Wednesday, February 27, 2019
ভারত-পাকিস্তানের সামরিক শক্তির পার্থক্য কতটা?
February 27, 2019
![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
জঙ্গি হামলার ওই ঘটনার পর থেকেই দুই দেশের মধ্যে চলছে উত্তেজনা। পুলওয়ামায় হামলার পর ভারত এর সমুচিত জবাব দেয়ার হুমকি দিয়েছিল। অন্যদিকে, পাকিস্তান বলেছিল যে আক্রান্ত হলে তারাও বসে থাকবে না।
দুটো দেশের হাতেই পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে। কিন্তু প্রতিবেশী এই দুই বৈরী দেশের কার কেমন সামরিক শক্তি রয়েছে অনেকের জানা নেই। বিবিসির এক প্রতিবেদনে দেয়া হয়েছে দুই দেশের অস্ত্রের খোঁজ।
গ্লোবাল ফায়ার পাওয়ারের ২০১৮ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সামরিক শক্তির দিক থেকে বিশ্বের ১৩৬টি দেশের মধ্যে ভারতের অবস্থান চতুর্থ, অন্যদিকে পাকিস্তানের অবস্থান সতেরোতম।
এই তালিকা তৈরি করা হয়েছে ৫৫টির বেশি বিষয় বিবেচনায় নিয়ে। ভৌগলিক, অর্থনৈতিক, স্থানীয় শিল্প, প্রাকৃতিক সম্পদ, কর্মক্ষমতা এবং প্রথম, দ্বিতীয় বা তৃতীয় বিশ্বের দেশের মর্যাদার বিষয়গুলো এখানে বিবেচনায় নেয়া হয়েছে।
জনসংখ্যার দিক থেকে পাকিস্তানের চেয়ে অনেক এগিয়ে ভারত। পাকিস্তানের জনসংখ্যা যেখানে ২০ কোটি ৫০ লাখ সেখানে ভারতের জনসংখ্যা ১২৮ কোটিরও বেশি। পাকিস্তানের সৈন্য সংখ্যা ৯ লাখ ১৯ হাজার হলেও ভারতের সেনাবাহিনীর সদস্য সংখ্যা আনুমানিক ৪২ লাখ।
প্রতিরক্ষা বাজেট
ভারত ও পাকিস্তান - এই দুই দেশের প্রতিরক্ষা বাজেটে বড় পার্থক্য রয়েছে। ভারতের প্রতিরক্ষা বাজেট চার হাজার ৭০০ কোটি ডলার, অন্যদিকে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষায় বরাদ্দ রয়েছে ৭০০ কোটি ডলার।
সামরিক বিমানের সংখ্যা
ভারতের মোট সামরিক বিমান রয়েছে ২ হাজার ১৮৫টি, আর পাকিস্তানের রয়েছে ১ হাজার ২৮১টি বিমান। এসবের মধ্যে ভারতের যুদ্ধবিমান রয়েছে ৫৯০টি আর পাকিস্তানের ৩২০টি।
সেই সঙ্গে ভারতের আক্রমণকারী বা অ্যাটাকিং বিমান রয়েছে ৮০৪টি, অন্যদিকে পাকিস্তানের আছে ৪১০টি। পরিবহনের জন্য ভারতের রয়েছে ৭০৮টি বিমান, পাকিস্তানের রয়েছে ৪৮৬টি।
হেলিকপ্টার
পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর কাছে সাধারণ হেলিকপ্টার রয়েছে যেখানে ৩২৮টি, ভারতের কাছে রয়েছে ৭২০টি। তবে পাকিস্তানের আক্রমণকারী বা অ্যাটাকিং হেলিকপ্টার রয়েছে ৪৯টি, যেখানে ভারতের আছে মাত্র ১৫টি। কার্যক্ষম বিমানবন্দর রয়েছে ভারতের ৩৪৬টি, আর পাকিস্তানের ১৫১টি।
ট্যাংক ও সাঁজোয়া যান
পাকিস্তানের মোট ট্যাংকের সংখ্যা ২ হাজার ১৮২টি হলেও ভারতের রয়েছে এর প্রায় দ্বিগুণ- ৪ হাজার ৪২৬টি। তাছাড়া ভারতের সাঁজোয়া যান রয়েছে ৩ হাজার ১৪৭টি, আর পাকিস্তানের ২ হাজার ৬০৪টি।
আর্টিলারি
গ্লোবাল ফায়ার পাওয়ারের তালিকায় স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রের দিক বিবেচনায় ভারতের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে পাকিস্তান। ভারতের ১৯০টি এ ধরণের অস্ত্র থাকলেও পাকিস্তানের রয়েছে ৩০৭টি।
তবে টেনে নিয়ে যাওয়া যায়, এমন আর্টিলারি ভারতের আছে ৪ হাজার ১৫৮টি। তবে পাকিস্তানের আছে এর এক চতুর্থাংশ - মাত্র ১ হাজার ২৪০টি। রকেট প্রজেক্টর ভারতের কাছে আছে ২৬৬টি আর পাকিস্তানের কাছে আছে ১৪৪টি।
নৌবাহিনীর সরঞ্জাম
ভারতের নৌবাহিনীর কাছে মোট যুদ্ধযান রয়েছে ২৯৫টি আর পাকিস্তানের আছে ১৯৭টি। এসব যুদ্ধযানের মধ্যে ভারতের একটি বিমানবাহী রণতরী থাকলেও ভারতের সেরকম কিছু নেই। ভারতের কাছে ১৬টি সাবমেরিন বা ডুবোজাহাজ থাকলেও পাকিস্তানের আছে পাঁচটি। ফ্রিগেট রয়েছে ভারতের ১৪টি, আর পাকিস্তানের ১০টি।
ভারতের ১১টি ডেস্ট্রয়ার থাকলেও পাকিস্তানের এরকম কোন যুদ্ধজাহাজ নেই। তেমনি ভারতের ২২টি কর্ভেট (ছোট আকারের যুদ্ধজাহাজ) থাকলেও পাকিস্তানের এরকম কোন নৌযান নেই। ভারতের প্যাট্রোল নৌযান রয়েছে ১৩৯টি, আর পাকিস্তানের আছে ১১টি। মাইন যুদ্ধজাহাজ রয়েছে ভারতের ৪টি আর পাকিস্তানের ৩টি।
নৌ-বন্দর, কর্মক্ষম ব্যক্তি, বাণিজ্য জাহাজ, সংরক্ষিত শক্তি ইত্যাদির দিক বিবেচনায় পাকিস্তানের চেয়ে বেশ অনেকটা এগিয়ে রয়েছে ভারত। গ্লোবাল ফায়ার পাওয়ার ইনডেক্স অনুযায়ী, সামরিক দিক থেকে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী দেশ যুক্তরাষ্ট্র। এরপরেই রয়েছে রাশিয়া, চীন ও ভারত।
শীর্ষ ১০দেশের মধ্যে আরো রয়েছে ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, তুরস্ক এবং জার্মানি। ভারত এবং পাকিস্তান - এই দুটো দেশের হাতেই রয়েছে পারমাণবিক অস্ত্র।
তবে গ্লোবাল ফায়ার পাওয়ার তাদের রিপোর্টে উল্লেখ করেনি যে কোন দেশের হাতে কতটি এ ধরণের অস্ত্র রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি বলছে, পারমাণবিক অস্ত্র ক্ষমতার বিষয়টি তারা তাদের রিপোর্টে বিবেচনায় নেয়নি।
সামরিক বিশ্লেষকরা অবশ্য বলে থাকেন যে পারমাণবিক অস্ত্র যুদ্ধের ক্ষেত্রে অনেকটা ডেটেরেন্ট বা নিবৃত্তকরণের উপাদান হিসেবে কাজ করে, কারণ শেষ বিচারে এ ধরণের অস্ত্র কেউ ব্যবহার করতে চাইবে না।
সূত্র: বিবিসি বাংলা
মেসি ও এমবাপ্পের পেছনে রোনালদো
February 27, 2019
| ছবি: সংগৃহীত |
রিয়াল মাদ্রিদে থাকতে লিওনেল মেসির সঙ্গে জমজমাট প্রতিযোগিতা হতো ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর। পর্তুগিজ তারকা জুভেন্টাসে যোগ দেওয়ার পর দুজনের লড়াই শেষ না হলেও উত্তেজনায় কিছুটা ভাটা তো পড়েছেই। রোনালদো নিজেও সেভাবে কুলিয়ে উঠতে পারছেন না। ইতালিয়ান সিরি ‘আ’তে সর্বোচ্চ গোলদাতা হলেও ‘ইউরোপিয়ান গোল্ডেন সু’ জয়ের দৌড়ে রোনালদো মেসি দূর অস্ত, এমবাপ্পেরও পেছনে।
বার্সেলোনার সবশেষ ম্যাচে সেভিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করে সবাইকে ছাপিয়ে গেছেন মেসি। লা লিগায় সর্বোচ্চ এই গোলদাতার গোলসংখ্যা ২৫। গোল প্রতি ২ পয়েন্ট হিসেব করলে মোট ৫০ পয়েন্ট নিয়ে ‘গোল্ডেন সু’ জয়ের তালিকার চূড়ায় মেসি। ২২ গোল করায় ৪৪ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে এমবাপ্পে আর রোনালদো ৩৮ পয়েন্ট (১৯ গোল) নিয়ে তিনে। নিজ নিজ লিগে এখনো ১৩টি করে ম্যাচ খেলবেন মেসি ও রোনালদো। লিগ ওয়ানে ১২টি ম্যাচ পাবেন পিএসজি তারকা এমবাপ্পে।
রোনালদো তাই মেসি-এমবাপ্পেকে ধরার সুযোগ যেমন পাচ্ছেন তেমনি তাঁর কাঁধেও নিশ্বাস ফেলছেন আরেকজন। পোল্যান্ডের অখ্যাত ফরোয়ার্ড ক্রিস্তফ পিওনতেক। অবশ্য এই মৌসুমে তাঁকে আর অখ্যাত বলার উপায় নেই। জেনোয়া ও এসি মিলানের হয়ে ১৮ গোল করা এই ফরোয়ার্ড এখন সিরি ‘আ’তে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা। ৩৬ পয়েন্ট নিয়ে রোনালদোকে টপকে যাওয়ার চোখ রাঙাচ্ছেন পিওনতেক। এরপর সমান ১৭টি করে গোল করেছেন চার তারকা—এডিনসন কাভানি, সার্জিও আগুয়েরো,ফাবিও কোয়াগলিয়ারেল্লা ও মোহাম্মদ সালাহ।
