় লাগে না। ফলে স্বাভাবিকভাবেই হাড় শক্তপোক্ত হয়ে ওঠে। সেই সঙ্গে অস্টিওআথ্রাইটিস মতো বোন ডিজিজে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও কমে যায়।

২. দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটে
দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটাতে বাস্তবে কলার কোনো বিকল্প নাই। কলাতে উপস্থিত ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম এবং আরও নানাবিধ উপকারি উপাদান শরীরে প্রবেশের পর চোখের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটতে সময় লাগে না। সেই সঙ্গে রেটিনার ক্ষমতাও এতটা বৃদ্ধি পায় যে ম্যাকুলার ডিজেনারেশন বা কোনো ধরনের চোখের রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় থাকে না বললেই চলে।

৩. সার্বিকভাবে শরীর চাঙ্গা হয়ে ওঠে
বছরের শেষেও অফিসে এমন কাজের চাপ যে ক্লান্তি ঘড়ির কাঁটার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে বাড়তে মাত্রা ছাড়িয়েছে? তাই চিন্তা না করে এমন পরিস্থিতিতে একটা কলা খেয়ে নিবেন সব সময়। তাহলেই দেখবেন অনেক চাঙ্গা লাগবে। কারণ ক্লান্তি দূর করতে কলার কোনো বিকল্প হয় না বললেই চলে।

৪. ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়
কলা খাওয়ার পর যদি কলার খোসা মুখে লাগাতে পারেন, তাহলে একদিকে যেমন ত্বকের রোগের প্রকোপ কমে, তেমনি স্কিনের হারিয়ে যাওয়া ঔজ্জ্বল্য ফিরে আসে। আসলে কলার খোসার ভেতরে থাকা একাধিক উপাকারী উপাদান এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

৫. হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটে
আয়ুর্বেদ শাস্ত্র মতে, কলার ভেতরে এমন কিছু উপাদান রয়েছে যা পাচক রসের ক্ষরণ বাড়িয়ে দেয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই হজম প্রক্রিয়ার উন্নতি ঘটে।

৬. স্ট্রেস কমে চোখে পরার মতো
বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে রোজের ডায়েটে কলাকে জায়গা করে দিলে শরীরে ট্রাইপটোফিন নামক একটি উপাদানের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে, যার প্রভাবে ফিল গুড হরমোনের ক্ষরণ এত মাত্রায় বেড়ে যায় যে স্ট্রেস লেভেল তো কমেই, সেই সঙ্গে মানসিক অবসাদের মাত্রাও কমতে সময় লাগে না।

৭. পুষ্টি ঘাটতি দূর হয়
শরীরের সচলতা বজায় রাখতে প্রতিদিন নির্দিষ্ট মাত্রায় ভিটামিন এবং মিনারেলের প্রয়োজন পরে শরীরের। আর এইসব উপাদানের যোগান শরীর পায় খাবার থেকে। সমস্যাটা হলো আজকের প্রজন্ম এতটাই ব্যস্ত যে তাদের হাতে ঠিক মতো খাওয়া-দাওয়া করার সময় নেই। ফলে যা হওয়ার তাই হয়, পুষ্টির ঘাটতি হওয়ার কারণে নানাবিধ রোগ এসে বাসা বাধে শরীরে। এমন পরিস্থিতি কলা কিন্তু দারুণ কাজে আসতে পারে।

৮. টক্সিক উপাদানেরা সব বেরিয়ে যেতে শুরু করে
শুনতে আজব লাগলেও একথা ঠিক যে শরীরের ইতি-উতি উপস্থিত ক্ষতিকর টক্সিক উপাদানদের বের করে দিয়ে দেহের প্রতিটি অঙ্গকে চাঙ্গা রাখতে কলার কোনো বিকল্প হয় না বললেই চলে। কলাতে উপস্থিত প্রেকটিন নামক একটি উপাদান, শরীরের প্রবেশ করামাত্র ক্ষতিকর উপাদানদের বিরুদ্ধে জিহাদ ঘোষণা করে। ফলে রোগমুক্ত শরীরের অধিকারী হয়ে ওঠার স্বপ্ন পূরণ হতে সময় লাগে না।

৯.অ্যানিমিয়ার মতো রোগ দূরে পালায়
কলায় বিদ্যমান প্রচুর পরিমাণ আয়রন শরীরে লোহিত রক্ত কণিকার মাত্রা বৃদ্ধি করে অ্যানিমিয়ার প্রকোপ কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই যারা এমন রোগে ভুগছেন, তারা আয়রন ট্যাবলেটের পাশাপাশি যদি নিয়ম করে কলা খেতে পারেন, তাহলে কিন্তু দারুণ উপকার মিলতে পারে।

১০. ওজন নিয়ন্ত্রণে চলে আসে
কলার শরীরে পটাশিয়াম ছাড়াও রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ফাইবার, যা অনেকক্ষণ পেট ভরিয়ে রাখে। ফলে খাওয়ার পরিমাণ কমতে শুরু করে। আর কম খেলে যে ওজনও কমে, সে কথা কার না জানা।

১১.ডায়াবেটিসের মতো মরণ রোগ ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না
কলা খাওয়া মাত্র শরীরে কম-বেশি ৩ গ্রামের মতো ডায়াটারি ফাইবারের প্রবেশ ঘটে। এর প্রভাবে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাওয়ার সুযোগই পায় না। এই কারণেই টাইপ ১ এবং ২-দুই  ধরনের ডায়াবেটিস রোগীদেরই এই ফলটি খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে।