Friday, February 22, 2019

নারীর ‘চুড়ান্ত যৌনসুখানুভুতি’র রহস্য প্রকাশ

February 22, 2019
ছবি: সংগৃহীত

ফিমেল অরগাজম বা নারীর চুড়ান্ত যৌন সুখানুভুতির বিষয়টি এতোদিন বিজ্ঞানীদেরকে হতবুদ্ধি করে রেখেছিল। অবশেষে সম্প্রতি গবেষকরা দাবি করেছেন, তারা হয়তো নারীর চুড়ান্ত যৌন সুখানুভুতির বিবর্তনীয় শেকড় খুঁজে পেয়েছেন।

গর্ভধারণের জন্য নারীদের চুড়ান্ত যৌন সুখানুভুতির অভিজ্ঞতা লাভ জরুরি নয়। আর তাছাড়া শুধু যৌন মিলনের সময়েই যে নারীরা এই অভিজ্ঞতা লাভ করেন তাও নয়। ফলে বিষয়টি এতোদিন বিজ্ঞানীদেরকে হতবুদ্ধি করেই রেখেছিল।

তবে যুক্তরাষ্ট্রের বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি এর রহস্য উদঘাটনের ঘোষণা দিয়েছেন। তাদের মতে নারীদের চুড়ান্ত যৌন সুখানুভুতি মূলত আমাদের বিবর্তনীয় অতীত থেকে এসেছে। আর এর অনুষঙ্গ হিসেবে নারী দেহে যে হরমোনগত জোয়ার আসে তা সন্তান উৎপাদনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে।

গবেষণাটির সহরচয়িতা সিনসিনাটি চিলড্রেনস হসপিটালের চিকিৎসক, মেহায়েলা পাভলিসেভ বলেন, “একটি বিষয় জোর দিয়ে বলা দরকার যে, আজকের মানবীদের মধ্যে চুড়ান্ত যৌন সুখানুভুতির যে রূপ দেখা যায় তা আগেও একই রকম ছিল সেটা ভাবা ঠিক নয়। আমাদের ধারণা সন্তান উৎপাদনের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করার জন্য নারীদেহে হরমোনগত যে জোয়ার আসে সেটিই আগে এই চুড়ান্ত যৌনসুখানুভুতির কেন্দ্রে ছিল।

আর সেটিই পরবর্তীতে মানবীদের মধ্যে বিবর্তনের মাধ্যমে আরো পরিবর্তিত রুপ নিয়ে হয়ে হাজির হয়।”জেইজেড মলকিউলার অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টাল ইভোলিউশন নামের জার্নালে প্রকাশিত গবেষণা নিবন্ধে পাভলিসেভ এবং ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের গুন্টার ওয়েগনার নারীদের চুড়ান্ত যৌন সুখানুভুতির রহস্য উদঘাটনে বিভিন্ন স্তন্যপায়ী প্রাণির উপর চালানো গবেষণার বিবরণ দিয়েছেন।

চুড়ান্ত যৌন সুখানুভুতির আনুষঙ্গিক ঘটনা নারীদেহের হরমোনগত জোয়ারের উপর ভিত্তি করে তারা স্তন্যপায়ী প্রাণিদের অ্যানাটমি ও আচরণগত বিশ্লেষণের মাধ্যমে এর রহস্য উদঘাটন করেছেন তারা। বিড়াল ও ইদুরের মতো স্তন্যপায়ী জীবদের মধ্যে হরমোনগত এই জোয়ার শুধু যৌন মিলনের সময়ই দেখা যায়। যা ডিম্বাশয় থেকে ডিম্বানু নিঃসরণের জন্য সংকেত পাঠানোর ক্ষেত্রে প্রধান ভুমিকা পালন করে।কিন্তু বর্তমানে মানুষসহ অন্যান্য সমজাতীয় স্তন্যপায়ী প্রাণীদের ক্ষেত্রে নারীদেহের ডিম্বাশয় থেকে ডিম্বানু নিঃসরণের ঘটনাটি স্বয়ংক্রিয়ভাবেই ঘটে থাকে।

এর জন্য চুড়ান্ত যৌনসুখানুভুতির মাধ্যমে সন্তান উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় হরমোনগত জোয়ার সৃষ্টি করে সংকেত পাঠানোর আর কোনো দরকার হয় না।এই গবেষণা থেকে প্রমাণিত হয়, নারী-পুরুষের যৌন মিলনের সময় নারীরা চুড়ান্ত যৌন সুখানুভুতির অভিজ্ঞতা লাভের মধ্য দিয়ে তাদের ডিম্বাশয়ে সংকেত পাঠানোর মাধ্যমে ডিম্বানু নিঃসরণের যে ঘটনা ঘটাতো তা বিবর্তনের একধাপ আগে সত্য ছিল।

সম্ভবত আজ থেকে প্রায় সাড়ে ৭ কোটি বছর আগেই মানুষ ও তার সমগোত্রীয় স্তন্যপায়ী প্রজাতির প্রাণিদের নারী দেহের ডিম্বাশয় থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ডিম্বানু নিঃসরণ প্রক্রিয়া চালু হয়।এই গবেষণা থেকে এও প্রমাণিত হয় যে, আগে মানব প্রজাতির নারী-পুরুষের যৌন মিলনের সময়ও নারীরা চুড়ান্ত যৌন সুখানুভুতির অভিজ্ঞতা লাভের মাধ্যমেই তাদের ডিম্বাশয়ে ডিম্বানু নিঃসরণের জন্য সংকেত পাঠাতো।কিন্তু সাড়ে ৭ কোটি বছর আগে মানবীদের দেহের ডিম্বাশয় থেকে ডিম্বানু নিঃসরণের স্বয়ংক্রিয় প্রক্রিয়া চালু হওয়ার পর থেকে ডিম্বানু নিঃসরণে চুড়ান্ত যৌন সুখানুভুতির আর কোনো ভুমিকাই রইলো না।

এরপর নারীদের চুড়ান্ত যৌন সুখানুভুতির অভিজ্ঞতা সম্ভবত অন্য কোনো কাজে নিয়োজিত হয়। পাভলিসেভ বলেন, “ডিম্বাশয় থেকে ডিম্বানু নিঃসরণের জন্য সংকেত পাঠানোর কাজে ভুমিকা হারানোর পর থেকে নারীদের চুড়ান্ত যৌনসুখানুভুতির অভিজ্ঞতা নারী-পুরুষের বন্ধন শক্তিশালি করার মতো আচরণ সৃষ্টি বা তেমনই কোনো ক্ষেত্রে হয়তো গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করছে। সুতরাং আমরা বলতে পারিনা যে ফিমেল অর্গাজম পুরোপুরিভাবে মানব প্রজাতির পুনরুৎপাদন থেকে ভিন্ন কোনো ভুমিকায় সহযোজিত হয়েছে। কেননা, নারী-পুরুষের বন্ধন শক্তিশালি করার কাজও প্রজাতির পুনরুৎপাদন সংশ্লিষ্ট কাজ বটে। গবেষকরা বলেছেন, এই তত্ত্বের পক্ষে বিভিন্ন প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণিদের জননাঙ্গে ভগাঙ্কুরের অবস্থানের একটি তুলনামূলক চিত্র হাজির করা হয়।

ভগাঙ্কুরই চুড়ান্ত যৌনসুখানুভুতির অভিজ্ঞতা লাভের প্রধান মাধ্যম। যেসব প্রজাতির নারী সদস্যরা তাদের ডিম্বাশয় থেকে ডিম্বানু নিঃসরণের জন্য যৌন মিলনের সময় চুড়ান্ত যৌন সুখানুভুতি এবং হরমোনগত জোয়ারের ওপরই নির্ভরশীল তাদের জননাঙ্গের যোনিপথের সম্মুখভাগেই এই ভগাঙ্কুরের অবস্থান থাকে।যাতে যৌন মিলনের সময় সহজেই এতে ঘর্ষণের মাধ্যমে উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়। কিন্তু যে প্রজাতির নারী সদস্যরা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই ডিম্বাশয় থেকে ডিম্বানু নিঃসরণ করে তাদের জননাঙ্গের যোনিপথ থেকে এই ভগাঙ্কুরের অবস্থান অনেক দূরে থাকে।

পাভলিসেভ বলেন, এ থেকে “বেশিরভাগ মানবীই কেন যৌন মিলনের সময় চুড়ান্ত যৌন সুখানুভুতির অভিজ্ঞতা লাভ করেন না তারও একটি ব্যাখ্যা মিলবে। মানব প্রজাতির নারী সদস্যদের জননাঙ্গের যোনিপথ থেকে ভগাঙ্কুরের অবস্থান দূরে হওয়ার কারণেই সঙ্গমের সময় তাদের চুড়ান্ত যৌন সুখানুভুতির অভিজ্ঞতা লাভ না করাই স্বাভাবিক।”