খেলোয়াড় ক্লাব গোল পয়েন্ট
লিওনেল মেসি বার্সেলোনা ২৫ ৫০
কিলিয়ান এমবাপ্পে পিএসজি ২২ ৪৪
ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো জুভেন্টাস ১৯ ৩৮
সূত্র : প্রথম আলো
Monday, February 25, 2019
হ্যাটট্রিকের অর্ধো শতক করলেন মেসি তার আগে ও পরে কে
February 25, 2019
![]() | |
|
সেভিয়ার বিপক্ষে ৪-২ গোলের জয় এনে দেওয়া এই ম্যাচে মেসির হ্যাটট্রিক একটা ব্যক্তিগত দ্বৈরথে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর সঙ্গে দূরত্ব আরও কমিয়ে দিল। রোনালদো তিনটি ভিন্ন দলের হয়ে ৫১টি হ্যাটট্রিক করেছেন। রোনালদোকে ধরে ফেলতে মেসির প্রয়োজন আর মাত্র একটি হ্যাটট্রিক। এই তথ্যে রোনালদো আবার ফুঁসে না উঠলেই হয়! অবশ্য দুজনের বয়সের যা ব্যবধান, মেসি রোনালদোর চেয়ে দুই বছর বেশি খেলবেন বলেই অনুমান করা হয়। ফলে রোনালদো নিজের রেকর্ডগুলো অমর-অক্ষয় করে রাখতে চাইলে এখনই জোর কদমে হাঁটতে হবে।
একটা রেকর্ড যে রোনালদো চাইলেও আর টিকিয়ে রাখতে পারবেন না, তাও মোটামুটি নিশ্চিত। স্প্যানিশ লা লিগায় রোনালদোর হ্যাটট্রিক ৩৪টি। যেটি এই লিগেরই রেকর্ড। লা লিগায় মেসির হ্যাটট্রিক ৩২টি। রোনালদোর রেকর্ড ভাঙতে মেসির আর তিনটি হ্যাটট্রিক চাই। মেসি পারবে না, এর পক্ষে বাজি ধরার মতো লোক পাওয়া কঠিন হয়ে যাবে।
মেসি-রোনালদো এখনকার ফুটবলারদের তুলনায় কত আলোকবর্ষ দূরত্বে, সেটা এই রেকর্ড থেকেও বোঝা যায়। এখনকার শীর্ষ ফুটবলারদের মধ্যে হ্যাটট্রিকে তৃতীয় স্থানে থাকা নামটি লুইস সুয়ারেজ। বার্সেলোনার উরুগুইয়ান এই স্ট্রাইকারের হ্যাটট্রিক ২৯টি। যেকোনো পেশাদার ফুটবলারের জন্যই গর্ব করার মতো একটা পরিসংখ্যান। তবে দুই অতিমানব তাঁর চেয়ে কত সামনে এগিয়ে! বন্ধু মেসিই সুয়ারেজের চেয়ে ২১টি হ্যাটট্রিক বেশি করেছেন।
মেসি-রোনালদো এত অনায়াসে গোল পান, কখনো মনে হতে পারে, কত সহজ কাজটা। তবে সার্জিও আগুয়েরোর হ্যাটট্রিক সংখ্যা বলে দেবে, কঠিন কাজটা অনেক সহজভাবে করতে জানেন এই দুজন। এখনকার শীর্ষ ফুটবলারদের মধ্যে হ্যাটট্রিকে চারে থাকা আগুয়েরো ম্যাচে তিন বা এর বেশি গোল করেছেন ১৭ বার। রবার্ট লেভানডফস্কির হ্যাটট্রিক সংখ্যাও ১৭। এডিনসন কাভানির হ্যাটট্রিক আছে ১৫টি, রাদামেল ফ্যালকাওয়ের হ্যাটট্রিক ১০।
চ্যাম্পিয়নস লিগের হ্যাটট্রিক সংখ্যায় মেসি রোনালদোকে পেরিয়েই গেছেন। রোনালদোর হ্যাটট্রিক সাতটি, মেসির আটটি। তবে জাতীয় দলে দুজনেরই হ্যাটট্রিক সমান, ছয়টি করে।
বলা হয়, ফুটবল ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি হ্যাটট্রিক পেলের। সেই সংখ্যা নাকি ৯২টি! নাকি, বলা হয়...এসব লিখতে হচ্ছে, কারণ এই হ্যাটট্রিকের সঠিক কোনো হিসাব নেই। পেলে তাঁর ক্যারিয়ারে অফিশিয়াল-আনঅফিশিয়াল মিলিয়ে ১২ শর বেশি গোল করেছেন। ৯২ হ্যাটট্রিকের বেশির ভাগই সেই আনঅফিশিয়াল ম্যাচগুলো ধরেই।
সূত্র : প্রথম আলো
হিরের আংটি ফেরত দিলেন বাংলাদেশি রাজু আহমেদ
February 25, 2019
![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
যাত্রীর মূল্যবান হিরের আংটি ফেরত দিয়ে আবারও নিউইয়র্কে প্রশংসা কুড়ালেন বাংলাদেশের এক ক্যাবচালক। মাত্র তিন বছর আগে আমেরিকায় আসা ক্যাবচালক রাজু আহমেদ গত আগস্ট মাসে ম্যানহাটনের লোরেনকে গাড়িতে ওঠান। একপর্যায়ে গাড়িতে বসেই লোরেন রাজুকে জানান, তিনি তাঁর হিরের আংটি হারিয়ে ফেলেছেন।
গাড়িতে তন্নতন্ন করে খুঁজেও আংটির কোনো হাদিস করতে পারেননি রাজু এবং তাঁর যাত্রী লোরেন। দাদির দেওয়া আংটি হারিয়ে মন খারাপ করা লোরেনের ফোন নম্বর রেখেছিলেন এবং কয়েক দফা বার্তা বিনিময় করেছিলেন হারিয়ে যাওয়া আংটি পাওয়া গেল কি না তা জানতে।
সম্প্রতি রাজু আহমেদের গাড়িতে বড় ধরনের মেরামতের কাজ করাতে হয়। এ সময় গাড়ির কার্পেটসহ সবকিছু বদলে ফেলার প্রস্তুতই নিচ্ছিলেন তিনি। বিস্ময়কর হলেও সত্যি, ছয় মাস আগে যাত্রী লোরেনের ফেলে যাওয়া দাদির স্নেহ ও ভালোবাসার উপহার সেই আংটি নিজের গাড়িতেই খুঁজে পান রাজু। চেষ্টা করে খুঁজে বের করেন ম্যানহাটন নিবাসী লোরেনকে।
পূর্বযোগাযোগ অনুযায়ী বুধবার ম্যানহাটনের একটি রেস্তোরাঁয় রাজু আহমেদ সেই হিরের আংটিটি লোরেনের হাতে তুলে দেন। মুগ্ধ লোরেন রাজুর সততার প্রশংসা করে ভালোবাসার মহা মূল্যবান হিরের আংটি ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য রাজুর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। রাজু আহমেদ বলেন, ‘আমি আমার পারিবারিক এবং ধর্মীয় শিক্ষা থেকেই এমনটি করেছি। আমার যাত্রী খুশি হয়েছেন দেখে আমি নিজেও খুশি। হিরের আংটিটির বাজারমূল্য ২০ হাজার ডলারের বেশি বলে মনে করা হচ্ছে।’
নিউইয়র্কে বাংলাদেশিদের সততার জন্য সুনাম অর্জনকারী রাজু আহমেদের বাড়ি সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলায়।
সূত্র : প্রথম আলো
Sunday, February 24, 2019
পুরুষের কোন অঙ্গটি নারীদের বেশি পছন্দ? জানলে অবাক হবেন
February 24, 2019
| ছবি: সংগৃহীত |
নারীর কাছে আকর্ষণীয় হয়ে উঠতে পুরুষের চেষ্টার কোনো দাঁড়ি-কমা নেই। সাজগোজে পরিপাটি থাকতে পা থেকে মাথা পর্যন্ত পুরুষের এই চেষ্টা-চরিত্রের নীরব সাক্ষী আয়না।
এর সামনে দাঁড়িয়ে অনেকে নিজের হাসি মাজা-ঘষা করেন, কেউ আবার চিরুনি চালিয়ে বশ মানান অবাধ্য চুলকে। হাল আমলে অবশ্য ‘স্পাইক’ আর ‘জেল’ বেশ চলছে। নারীদেরও তা ভীষণ পছন্দ। অনেকের আবার পোশাক-পরিচ্ছেদে খুব খেয়াল। কিন্তু বলুন তো, পুরুষের কোন অঙ্গটি নারীদের বেশি পছন্দ?
এ নিয়ে নানাজন দেবেন নানা মত। কেউ বলবেন হাসি, কারও কাছে চুল, কারও আবার মনে হবে পুরুষের পটলচেরা চোখই নারীদের বেশি পছন্দ। তবে অনেকের ভাবনাতেই আসবে না হাতের কথা। অথচ আরও একবার প্রমাণিত হলো, পুরুষের হাত নারীর কাছে অন্যতম আকর্ষণীয় অঙ্গ বলে বিবেচিত। তবে হাতটিকে কিছু যোগ্যতায় পাস করতে হবে অবশ্যই।
পুরুষের হাত বিষয়টি আবারও আলোচনায় আনল টুইটার-জগতে সাম্প্রতিক এক পোস্ট। ‘ডিইই’ নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে একটি হাতের ছবি পোস্ট করে বলা হয়েছিল, ‘নারীদের জন্য, যাঁদের হাত পছন্দ।’ পুরুষ চোখে হাতটিতে তেমন বিশেষত্ব চোখে পড়বে না। হালকা আঁচড়ের দাগ আছে তাতে। এ ছাড়া বিশেষত্ব কিছু নেই। অথচ সেই হাতের ছবিটাই ‘লাইক’ পেয়েছে ২৮ হাজার এবং ‘রি-টুইট’ হয়েছে ৬ হাজার! টুইটারে যাঁদের যাতায়াত নিয়মিত, তাঁরা জানেন, খুব কম টুইট এতটা আলোড়ন ফেলতে পারে।
শুধু নারী নন, এই হাতের মাজেজা বুঝতে তাতে হুমড়ি খেয়ে পড়েছেন অনেক পুরুষও। নিজেদের হাতের ছবি তুলে তাঁরা সেখানে ‘রি-টুইট’ করছেন। উদ্দেশ্য একটাই, আমাদের হাতই-বা কী দোষ করল!
অনেকে ব্যাপারটা বোঝার চেষ্টা করছেন। তাঁদের প্রশ্ন, এক হাত নিয়ে এমন হাতাহাতি হওয়ার জোগাড় কেন? কী আছে পুরুষদের হাতে। সেখানেই অনেকে উত্তর দিয়েছেন, ‘ওঁরা (নারী) ছেলেদের শিরা-উপশিরা বোঝা যায়—এমন হাত পছন্দ করে।’ এক নারীর আবার একটু কাটাছেঁড়া হাত বেশি পছন্দ। তাঁর মন্তব্য, ‘ঠিক জানি না কেন, তবে কাটার দাগটায় আমি শিহরিত।’
বিজ্ঞান কী বলছে? বিজ্ঞানও বলছে, পুরুষদের হাতের প্রতি নারীর দুর্বলতা আছে। বিশেষ করে শিরা-উপশিরা দৃশ্যমান হয়—এমন হাত সত্যিই নারীদের ‘শিহরিত’ করে। পুরুষের হাতের প্রতি নারীদের আসক্তি নিয়ে কিন্তু কম গবেষণা হয়নি। হাতের আঙুলগুলোর কথাই ধরুন, ডান হাতের অনামিকা আর তর্জনীর মধ্যে উচ্চতার পার্থক্য নিয়ে গবেষণা করেছে ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়।
তাদের সমীক্ষায় উঠে এসেছে, তর্জনী থেকে অনামিকার উচ্চতা বড় হলে সেই পুরুষ তুলনামূলক বেশি সন্তান প্রজননে সক্ষম হন। তাঁর আইকিউও অন্যদের তুলনা বেশি হয়ে থাকে। এমন সঙ্গীকেই তো নারীরা চাইবেন!
আবার জেনেভা বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক জানিয়েছেন, সবচেয়ে বেশি না হলেও নারীরা পুরুষকে পছন্দ করার ক্ষেত্রে হাতকে বেশ গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। আরও কিছু অঙ্গপ্রত্যঙ্গের ব্যাপারে আড়চোখে নারীরা ঠিকই পরখ করে নেন পুরুষদের।
সূত্র : বিডি নিউজ ওয়েব
Saturday, February 23, 2019
নারী সঙ্গীর মন জয় করার সহজ ৮টি উপায়
February 23, 2019
| ছবি: সংগৃহীত |
সময়ের সাথে সাথে বেড়ে চলেছে প্রেম করার প্রবণতাও। আর এজন্য প্রয়োজন একজনকে অন্যজনের মন জয় করা। এক্ষেত্রে পুরুষের মন জয় করা যতটা সোজা ততটায় যেন কষ্ট নারীর মন জয় করা। তবে কাজটা কিন্তু মোটেও কঠিন নয়।এজন্য প্রয়োজন কিছু টেকনিক। আজকাল পুরুষেরা নানান বিচিত্র উপায়ে নারীর মন জয়ের চেষ্টা করেন, কিন্তু সত্য কথাটা এই যে কিছু সাধারণ কাজেই যে কোন নারীর মন আজীবনের জন্য জিতে নিতে পারবেন আপনি। হ্যাঁ, এই সাধারণ ভদ্রতা সূচক কাজগুলো আজকাল আর পুরুষেরা করেন না। আর করেন না বলেই নারীদের কাছে সেটা ভীষণ আকর্ষণীয়। জেনে নিন সেই সাধারণ কাজগুলো।
১. দরজাটা খুলে দেয়া
পছন্দের মেয়েটিকে নিয়ে কোথাও বেড়াতে যাচ্ছেন? রেস্তরাঁ কিংবা গাড়ির দরজাটি তার জন্য খুলে ধরুন। এমনকি প্রেমিকা বা স্ত্রী ছাড়াও অন্য মেয়েদের জন্য কাজটি করুন। এটি একজন আদর্শ পুরুষের খুবই সাধারণ ভদ্রতা।
২. তাকে কোথাও উঠতে বা বসতে সাহায্য করা
রিকশায় বা অন্য কোন বাহনে উঠতে সাহায্য করা, কিংবা রেস্তরাঁয় বসার সময় চেয়ারটি টেনে দেয়া। এগুলোও খুবই সাধারণ ভদ্রতা পুরুষের জন্য। আমাদের দেশে এটার চর্চা নেই, কিন্তু পশ্চিমা সমাজে আছে। তাই নারীদের কাছে এটা খুবই আকর্ষণীয়।
৩. রেস্তরাঁয় সঙ্গী নারীটিকেই অর্ডার করতে দেয়া
সাথে যে নারী আছেন, তাকেই প্রথমে অর্ডার করতে দিন। আপনি পরে করুন বা নিজের পছন্দ তার ওপরে চাপিয়ে দেবেন না। স্ত্রী বা প্রেমিকা হলেও না।
৪. মেয়েটির উপস্থিতিতে অন্য কোন নারীর দিকে না তাকানো
মেয়েদের দিকে তাকান কমবেশি সকল পুরুষই। কিন্তু সাথে অপর একজন নারী থাকলে কাজটি মোটেও করবেন না, সম্পূর্ণ মনযোগ তাঁকেই দিন। আর দেখুন, কীভাবে আপনার প্রতি তার ধারণা বদলে যায়!
৫. কপালে চুমু খাওয়া
এই কাজটি একজন নারী যে কি ভীষণ ভালোবাসেন, সেটা জানেন কেবল নারীরাই। কারণ এর মাধ্যমে প্রকাশিত হয় ভালোবাসা, মমতা ও হৃদয়ের উষ্ণতা।
৬. ফুল উপহার দেয়া
নারীরা ভীষণ ভালোবাসেন ফুল উপহার পেতে। রাগ বা অভিমান করলে ফুল তো দেবেনই, বিনা কারণেও তাঁকে কিনে দিন ফুল। ভীষণ খুশি হয়ে উঠবেন। আর সেই ফুল খোঁপায় পরিয়ে দিলে তো কথাই নেই।
৭. হাত ধরে পাশপাশি হাঁটা
ব্যস্ত জীবনে চলার পথে একটু পাশাপাশি হাঁটুন কখনো। আর সেই সময়ে ধরে থাকুন তার হাত। সম্পর্কটি হয়ে উঠবে অটুট।
৮. মেয়েটির পরিবারের সাথে সময় কাটানো
প্রত্যেক নারীই চান স্বামী বা প্রেমিক তার পরিবারকে ভালবাসুক। এই কাজটি যখন আপনি আন্তরিকভাবে করবেন, পছন্দের নারীর মন জিতে নেবেন আজীবনের জন্য।
উপরিউক্ত কাজগুলো যদি ঠিকঠাক মতো করতে পারেন তাহলে পছন্দের নারীর মন পেতে পারেন নিমিষেই। আর এই কাজগুলো যদি নিয়মিত চালিয়ে যেতে পারেন তাহলে আপনি যেমন সুখী থাকবেন তেমনি খুশি থাকবে আপনার পছন্দের মানুষটি।
সূত্র : বিডি নিউজ ওয়েব
পুরুষরা প্রতিদিন ঘুমানোর আগে যা খেলে সারা জীবণ যৌবন ধরে রাখা যাবে
February 23, 2019
![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
সে’ক্স বাড়ানোর জন্য যৌন শক্তি বর্ধক ট্যাবলেট খাওয়া ঠীক না। এই ঔষধ পুরুষকে ধ্বজভংগ রোগের দিকে ঠেলে দেয় অনেক ক্ষেত্রে মানুষকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়। যৌন শক্তি বাড়ানো জন্য কোন ঔষধ সেবনের প্রয়োজন নেই। গবেষনায় দেখা যায় পুরুষের পুষ্টিকর খাদ্য খাওয়ার মাধ্যমে যৌন শক্তি পেয়ে থাকে। এক্ষেত্রে গাভীর খাঁটি দুধ ও ডিমের ভূমিকা অসাধারন। যৌন শক্তি বাড়ানোর ক্ষেত্রে ইউনানী ঔষধ গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রাখতে পারে।
এজন্য অবশ্যই অভিজ্ঞ ও রেজিষ্টার্ড হাকীমের পরামর্শ নিতে হবে। মনে রাখবেন রাস্তা ফুটপাতে থেকে যৌন শক্তিবর্ধক ট্যাবলেট কেনা থেকে বিরত থাকুন। যৌন শক্তি বাড়ানোর কোন মন্ত্র আছে বলে বিজ্ঞান বিশ্বাস করেন না।
যারা আপনাকে মন্ত্র পড়ে সহবাসের পরামর্শ দেয়, তারা নিছক আপনার সাথে প্রতারনা করে মাত্র। তাই যে কোন চিকিত্সা বা পরামর্শের জন্য রেজিষ্টার্ড চিকিত্সকের পরামর্শ নিন।এখন আসি আসল কোথায় প্রতি দিন ঘুমাবার আগে ১ টি পান সাথে খাটি মধু ও কালজিরা পান দিয়ে খাবেন। ১০০% কাজে লাগবেই।
সূত্র : বিডি অনলাইন নিউজ ২৪
Friday, February 22, 2019
নারীর ‘চুড়ান্ত যৌনসুখানুভুতি’র রহস্য প্রকাশ
February 22, 2019
![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
ফিমেল অরগাজম বা নারীর চুড়ান্ত যৌন সুখানুভুতির বিষয়টি এতোদিন বিজ্ঞানীদেরকে হতবুদ্ধি করে রেখেছিল। অবশেষে সম্প্রতি গবেষকরা দাবি করেছেন, তারা হয়তো নারীর চুড়ান্ত যৌন সুখানুভুতির বিবর্তনীয় শেকড় খুঁজে পেয়েছেন।
গর্ভধারণের জন্য নারীদের চুড়ান্ত যৌন সুখানুভুতির অভিজ্ঞতা লাভ জরুরি নয়। আর তাছাড়া শুধু যৌন মিলনের সময়েই যে নারীরা এই অভিজ্ঞতা লাভ করেন তাও নয়। ফলে বিষয়টি এতোদিন বিজ্ঞানীদেরকে হতবুদ্ধি করেই রেখেছিল।
তবে যুক্তরাষ্ট্রের বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি এর রহস্য উদঘাটনের ঘোষণা দিয়েছেন। তাদের মতে নারীদের চুড়ান্ত যৌন সুখানুভুতি মূলত আমাদের বিবর্তনীয় অতীত থেকে এসেছে। আর এর অনুষঙ্গ হিসেবে নারী দেহে যে হরমোনগত জোয়ার আসে তা সন্তান উৎপাদনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে।