দ্য কেস অফ দ্য ফিমেল অরগাজম বইয়ের লেখক ইন্ডিয়ানা বিশ্ববিদ্যালয়ের জীব বিজ্ঞানের অধ্যাপক এলিজাবেথ লয়েড বলেন, “নারীদের চুড়ান্ত যৌন সুখানুভুতি এখন আর শুধু ইন্দ্রিয় সুখানুভুতি সৃষ্টি করা ছাড়া সন্তান উৎপাদনের ক্ষেত্রে কোনো ভুমিকাই পালন করছে না। তার মানে এই নয় এটি এখন গুরুত্বপূর্ণ নয়। বরং এটি শুধু এখন আর প্রজাতির বিবর্তনে কোনো ভুমিকা পালন করছে না।”তবে নারী পুরুষের বন্ধন আরো শক্তিশালি বা ঘনিষ্ঠ করার ক্ষেত্রে এর ভুমিকা রয়েছে বলে অন্যান্য গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে।
সূত্র : বিডি অনলাইন নিউস ২৪।

২০১৯ বিশ্বকাপের সেরা ৫ অধিনায়ক কারা দেখে নিন

February 22, 2019
ছবি: সংগৃহীত

প্রতি চার বছর পর টুর্নামেন্ট আয়োজিত হলেও, বিশ্বকাপের উম্মাদনা প্রায় প্রত্যেকটি আন্তর্জাতিক ম্যাচেই থাকে। কোনো দলের জয় কিংবা পরাজয়ের চিত্র নিয়ে সুক্ষ্ণ বিশ্লেষণের সাথে বিস্তর আলোচনায় বসেন ক্রিকেটবোদ্ধারা। খেলোয়াড়দের মানসিক দৃঢ়তা, অভিজ্ঞতা, আক্রমণ কৌশলসহ সকল খুঁটিনাটি বিষয়গুলো নিয়ে বিচার করা হয় প্রত্যেকটি দলকে। তবে একটি দলের পারফরম্যান্সের আগাম চিত্র অনুমান করা যায় সেই দলের অধিনায়কের অধিনায়কত্ব কৌশল দেখে।

একজন অধিনায়ক নিজের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে দলকে জয়ের জন্য উজ্জীবিতরাখতে পারেন । অধিনায়কের একটি সাহসী পদক্ষেপই নিশ্চিত হার এড়িয়ে দলকে পৌঁছে দিতে পারে জয়ের বন্দরে। আমাদের আজকের আলোচনা সাজানো হয়েছে সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স বিবেচনায় ২০১৯ বিশ্বকাপের সেরা ৫ অধিনায়ককে নিয়ে৷

৫. ফ্যাফ ডু প্লেসিস (সাউথ আফ্রিকা): সাম্প্রতিক সময়ে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ওয়ানডেতে যে কয়েকজন অধিনায়কের অধীনে দেখা গেছে, তাদের মধ্যে সবচেয়ে সফল ছিলেন ফ্যাফ ডু প্লেসিস। তার অধিনায়কত্বে প্রথম ১৭টি ওয়ানডে ম্যাচের মধ্যে ১৫টি ম্যাচেই জয়ের দেখা পায় প্রোটিয়ারা। অধিনায়ত্বের পাশাপাশি ব্যাটসম্যান হিসেবেও দেশ এবং দেশের বাইরে যথেষ্ট নামডাক কুড়িয়েছেন তিনি।

১১৯ ইনিংসে ব্যাট হাতে নেমে প্লেসিস সংগ্রহ করেছেন ৪৬৯৩ রান। ২৯টি অর্ধশতকের সাথে ১০টি সেঞ্চুরির ইনিংস খেলেছেন বিস্ময়কর ৮৮.৫৮ স্ট্রাইক রেটে। ২০১৫ সালের বিশ্বকাপে ডি ভিলিয়ার্সের অধীনে সেমিফাইনাল খেলেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। ২০১৭ সালে অধিনায়কত্ব থেকে সরে দাড়ালে ভিলিয়ার্সের স্থলাভিষিক্ত হন প্লেসিস। বর্তমানে তার নেতৃত্বেই আইসিসির সর্বশেষ ওয়ানডে র‌্যাঙ্কিংয়ের দ্বিতীয় অবস্থানে আছে প্রোটিয়ারা। প্লেসিসের নেতৃত্বে আসন্ন বিশ্বকাপের ট্রফি ছুঁয়ে দেখার স্বপ্নটা দেখতেই পারে সাউথ আফ্রিকার সমর্থকেরা।

৪. বিরাট কোহলি (ভারত): মহেন্দ্র সিং ধোনির যোগ্য উত্তরসূরি হিসেবে বহুদিন আগে থেকেই বিরাট কোহলির নাম উচ্চারিত হচ্ছিলো। টেস্টে ধোনির অবসরের পর ভারতীয় দলের টেস্ট অধিনায়কত্বের দায়িত্ব পেয়েছিলেন কোহলি। আর ধোনি অধিনায়কত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর পর অনুমিতভাবেই ওয়ানডে দলেরও দায়িত্ব দেয়া হয় এই ব্যাটসম্যানকে। জাতীয় দলের অধিনায়কত্ব করার আগে কোহলি আইপিএলের দল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন। দেশের মাটিতে ভারত নিয়মিত সিরিজ জিতলেও অভিযোগ ছিলো, দেশের বাইরে ভারত ভালো খেলতে পারে না।

কোহলি নেতৃত্বে আসার পর টেস্ট ও ওয়ানডে উভয় ফরম্যাটে এবং সব ধরনের কন্ডিশনেই ভারত সিরিজ জিতেছে। সম্প্রতি তার নেতৃত্বে অস্ট্রেলিয়াকে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতেই টেস্ট এবং ওয়ানডে সিরিজ হারিয়েছে ভারত। বর্তমানে আইসিসির ওয়ানডে র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে আছে দলটি। ২০১৫ বিশ্বকাপে ভালো খেলেও ফাইনাল খেলতে পারেনি ভারত। ২০১৭ চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ফাইনালে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের কাছে হেরেছিল কোহলির দল৷ দলের সাফল্যের ধারা অব্যাহত থাকলে ২০১৯ বিশ্বকাপটা নিশ্চয়ই হাতছাড়া করতে চাইবেন না বিরাট কোহলি।

৩. সরফরাজ আহমেদ (পাকিস্তান): পাকিস্তান বরাবরই ক্রিকেটের সবচেয়ে ‘আনপ্রেডিক্টেবল’ দলগুলোর একটি। ২০১৭ চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে অংশ নেয়া দলগুলোর মধ্যে র‌্যাঙ্কিংয়ের সবার শেষে থেকেও চ্যাম্পিয়ন হয়েছে পাকিস্তান। চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে সরফরাজের বুদ্ধিদীপ্ত অধিনায়কত্ব প্রশংসা কুড়িয়েছে সমালোচকদের থেকে। পাকিস্তানকে প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়নস ট্রফি জয়ের স্বাদ দেয়া এই উইকেটরক্ষকব্যাটিংয়েও কম যান না।

৩১ বছর বয়সী সরফরাজ পাকিস্তানের জার্সিতে খেলেছেন ৯৯টি ওয়ানডে ম্যাচ। ৮৪.৪৭ স্ট্রাইক রেটে তার ব্যাট থেকে এসেছে ১৮৯৫ রান। ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি উইকেটের পেছনেও দারুণ আত্মবিশ্বাসী ভঙ্গিতে থাকেন ডানহাতি এই ব্যাটসম্যান। আসন্ন বিশ্বকাপে পাকিস্তানকে টুর্নামেন্টের ফেভারিট দলগুলোর মধ্যে রাখেননি ক্রিকেট বিশ্লেষকেরা। তবে চমক দেখাতে অভ্যস্ত পাকিস্তান নিশ্চয়ই সরফরাজের নেতৃত্বে আরেকটি শিরোপা জেতার জন্যই ইংল্যান্ডে পা রাখবে।

২. এউইন মরগান (ইংল্যান্ড): ইংল্যান্ড এমন একটি দল, যারা সীমিত ওভারের ক্রিকেটের চেয়ে টেস্ট ক্রিকেটকে বেশি গুরুত্ব দেয়। তবে ২০১৫ বিশ্বকাপে দলের ভরাডুবির পর এই নীতি থেকে সরে আসে ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড। অভিজ্ঞ কিন্ত অসফল ক্রিকেটারদের তুলনায় তরুণ ক্রিকেটারদের উপর আস্থা রাখছে ইংল্যান্ড টিম ম্যানেজমেন্ট। অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড বিশ্বকাপের পর বদলে যাওয়া দলগুলোর একটি হলো ইংল্যান্ড। এউইন মরগানের নেতৃত্বে সাম্প্রতিক সময়ে দলটি প্রচুর উন্নতি করেছে।

মরগানের নেতৃত্বে ইংল্যান্ড তাদের বহু প্রচলিত রক্ষণশীল ক্রিকেটীয় মনোভাব থেকে সরে এসে খেলছে আক্রমণাত্মক ক্রিকেট। ওয়ানডে ক্রিকেটে উন্নতি করতে হলে যে ভয়ডরহীন ক্রিকেটের কোনো বিকল্প নেই, তা এই বামহাতি ব্যাটসম্যানের অধিনায়কত্ব কৌশল দেখেই বোঝা যায়৷ শুধু অধিনায়ক হিসেবে নয়, নিজেও আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করে দলকে উপযুক্ত নেতৃত্ব দেন এই ইংলিশ অধিনায়ক। ৩২ বছর বয়সী মরগান নিশ্চয়ই আসন্ন বিশ্বকাপেই ইংল্যান্ডের দীর্ঘ দিনের আন্তর্জাতিক ট্রফি খরা ঘোচাতে চাইবেন।

১. মাশরাফি বিন মর্তুজা (বাংলাদেশ): ক্যারিয়ারের সেরা সময়টায় হাঁটুর চোটের কারণে মাশরাফিকে নিয়মিতভাবে দলে পায়নি বাংলাদেশ। সাকিব, মুশফিকুরের নেতৃত্বে কয়েকটি ম্যাচে ভালো ফলাফল করতে পারলেও ধারাবাহিক ভাবে সাফল্যের দেখা পাচ্ছিলো না দলটি৷ এমন অবস্থায় চোট থেকে সদ্যই দলে ফেরা অভিজ্ঞ মাশরাফির উপরে আস্থা রাখে বিসিবি৷ ২০১৪ সালের শেষের দিকে মাশরাফিকে পুনরায় টাইগারদের অধিনায়ক হিসেবে ঘোষণা করে টিম ম্যানেজমেন্ট। নতুন মেয়াদে দায়িত্ব পেয়ে জিম্বাবুয়ের সাথে ৫ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজটি বাংলাদেশকে জেতান ৫ – ০ ব্যবধানে।

২০১৫ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে ইংল্যান্ডের সাথে অবিশ্বাস্য জয়ে দলকে তুলেছিলেন কোয়ার্টার ফাইনালে। বিশ্বকাপের পর তার নেতৃত্বে পাকিস্তান, ভারত ও সাউথ আফ্রিকার মতো শক্তিশালী দলের সাথে বাংলাদেশ ঘরের মাটিতে সিরিজ জিতেছে। মাশরাফির নেতৃত্বে সর্বশেষ চ্যাম্পিয়নস ট্রফির সেমিফাইনাল খেলেছে টাইগার বাহিনী। অধিনায়ক হিসেবে দুর্দান্ত মাশরাফি এখনো দলের পেস বোলিং ডিপার্টমেন্টের মূল আস্থার প্রতীক।

নির্দিষ্ট সময়ে আইসিসির র‌্যাঙ্কিং টেবিলের শীর্ষ ৮ দলের মধ্যে থাকার কারণে এবারের বিশ্বকাপে সরাসরি অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ। আসন্ন বিশ্বকাপের পরই সব ধরণের ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দিতে পারেন মাশরাফি। বিদায়ের আগে ‘ক্যাপ্টেন ফ্যান্টাসটিক’ এর কাছ থেকে আরেকটি দুর্দান্ত টুর্নামেন্ট উপহার চাইতেই পারে ১৬ কোটি বাংলাদেশি।

সূত্র : বিডি অনলাইন নিউস ২৪

Thursday, February 21, 2019

শরীরে দূর্গন্ধ ও ঘাম কমানোর সেরা উপায়

February 21, 2019
ছবি: সংগৃহীত

গরমে বা খাটাখাটনিতে শরীরে ঘাম হয়, এটাই স্বাভাবিক। ঘাম শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। সাধারণত ব্যায়াম, গরম আবহাওয়া, ভয় বা রাগের কারণে শরীর ঘামার প্রবণতা বেড়ে যেতে পারে।

তাছাড়া মানসিক চাপ, দুশ্চিন্তা, স্থূলতা, শরীরে পুষ্টির অভাবসহ নানান কারণে শরীর অতিরিক্ত পরিমাণে ঘামতে পারে। পাশাপাশি ডায়াবেটিস, জ্বর, হৃদযন্ত্রের সমস্যা, মেনোপজ ও লিউকোমিয়া ইত্যাদি কারণেও শরীর বেশি ঘাম হতে পারে।

অতিরিক্ত ঘাম শরীরের বিভিন্ন জায়গা যেমন হাতের তালু, পায়ের নিচে, বগল, গলা, কপাল, এমনকি মাথার ত্বকেও ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে। এছাড়া এটি স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় বাধা সৃষ্টি করে ও ঘামের দুর্গন্ধ বাড়ানোর ঝুঁকি বাড়ায়।

স্বাস্থ্য বিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে ঘরোয়া পদ্ধতিতে অতিরিক্ত ঘাম নিয়ন্ত্রণের উপায় সম্পর্কে জানানো হয়। তবে ঘামের পরিমাণ অস্বাভাবিক হারে বাড়লে ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করে অতিরিক্ত ঘাম হওয়ার কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

অ্যাপল সাইডার ভিনিগার

ঘাম নিয়ন্ত্রণ করতে অ্যাপল সাইডার ভিনিগার বেশ কার্যকরী। ত্বকে ব্যবহার করে ঘাম নিয়ন্ত্রণ করার পাশাপাশি অ্যাপল সাইডার ভিনিগার নিয়মিত খাওয়ার ফলে ত্বকের পিএইচ স্তর ঠিক রাখতে সাহায্য করে।

প্রথমে অতিরিক্ত ঘাম হওয়া স্থানগুলো ভালো মতো পরিষ্কার করে নিতে হবে। তারপর তুলার বলে অ্যাপল সাইডার ভিনিগার নিয়ে ওই স্থানগুলোতে লাগিয়ে সারা রাত রেখে দিতে হবে। সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠে গোসল করে পাউডার বা ডিউডরেন্ট লাগাতে হবে।

এছাড়া চাইলে অ্যাপল সাইডার ভিনিগার খাওয়ার অভ্যাস করলেও অতিরিক্ত ঘাম নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। সেক্ষেত্রে এক গ্লাস পানিতে ২ টেবিল-চামচ অ্যাপল সাইডার ভিনিগার ও ২ টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে নিয়ে প্রতিদিন সকাল বেলা খালি পেটে খেলে উপকার পাওয়া যাবে।

বেকিং সোডা

বেকিং সোডাও শরীরকে অতিরিক্ত ঘামের হাত থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে। বেকিং সোডা প্রাকৃতিক ভাবে শরীরের ঘাম শোষণ করে ও দুর্গন্ধ কমায়। এছাড়া শরীরের যে অংশ বেশি ঘামে সেখানের পিএইচ লেভেলের মাত্রা কমাতেও বেকিং সোডা সাহায্য করে।

পরিমাণমতো পানির সঙ্গে ১ টেবিল-চামচ বেকিং সোডা মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করে নিতে হবে। তারপর এই পেস্টের সঙ্গে পছন্দমতো তিন থেকে চার ফোঁটা সুগন্ধী তেল মিশিয়ে নিয়ে বগলে এবং যে সব জায়গা বেশি ঘামে সেসব জায়গায় লাগিয়ে ১৫ থেকে ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেললে উপকার পাওয়া যাবে।

পেস্টটি সপ্তাহে কয়েকবার ব্যবহার করা যাবে। এছাড়া বেকিং সোডা ও কর্ন ফ্লাওয়ার একসঙ্গে সমপরিমাণে মিশিয়ে একটি বোতলে সংরক্ষণ করা যায়। তারপর বেশি ঘাম হওয়া স্থানগুলোতে প্রয়োজনমতো এই মিশ্রণ ব্যবহার করা যাবে।

লাল চা

অতিরিক্ত ঘাম কমাতে লাল চা বেশ কার্যকারী। লাল চা’য়ে থাকা ট্যানিক অ্যাসিড ঘাম প্রতিরোধ করতে পারে। এছাড়া লাল চা ঘাম গ্রন্থি সংকোচন করে অতিরিক্ত ঘামানোর হাত থেকে শরীরকে রক্ষা করে।

পাশাপাশি শরীরের দুর্গন্ধ সৃষ্টিকারী জীবাণু ধ্বংস করতেও লাল চা সমান কার্যকারী। তিন থেকে চার কাপ গরম পানিতে একটি বা দুইটি টি-ব্যাগ ভিজিয়ে ১০ মিনিট রেখে দিতে হবে। তারপর ওই পানিতে পরিষ্কার কাপড় ভিজিয়ে বগল ও গলায় লাগাতে হবে।

তাছাড়া হাত ও পায়ের ঘাম নিয়ন্ত্রণ করতে একই পদ্ধতিতে ২০ থেকে ৩০ মিনিট হাত ও পা পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে, সেক্ষেত্রে পানির পরিমাণ বাড়িয়ে নিতে হবে।

সপ্তাহে একদিন এই পদ্ধতি ব্যবহার করা যাবে এবং প্রতিদিন দুই থেকে তিনকাপ লাল চা পান করলে ভালো ফল পাওয়া যাবে।

সাদা চন্দন

সাদা চন্দনের পাউডার বা গুঁড়া ত্বক শুষ্ক রাখার মাধ্যমে ঘাম নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এতে আছে বিভিন্ন ধরনের এনজাইম যা ত্বকের অতিরিক্ত ঘাম শোষণ করে নেয়। এছাড়া চন্দনের সুগন্ধি ঘাম থেকে তৈরি দুর্গন্ধ দূর করতে সাহায্য করে।

পরিমাণমতো গোলাপ জলের সঙ্গে এক টেবিল-চামচ সাদা চন্দনের গুঁড়া মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করে নিতে হবে। এর সঙ্গে অল্প পরিমাণ লেবু মিশিয়ে নিন।

তারপর শরীরের যে অংশে বেশি ঘাম হয়, সেখানে পরিষ্কার করে এই পেস্ট লাগিয়ে শুকিয়ে না যাওয়া পর্যন্ত রাখতে হবে। তারপর হালকা পানি দিয়ে পরিষ্কার করে নিতে হবে। অতিরিক্ত ঘাম নিয়ন্ত্রণ না হওয়া পর্যন্ত নিয়মত এই পেস্ট লাগাতে হবে।