গবেষণাটির সহরচয়িতা সিনসিনাটি চিলড্রেনস হসপিটালের চিকিৎসক, মেহায়েলা পাভলিসেভ বলেন, “একটি বিষয় জোর দিয়ে বলা দরকার যে, আজকের মানবীদের মধ্যে চুড়ান্ত যৌন সুখানুভুতির যে রূপ দেখা যায় তা আগেও একই রকম ছিল সেটা ভাবা ঠিক নয়। আমাদের ধারণা সন্তান উৎপাদনের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করার জন্য নারীদেহে হরমোনগত যে জোয়ার আসে সেটিই আগে এই চুড়ান্ত যৌনসুখানুভুতির কেন্দ্রে ছিল।
আর সেটিই পরবর্তীতে মানবীদের মধ্যে বিবর্তনের মাধ্যমে আরো পরিবর্তিত রুপ নিয়ে হয়ে হাজির হয়।”জেইজেড মলকিউলার অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টাল ইভোলিউশন নামের জার্নালে প্রকাশিত গবেষণা নিবন্ধে পাভলিসেভ এবং ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের গুন্টার ওয়েগনার নারীদের চুড়ান্ত যৌন সুখানুভুতির রহস্য উদঘাটনে বিভিন্ন স্তন্যপায়ী প্রাণির উপর চালানো গবেষণার বিবরণ দিয়েছেন।
চুড়ান্ত যৌন সুখানুভুতির আনুষঙ্গিক ঘটনা নারীদেহের হরমোনগত জোয়ারের উপর ভিত্তি করে তারা স্তন্যপায়ী প্রাণিদের অ্যানাটমি ও আচরণগত বিশ্লেষণের মাধ্যমে এর রহস্য উদঘাটন করেছেন তারা। বিড়াল ও ইদুরের মতো স্তন্যপায়ী জীবদের মধ্যে হরমোনগত এই জোয়ার শুধু যৌন মিলনের সময়ই দেখা যায়। যা ডিম্বাশয় থেকে ডিম্বানু নিঃসরণের জন্য সংকেত পাঠানোর ক্ষেত্রে প্রধান ভুমিকা পালন করে।কিন্তু বর্তমানে মানুষসহ অন্যান্য সমজাতীয় স্তন্যপায়ী প্রাণীদের ক্ষেত্রে নারীদেহের ডিম্বাশয় থেকে ডিম্বানু নিঃসরণের ঘটনাটি স্বয়ংক্রিয়ভাবেই ঘটে থাকে।
এর জন্য চুড়ান্ত যৌনসুখানুভুতির মাধ্যমে সন্তান উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় হরমোনগত জোয়ার সৃষ্টি করে সংকেত পাঠানোর আর কোনো দরকার হয় না।এই গবেষণা থেকে প্রমাণিত হয়, নারী-পুরুষের যৌন মিলনের সময় নারীরা চুড়ান্ত যৌন সুখানুভুতির অভিজ্ঞতা লাভের মধ্য দিয়ে তাদের ডিম্বাশয়ে সংকেত পাঠানোর মাধ্যমে ডিম্বানু নিঃসরণের যে ঘটনা ঘটাতো তা বিবর্তনের একধাপ আগে সত্য ছিল।
সম্ভবত আজ থেকে প্রায় সাড়ে ৭ কোটি বছর আগেই মানুষ ও তার সমগোত্রীয় স্তন্যপায়ী প্রজাতির প্রাণিদের নারী দেহের ডিম্বাশয় থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ডিম্বানু নিঃসরণ প্রক্রিয়া চালু হয়।এই গবেষণা থেকে এও প্রমাণিত হয় যে, আগে মানব প্রজাতির নারী-পুরুষের যৌন মিলনের সময়ও নারীরা চুড়ান্ত যৌন সুখানুভুতির অভিজ্ঞতা লাভের মাধ্যমেই তাদের ডিম্বাশয়ে ডিম্বানু নিঃসরণের জন্য সংকেত পাঠাতো।কিন্তু সাড়ে ৭ কোটি বছর আগে মানবীদের দেহের ডিম্বাশয় থেকে ডিম্বানু নিঃসরণের স্বয়ংক্রিয় প্রক্রিয়া চালু হওয়ার পর থেকে ডিম্বানু নিঃসরণে চুড়ান্ত যৌন সুখানুভুতির আর কোনো ভুমিকাই রইলো না।
এরপর নারীদের চুড়ান্ত যৌন সুখানুভুতির অভিজ্ঞতা সম্ভবত অন্য কোনো কাজে নিয়োজিত হয়। পাভলিসেভ বলেন, “ডিম্বাশয় থেকে ডিম্বানু নিঃসরণের জন্য সংকেত পাঠানোর কাজে ভুমিকা হারানোর পর থেকে নারীদের চুড়ান্ত যৌনসুখানুভুতির অভিজ্ঞতা নারী-পুরুষের বন্ধন শক্তিশালি করার মতো আচরণ সৃষ্টি বা তেমনই কোনো ক্ষেত্রে হয়তো গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করছে। সুতরাং আমরা বলতে পারিনা যে ফিমেল অর্গাজম পুরোপুরিভাবে মানব প্রজাতির পুনরুৎপাদন থেকে ভিন্ন কোনো ভুমিকায় সহযোজিত হয়েছে। কেননা, নারী-পুরুষের বন্ধন শক্তিশালি করার কাজও প্রজাতির পুনরুৎপাদন সংশ্লিষ্ট কাজ বটে। গবেষকরা বলেছেন, এই তত্ত্বের পক্ষে বিভিন্ন প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণিদের জননাঙ্গে ভগাঙ্কুরের অবস্থানের একটি তুলনামূলক চিত্র হাজির করা হয়।
ভগাঙ্কুরই চুড়ান্ত যৌনসুখানুভুতির অভিজ্ঞতা লাভের প্রধান মাধ্যম। যেসব প্রজাতির নারী সদস্যরা তাদের ডিম্বাশয় থেকে ডিম্বানু নিঃসরণের জন্য যৌন মিলনের সময় চুড়ান্ত যৌন সুখানুভুতি এবং হরমোনগত জোয়ারের ওপরই নির্ভরশীল তাদের জননাঙ্গের যোনিপথের সম্মুখভাগেই এই ভগাঙ্কুরের অবস্থান থাকে।যাতে যৌন মিলনের সময় সহজেই এতে ঘর্ষণের মাধ্যমে উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়। কিন্তু যে প্রজাতির নারী সদস্যরা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই ডিম্বাশয় থেকে ডিম্বানু নিঃসরণ করে তাদের জননাঙ্গের যোনিপথ থেকে এই ভগাঙ্কুরের অবস্থান অনেক দূরে থাকে।
পাভলিসেভ বলেন, এ থেকে “বেশিরভাগ মানবীই কেন যৌন মিলনের সময় চুড়ান্ত যৌন সুখানুভুতির অভিজ্ঞতা লাভ করেন না তারও একটি ব্যাখ্যা মিলবে। মানব প্রজাতির নারী সদস্যদের জননাঙ্গের যোনিপথ থেকে ভগাঙ্কুরের অবস্থান দূরে হওয়ার কারণেই সঙ্গমের সময় তাদের চুড়ান্ত যৌন সুখানুভুতির অভিজ্ঞতা লাভ না করাই স্বাভাবিক।”
দ্য কেস অফ দ্য ফিমেল অরগাজম বইয়ের লেখক ইন্ডিয়ানা বিশ্ববিদ্যালয়ের জীব বিজ্ঞানের অধ্যাপক এলিজাবেথ লয়েড বলেন, “নারীদের চুড়ান্ত যৌন সুখানুভুতি এখন আর শুধু ইন্দ্রিয় সুখানুভুতি সৃষ্টি করা ছাড়া সন্তান উৎপাদনের ক্ষেত্রে কোনো ভুমিকাই পালন করছে না। তার মানে এই নয় এটি এখন গুরুত্বপূর্ণ নয়। বরং এটি শুধু এখন আর প্রজাতির বিবর্তনে কোনো ভুমিকা পালন করছে না।”তবে নারী পুরুষের বন্ধন আরো শক্তিশালি বা ঘনিষ্ঠ করার ক্ষেত্রে এর ভুমিকা রয়েছে বলে অন্যান্য গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে।
সূত্র : বিডি অনলাইন নিউস ২৪।
২০১৯ বিশ্বকাপের সেরা ৫ অধিনায়ক কারা দেখে নিন
February 22, 2019
![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
প্রতি চার বছর পর টুর্নামেন্ট আয়োজিত হলেও, বিশ্বকাপের উম্মাদনা প্রায় প্রত্যেকটি আন্তর্জাতিক ম্যাচেই থাকে। কোনো দলের জয় কিংবা পরাজয়ের চিত্র নিয়ে সুক্ষ্ণ বিশ্লেষণের সাথে বিস্তর আলোচনায় বসেন ক্রিকেটবোদ্ধারা। খেলোয়াড়দের মানসিক দৃঢ়তা, অভিজ্ঞতা, আক্রমণ কৌশলসহ সকল খুঁটিনাটি বিষয়গুলো নিয়ে বিচার করা হয় প্রত্যেকটি দলকে। তবে একটি দলের পারফরম্যান্সের আগাম চিত্র অনুমান করা যায় সেই দলের অধিনায়কের অধিনায়কত্ব কৌশল দেখে।
একজন অধিনায়ক নিজের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে দলকে জয়ের জন্য উজ্জীবিতরাখতে পারেন । অধিনায়কের একটি সাহসী পদক্ষেপই নিশ্চিত হার এড়িয়ে দলকে পৌঁছে দিতে পারে জয়ের বন্দরে। আমাদের আজকের আলোচনা সাজানো হয়েছে সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স বিবেচনায় ২০১৯ বিশ্বকাপের সেরা ৫ অধিনায়ককে নিয়ে৷
৫. ফ্যাফ ডু প্লেসিস (সাউথ আফ্রিকা): সাম্প্রতিক সময়ে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ওয়ানডেতে যে কয়েকজন অধিনায়কের অধীনে দেখা গেছে, তাদের মধ্যে সবচেয়ে সফল ছিলেন ফ্যাফ ডু প্লেসিস। তার অধিনায়কত্বে প্রথম ১৭টি ওয়ানডে ম্যাচের মধ্যে ১৫টি ম্যাচেই জয়ের দেখা পায় প্রোটিয়ারা। অধিনায়ত্বের পাশাপাশি ব্যাটসম্যান হিসেবেও দেশ এবং দেশের বাইরে যথেষ্ট নামডাক কুড়িয়েছেন তিনি।