টমেটোর রস

টমেটোতে আছে অ্যাস্ট্রিনজেন্ট যা ঘাম গ্রন্থিকে সংকুচিত করে। তাছাড়া এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান ঘাম নিয়ন্ত্রণ করে অতিরিক্ত ঘামানোর প্রবণতা কমিয়ে আনে। এক সপ্তাহ টানা প্রতিদিন এক কাপ করে তাজা টমেটোর রস খেতে হবে।

পরের সপ্তাহ থেকে এক দিন পরপর এককাপ করে টমেটোর রস পান করলে ভালো ফল পাওয়া যাবে। তাছাড়া বেশি ঘাম হয় এমন স্থানগুলোতে টমেটোর রস লাগিয়ে ১০ বা ১৫ মিনিট পর হালকা গরম পানি দিয়ে গোসল করে নিলেই ঘাম কম হবে। ঘাম নিয়ন্ত্রণ না হওয়া পর্যন্ত প্রতিদিন এভাবে গোসল করলে উপকার পাওয়া যাবে।

লেবু

লেবু প্রাকৃতিক ডিওডরেন্ট হিসেবে কাজ করে। যা ঘাম থেকে তৈরি দুর্গন্ধ দূর করতে সাহায্য করে। এক গ্লাস পানিতে পরিমাণমতো লেবুর রস মিশিয়ে সেটা দিয়ে তোয়ালে ভিজিয়ে সারা শরীর ভালোভাবে স্পঞ্জ করে ২০ থেকে ৩০ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে। তারপর ঠান্ডা পানি দিয়ে গোসল করে ফেলতে হবে।

এভাবে প্রতিদিনই গোসলের আগে গায়ে লেবুর রস মিশ্রিত পানি স্পঞ্জ করে নিতে হবে। এছাড়া অন্য উপায়েও লেবু দিয়ে ঘাম নিয়ন্ত্রণ করা যায়। সেক্ষেত্রে সমপরিমাণ লেবুর রস ও বেকিং সোডা মিশিয়ে ঘন ও মসৃণ পেস্ট তৈরি করে নিতে হবে। তুলার বলে দিয়ে মিশ্রণটি নিয়ে বেশি ঘামে এমন জায়গাগুলোতে লাগিয়ে ২০ মিনিট অপেক্ষা করে কুসুম গরম পানি দিয়ে পরিষ্কার করে নিতে হবে।

একদিন পরপর এই পদ্ধতি অনুসরণ করা যাবে। উল্লেখ্য, সূর্যের আলো বা রোদে বের হওয়ার আগে লেবু ব্যবহার উচিত না।

নারিকেল তেল

এই তেলে আছে লরিক এসিড যা দুর্গন্ধের জন্য দায়ী জীবাণু ধ্বংস করতে সাহায্য করে। এছাড়া নারিকেল তেলের হালকা সুগন্ধ শরীরকে সারাদিন সজীব রাখতে সাহায্য করবে। খানিকটা নারিকেল তেল এবং শিয়া বাটার একসঙ্গে নিয়ে মাইক্রোওয়েভে এক মিনিট গরম করতে হবে।

এরপর মিশ্রণের সঙ্গে ৩ টেবিল-চামচ বেকিং সোডা ও ২ টেবিলচাম অ্যারারুট পাউডার দিয়ে সঙ্গে কয়েক ফোঁটা সুগন্ধী তেল মিশিয়ে সংরক্ষণ করতে হবে। এই মিশ্রণ ডিওডরেন্ট হিসেবে ব্যবহার করা যায়।

অন্যান্য পরামর্শ

* সারাদিন বেশি পানি পান করতে হবে। এতে শরীরের তাপমাত্রা ঠিক থাকবে।

* গোসলের সময় ‘অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল’ সাবান ব্যবহার করতে হবে।

* নাইলন ও পলিয়েস্টার কাপড়ের পোশাক ঘাম শোষণ না করে উল্টো ঘাম আটকে রাখে। তাই সহজেই ঘাম শুষে নেয় এমন কাপড়, যেমন: সুতি ও সিল্কের তৈরি পোশাক পরতে হবে।

* ডিওডরেন্ট বা অন্য ঘাম প্রতিরোধক লাগানোর সময় শরীর ঠিকভাবে শুকিয়ে নিতে হবে।

* মসলাযুক্ত খাবার ঘামের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। তাই মসলাযুক্ত খাবার এড়িয়ে যেতে হবে।

* মাথার ত্বককে ঘাম থেকে রক্ষা করতে ‘ড্রাই’ শ্যাম্পু ব্যবহার করা যেতে পারে।

* ধূমপান, অ্যালকোহল ও ক্যাফেইন নিলে স্বাভাবিকের চেয়ে শরীর ঘামে বেশি। তাই যতটা সম্ভব এসব পরিহার করতে হবে।

* অতিরিক্ত ঘামের জন্য দায়ী বাড়তি ওজন। তাই ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।

* মানসিক চাপ কমানোর চেষ্টা করতে হবে। কারণ মানসিক চাপ অতিরিক্ত ঘাম হওয়ার অন্যতম কারণ।

* পানি সমৃদ্ধ তাজা ফল ও শাক-সবজি প্রচুর পরিমাণে খেতে হবে।

* এছাড়া বুকে ব্যাথা, দ্রুত হৃদস্পন্দন, নিঃশ্বাস নিতে সমস্যা বা হঠাৎ ওজন কমে যাওয়ার কারণে অতিরিক্ত ঘাম হলে, সময় নষ্ট না করে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।

সূত্র : বিডি লেডি

Wednesday, February 20, 2019

অকালে বীর্যপাত এর কারণ জেনে নিন

February 20, 2019
ছবি: সংগৃহীত

পুরুষ যদি উত্তেজনার শুরুতেই বীর্য ত্যাগ করে তবে তাকে অকাল বীর্যপাত বলে ধরে নেওয়া যায়। নারীর সাথে দৈহিক মিলনের সময় পুরুষ নানা ভাবে নারীকে উত্তেজিত করে। এই সময় উভয়েই উভয়েই শরীর স্পর্শ করে এবং নানাভাবে আদর করে। অনেক পুরুষের এই সময়েই বীর্যপাত হয়ে যায়। এতে করে পরবর্তী সময়ে শারীরিক মিলন উত্তেজনা আর তীব্র হয় না।

অকাল বীর্যপাতের ব্যাপারে কয়েকটি পরামর্শ হলো–

লিঙ্গে স্পর্শ না করা।
প্রথমেই তীব্র উত্তেজিত না হওয়া ।
পারস্পরিক হস্তমৈথুন ।
লিঙ্গের উত্তেজনা ধরে রাখা ইত্যাদি ।

চিকিৎসাঃ
ডায়াজিপাম অথবা লিব্রিয়ামের ব্যবহার ।
শারীরিক মিলনের আধাঘন্টা আগে ট্যাবলেট মেলারিল ৫ থেকে ১০ মিঃগ্রাম সেবন।
ফোঁটা ফোঁটা বীর্যপাত পুরুষের শারীরিক মিলন জীবনের একটি সমস্যা। বিভিন্ন শারীরিক এবং মানসিক কারণে এই অবস্থার সৃষ্টি হতে পারে। সাইকোজেনিক কারণে অবশ্য এই সমস্যা হয় বেশি। অনেক ক্ষেত্রে আঘাতজনিত কোনো কারণে ও এটি হতে পারে। বিভিন্ন কারণের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কারণগুলো হলোঃ

কঠিন ধর্মীয় কুসংস্কার ।
গর্ভাবস্থার ভয় ।
নারীর কাছ থেকে লাঞ্ছিত হওয়া ।
সেলিবেসি অবস্থার চাপ ।
বীর্যদানে কার্পণ্য মনোভাব ইত্যাদি ।
সূত্র : বিডি লেডি ডট কম

Tuesday, February 19, 2019

অনলাইনে স্মার্ট কার্ড সংশোধন করার নিয়ম

February 19, 2019
ছবি: সংগৃহীত

আমরা অনেকেই জানি না জাতীয় পরিচয়পত্র বা ভোটার আইডি হারিয়ে গেলে, কোনো তথ্য সংশোধন বা ছবি পরিবর্তনের আবেদন করা যাবে অনলাইনে। অনেকের পরিচয়পত্র ছিল, হারিয়ে গেছে বা পরিচয়পত্রে ভুল তথ্য রয়েছে সংশোধন করা প্রয়োজন—এমন অনেকেই আছেন বুঝতে পারছেন না, তারা কীভাবে নতুন পরিচয়পত্র পাবেন বা ভুল তথ্য ঠিক করবেন।

তাদের জন্যই এই বিশেষ আয়োজন। জেনে নিন যেভাবে করবেন- প্রথমে রেজিষ্ট্রেশন করতে এই লিংকে যান https://services.nidw.gov.bd/registration (এই সাইট https ফরম্যাটে হওয়াতে আপনার ফায়ারফক্স ব্রাউজারে এটা লেখা আসতে পারে This Connection is Untrusted সেক্ষেত্রে সমাধান হলো প্রথমে Understand the Risks ক্লিক করেন তারপর। * On the warning page, click I Understand the Risks. * Click “Add Exception‘…. The Add Security Exception dialog will appear. * Click “Confirm Security Exception” ক্লিক করুন সাইট চলে আসবে।

এরপর- ১. প্রয়োজনীয় তথ্যাবলী পূরণ করে নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করুন। ২. আপনার কার্ডের তথ্য ও মোবাইলে প্রাপ্ত এক্টিভেশন কোড সহকারে লগ ইন করুন। ৩. তথ্য পরিবর্তনের ফর্মে তথ্য হালনাগাদ করে সেটির প্রিন্ট নিয়ে নিন। ৪. প্রিন্টকৃত ফর্মে স্বাক্ষর করে সেটির স্ক্যানকৃত কপি অনলাইনে জমা দিন। ৫. তথ্য পরিবর্তনের স্বপক্ষে প্রয়োজনীয় দলিলাদি কালার স্ক্যান কপি অনলাইনে জমা দিন।

এবার “রেজিষ্ট্রেশনফরম পূরণ করতে চাই” ক্লিক করুন। এবার ফরমটি সঠিক ভাবে পুরণ করুন- * এন.আই.ডি নম্বরঃ (আপনার এন.আই.ডি নম্বর যদি ১৩ সংখ্যার হয় তবে অবশ্যই প্রথমে আপনার জন্মসাল দিয়ে নিবেন উদাহরণঃ আপনার কার্ড নাম্বার ১২৩৪৫৬৭৮৯১০০০ ও জন্মসাল ১৯৯০ আপনি এভাবে দিবেন১৯৯০১২৩৪৫৬৭৮৯১০০০) * জন্ম তারিখঃ (কার্ড দেখে সিলেক্ট করুন) *

মোবাইল ফোন নম্বরঃ (আপনার সঠিক মোবাইল নাম্বার দিন কারণ মোবাইলে ভেরিফাই কোড পাঠাবে) * ইমেইলঃ (ইচ্ছা হলে দিতে পারেন না দিলে সমস্যা নাই, ইমেইল আইডি দিলে পরবর্তীতে লগইন করার সময় ভেরিফাই কোড ইমেইলে সেন্ড করতে পারবেন যদি মোবাইল হাতের কাছে না থাকে) * বর্তমান ঠিকানা: বিভাগ জেলা উপজেলা/থানা সিলেক্ট করুন ভোটার হবার সময় যা দিয়েছিলেন। *

য়ী ঠিকানা: বিভাগ জেলা উপজেলা/থানা সিলেক্ট করুন ভোটার হবার সময় যা দিয়েছিলেন। * লগইন পাসওয়ার্ড: পাসওয়ার্ড অবশ্যই ৮ সংখ্যার হতে হবে বড় হাতের অক্ষর ও সংখ্যা থাকতে হবে যেমনঃ InfoPedia71 এবার সঠিক ভাবে ক্যাপচার পূরণ করুন ছোট হাতের বড় হাতের অক্ষর বা সংখ্যা যা দেওয়া আছে তাই বসান তবে স্পেস দিতে হবেনা । এবার “রেজিষ্টার” বাটন ক্লিক করে দ্বিতীয় ধাপে চলে যান।

ফরম টি সঠিক ও সফল ভাবে রেজিস্টার করার পর দেখুন আপনার মোবাইলে ভেরিফাই কোড এসেছে ও ব্রাউজারে ঐ কোড সাবমিট করার অপশন এসেছে, নিচের ছবির মত স্থানে আপনার মোবাইলের ভেরিফিকেশন কোড বসান ও রেজিস্টার বাটনে ক্লিক করুন। (২ মিনিটের মধ্যে মোবাইলে কোড না আসলে পুণরায় কোড পাঠান (SMS) ক্লিক করুন) সঠিক ভাবে কোড প্রবেশ করার পর আপনার Account Active হয়ে যাবে এবার একটি পেইজ আসবে আপনাকে লগইন করতে বলা হবে অথবা লগইন লিংক

https://services.nidw.gov.bd/login লগইন করতে আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর (১৩ সংখ্যার হলে অবশ্যই প্রথমে আপনার জন্মসাল দিয়ে নিবেন) জন্মতারিখ ও আপনার দেওয়া পাসওয়ার্ড দিয়ে ভেরিফাই কোড কিভাবে পেতে চান তা সিলেক্ট করতে হবে। রেজিস্ট্রেশন করা মোবাইল নাম্বার আপনার হাতের কাছে থাকলে মোবাইলে তা না হলে ইমেইলে সিলেক্ট করুন।এবার “সামনে” ক্লিক করুন।

এবার আপনার সিলেক্ট করা অপশন মোবাইলে বা ইমেইল থেকে ভেরিফাই কোড বসিয়ে লগইন করুন। দুই মিনিটের মধ্যে যদি কোড না আসে তবে “পুনরায় কোড পাঠান” বাটনে ক্লিক করুন। নির্বাচন কমিশনের কাছে থাকা আপনার ডাটাবেজের সব তথ্য দেখা যাবে এবার। নিচের যেকোনো অপশনে চাহিদা অনুযায়ী ক্লিক করুন আর তথ্য হালনাগাদ করুন। এভাবেই আপনি আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য সংশোধন কিংবা ছবি পরিবর্তন করতে পারবেন খুব সহজেই।



বিতর্কিত নায়িকা সানাই মাহবুবকে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদ

February 19, 2019
ছবি: সংগৃহীত

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ইন্টারনেটে অপেশাদার এবং অপ্রাসঙ্গিক ভিডিও ছড়ানোর অভিযোগে অভিনেত্রী সানাই মাহবুব সুপ্রভাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নেওয়া হয়েছে পুলিশের সাইবার নিরাপত্তা ও অপরাধ দমন বিভাগে।

রবিবার সানাইকে জিজ্ঞাসাবাদের তথ্যটি দৈনিক ইত্তেফাককে নিশ্চিত করেন পুলিশের সাইবার সিকিউরিটি অ্যান্ড ক্রাইম ডিভিশনের কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের এডিসি নাজমুল ইসলাম।

নাজমুল ইসলাম বলেন, 'মাননীয় মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার স্যারের নেতৃত্বে নিরাপদ ইন্টারনেট ক্যাম্পেইন এর অংশ হিসেবে আজ সানাইকে আমরা জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আমাদের অফিসে এনেছিলাম। সানাই তার ভিডিও গুলোর জন্য জাতির কাছে ক্ষমা চেয়েছে এনং সে সব ভিডিও মুছে ফেলতে সম্মত হয়েছে। সে মুচলেকা দিয়েছে যে সে কখনো আর এ ধরনের ভিডিও বানাবে না বা ছড়াবে না। সাইবার নিরাপত্তা ও অপরাধ দমন বিভাগ তার এমন কর্মকাণ্ডের ওপর নজর রাখবে। মুচলেকার বাইরে কিছু করলে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। অন্যান্য অনেকের জন্যও আমাদের এই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে'।

জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নেওয়ার পর ডিবি পুলিশের হেফাজতে থেকে নিজের ফেসবুক আইডি দিয়ে লাইভে এসে ক্ষমা চান সানাই। জিজ্ঞাসাবাদের পর তাকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।
সূত্র : দৈনিক ইত্তেফাক

Monday, February 18, 2019

বাংলা চলচিত্রের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা পরীমনির বাগদান

February 18, 2019
ছবি: সংগৃহীত

চিত্রনায়িকা পরীমনির জীবনে শুভ সময় চলছে। কারণ, গত সপ্তাহে পরীমনি অভিনীত ‘আমার প্রেম আমার প্রিয়া’ ছবিটি মুক্তি পেয়েছে। এরপর এবারের ভালোবাসা দিবসে পরীমনি জানালেন আরেকটি খুশির সংবাদ। সাংবাদিক তামিম হাসানকে চিরদিনের সঙ্গী হিসেবে বেছে নিয়েছেন তিনি। গত বৃহস্পতিবার পরীমনির বাসার ছাদে দুই পরিবারের লোকের উপস্থিতিতে হয়ে গেল পরীমনি ও তামিমের বাগদান অনুষ্ঠান। এমনটিই জানিয়েছেন পরীমনি। তিনি বলেন, ভালোবাসার গল্পটা বলতে গেলে এভাবে বলতে হয় সেটা হচ্ছে- তামিম ও আমার পরিচয় হয়েছিল ২০১৬ সালের ১১ই জানুয়ারি। একটি টিভি অনুষ্ঠানে পরিচয় হয় আমাদের।

এরপর ২১শে জানুয়ারি আমাদের বন্ধুত্ব শুরু। একই বছরের ১২ই জুলাই আমরা দুজন দুজনকে প্রেমের প্রস্তাব দেই। এরপর কিছুটা অপেক্ষা। গত বছরের ১২ই জুলাই তামিমকে ‘হ্যাঁ’ বলি আমি। আর এবারের ভালোবাসা দিবসে আমাদের দুই পরিবারের উপস্থিতিতে হয়ে গেল বাগদান অনুষ্ঠান। গতকাল সকালে পরীমনি তার ফেসবুক পেজে তামিম হাসানের সঙ্গে ভালোবাসা দিবস উদযাপনের কিছু রোমান্টিক ছবি পোস্টও করেছেন। ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে দুজনই লাল রঙের পোশাক পরে কেকও কেটেছেন। এদিকে তামিম হাসান ফেসবুকে সিঙ্গেল থেকে ‘গট ইনগেজ টু পরীমনি’ স্ট্যাটাসও দেন গত বৃহস্পতিবার ভালোবাসা দিবসে।