১১৯ ইনিংসে ব্যাট হাতে নেমে প্লেসিস সংগ্রহ করেছেন ৪৬৯৩ রান। ২৯টি অর্ধশতকের সাথে ১০টি সেঞ্চুরির ইনিংস খেলেছেন বিস্ময়কর ৮৮.৫৮ স্ট্রাইক রেটে। ২০১৫ সালের বিশ্বকাপে ডি ভিলিয়ার্সের অধীনে সেমিফাইনাল খেলেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। ২০১৭ সালে অধিনায়কত্ব থেকে সরে দাড়ালে ভিলিয়ার্সের স্থলাভিষিক্ত হন প্লেসিস। বর্তমানে তার নেতৃত্বেই আইসিসির সর্বশেষ ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়ের দ্বিতীয় অবস্থানে আছে প্রোটিয়ারা। প্লেসিসের নেতৃত্বে আসন্ন বিশ্বকাপের ট্রফি ছুঁয়ে দেখার স্বপ্নটা দেখতেই পারে সাউথ আফ্রিকার সমর্থকেরা।
৪. বিরাট কোহলি (ভারত): মহেন্দ্র সিং ধোনির যোগ্য উত্তরসূরি হিসেবে বহুদিন আগে থেকেই বিরাট কোহলির নাম উচ্চারিত হচ্ছিলো। টেস্টে ধোনির অবসরের পর ভারতীয় দলের টেস্ট অধিনায়কত্বের দায়িত্ব পেয়েছিলেন কোহলি। আর ধোনি অধিনায়কত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর পর অনুমিতভাবেই ওয়ানডে দলেরও দায়িত্ব দেয়া হয় এই ব্যাটসম্যানকে। জাতীয় দলের অধিনায়কত্ব করার আগে কোহলি আইপিএলের দল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন। দেশের মাটিতে ভারত নিয়মিত সিরিজ জিতলেও অভিযোগ ছিলো, দেশের বাইরে ভারত ভালো খেলতে পারে না।
কোহলি নেতৃত্বে আসার পর টেস্ট ও ওয়ানডে উভয় ফরম্যাটে এবং সব ধরনের কন্ডিশনেই ভারত সিরিজ জিতেছে। সম্প্রতি তার নেতৃত্বে অস্ট্রেলিয়াকে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতেই টেস্ট এবং ওয়ানডে সিরিজ হারিয়েছে ভারত। বর্তমানে আইসিসির ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে আছে দলটি। ২০১৫ বিশ্বকাপে ভালো খেলেও ফাইনাল খেলতে পারেনি ভারত। ২০১৭ চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ফাইনালে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের কাছে হেরেছিল কোহলির দল৷ দলের সাফল্যের ধারা অব্যাহত থাকলে ২০১৯ বিশ্বকাপটা নিশ্চয়ই হাতছাড়া করতে চাইবেন না বিরাট কোহলি।
৩. সরফরাজ আহমেদ (পাকিস্তান): পাকিস্তান বরাবরই ক্রিকেটের সবচেয়ে ‘আনপ্রেডিক্টেবল’ দলগুলোর একটি। ২০১৭ চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে অংশ নেয়া দলগুলোর মধ্যে র্যাঙ্কিংয়ের সবার শেষে থেকেও চ্যাম্পিয়ন হয়েছে পাকিস্তান। চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে সরফরাজের বুদ্ধিদীপ্ত অধিনায়কত্ব প্রশংসা কুড়িয়েছে সমালোচকদের থেকে। পাকিস্তানকে প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়নস ট্রফি জয়ের স্বাদ দেয়া এই উইকেটরক্ষকব্যাটিংয়েও কম যান না।
৩১ বছর বয়সী সরফরাজ পাকিস্তানের জার্সিতে খেলেছেন ৯৯টি ওয়ানডে ম্যাচ। ৮৪.৪৭ স্ট্রাইক রেটে তার ব্যাট থেকে এসেছে ১৮৯৫ রান। ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি উইকেটের পেছনেও দারুণ আত্মবিশ্বাসী ভঙ্গিতে থাকেন ডানহাতি এই ব্যাটসম্যান। আসন্ন বিশ্বকাপে পাকিস্তানকে টুর্নামেন্টের ফেভারিট দলগুলোর মধ্যে রাখেননি ক্রিকেট বিশ্লেষকেরা। তবে চমক দেখাতে অভ্যস্ত পাকিস্তান নিশ্চয়ই সরফরাজের নেতৃত্বে আরেকটি শিরোপা জেতার জন্যই ইংল্যান্ডে পা রাখবে।
২. এউইন মরগান (ইংল্যান্ড): ইংল্যান্ড এমন একটি দল, যারা সীমিত ওভারের ক্রিকেটের চেয়ে টেস্ট ক্রিকেটকে বেশি গুরুত্ব দেয়। তবে ২০১৫ বিশ্বকাপে দলের ভরাডুবির পর এই নীতি থেকে সরে আসে ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড। অভিজ্ঞ কিন্ত অসফল ক্রিকেটারদের তুলনায় তরুণ ক্রিকেটারদের উপর আস্থা রাখছে ইংল্যান্ড টিম ম্যানেজমেন্ট। অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড বিশ্বকাপের পর বদলে যাওয়া দলগুলোর একটি হলো ইংল্যান্ড। এউইন মরগানের নেতৃত্বে সাম্প্রতিক সময়ে দলটি প্রচুর উন্নতি করেছে।
মরগানের নেতৃত্বে ইংল্যান্ড তাদের বহু প্রচলিত রক্ষণশীল ক্রিকেটীয় মনোভাব থেকে সরে এসে খেলছে আক্রমণাত্মক ক্রিকেট। ওয়ানডে ক্রিকেটে উন্নতি করতে হলে যে ভয়ডরহীন ক্রিকেটের কোনো বিকল্প নেই, তা এই বামহাতি ব্যাটসম্যানের অধিনায়কত্ব কৌশল দেখেই বোঝা যায়৷ শুধু অধিনায়ক হিসেবে নয়, নিজেও আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করে দলকে উপযুক্ত নেতৃত্ব দেন এই ইংলিশ অধিনায়ক। ৩২ বছর বয়সী মরগান নিশ্চয়ই আসন্ন বিশ্বকাপেই ইংল্যান্ডের দীর্ঘ দিনের আন্তর্জাতিক ট্রফি খরা ঘোচাতে চাইবেন।
১. মাশরাফি বিন মর্তুজা (বাংলাদেশ): ক্যারিয়ারের সেরা সময়টায় হাঁটুর চোটের কারণে মাশরাফিকে নিয়মিতভাবে দলে পায়নি বাংলাদেশ। সাকিব, মুশফিকুরের নেতৃত্বে কয়েকটি ম্যাচে ভালো ফলাফল করতে পারলেও ধারাবাহিক ভাবে সাফল্যের দেখা পাচ্ছিলো না দলটি৷ এমন অবস্থায় চোট থেকে সদ্যই দলে ফেরা অভিজ্ঞ মাশরাফির উপরে আস্থা রাখে বিসিবি৷ ২০১৪ সালের শেষের দিকে মাশরাফিকে পুনরায় টাইগারদের অধিনায়ক হিসেবে ঘোষণা করে টিম ম্যানেজমেন্ট। নতুন মেয়াদে দায়িত্ব পেয়ে জিম্বাবুয়ের সাথে ৫ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজটি বাংলাদেশকে জেতান ৫ – ০ ব্যবধানে।
২০১৫ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে ইংল্যান্ডের সাথে অবিশ্বাস্য জয়ে দলকে তুলেছিলেন কোয়ার্টার ফাইনালে। বিশ্বকাপের পর তার নেতৃত্বে পাকিস্তান, ভারত ও সাউথ আফ্রিকার মতো শক্তিশালী দলের সাথে বাংলাদেশ ঘরের মাটিতে সিরিজ জিতেছে। মাশরাফির নেতৃত্বে সর্বশেষ চ্যাম্পিয়নস ট্রফির সেমিফাইনাল খেলেছে টাইগার বাহিনী। অধিনায়ক হিসেবে দুর্দান্ত মাশরাফি এখনো দলের পেস বোলিং ডিপার্টমেন্টের মূল আস্থার প্রতীক।
নির্দিষ্ট সময়ে আইসিসির র্যাঙ্কিং টেবিলের শীর্ষ ৮ দলের মধ্যে থাকার কারণে এবারের বিশ্বকাপে সরাসরি অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ। আসন্ন বিশ্বকাপের পরই সব ধরণের ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দিতে পারেন মাশরাফি। বিদায়ের আগে ‘ক্যাপ্টেন ফ্যান্টাসটিক’ এর কাছ থেকে আরেকটি দুর্দান্ত টুর্নামেন্ট উপহার চাইতেই পারে ১৬ কোটি বাংলাদেশি।
সূত্র : বিডি অনলাইন নিউস ২৪
Thursday, February 21, 2019
শরীরে দূর্গন্ধ ও ঘাম কমানোর সেরা উপায়
February 21, 2019
![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
গরমে বা খাটাখাটনিতে শরীরে ঘাম হয়, এটাই স্বাভাবিক। ঘাম শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। সাধারণত ব্যায়াম, গরম আবহাওয়া, ভয় বা রাগের কারণে শরীর ঘামার প্রবণতা বেড়ে যেতে পারে।
তাছাড়া মানসিক চাপ, দুশ্চিন্তা, স্থূলতা, শরীরে পুষ্টির অভাবসহ নানান কারণে শরীর অতিরিক্ত পরিমাণে ঘামতে পারে। পাশাপাশি ডায়াবেটিস, জ্বর, হৃদযন্ত্রের সমস্যা, মেনোপজ ও লিউকোমিয়া ইত্যাদি কারণেও শরীর বেশি ঘাম হতে পারে।
অতিরিক্ত ঘাম শরীরের বিভিন্ন জায়গা যেমন হাতের তালু, পায়ের নিচে, বগল, গলা, কপাল, এমনকি মাথার ত্বকেও ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে। এছাড়া এটি স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় বাধা সৃষ্টি করে ও ঘামের দুর্গন্ধ বাড়ানোর ঝুঁকি বাড়ায়।
স্বাস্থ্য বিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে ঘরোয়া পদ্ধতিতে অতিরিক্ত ঘাম নিয়ন্ত্রণের উপায় সম্পর্কে জানানো হয়। তবে ঘামের পরিমাণ অস্বাভাবিক হারে বাড়লে ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করে অতিরিক্ত ঘাম হওয়ার কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।
অ্যাপল সাইডার ভিনিগার
ঘাম নিয়ন্ত্রণ করতে অ্যাপল সাইডার ভিনিগার বেশ কার্যকরী। ত্বকে ব্যবহার করে ঘাম নিয়ন্ত্রণ করার পাশাপাশি অ্যাপল সাইডার ভিনিগার নিয়মিত খাওয়ার ফলে ত্বকের পিএইচ স্তর ঠিক রাখতে সাহায্য করে।
প্রথমে অতিরিক্ত ঘাম হওয়া স্থানগুলো ভালো মতো পরিষ্কার করে নিতে হবে। তারপর তুলার বলে অ্যাপল সাইডার ভিনিগার নিয়ে ওই স্থানগুলোতে লাগিয়ে সারা রাত রেখে দিতে হবে। সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠে গোসল করে পাউডার বা ডিউডরেন্ট লাগাতে হবে।
এছাড়া চাইলে অ্যাপল সাইডার ভিনিগার খাওয়ার অভ্যাস করলেও অতিরিক্ত ঘাম নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। সেক্ষেত্রে এক গ্লাস পানিতে ২ টেবিল-চামচ অ্যাপল সাইডার ভিনিগার ও ২ টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে নিয়ে প্রতিদিন সকাল বেলা খালি পেটে খেলে উপকার পাওয়া যাবে।
বেকিং সোডা
বেকিং সোডাও শরীরকে অতিরিক্ত ঘামের হাত থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে। বেকিং সোডা প্রাকৃতিক ভাবে শরীরের ঘাম শোষণ করে ও দুর্গন্ধ কমায়। এছাড়া শরীরের যে অংশ বেশি ঘামে সেখানের পিএইচ লেভেলের মাত্রা কমাতেও বেকিং সোডা সাহায্য করে।
পরিমাণমতো পানির সঙ্গে ১ টেবিল-চামচ বেকিং সোডা মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করে নিতে হবে। তারপর এই পেস্টের সঙ্গে পছন্দমতো তিন থেকে চার ফোঁটা সুগন্ধী তেল মিশিয়ে নিয়ে বগলে এবং যে সব জায়গা বেশি ঘামে সেসব জায়গায় লাগিয়ে ১৫ থেকে ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেললে উপকার পাওয়া যাবে।
পেস্টটি সপ্তাহে কয়েকবার ব্যবহার করা যাবে। এছাড়া বেকিং সোডা ও কর্ন ফ্লাওয়ার একসঙ্গে সমপরিমাণে মিশিয়ে একটি বোতলে সংরক্ষণ করা যায়। তারপর বেশি ঘাম হওয়া স্থানগুলোতে প্রয়োজনমতো এই মিশ্রণ ব্যবহার করা যাবে।
লাল চা
অতিরিক্ত ঘাম কমাতে লাল চা বেশ কার্যকারী। লাল চা’য়ে থাকা ট্যানিক অ্যাসিড ঘাম প্রতিরোধ করতে পারে। এছাড়া লাল চা ঘাম গ্রন্থি সংকোচন করে অতিরিক্ত ঘামানোর হাত থেকে শরীরকে রক্ষা করে।
পাশাপাশি শরীরের দুর্গন্ধ সৃষ্টিকারী জীবাণু ধ্বংস করতেও লাল চা সমান কার্যকারী। তিন থেকে চার কাপ গরম পানিতে একটি বা দুইটি টি-ব্যাগ ভিজিয়ে ১০ মিনিট রেখে দিতে হবে। তারপর ওই পানিতে পরিষ্কার কাপড় ভিজিয়ে বগল ও গলায় লাগাতে হবে।
তাছাড়া হাত ও পায়ের ঘাম নিয়ন্ত্রণ করতে একই পদ্ধতিতে ২০ থেকে ৩০ মিনিট হাত ও পা পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে, সেক্ষেত্রে পানির পরিমাণ বাড়িয়ে নিতে হবে।
সপ্তাহে একদিন এই পদ্ধতি ব্যবহার করা যাবে এবং প্রতিদিন দুই থেকে তিনকাপ লাল চা পান করলে ভালো ফল পাওয়া যাবে।
সাদা চন্দন
সাদা চন্দনের পাউডার বা গুঁড়া ত্বক শুষ্ক রাখার মাধ্যমে ঘাম নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এতে আছে বিভিন্ন ধরনের এনজাইম যা ত্বকের অতিরিক্ত ঘাম শোষণ করে নেয়। এছাড়া চন্দনের সুগন্ধি ঘাম থেকে তৈরি দুর্গন্ধ দূর করতে সাহায্য করে।
পরিমাণমতো গোলাপ জলের সঙ্গে এক টেবিল-চামচ সাদা চন্দনের গুঁড়া মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করে নিতে হবে। এর সঙ্গে অল্প পরিমাণ লেবু মিশিয়ে নিন।
তারপর শরীরের যে অংশে বেশি ঘাম হয়, সেখানে পরিষ্কার করে এই পেস্ট লাগিয়ে শুকিয়ে না যাওয়া পর্যন্ত রাখতে হবে। তারপর হালকা পানি দিয়ে পরিষ্কার করে নিতে হবে। অতিরিক্ত ঘাম নিয়ন্ত্রণ না হওয়া পর্যন্ত নিয়মত এই পেস্ট লাগাতে হবে।
টমেটোর রস
টমেটোতে আছে অ্যাস্ট্রিনজেন্ট যা ঘাম গ্রন্থিকে সংকুচিত করে। তাছাড়া এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান ঘাম নিয়ন্ত্রণ করে অতিরিক্ত ঘামানোর প্রবণতা কমিয়ে আনে। এক সপ্তাহ টানা প্রতিদিন এক কাপ করে তাজা টমেটোর রস খেতে হবে।
পরের সপ্তাহ থেকে এক দিন পরপর এককাপ করে টমেটোর রস পান করলে ভালো ফল পাওয়া যাবে। তাছাড়া বেশি ঘাম হয় এমন স্থানগুলোতে টমেটোর রস লাগিয়ে ১০ বা ১৫ মিনিট পর হালকা গরম পানি দিয়ে গোসল করে নিলেই ঘাম কম হবে। ঘাম নিয়ন্ত্রণ না হওয়া পর্যন্ত প্রতিদিন এভাবে গোসল করলে উপকার পাওয়া যাবে।
লেবু
লেবু প্রাকৃতিক ডিওডরেন্ট হিসেবে কাজ করে। যা ঘাম থেকে তৈরি দুর্গন্ধ দূর করতে সাহায্য করে। এক গ্লাস পানিতে পরিমাণমতো লেবুর রস মিশিয়ে সেটা দিয়ে তোয়ালে ভিজিয়ে সারা শরীর ভালোভাবে স্পঞ্জ করে ২০ থেকে ৩০ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে। তারপর ঠান্ডা পানি দিয়ে গোসল করে ফেলতে হবে।
এভাবে প্রতিদিনই গোসলের আগে গায়ে লেবুর রস মিশ্রিত পানি স্পঞ্জ করে নিতে হবে। এছাড়া অন্য উপায়েও লেবু দিয়ে ঘাম নিয়ন্ত্রণ করা যায়। সেক্ষেত্রে সমপরিমাণ লেবুর রস ও বেকিং সোডা মিশিয়ে ঘন ও মসৃণ পেস্ট তৈরি করে নিতে হবে। তুলার বলে দিয়ে মিশ্রণটি নিয়ে বেশি ঘামে এমন জায়গাগুলোতে লাগিয়ে ২০ মিনিট অপেক্ষা করে কুসুম গরম পানি দিয়ে পরিষ্কার করে নিতে হবে।
একদিন পরপর এই পদ্ধতি অনুসরণ করা যাবে। উল্লেখ্য, সূর্যের আলো বা রোদে বের হওয়ার আগে লেবু ব্যবহার উচিত না।
নারিকেল তেল
এই তেলে আছে লরিক এসিড যা দুর্গন্ধের জন্য দায়ী জীবাণু ধ্বংস করতে সাহায্য করে। এছাড়া নারিকেল তেলের হালকা সুগন্ধ শরীরকে সারাদিন সজীব রাখতে সাহায্য করবে। খানিকটা নারিকেল তেল এবং শিয়া বাটার একসঙ্গে নিয়ে মাইক্রোওয়েভে এক মিনিট গরম করতে হবে।
এরপর মিশ্রণের সঙ্গে ৩ টেবিল-চামচ বেকিং সোডা ও ২ টেবিলচাম অ্যারারুট পাউডার দিয়ে সঙ্গে কয়েক ফোঁটা সুগন্ধী তেল মিশিয়ে সংরক্ষণ করতে হবে। এই মিশ্রণ ডিওডরেন্ট হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
অন্যান্য পরামর্শ
* সারাদিন বেশি পানি পান করতে হবে। এতে শরীরের তাপমাত্রা ঠিক থাকবে।
* গোসলের সময় ‘অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল’ সাবান ব্যবহার করতে হবে।
* নাইলন ও পলিয়েস্টার কাপড়ের পোশাক ঘাম শোষণ না করে উল্টো ঘাম আটকে রাখে। তাই সহজেই ঘাম শুষে নেয় এমন কাপড়, যেমন: সুতি ও সিল্কের তৈরি পোশাক পরতে হবে।