পরীমনি মডেলিংয়ের পাশাপাশি বেশকিছু চলচ্চিত্রে অভিনয় করে জনপ্রিয়তা পান। ওয়েব সিরিজেও কাজ করেছেন তিনি। তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘ভালোবাসা সীমাহীন’, ‘মহুয়া সুন্দরী’, ‘পুড়ে যায় মন’, ‘রক্ত’, ‘ধূমকেতু’, ‘আপন মানুষ’, ‘সোনাবন্ধু’, ‘অন্তর জ্বালা’, ‘স্বপ্নজাল’ ইত্যাদি। এদিকে একটি এফএম রেডিওতে ‘লাভগুরু’ নামের একটি অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করে আলোচনায় আসেন তামিম হাসান।

তিনি দেশের একটি জাতীয় দৈনিকের বিনোদন বিভাগে কর্মরত। পরীমনি নির্মাতা গিয়াসউদ্দিন সেলিমের ‘স্বপ্নজাল’ ছবিটি করার পর ভেবে চিন্তে নতুন ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হচ্ছেন। পরীর মতে, ‘স্বপ্নজাল’ বদলে দিয়েছে পরীকে। এখন পরী ‘নায়িকা’ থেকে ‘অভিনেত্রী’ পরিচয়ে পরিচিত হতে শুরু করেছেন। গিয়াস উদ্দিন সেলিম পরিচালিত এই ছবি পরীর অভিনয় জীবনের এক স্মরণীয় বাঁক বলে মনে করেন খোদ এই অভিনেত্রী। এখন আর যেকোনো পরিচালকের বা যেকোনো গল্পের ছবিতে কাজ করছেন না তিনি।

পরী-তামিমের বাগদান তো সম্পন্ন হলো। বিয়েটা কবে করছেন? এমন প্রশ্নের জবাবে সবশেষে হাসিমাখা মুখে পরীমনি জানান, সামনে যেকোনো ১৪ই ফেব্রুয়ারি বিয়েটা করব। হা হা হা। আর একটা ইন্টারেস্টিং কথা বলি এবার। আমি ফ্যামিলিতে বড় মেয়ে। আর তামিমের ফ্যামিলিতে তামিম বড়। তাই ওদের ফ্যামিলিতে এখন বড় বউ হবো আমি।

শাহরুখ কন্যা সুহানার গুমর ফাঁস

February 18, 2019
ছবি: সংগৃহীত

বলিউড বাদশা শাহরুখ খানের মেয়ে সুহানা। বাবার খ্যাতির আলোয় কিছুটা আলোকিত বরাবরই। নিজে বড় হওয়ার পর অভিনয়কে পেশা হিসেবে না নিলেও বি-টাউনে তাকে নিয়ে কম গুঞ্জন শোনা যায় না। কখনও সেক্সি ড্রেস পরে বাবার সঙ্গে পার্টিতে, তো কখনও সমুদ্র সৈকতে বিকিনি পরা সুহানার ছবি নেটদুনিয়ায় ভাইরাল। তবে তিনি যাই-ই করুন, যেভাবেই থাকুন না কেন, ফটোগ্রাফারদের ক্যামেরা তার পিছু ছাড়ে না।

বাবার কড়া শাসন, এখনই গ্ল্যামার জগতের দিকে পা বাড়িয়ে দেয়া বরদাস্ত নয়। আগে পড়াশোনা, তারপর যেমন ইচ্ছে পেশায় যেতে পারো। কোনো বাধা নেই। তাই জাহ্নবী কাপুর, সারা আলি খানদের মতো এখনও সুহানাকে পর্দায় দেখতে পাননি দর্শকরা। হয়তো ইচ্ছে থাকলেও সুহানা মন খুলে তা বলতে পারেননি।

কিন্তু সদ্য টিনএজ পেরোনো মেয়ের মন তো উড়ু উড়ু। কত আর এমন মধুর অনুভূতি শেয়ার না করে থাকবেন? না, সুহানা পারেননি বেশিক্ষণ। বি-টাউনের উৎসাহী মহল একটু ছেঁকে ধরতেই ঝুলি থেকে একেবারে সুড়সুড় করে রাস্তায় নেমে এলো বিড়াল।


ভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়, তাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল-‘কোন অভিনেতার সঙ্গে ডেটে যেতে চান?’ সুহানার উত্তর-‘সাউথ কোরিয়ার পপসিঙ্গার কাম অ্যাক্টর কাম মডেল কিম জুন মেইয়ন, যিনি স্টেজে সাহু বলে অতি পরিচিত।’


সাহু ওরফে কিম জুন মেইয়ন একেবারে বহুমুখী প্রতিভা সম্পন্ন তরতাজা যুবক। শারীরিক আকর্ষণ তো আছেই। এরপর একাধারে গান লেখেন, গান করেন, অভিনয় করেন আবার মডেলিংয়েও সামনের সারিতে। দক্ষিণ কোরিয়ার বাসিন্দা। এই সাহু-ই যে এই মুহূর্তে সুহানার বড়সড় ক্রাশ, তা স্পষ্টই বোঝা যাবে তার সোশ্যাল মিডিয়ার পাতায় চোখ রাখলে। ইনস্টাগ্রামে সুহানা পোস্ট করেছেন সাহু-র আকর্ষণীয় একটি ছবি।

এর আগে গুঞ্জন শোনা গিয়েছিল, ক্রিকেটার শুভমান গিলের সঙ্গে নাকি সুহানার হৃদ্যতা তৈরি হয়েছে। বলি মহলে এ নিয়ে বেশ ভালোই ফিসফাস হয়েছে। সে সম্পর্কের জল কতদূর গড়িয়েছিল, জানা নেই। এবার নতুন ক্রাশের খবর নিজেই ফাঁস করে সুহানা নিজেকে আরও চর্চিত করে তুললেন।

Sunday, February 17, 2019

শারীরিক মিলনের সময় পুরুষরাও বেদনা অনুভব করে কি?

February 17, 2019
ছবি: সংগৃহীত

শারীরিক সম্পর্ক যে সর্বদা সুখকর হবে তার কোনো মানে নেই, কিছু সময় তা খুবই বেদনা দায়কও হয়। সেক্সের সময় বেদনার অনুভূতি যে শুধুমাত্র কোনো সাধারণ তা নয়, আবার সেটাকে কোনো অসাধারণ পরিস্থিতি বলা যায় না। একটা কথা মাথায় রাখবেন, সেক্সের সময় যে শুধুমাত্র মহিলারাই বেদনা অনুভব করে তাই না, পুরুষেরাও বেদনা বোধ করে থাকে। এই বেদনা অনেক সময় ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারে। অনেক সময়  এই বেদনা এতটাই ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে যে, আপনি হয়তো চূড়ান্ত সুখটা উপভোগ করার থেকে বঞ্চিত থেকে যেতে পারেন। সম্ভোগের সময় পুরুষদের যথেষ্ট বেদনা সহ্য করতে হয়। যৌন সম্ভোগের সময় যদি আপনি বেদনার অনুভব করেন তাহলে বুঝতে হবে আপনার ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়াটা খুবই জরুরি।

এবার দেখা যাক কি কি কারণে সেক্সের সময় বেদনার অনুভূতি হতে পারে:

1. প্রোস্টেট
পুরুষের গ্রন্থিতে ইনফেকশনের জন্য প্রোস্টেটাইটিস হতে পারে। এতে আপনার লিঙ্গে জ্বলনের সৃষ্টি হতে পারে, তা ফুলে যেতে পারে ও আপনি বেদনা বোধ করতে পারেন। প্রোস্টেটাইটিস হলে মূত্রত্যাগের সময় বা ইহ্যালুকেশানের সময় বেদনার অনুভব হয়। এই রকম ক্ষেত্রে আপনাকে মূত্র বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে। এই রকম অবস্থায় কিছুক্ষণের জন্য বাথটবে রাখা গরম জলের ওপর বসতে পারেন। এছাড়া বেশি করে তরল পদার্থ গ্রহণ করুন ও এক জায়গায় বেশিক্ষণ বসে থাকবেন না।

2. চুলকানি ও ফুলে যাওয়া
যে পুরুষদের গুপ্তাঙ্গ ফুলে যাওয়ার সমস্যা থাকে।রাসায়নিক ব্যবহারের ফলে সংবেদনশীল অঙ্গে এলার্জি হতে পারে। চিকিৎসার জন্য, সেক্সের আগে আপনি নিজের গুপ্তাঙ্গে কিছু লাগাবেন না, সমস্যা  খুব বেশি হলে যতদিন না সুস্থ হচ্ছেন ততদিন পর্যন্ত সম্ভোগের থেকে দূরে থাকাই শ্রেয়।

 3. লিঙ্গে দাদ
জননাঙ্গে দাদ একটি সংক্ৰমিত সমস্যা, এটি খুবই সংক্ৰমক সমস্যা। এর ফলে সম্ভোগের সময় যন্ত্রণার সৃষ্টি হতে পারে। এর ফলে লিঙ্গে পিম্পেল হতে পারে। এই রকম অবস্থায় সম্ভোগ করবেন না এবং কোনো মূত্র বিশেষজ্ঞের থেকে পরামর্শ নিন।