* ডিওডরেন্ট বা অন্য ঘাম প্রতিরোধক লাগানোর সময় শরীর ঠিকভাবে শুকিয়ে নিতে হবে।
* মসলাযুক্ত খাবার ঘামের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। তাই মসলাযুক্ত খাবার এড়িয়ে যেতে হবে।
* মাথার ত্বককে ঘাম থেকে রক্ষা করতে ‘ড্রাই’ শ্যাম্পু ব্যবহার করা যেতে পারে।
* ধূমপান, অ্যালকোহল ও ক্যাফেইন নিলে স্বাভাবিকের চেয়ে শরীর ঘামে বেশি। তাই যতটা সম্ভব এসব পরিহার করতে হবে।
* অতিরিক্ত ঘামের জন্য দায়ী বাড়তি ওজন। তাই ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।
* মানসিক চাপ কমানোর চেষ্টা করতে হবে। কারণ মানসিক চাপ অতিরিক্ত ঘাম হওয়ার অন্যতম কারণ।
* পানি সমৃদ্ধ তাজা ফল ও শাক-সবজি প্রচুর পরিমাণে খেতে হবে।
* এছাড়া বুকে ব্যাথা, দ্রুত হৃদস্পন্দন, নিঃশ্বাস নিতে সমস্যা বা হঠাৎ ওজন কমে যাওয়ার কারণে অতিরিক্ত ঘাম হলে, সময় নষ্ট না করে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।
সূত্র : বিডি লেডি
Wednesday, February 20, 2019
অকালে বীর্যপাত এর কারণ জেনে নিন
February 20, 2019
![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
পুরুষ যদি উত্তেজনার শুরুতেই বীর্য ত্যাগ করে তবে তাকে অকাল বীর্যপাত বলে ধরে নেওয়া যায়। নারীর সাথে দৈহিক মিলনের সময় পুরুষ নানা ভাবে নারীকে উত্তেজিত করে। এই সময় উভয়েই উভয়েই শরীর স্পর্শ করে এবং নানাভাবে আদর করে। অনেক পুরুষের এই সময়েই বীর্যপাত হয়ে যায়। এতে করে পরবর্তী সময়ে শারীরিক মিলন উত্তেজনা আর তীব্র হয় না।
অকাল বীর্যপাতের ব্যাপারে কয়েকটি পরামর্শ হলো–
লিঙ্গে স্পর্শ না করা।
প্রথমেই তীব্র উত্তেজিত না হওয়া ।
পারস্পরিক হস্তমৈথুন ।
লিঙ্গের উত্তেজনা ধরে রাখা ইত্যাদি ।
চিকিৎসাঃ
ডায়াজিপাম অথবা লিব্রিয়ামের ব্যবহার ।
শারীরিক মিলনের আধাঘন্টা আগে ট্যাবলেট মেলারিল ৫ থেকে ১০ মিঃগ্রাম সেবন।
ফোঁটা ফোঁটা বীর্যপাত পুরুষের শারীরিক মিলন জীবনের একটি সমস্যা। বিভিন্ন শারীরিক এবং মানসিক কারণে এই অবস্থার সৃষ্টি হতে পারে। সাইকোজেনিক কারণে অবশ্য এই সমস্যা হয় বেশি। অনেক ক্ষেত্রে আঘাতজনিত কোনো কারণে ও এটি হতে পারে। বিভিন্ন কারণের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কারণগুলো হলোঃ
কঠিন ধর্মীয় কুসংস্কার ।
গর্ভাবস্থার ভয় ।
নারীর কাছ থেকে লাঞ্ছিত হওয়া ।
সেলিবেসি অবস্থার চাপ ।
বীর্যদানে কার্পণ্য মনোভাব ইত্যাদি ।
সূত্র : বিডি লেডি ডট কম
Tuesday, February 19, 2019
অনলাইনে স্মার্ট কার্ড সংশোধন করার নিয়ম
February 19, 2019
| ছবি: সংগৃহীত |
আমরা অনেকেই জানি না জাতীয় পরিচয়পত্র বা ভোটার আইডি হারিয়ে গেলে, কোনো তথ্য সংশোধন বা ছবি পরিবর্তনের আবেদন করা যাবে অনলাইনে। অনেকের পরিচয়পত্র ছিল, হারিয়ে গেছে বা পরিচয়পত্রে ভুল তথ্য রয়েছে সংশোধন করা প্রয়োজন—এমন অনেকেই আছেন বুঝতে পারছেন না, তারা কীভাবে নতুন পরিচয়পত্র পাবেন বা ভুল তথ্য ঠিক করবেন।
তাদের জন্যই এই বিশেষ আয়োজন। জেনে নিন যেভাবে করবেন- প্রথমে রেজিষ্ট্রেশন করতে এই লিংকে যান https://services.nidw.gov.bd/registration (এই সাইট https ফরম্যাটে হওয়াতে আপনার ফায়ারফক্স ব্রাউজারে এটা লেখা আসতে পারে This Connection is Untrusted সেক্ষেত্রে সমাধান হলো প্রথমে Understand the Risks ক্লিক করেন তারপর। * On the warning page, click I Understand the Risks. * Click “Add Exception‘…. The Add Security Exception dialog will appear. * Click “Confirm Security Exception” ক্লিক করুন সাইট চলে আসবে।
এরপর- ১. প্রয়োজনীয় তথ্যাবলী পূরণ করে নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করুন। ২. আপনার কার্ডের তথ্য ও মোবাইলে প্রাপ্ত এক্টিভেশন কোড সহকারে লগ ইন করুন। ৩. তথ্য পরিবর্তনের ফর্মে তথ্য হালনাগাদ করে সেটির প্রিন্ট নিয়ে নিন। ৪. প্রিন্টকৃত ফর্মে স্বাক্ষর করে সেটির স্ক্যানকৃত কপি অনলাইনে জমা দিন। ৫. তথ্য পরিবর্তনের স্বপক্ষে প্রয়োজনীয় দলিলাদি কালার স্ক্যান কপি অনলাইনে জমা দিন।
এবার “রেজিষ্ট্রেশনফরম পূরণ করতে চাই” ক্লিক করুন। এবার ফরমটি সঠিক ভাবে পুরণ করুন- * এন.আই.ডি নম্বরঃ (আপনার এন.আই.ডি নম্বর যদি ১৩ সংখ্যার হয় তবে অবশ্যই প্রথমে আপনার জন্মসাল দিয়ে নিবেন উদাহরণঃ আপনার কার্ড নাম্বার ১২৩৪৫৬৭৮৯১০০০ ও জন্মসাল ১৯৯০ আপনি এভাবে দিবেন১৯৯০১২৩৪৫৬৭৮৯১০০০) * জন্ম তারিখঃ (কার্ড দেখে সিলেক্ট করুন) *
মোবাইল ফোন নম্বরঃ (আপনার সঠিক মোবাইল নাম্বার দিন কারণ মোবাইলে ভেরিফাই কোড পাঠাবে) * ইমেইলঃ (ইচ্ছা হলে দিতে পারেন না দিলে সমস্যা নাই, ইমেইল আইডি দিলে পরবর্তীতে লগইন করার সময় ভেরিফাই কোড ইমেইলে সেন্ড করতে পারবেন যদি মোবাইল হাতের কাছে না থাকে) * বর্তমান ঠিকানা: বিভাগ জেলা উপজেলা/থানা সিলেক্ট করুন ভোটার হবার সময় যা দিয়েছিলেন। *
য়ী ঠিকানা: বিভাগ জেলা উপজেলা/থানা সিলেক্ট করুন ভোটার হবার সময় যা দিয়েছিলেন। * লগইন পাসওয়ার্ড: পাসওয়ার্ড অবশ্যই ৮ সংখ্যার হতে হবে বড় হাতের অক্ষর ও সংখ্যা থাকতে হবে যেমনঃ InfoPedia71 এবার সঠিক ভাবে ক্যাপচার পূরণ করুন ছোট হাতের বড় হাতের অক্ষর বা সংখ্যা যা দেওয়া আছে তাই বসান তবে স্পেস দিতে হবেনা । এবার “রেজিষ্টার” বাটন ক্লিক করে দ্বিতীয় ধাপে চলে যান।
ফরম টি সঠিক ও সফল ভাবে রেজিস্টার করার পর দেখুন আপনার মোবাইলে ভেরিফাই কোড এসেছে ও ব্রাউজারে ঐ কোড সাবমিট করার অপশন এসেছে, নিচের ছবির মত স্থানে আপনার মোবাইলের ভেরিফিকেশন কোড বসান ও রেজিস্টার বাটনে ক্লিক করুন। (২ মিনিটের মধ্যে মোবাইলে কোড না আসলে পুণরায় কোড পাঠান (SMS) ক্লিক করুন) সঠিক ভাবে কোড প্রবেশ করার পর আপনার Account Active হয়ে যাবে এবার একটি পেইজ আসবে আপনাকে লগইন করতে বলা হবে অথবা লগইন লিংক
https://services.nidw.gov.bd/login লগইন করতে আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর (১৩ সংখ্যার হলে অবশ্যই প্রথমে আপনার জন্মসাল দিয়ে নিবেন) জন্মতারিখ ও আপনার দেওয়া পাসওয়ার্ড দিয়ে ভেরিফাই কোড কিভাবে পেতে চান তা সিলেক্ট করতে হবে। রেজিস্ট্রেশন করা মোবাইল নাম্বার আপনার হাতের কাছে থাকলে মোবাইলে তা না হলে ইমেইলে সিলেক্ট করুন।এবার “সামনে” ক্লিক করুন।
এবার আপনার সিলেক্ট করা অপশন মোবাইলে বা ইমেইল থেকে ভেরিফাই কোড বসিয়ে লগইন করুন। দুই মিনিটের মধ্যে যদি কোড না আসে তবে “পুনরায় কোড পাঠান” বাটনে ক্লিক করুন। নির্বাচন কমিশনের কাছে থাকা আপনার ডাটাবেজের সব তথ্য দেখা যাবে এবার। নিচের যেকোনো অপশনে চাহিদা অনুযায়ী ক্লিক করুন আর তথ্য হালনাগাদ করুন। এভাবেই আপনি আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য সংশোধন কিংবা ছবি পরিবর্তন করতে পারবেন খুব সহজেই।
বিতর্কিত নায়িকা সানাই মাহবুবকে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদ
February 19, 2019
![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ইন্টারনেটে অপেশাদার এবং অপ্রাসঙ্গিক ভিডিও ছড়ানোর অভিযোগে অভিনেত্রী সানাই মাহবুব সুপ্রভাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নেওয়া হয়েছে পুলিশের সাইবার নিরাপত্তা ও অপরাধ দমন বিভাগে।
রবিবার সানাইকে জিজ্ঞাসাবাদের তথ্যটি দৈনিক ইত্তেফাককে নিশ্চিত করেন পুলিশের সাইবার সিকিউরিটি অ্যান্ড ক্রাইম ডিভিশনের কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের এডিসি নাজমুল ইসলাম।
নাজমুল ইসলাম বলেন, 'মাননীয় মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার স্যারের নেতৃত্বে নিরাপদ ইন্টারনেট ক্যাম্পেইন এর অংশ হিসেবে আজ সানাইকে আমরা জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আমাদের অফিসে এনেছিলাম। সানাই তার ভিডিও গুলোর জন্য জাতির কাছে ক্ষমা চেয়েছে এনং সে সব ভিডিও মুছে ফেলতে সম্মত হয়েছে। সে মুচলেকা দিয়েছে যে সে কখনো আর এ ধরনের ভিডিও বানাবে না বা ছড়াবে না। সাইবার নিরাপত্তা ও অপরাধ দমন বিভাগ তার এমন কর্মকাণ্ডের ওপর নজর রাখবে। মুচলেকার বাইরে কিছু করলে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। অন্যান্য অনেকের জন্যও আমাদের এই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে'।
জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নেওয়ার পর ডিবি পুলিশের হেফাজতে থেকে নিজের ফেসবুক আইডি দিয়ে লাইভে এসে ক্ষমা চান সানাই। জিজ্ঞাসাবাদের পর তাকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।
সূত্র : দৈনিক ইত্তেফাক
Monday, February 18, 2019
বাংলা চলচিত্রের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা পরীমনির বাগদান
February 18, 2019
| ছবি: সংগৃহীত |
চিত্রনায়িকা পরীমনির জীবনে শুভ সময় চলছে। কারণ, গত সপ্তাহে পরীমনি অভিনীত ‘আমার প্রেম আমার প্রিয়া’ ছবিটি মুক্তি পেয়েছে। এরপর এবারের ভালোবাসা দিবসে পরীমনি জানালেন আরেকটি খুশির সংবাদ। সাংবাদিক তামিম হাসানকে চিরদিনের সঙ্গী হিসেবে বেছে নিয়েছেন তিনি। গত বৃহস্পতিবার পরীমনির বাসার ছাদে দুই পরিবারের লোকের উপস্থিতিতে হয়ে গেল পরীমনি ও তামিমের বাগদান অনুষ্ঠান। এমনটিই জানিয়েছেন পরীমনি। তিনি বলেন, ভালোবাসার গল্পটা বলতে গেলে এভাবে বলতে হয় সেটা হচ্ছে- তামিম ও আমার পরিচয় হয়েছিল ২০১৬ সালের ১১ই জানুয়ারি। একটি টিভি অনুষ্ঠানে পরিচয় হয় আমাদের।
এরপর ২১শে জানুয়ারি আমাদের বন্ধুত্ব শুরু। একই বছরের ১২ই জুলাই আমরা দুজন দুজনকে প্রেমের প্রস্তাব দেই। এরপর কিছুটা অপেক্ষা। গত বছরের ১২ই জুলাই তামিমকে ‘হ্যাঁ’ বলি আমি। আর এবারের ভালোবাসা দিবসে আমাদের দুই পরিবারের উপস্থিতিতে হয়ে গেল বাগদান অনুষ্ঠান। গতকাল সকালে পরীমনি তার ফেসবুক পেজে তামিম হাসানের সঙ্গে ভালোবাসা দিবস উদযাপনের কিছু রোমান্টিক ছবি পোস্টও করেছেন। ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে দুজনই লাল রঙের পোশাক পরে কেকও কেটেছেন। এদিকে তামিম হাসান ফেসবুকে সিঙ্গেল থেকে ‘গট ইনগেজ টু পরীমনি’ স্ট্যাটাসও দেন গত বৃহস্পতিবার ভালোবাসা দিবসে।
পরীমনি মডেলিংয়ের পাশাপাশি বেশকিছু চলচ্চিত্রে অভিনয় করে জনপ্রিয়তা পান। ওয়েব সিরিজেও কাজ করেছেন তিনি। তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘ভালোবাসা সীমাহীন’, ‘মহুয়া সুন্দরী’, ‘পুড়ে যায় মন’, ‘রক্ত’, ‘ধূমকেতু’, ‘আপন মানুষ’, ‘সোনাবন্ধু’, ‘অন্তর জ্বালা’, ‘স্বপ্নজাল’ ইত্যাদি। এদিকে একটি এফএম রেডিওতে ‘লাভগুরু’ নামের একটি অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করে আলোচনায় আসেন তামিম হাসান।
তিনি দেশের একটি জাতীয় দৈনিকের বিনোদন বিভাগে কর্মরত। পরীমনি নির্মাতা গিয়াসউদ্দিন সেলিমের ‘স্বপ্নজাল’ ছবিটি করার পর ভেবে চিন্তে নতুন ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হচ্ছেন। পরীর মতে, ‘স্বপ্নজাল’ বদলে দিয়েছে পরীকে। এখন পরী ‘নায়িকা’ থেকে ‘অভিনেত্রী’ পরিচয়ে পরিচিত হতে শুরু করেছেন। গিয়াস উদ্দিন সেলিম পরিচালিত এই ছবি পরীর অভিনয় জীবনের এক স্মরণীয় বাঁক বলে মনে করেন খোদ এই অভিনেত্রী। এখন আর যেকোনো পরিচালকের বা যেকোনো গল্পের ছবিতে কাজ করছেন না তিনি।
পরী-তামিমের বাগদান তো সম্পন্ন হলো। বিয়েটা কবে করছেন? এমন প্রশ্নের জবাবে সবশেষে হাসিমাখা মুখে পরীমনি জানান, সামনে যেকোনো ১৪ই ফেব্রুয়ারি বিয়েটা করব। হা হা হা। আর একটা ইন্টারেস্টিং কথা বলি এবার। আমি ফ্যামিলিতে বড় মেয়ে। আর তামিমের ফ্যামিলিতে তামিম বড়। তাই ওদের ফ্যামিলিতে এখন বড় বউ হবো আমি।
শাহরুখ কন্যা সুহানার গুমর ফাঁস
February 18, 2019
![]() |
| ছবি: সংগৃহীত |
বলিউড বাদশা শাহরুখ খানের মেয়ে সুহানা। বাবার খ্যাতির আলোয় কিছুটা আলোকিত বরাবরই। নিজে বড় হওয়ার পর অভিনয়কে পেশা হিসেবে না নিলেও বি-টাউনে তাকে নিয়ে কম গুঞ্জন শোনা যায় না। কখনও সেক্সি ড্রেস পরে বাবার সঙ্গে পার্টিতে, তো কখনও সমুদ্র সৈকতে বিকিনি পরা সুহানার ছবি নেটদুনিয়ায় ভাইরাল। তবে তিনি যাই-ই করুন, যেভাবেই থাকুন না কেন, ফটোগ্রাফারদের ক্যামেরা তার পিছু ছাড়ে না।
বাবার কড়া শাসন, এখনই গ্ল্যামার জগতের দিকে পা বাড়িয়ে দেয়া বরদাস্ত নয়। আগে পড়াশোনা, তারপর যেমন ইচ্ছে পেশায় যেতে পারো। কোনো বাধা নেই। তাই জাহ্নবী কাপুর, সারা আলি খানদের মতো এখনও সুহানাকে পর্দায় দেখতে পাননি দর্শকরা। হয়তো ইচ্ছে থাকলেও সুহানা মন খুলে তা বলতে পারেননি।
কিন্তু সদ্য টিনএজ পেরোনো মেয়ের মন তো উড়ু উড়ু। কত আর এমন মধুর অনুভূতি শেয়ার না করে থাকবেন? না, সুহানা পারেননি বেশিক্ষণ। বি-টাউনের উৎসাহী মহল একটু ছেঁকে ধরতেই ঝুলি থেকে একেবারে সুড়সুড় করে রাস্তায় নেমে এলো বিড়াল।
ভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়, তাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল-‘কোন অভিনেতার সঙ্গে ডেটে যেতে চান?’ সুহানার উত্তর-‘সাউথ কোরিয়ার পপসিঙ্গার কাম অ্যাক্টর কাম মডেল কিম জুন মেইয়ন, যিনি স্টেজে সাহু বলে অতি পরিচিত।’
সাহু ওরফে কিম জুন মেইয়ন একেবারে বহুমুখী প্রতিভা সম্পন্ন তরতাজা যুবক। শারীরিক আকর্ষণ তো আছেই। এরপর একাধারে গান লেখেন, গান করেন, অভিনয় করেন আবার মডেলিংয়েও সামনের সারিতে। দক্ষিণ কোরিয়ার বাসিন্দা। এই সাহু-ই যে এই মুহূর্তে সুহানার বড়সড় ক্রাশ, তা স্পষ্টই বোঝা যাবে তার সোশ্যাল মিডিয়ার পাতায় চোখ রাখলে। ইনস্টাগ্রামে সুহানা পোস্ট করেছেন সাহু-র আকর্ষণীয় একটি ছবি।
এর আগে গুঞ্জন শোনা গিয়েছিল, ক্রিকেটার শুভমান গিলের সঙ্গে নাকি সুহানার হৃদ্যতা তৈরি হয়েছে। বলি মহলে এ নিয়ে বেশ ভালোই ফিসফাস হয়েছে। সে সম্পর্কের জল কতদূর গড়িয়েছিল, জানা নেই। এবার নতুন ক্রাশের খবর নিজেই ফাঁস করে সুহানা নিজেকে আরও চর্চিত করে তুললেন।
Subscribe to:
Posts (Atom)