4. লিঙ্গের ওপরের চামড়া দৃঢ় হলে
যদি লিঙ্গের ওপরের চামড়া দৃঢ় হয় তাহলে সেক্সের সময় খুবই যন্ত্রণার অনুভব হয়। সবচেয়ে বড়ো সমস্যা হল এই সমস্যার কোনো সহজ সমাধান নেই, ঘরোয়া চিকিৎসা ছাড়া এর কোনো সমাধান নেই।

আবারও ক্রিকেটে ফিরছেন শোয়েব আকতার

February 17, 2019
ছবি: সংগৃহীত

২০১১ইং সালে ওয়ানডে বিশ্বকাপের পর ক্রিকেটকে বিদায় বলেন পাকিস্তানের স্পিডস্টার শোয়েব আকতার। তবে আট বছর পর আবারো ক্রিকেটে ফেরার ঘোষনা দিলেন শোয়েব আখতার। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটারে এমন ঘোষণা দেন শোয়েব আখতার।

টুইটারে শোয়েব আখতার বলেন, ‘আজকের ছেলেরা মনে করে, তারা ক্রিকেটের অনেক কিছু জানে এবং তারা আমার বোলিং স্পিডকে চ্যালেঞ্জ করতে পারেন। গতি কাকে বলে তা দেখাতে আমি আবারও ক্রিকেটে ফিরে আসছি চাই। আমি পি সি এল লিগও খেলব। তাই সাবধান। ১৪ ফেব্রুয়ারি হল সেই দিন যেদিন আমি ফিরে আসবো। তোমাদের ক্যালেন্ডারে এই দিনটায় দাগ দিয়ে রাখো। আমিও আসছি ফিরে।

শোয়েব আখতার এর এমন ঘোষনায় পাকিস্তানের ক্রিকেট মহলে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে এখন। সাবেক ও বর্তমান বেশ কয়েকজন খেলোয়াড় শোয়েবকে উদ্দেশ্যে করে মন্তব্যও করেছেন। পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক ও কিংবদন্তি পেসার ওয়াসিম আকরাম লিখেছেন, ‘সত্যিই কি তুমি ফিরে আসছো? আজকের ছেলেরা তোমার আক্রমণাত্মক মনোভাবকে ব্যবহার করতে পারে।’

শোয়েব মালিক বলেন, ‘দুর্দান্ত সময় শোয়েব ভাই। তুমি ফিরে এসো। দেখাও আক্রমণাত্মক কাকে বলে। আমাদের লিজেন্ড ফিরে আসছে, এর জন্য তর সইছে না।’

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সর্বোচ্চ ১৬১ দশমিক ৩ কিলোমিটার ঘন্টায় বল করার রেকর্ড আছে শোয়েবের। তাই ৪৩ বছর বয়সে শোয়েব বল হাতে আরও কত জোরে বল করতে পারেন তা দেখতে মুখিয়ে ক্রিকেটপ্রেমিরা।

আজ থেকে শুরু হচ্ছে পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল)। তাই অনেকে মনে করছেন, পিএসএলে কোন দলের হয়ে মাঠে নামতে পারেন তিনি।
পাকিস্তানের হয়ে ৪৬ টেস্টে ১৭৮টি, ১৬৩টি ওয়ানডেতে ২৪৭টি ও ১৫টি টি-২০ ম্যাচে ১৯টি উইকেট শিকার করেছেন শোয়েব।

Friday, February 15, 2019

বিশ্ব ভালোবাসা দিবসে সালমান-ক্যাটরিনার বিয়ে

February 15, 2019
ছবি: সংগৃহীত

১৪ ফেব্রুয়ারি ‘ভালোবাসা দিবস’ সেইসঙ্গে ঋতুরাজ বসন্তের দ্বিতীয় দিন। ফাগুনের রঙ লেগেছে সব বাঙালিদের মনে। ফুলে রাঙা আর বাসন্তী মোহে মুগ্ধ বাঙালি মনেও ভালোবাসা দোলা দিয়ে যাচ্ছে। বসন্ত দিনের সঙ্গে ‘ভ‌্যালেন্টাইন ডে’ মিলে যোগ করেছে বাড়তি মাত্রা। ভালোবাসা দিবসের রঙ লেগেছে সারা বিশ্বে। চারি দিকে তাই আজ উৎসবের আমেজ।

এমন দিনেই এলো বলিউড সুপাস্টার সালমান খানের বিয়ের সংবাদ। এমন দিনেই নাকি বিয়ের পিঁড়িতে বসবেন সালমান। এখানেই শেষ নয়, এর চেয়েও বেশি চমক হলো- সালমান খান বিয়ে করতে চলেছেন তার সাবেক প্রেমিকা বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ক্যাটরিনা কাইফকে।

অবিশ্বাস্য মনে হলেও এটাই সত্যি যে, বলিউডের মোস্ট এলিজেবল ব্যাচেলর বিয়ের পিঁড়িতে বসবেন। বলিউডের ‘ভাইজান’ খ্যাত সালমান খানের বিয়ে বলে কথা, এ পর্যন্ত বহুবার তার বিয়ের খবর এসেছে। যা কিনা সবকিছু গোলমাল করে দেয়। এবারও তার ব্যতিক্রম নয়, তেমনটাই হচ্ছে।

এটা সত্য যে সাবেক প্রেমিকা বলি সুন্দরী ক্যাটরিনার সঙ্গে সালমান  বিয়ের পিঁড়িতে ঠিকই বসছেন, তবে সেটা বাস্তবে নয়, লাইট-ক্যামেরা-অ্যাকশন অর্থাৎ সিনেমার শুটিংয়ের দৃশ্যে বর -কনে বেশে দেখা যাবে সাবেক এই জুটিকে।

ভারতীয় একটি গণমাধ্যমের প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ভালোবাসা দিবসে সালমান ও ক্যাটরিনা একটি দৃশ্যের শুটিংয়ের জন্য একত্র হবেন। ‘ভারত’ সিনেমার জন্য সালমান ও ক্যাটরিনা বিয়ের দৃশ্যের শুটিং করবেন আজ। সাল্লু ভক্তদের কাছে খুশির খবর হলো এই যে, বিয়েটা সত্যি হোক বা না হোক, প্রাক্তন প্রেমিকার সঙ্গে বেশ ভালোই কাটবে সালমানের এবারের ‘ভালোবাসা দিবস’।

অনুত্তেজক নারী সাথে করনীয়

February 15, 2019
ছবি: সংগৃহীত

অনুত্তেজক নারী -১

অনেক নারীই অনেক সময় চরম উত্তেজনায় পৌছাঁতে ব্যর্থ হয়। মানসিক নানা কারণে হয়তো নারী অনুত্তেজক হতে পারে, কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রে শারীরিক কিছু কিছু কারণও বিদ্যমান থাকে। গোপনাঙ্গের নানা সমস্যার জন্যও হয়তো নারী উত্তেজনা হারায়। অনেক সময় দেখা যায় যে পুরুষের শারীরিক অনাকর্ষণ, অর্থের অসচ্ছলতা ইত্যাদি নানা কারণে নারী পুরুষের সাথে শারীরিক মিলন সম্পর্কে স্থাপন সত্ত্বেও উত্তেজনাবোধ করে না। এটি সমীক্ষায় দেখা হয়েছে কেন নারী উত্তেজনা হারায় কোন কোন কারণ

ক. শারীরিক মিলনের বেদনাদায়ক ২০.৩% নারী মনে করে
খ. শারীরিক মিলন জঘন্য ১৭.৭% নারী মনে করে
গ. স্বামী অক্ষম ১১.৭% নারী মনে করে
ঘ. গর্ভবতী হবার ভয় ১০.২% নারী মনে করে
ঙ. অজ্ঞতা, শারীরিক মিলনির সমস্যা কিংবা সমকামিতা ৪০% নারী মনে করে।

অনুত্তেজক নারী-২

১। উত্তেজনা বাড়ানোর কৌশল
ক. পুরুষের উচিত নারীকে নানা কৌশলে উত্তেজিত করা। যেমন পুরুষ নারীর স্তন এবং স্তনবৃন্ত স্পর্শ করতে পারে, মর্দন করতে পারে। এতে করে নারী উত্তেজিত হতে থাকবে।
খ. শারীরিক মিলনুয়াল ফ্যান্টাসির দ্বারা নারীকে উত্তেজিত করা যেতে পারে। যেমন শারীরিক মিলন সাহিত্য পাঠ, শারীরিক মিলনের দৃশ্য সমৃদ্ধ ছবি এবং বই পড়া ইত্যাদি।
গ. হস্তমৈথুন হাতের সাহায্যে বা ভাইব্রেটরের সাহায্যে। এছাড়াও পুরুষ মুখের সাহায্যে নারীর ভগাংকুর এবং শারীরিক মিলনি স্পর্শ করলে নারী উত্তেজিত হতে পারে ।

থেরাপি
ক. দম্পতি নগ্ন হয়ে বিছানায় বসবে । পুরুষ দু’পা ফাঁক করে নারীকে কোলে নিয়ে বসবে। পুরুষ নারীর জননাঙ্গতে আলতো ছুঁয়ে যাবে।
খ. নারী পুরুষের উপরে বসবে এবং যৌনাঙ্গতে লিঙ্গ প্রবেশের পর মৃদু নাড়াচাড়া করবে। লক্ষ্য রাখতে হবে নাড়াচাড়া যেন জোড়ে না হয়।
গ. নারীর উপরে এই আসনটি সঠিক প্রয়োগে নারীর উত্তেজনা অপেক্ষাকৃত বাড়াতে পারে।

Thursday, February 14, 2019

জেনে নিন শারীরিক মিলনের আসন

February 14, 2019
ছবি: সংগৃহীত

পৃথিবীব্যাপী বিভিন্ন প্রকার শারীরিক মিলনাসন আছে। এগুলোর ব্যাখ্যা আমরা বিভিন্ন সময়ে জেনেছি এটা বলা দরকার যে শারীরিক মিলনের জন্য শারীরিক মিলনাসন সবচেয়ে বেশি প্রয়োজনীয়। পুরুষ কিংবা নারীর শারীরিক মিলন আনন্দ এবং চরমপুলক নির্ভর করে পছন্দ সই শারীরিক মিলন আসনের উপর। শারীরিক মিলন আসনের বেশ কিছু আসন জনপ্রিয় নয়। তবে অনেক দম্পতি এই আসনগুলোতে শারীরিক মিলন করে থাকে, আসনের একঘেয়েমি কাটাতে। নারী পুরুষের দৈহিক মিলনের আসনগুলো হলোঃ

পুরুষ উপরে নারী নিচে।
নারী উপরে পুরুষ নিচে।
পাশাপাশি আসন।
বিরল আসন।
বসা আসন।
উল্টো আসন ইত্যাদি।

এই আসনগুলোর মধ্যে পুরুষ উপরে নারী নিচে এবং পাশপাশি আসন দুটো পৃথিবীব্যাপী জনপ্রিয়। পুরুষ উপরের আসনকে মিশনারী আসন বলা হয়। পুরুষ এই আসনে সবচেয়ে বেশি শারীরিক মিলন আনন্দ পেয়ে থাকে। নারীও এই মিশানারী আসনে সবচেয়ে বেশি শারীরিক মিলন আনন্দ লাভ করে।

বিয়ের পর মেয়েদের যে সব শারীরিক পরিবর্তন হয়

February 14, 2019
ছবি: সংগৃহীত

বিয়ের কিছুদিন পরেই দেখা যায়, অনেক মেয়ের স্তন ও কোমড় মোটা হয়ে গেছে। এ নিয়ে নানা ধরণের কথা বিভিন্ন সমাজে প্রচলিত আছে। অবিবাহিতদের তুলনায় দম্পতিরা সাধারণত স্বাস্থ্যকর খাবার বেশি খেয়ে থাকেন। তার কারণে স্তন ও কোমড় মোটা হয়ে যায়।

“দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্কে জড়িত মেয়েরা অনেক সচেতনতার সঙ্গে আরও স্বাস্থ্যকরভাবে খাওয়া-দাওয়া করে থাকেন।” তবে তার মানে এই নয় যে তারা সুস্বাস্থ্যের অধিকারী নয়।

অবিবাহিতদের তুলনায় বিবাহিতা মেয়েরা শারীরিক পরিশ্রম কম করে থাকেন। দম্পতিদের বিএমআই’য়ের মাত্রা অবিবাহিতদের তুলনায় বেশি, নারী-পুরুষ উভয়েরই।

“সামাজিক ও শারীরিক বিষয়গুলো স্তনের উপর উপর প্রভাব ফেলতে পারে। আর বিয়ে এবং আনুষঙ্গিক পরিবর্তনগুলো শারীরিক পুষ্টি এবং ওজনের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কযুক্ত।”

বিবাহিত দম্পতিদের পাশাপাশি অবিবাহিত দম্পতিদের নিয়েও বাড়তি গবেষণা করেছেন গবেষকরা।“বাস্তবে দম্পতিরা সবক্ষেত্রে ততটা স্বাস্থ্যকর মিলন করেন না, যতটা মনে করা হয়।

Wednesday, February 13, 2019

নারীরা বিবাহিত পুরুষদের প্রতি দুর্বল হয় কেন?

February 13, 2019
ছবি: সংগৃহীত

জেনে শুনে অন্যের সংসার ভাঙতে চাননা কেউই। তবে কখনো কখনো পুরো ব্যাপারটা সবার হাতে থাকেনা। কারণ মোহ অতি বিষম বস্তু। একবার কারোর প্রতি চলে গেলে চাইলেও তাকে বাগে আনা যায়না। ফলে শুরু হয় মানসিক অশান্তি এবং জীবনে নেমে আসে নানা অসুবিধা। তাই আগে থেকেই সাবধান হোন এইভাবে:-

আকর্ষণ বা মোহ সহজাত প্রবৃত্তি থেকে আসে। অপরিচিত বা অল্প পরিচিত বা পরিচিত বিবাহিত পুরুষের প্রতি আপনার ভালোলাগা জন্মাতেই পারে। কিন্তু মনের এ আবেগকে মোটেও বেশি পাত্তা দেবেন না। আপনার জন্য কেউ না কেউ আছেন যার দেখা এখনো মেলেনি। তার দেখা পেলেই বর্তমানের ভালোলাগা চলে যাবে।

হতে পারে পুরুষটি একদমই আপনার মনের মতন। কিন্তু ওই মানুষটি আপনার জন্য নন, তিনি অন্য কারোর। কাজেই আপনার একচেটিয়া ভালোবাসায় তার কাছ থেকে আপনি কিছুই পাবেন না। কাজেই যে একা মানুষটি আপনার জন্য অপেক্ষা করছেন তার কাছ থেকে অন্তত ভালোবাসার প্রতিদান পাবেন আপনি।

বহু মানুষ আছেন যারা বিয়ের পরও আগের জীবনের প্রেম-ভালোবাসা বরাবরের মতোই চালিয়ে যান। এসব ক্ষেত্রে তারা স্ত্রীর কাছে আদর্শ স্বামী সেজে থাকেন, ওদিকে অন্য নারীর কাছে অসুখী বিবাহিত জীবনের নানা গল্প ফেঁদে আপনার দুর্বল মানসিকতার সুযোগ নেবে। কিন্তু দেখবেন, তার প্রতি আপনার ভালোবাসা তাকে বিবাহিত জীবন থেকে ফিরিয়ে আনবে না।

কাজেই এ পরিস্থিতিতে মাথা ঠাণ্ডা রেখে তার কাজ-কারবার খেয়াল করুন। বরং ভেবে দেখুন, যে নারী এই পুরষটিকে বিয়ে করেছেন, তিনি কতোটা ঠকছেন এবং সৌভাগ্যের বিষয় সেই নারীটি আপনি নন।

আপনাকে মানসিকভাবে দুর্বল করতে তার নানা প্রেমময় মেসেজ, খুনসুটি, বেড়াতে নিয়ে যাওয়া বা গিফট করা ইত্যাদি কাজে দুর্বল হবেন না। এসবে গুরুত্ব দিয়ে তার সুযোগ আরো বেড়ে যাবে। ভেবে দেখুন, আপনার পছন্দের বিবাহিত পুরুষটি এমন এক মানুষ যে কিনা তার স্ত্রীর সঙ্গে অনবরত প্রতারণা করে যাচ্ছে। ওই পুরুষ যদি ব্যক্তিত্ববান হন, তবে দেখবেন তিনি আপনার এই আচরণের প্রতিবাদ করছেন না এবং তিনি সরে যাবেন। কিন্তু যদি না করেন, তবে বুঝবেন আপনাকে তার শিকার বানানোর প্রক্রিয়া চলছে।

মনে রাখবেন যে মানুষ একজনের হতে পারেনা সে কারোরই হতে পারেনা। সুতরাং যে নিজের বউএর সাথে প্রতারণা করছে সে যে আপনার সাথে একই কাজ করবেনা এর গ্যারান্টি কেউ দিতে পারেনা।

বিবাহিত কোনো পুরুষের প্রতি প্রেম জন্মানোটা অপরাধ নয়। তার ওষুধ আপনাকে ওপরের টিপসগুলোতে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু যদি এমন হয় যে, একের পর এক বিবাহিত পুরুষের প্রতি আকর্ষণ বোধ করেন আপনি, তবে নিজেকে নিয়ে চিন্তার বিষয় রয়েছে। এ ক্ষেত্রে নির্জনে নিজের বিবেকের সঙ্গে কথা বলুন।

এমন কেনো হয় আপনার? দুই একাকী নর-নারী পরস্পরের প্রতি ভালোবাসা, দায়িত্বশীলতা এবং সততা নিয়ে জুটি গড়ে। আপনি কী এই দায়িত্বশীলতা এবং সততার ঝামেলা থেকে দূরে থাকতে চান? তাই বিবাহিত পুরুষকেই নিরাপদ মনে হয়? যদি এমনই হয়, তবে নিজেকে নিজের কাছে পরিষ্কার করে নেওয়াটা জরুরি।

সত্‍, দায়িত্বশীল এবং অঙ্গীকারবদ্ধ সম্পর্ক আপনাকে সেই আবেগ-অনুভূতি দিবে যার জন্য আপনি সম্পর্কে জড়ান।